Today 18 Dec 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

অপরূপ পান্তুমাই……

লিখেছেন: কামাল উদ্দিন | তারিখ: ১৮/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 656বার পড়া হয়েছে।


সিলেটের সীমন্তাবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ইউপির একটি গ্রাম পান্তুমাই। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে খড়স্রোতা পিয়াইন নদী। পাশের দেশ ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সু-উচ্চ পাহাড় যেনো পান্তুমাই গ্রামের উপর দাড়িয়ে আছে। পিয়াইন নদীর মূল জলধারা এই মেঘালয়ের ঝর্ণাগুলো থেকেই সৃষ্ট। মেঘালয় রাজ্যের ইস্ট খাসিয়া হিল জেলার পাইনেচুলা থানার অন্তগর্ত পাহাড়ী ঝর্ণা বপহিল। এই বপহিল ঝর্ণাটাই আমাদের পান্তুমাই গ্রামে থেকে দেখা যায় বলে আমরা একে বলে থাকি পান্তুমাইয়ের ঝর্ণা বা পান্তুমাই ঝর্ণা। মূলত আমরা এই ঝর্ণার পানি পাই আর সৌন্দর্য্য দেখতে পারি, ওকে হাতে ছুয়ে দেখতে হলে ভিসা পাসপোর্ট ইত্যাদি ঝামেলাটা থেকেই যায়। গত ১৫ আগষ্ট মুসলধারে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে গিয়েছিলাম পান্তুমাই ঝর্ণা দেখতে । এবার আসুন পান্তুমাইকে দেখি আমার ক্যামেরায়……..

(২) সিলেট থেকে আমরা সিএনজিতে করে গোয়াইন ঘাটের হাদার পার যাই, ওখান থেকে প্রবল বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ট্রলারে চেপে বসি।


(৩) পচন্ড বৃষ্টি আর মেঘালয়ের পাহাড়ি ঢলে এপারের বাড়ি ঘর গাছ-পালা সবই প্রায় ডুবতে বসেছে।


(৪) যত বৃষ্টি আর ঢলই হোক এডভেঞ্চার প্রিয় মানুষরা কখনো পিছু হটে না, অন্য একটা পর্যটক ট্রলার।


(৫) এক সময় দুরে আমাদের দৃষ্টি সীমার ভেতরে চলে আসে পান্তুমাই ঝর্ণা।


(৬) এমন চমৎকার সৌন্দর্য্যের ছবি তোলায় ব্যস্ত পর্যটকরা।


(৭/৮) কাছে এসেতো আমাদের চক্ষু চড়কগাছ, প্রচন্ড শব্দে ভয়ঙ্কর গতি নিয়ে ছুটে আসছে পানির তোড়, যেন যখন তখন ঐ ছোট্ট ব্রীজটাকে উড়িয়ে দিতে পারে এই গতি। আর পাশের পাহাড় বৃষ্টি আর ঝর্ণার উড়ন্ত পানি কণায় ঝাপসা করে দিয়েছে।


(৯) এরা আবার কারা ? এই প্রচন্ড স্রোতের দিকে ডিঙ্গি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে !!


(১০) ফেরৎ আসার পর জানতে পারলাম ওরা গাছ শিকারী, মেঘালয়ের পাহাড়ের ঝড় আর পানির তোরে ওখানকার পাহাড়ের অনেক গাছপালা ভেঙ্গে পানির সাথে ভেসে আসে, ওরা সেইগুলোকে ধরে আনে।


(১১/১২) যে যতো পারো সেলফি তুলে নাও, এমন সুযোগ তো আর সব সময় আসে না।


(১৩/১৪) পিয়াইনে এখন বয়ে চলেছে দুইটা স্রোতধারা, একটা স্বচ্ছ অন্যটা ঘোলাটে।


(১৫/১৬) এবার ট্রলার ছেড়ে আমরা পান্তুমাই গ্রামে নেমে পড়লাম, আমাদের গন্তব্য হাজীপুর ও সংগ্রামপুঞ্জি হয়ে জাফলং মাঝখানে অবশ্য প্রথমে হাটা তারপর ট্রলার আবার গাড়ি আবার ট্রলার হয়ে জাফলং পৌছতে হবে। পান্তুমাইয়ে নেমে গাছ গাছলির উপর দিয়ে ঝর্ণার শেষ ক্লিক।


(১৭/১৮) পাহাড়ি ঢলে এমন উঁচু একালার রাস্তা ঘাট এমনকি অনেক বাড়িও তলিয়ে গিয়েছিলো। সেই পানির সাথে সংগ্রাম করে এক সময় আমরা জাফলং পৌছে গিয়েছিলাম।


(১৯) গত এপ্রিলে গিয়েছিলাম মেঘালয়ে, তখন এই পান্তুমাই বা বপহিল ঝর্ণার রূপটা কেমন ছিলেন দেখেন। এই ছবিটা ঐ লোহার ব্রিজটার উপর দাড়িয়ে তোলা।


(২০) ব্রিজে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পান্তুমাই গ্রামের দিকে ক্যামেরা তাক করে তোলা ছবিটা ছিলো এমন।


(২১) ঐ ব্রিজে বসে আমি ও আমার বন্ধু, পিছনে শুকনো মৌসুমের বপ হিল বা পান্তুমাই ঝর্ণা।

 

৬৪৫ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
বিশ্ব জোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র –নানা ভাবে নতুন জিনিস শিখছি দিবা রাত্র ……
সর্বমোট পোস্ট: ২৭ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৯১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৯-১৪ ০৫:২৮:১৯ মিনিটে
banner

৩০ টি মন্তব্য

  1. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    পিয়াইন নদীৱ কথা একদিন ম্যাগাজিনে পড়েছি।

  2. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনাৱ লেখা গুলোপথেকে ভ্ৰমন আৱ ভৌগলিক অনেক তথ্য জানা যায়

  3. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    by the way খুব সুন্দৱ লিখেছেন আশাকৱছি আৱো ভাল লেখা পাবো

  4. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখাৱ প্ৰসঙে বলতেহয় লেখা আৱ ছবি খাপ খাইয়েছে

    • কামাল উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

      লেখাৱ প্ৰসঙে বলতেহয় লেখা আৱ ছবি খাপ খাইয়েছে

      ……….বাস্তবতা হলো আমি ছবি মোটামুটি তুলতে পারলেও লিখাটা এখনো খুবই দূর্বল, তবু আমাকে উৎসাহিত করার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ

  5. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    তা দ্বাৱুচিনিদ্বীপ কে নিয়ে লিখছেন কবে? আমি ঐ দ্বীপটা নিয়ে খুব ইনটাৱেস্ট

    • কামাল উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

      দ্বাৱুচিনিদ্বীপ ……আমি যতদুর জানি দ্বাৱুচিনিদ্বীপ নামে হুমায়ুন আহমেদের একটা উপন্যাস আছে, কিন্তু বাস্তবে এই নামের কোন দ্বীপ আছে কিনা আমি জানি না ।

  6. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    কুমিল্লা কে নিয়ে ও প্ৰতিবেধন তৈৱি কৱতে পাৱেন তো

  7. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    ভ্রমণ আমাকে বেশ টানে। সময় পেলেই চলে যাই কিছু দেখতে। যাওয়া যাবে কোন একদিন।

  8. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    আচ্ছা এটা খড়স্ৰোত হবে নাকি খড়স্ৰাতা ই হবে?

  9. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    এতশত ভ্ৰমন কাহিনী কোথায় থেকে আসে

  10. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    Darun
    otib sundar

  11. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল।

  12. সাঈদুল আরেফীন মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার দৃশ্য ,অদ্ভুত বর্ণনায় সত্যিই ডুবে যাই পান্তুমাই ঝর্নাধারায়। কিছুক্ষণের জন্য হলেও মনটাকে ভিজিয়ে দিলাম জাফলং পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশি দেশের অপূর্ব এই ঝর্ণাধারা। নিদারুণ সৌন্দর্যময় লেখা ও ছবির জন্য লেখক কামাল উদ্দিনের প্রতি রইলো হৃদয় উৎসারিত শুভাশিস।

  13. আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার ফটো পোষ্ট অনেক চমৎকার সবসময়ে কামাল ভাই।নুতুন করে বলার কিছু নাই।চমৎকার পোষ্টটিতে অনেক অনেক ভাললাগা।শুভেচ্ছা রইল।

  14. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    অসম্ভব ভাল লাগল, আপনার ভাগ্য অনেক ভাল। কত জায়গায় যেতে পারছেন। শুকরিয়া আল্লাহর কাছে

  15. আর এন মিলি মন্তব্যে বলেছেন:

    গিয়েছি দুইবার আর চান্স পেলে আবার যাব । দারুন ছবি আর ভ্রমণ কাহিনী

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top