Today 15 Oct 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

অলীক ইশারা সাঈদুল আরেফীন

লিখেছেন: সাঈদুল আরেফীন | তারিখ: ০৯/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 271বার পড়া হয়েছে।

অলীক ইশারা
সাঈদুল আরেফীন

জীবনের এক নির্মলতা নির্মিত হলো এপাড়ে।ওপাড়ে
স্বপ্ন ও ছবি খোঁজে অন্যরকম সুর। খেলাঘর নয়
সবুজ সবুজ সুখ আর মায়াবী উৎসবে মেতে ওঠে
স্বদেশের মুখ। পাখি ডাকা উৎসবে আবারো
ফিরে পাই এখানে এই নান্দনিকতায় । সবুজেরা খেলছে
অবিরত দিগন্তের পাড়ে,ওপাড়ে
পাসপোর্টবিহীন অলীক ইশারায়। কী যে অন্যরকম
মোহনীয় সুর বেজে ওঠে জীবনের কাব্যে প্রতিনিয়ত
প্রকৃতির এক অবিস্মরণীয় ধারা রচিত হয়
উত্তর গোলার্ধের হিমবাহে। অন্য প্রান্তে আমি বসে পাই
সুখ জীবনের দক্ষিণ গোলার্ধের মাটি আর বায়ূতে। ওঠে
ঝড় জ্বলোচ্ছাস ইশারায় নয়,সবুজের নি:শেষিত অবস্থান
বিষাক্ত কার্বনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় অজানা দ্বীপ দ্বীপান্তরে,
স্বপ্ন ও সুখের খেলাঘর ভেঙে যায় কী স্বদেশ প্রকৃতি
জীবনের নির্মলতা বিনষ্ট হয় এ বন্দর ছেড়ে ও বন্দরে ।

২৫৫ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সাঈদুল আরেফীন ১৯৬৮ সালের ২৭ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর কোরবানীগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস বাঁশখালি উপজেলার জলদি গ্রামের নেয়াজর পাড়ায়। পিতার নাম মুহাম্মদ ফৌজুল কবীর এবং মায়ের নাম মরহুমা মোসলেমা খাতুন। আশির দশকের মধ্যভাগ থেকেই সরকারি মহসিন কলেজে পড়াকালীন সময় সাঈদুল আরেফীন সাহিত্য চর্চায় নিবেদিত হন। সেই থেকে কবিতা ,গল্প,প্রবন্ধ,নিয়ে নিরন্তর কলম চালান তিনি। আশির দশকের শেষভাগে সংবাদপত্রে যোগ দেন। চট্টগ্রাম প্রতিবেদক হিসেবে সাপ্তাহিক চিত্রালী,সাপ্তাহিক স্বদেশ খবর,সন্দীপ সহ বিভিন্ন সময়ে অধুনালুপ্ত সমতা অপরূপ বাংলার প্রধান প্রতিবেদক ছিলেন। মূলত সংবাদপত্রে হাতে খড়ি হয় দৈনিক পূর্বতারাতে ক্ষুদে রিপোর্টার হিসেবে সরকারি মুসলিম হাইস্কুলে পড়াকালীন সময়ে। বর্তমানে তিনি রাজনীতি,শিক্ষা,সাহিত্য, সংস্কৃতি,শিশু অধিকার ও উন্নয়ন বিষয়ক প্রবন্ধ কলাম এবং লিখে চলেছেন নিয়মিতভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্র ও লিটলম্যাগ গুলোতে। চট্টগ্রাম বেতারে নিয়মিত আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও গবেষণামূলক স্বরচিত প্রবন্ধ ও কথিকা পাঠ ছাড়াও মাঝে মাঝে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে থাকেন। সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন ছোটবেলা থেকেই। তারই ধারাবাহিকতায় দশ বছরের পরিক্রমায় অনুপম নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত থেকে মানবসেবা শিক্ষা , সাহিত্য ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার একটি উজ্জ্বল সুন্দর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আশির দশকেই। এখন যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নামক একটি বেসরকারি উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অনারারী ম্যানেজমেন্ট এডভাইজার হিসেবে কর্মরত থেকে প্রশিক্ষণ,উন্নয়ন নানা গবেষণাধর্মী কাজে জড়িত আছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বোর্ড সদস্য হিসেবে জড়িত থেকে শিক্ষার প্রসারেও কাজ করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম নগরীর লামাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে আছেন। এছাড়া সাহিত্য ও সংস্কতি বিষয়ক পত্রিকা ঐতিহ্যের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি স্ত্রী ও ১ কন্যা সন্তানের জনক। “মনে পড়ে জলকদর” তাঁর প্রথম কাব্য গ্রন্থ। এ গ্রন্থের মধ্য দিয়েই তিনি আমাদের জানান দিয়েছেন লেখালেখির মাঝখানে বিরতি দিলেও তিনি হারিয়ে যাননি। ইদানিং পত্র পত্রিকায় আবারো সক্রিয় হয়েছেন। এতে বেছে নেয়া তাঁর কবিতাগুলোর অধিকাংশই দৈনিক পূর্বকোণ,আজাদী ,মঞ্চ,সুপ্রভাত বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন লিটল ম্যাগে প্রকাশিত কবিতার সংকলন। আমাদের কাব্যভুবনে তাঁর আগমনকে স্বাগত জানাই। তাঁর কবিতা আশাকরি পাঠকের মন ছুঁয়ে যাবে। অচিরেই তাঁর শিশুতোষ প্রবন্ধ ও উন্নয়ন গবেষণামূলক দুটি প্রবন্ধের বই বেরোবে।
সর্বমোট পোস্ট: ২৬ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৫৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৬-১২ ১৩:৫৫:৪১ মিনিটে
banner

৫ টি মন্তব্য

  1. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার প্রায় সব কবিতায় জীবনের ছোঁয়া আছে , একটু চিন্তা করতে হচ্ছে। আসলে কি বলতে চাচ্ছেন।

  2. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ভবোধ হয় কাৱন কবি ও ছিলেন একদা আমাৱ মত চা দোকান্দাৱ

  3. সাঈদুল আরেফীন মন্তব্যে বলেছেন:

    ঘাস ফড়িং আপনার মন্তব্য বুঝতে পারিনি।

  4. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    জীবনের নির্মলতা বিনষ্ট হয় এ বন্দর ছেড়ে ও বন্দরে

    খুব ভাল লাগল জীবনের ছোয়া কবিতায়

    শুভ কামনা রইল ভাল থাকুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top