Today 10 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

অ্যাসিডিটি সমস্যায় করণীয় টিপস্ –

লিখেছেন: অনিরুদ্ধ বুলবুল | তারিখ: ০৯/০৫/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 639বার পড়া হয়েছে।

অ্যাসিডিটির সমস্যায় কম বেশি আমাদের সবাইকেই ভুগতে হয়। আমাদের পাকস্থলিতে অতিরিক্ত বা ভারসাম্যহীন অ্যাসিড উৎপন্ন হওয়ার ফলে পেট ব্যথা, গ্যাস, বমিবমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ বা অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত বেশি ঝাল খাবার খাওয়া, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দুঃচিন্তা, ব্যায়াম না করা বা অতিরিক্ত মদ্য পানের ফলে অ্যাসিডিটি হতে পারে। এই অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ খান৷কিন্তু ওষুধ ছাড়াও কিছু ঘরোয়া টিপস্ ব্যবহার করে এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেই অ্যাসিডিটি নিরাময়ের কিছু সাধারণ কৌশল।

 গরম জল: সাধারণত কুসুম গরম জল রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

দারুচিনি:হজমের জন্য খুবই ভাল, এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড যা পেটের গ্যাস দূর করে। এক কাপ জলে আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে দিনে ২/৩ বার এটা খেতে পারেন। এছাড়া চাইলে সুপ/সালাদে দিয়েও খেতে পারেন।

পুদিনা পাতা: এর বায়ুনিরোধক ও প্রশান্তিদায়ক গুণ নিমিষেই বুক ও পেট জ্বালাপোড়া করা, পেট ফাঁপা ও বমি ভাব উপশম করে। তাই অ্যাসিডিটির লক্ষণ দেখা দিলেই কয়েকটি পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে হবে বা খেতে পারেন চা বানিয়ে। এক কাপ জলে ৪/৫ টি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খেতে পারেন বা চাইলে তাতে একটু মধুও যোগ করতে পারেন।

লবঙ্গ: লবঙ্গ পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি ও গ্যাস দূর করতে পারে এর বায়ু নিরোধক ক্ষমতার জন্য। ২/৩ টি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চুষলে বা সমপরিমান এলাচ ও লবঙ্গ গুঁড়ো খেলে অ্যাসিডিটির জ্বালা এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

জিরা: জিরা হজমক্রিয়ায় চমৎকার কাজ করে। দেড়কাপ জলে এক চা চামচ করে জিরে, ধনে ও মৌরী গুঁড়া এবং সামান্য চিনি মিশিয়ে খালি পেটে খেতে পারেন অথবা এক গ্লাস জলে সামান্য জিরার গুঁড়া মিশিয়ে বা ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে প্রতিবেলা খাবার পর খেতে পারেন।

আদা: আদার রস পাকস্থলীর অ্যাসিডিটির প্রশমিত করতে সাহায্য করে। অ্যাসিডিটির সময় এক টুকরো আদা মুখে নিয়ে চুষলে বা এক কাপ জলে কয়েক টুকরো আদা দিয়ে কিছুক্ষন ফুটিয়ে রেখে খেতে পারেন কিংবা শুধু এক চা চামচ করে আদার রস দিনে ২/৩ বার খেলে অ্যাসিডিটির থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

মৌরী বো গোয়ামূরী: পুদিনা পাতার মতো মৌরীরও রয়েছে বায়ু নিরোধক ক্ষমতা যার ফলে খাবার হজম করতে এবং পেটের গ্যাস দূর করতে এটা বেশ কার্যকরী। ভারী ও ঝাল খাবারের পর কিছু মৌরী মুখে দিয়ে চুষতে পারেন। আবার এক বা দুই চা চামচ মৌরী এক কাপ গরম পানিতে দিয়ে কিছুক্ষন রেখে ছেঁকে নিয়ে দিনে কয়েকবার খেতে পারেন।

তালের গুড়: তালের গুড় খাবারকে হজমে সাহায্য করে এবং হজমক্রিয়াকে ক্ষারধর্মী করে অ্যাসিডিটি কমায়। প্রতিবেলা খাবার পর ছোট এক টুকরো গুড় মুখে নিয়ে চুষতে থাকবেন যতক্ষন না অ্যাসিডিটির জ্বালা কমে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য এটা প্রযোজ্য নয়।

ঘোল বা মাঠা: সারাদিনে কয়েকবার শুধু মাঠা খেলে বা সাথে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়ো অথবা এক চা চামচ ধনেপাতার রস মিশিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায় অথবা আধা থেকে এক চা চামচ মেথি সামান্য জলে পেস্ট করে এক গ্লাস মাঠার সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটির পেট ব্যথা দূর হয়।

ঠাণ্ডা দুধ: পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় দুধ। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে অ্যাসিড তৈরিতে বাধা দেয়। শুধুমাত্র এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করেই অ্যাসিডিটির সমস্যা প্রতিরোধ বা উপশম করা সম্ভব।

বিশেষ সতর্কতা-
অ্যাসিডিটির সমস্যায় উল্লেখিত পদ্ধতিগুলোর সাহায্য নিয়ে যদি ২/৩ দিন পরও সমস্যারকোন উন্নতি না হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

 

তথ্যসূত্র:http://www.newsevent24.com/detail/event/18503#sthash.2kT60q7M.dpuf

৬৪০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কৈফিয়ত - তোমরা যে যা-ই ব'ল না বন্ধু; এ যেন এক - 'দায়মুক্তির অভিনব কৌশল'! যেন-বা এক শুদ্ধি অভিযান - 'উকুন মেরেই জঙ্গল সাফ'!! প্রতিঘাতের অগ্নি-শলাকা হৃদয় পাশরে দলে - শুক্তি নিকেশে মুক্তো গড়ায় ঝিনুকের দেহ গলে!! মন মুকুরের নিঃসীম তিমিরে প্রতিবিম্ব সম - মেলে যাই কটু জীর্ণ-প্রলেপ ধূলি-কণা-কাদা যত। রসনা যার ঘর্ষনে মাজা সুর তায় অসুরের দানব মানবে শুনেছ কি কভু খেলে হোলি সমীরে? কাব্য করি না বড়, নিরেট গদ্যও জানিনে যে, উষ্ণ কুসুমে ছেয়ে নিয়ো তায় - যদি বা লাগে বাজে। ব্যঙ্গ করো না বন্ধু আমারে অচ্ছুত কিছু নই, সীমানা পেরিয়ে গেলে জানি; পাবে না তো আর থৈ। যৌবন যার মৌ-বন জুড়ে ঝরা পাতা গান গায় নব্য কুঁড়ির কুসুম অধরে বোলতা-বিছুটি হুল ফুটায়!! ভাল নই, তবু বিশ্বাসী - ভালবাসার চাষবাসে, জীবন মরুতে ফুটে না কো ফুল কোন অশ্রুবারীর সিঞ্চনে। প্রাণের দায়ে এঁকে যাই কিছু নিষ্ঠুর পদাবলী: দোহাই লাগে, এ দায় যে গো; শুধুই আমার, কেউ না যেন দুঃখ পায়।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪২২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০২-১৪ ০২:৫৯:৫৩ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    অ্যাসিডিটি বর্তমানে সবচেয়ে সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যার একটি ! অ্যাসিডিটির সমস্যা নেই এমন মানুষই বরং খুঁজে পাওয়া কঠিন ! অনেক ভালো পরামর্শ পেলাম অ্যাসিডিটি সম্পর্কে । আশা করছি উপকারে আসবে । অনেক ধন্যবাদ বিষয়টি শেয়ার করার জন্য ।

  2. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    আমাদের মত অনৈতিকতার দেশে দুর্নীতিপূর্ণ রাষ্ট্র-ব্যবস্থায় যেখানে জবাবদিহিতা নেই তেমন দেশে খাওয়া-খাদ্য থেকে শুরু করে সব কিছুতেই রয়েছে ভেজাল আর অ-ব্যবস্থাপনা। সুতরাং এখানে শিশু থেকে শুরু করে ৯৮ শতাংশ মানুষই বর্তমানে অ্যাসিডিটির শিকার (অন্য কোন দেশে এতটা প্রকট নয়)। এই অবস্থা থেকে সহসা পরিত্রাণের কোন উপায় দেখি না। একমাত্র দয়াময় স্রষ্টা তার নিজ খেয়ালে যেটুকু রক্ষা করবেন – সেটুকুই পাব। তার বেশি চাওয়ার কোন আশা নেই। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

  3. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    সবই ঠিক আছে
    তবে যারা নিয়মিত নির্দিষ্ট সময়ে খায় তাদের এই সমস্যা কম ।

    • অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

      আমি খাওয়ার ব্যাপারে বরাবরই সচেতন ছিলাম।
      কিন্তু কি বলব, বহুবছর নিয়ম করে দৈনিক ছয়বার খেতাম, এখনো তা ই খাই।
      তারপরও এসিডিটি ছাড়াতে পারলাম না।
      আলসার হল, আলসার থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত গড়াল।
      অপারেশন ক্যামোর পর এখনো সার্ভাইভ করছি, প্রায়ই ভোগতে হচ্ছে।

  4. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    এসিডিটির টিপস সানন্দে গ্রহন করা হলো

    শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top