Today 24 Jan 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

আজ ফের মনে পড়ে গেল !!!

লিখেছেন: টি. আই. সরকার (তৌহিদ) | তারিখ: ০৫/০৪/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1053বার পড়া হয়েছে।

ছোট্ট বেলায় সিনেমা দেখার কথা মনে পড়ে গেল হঠাৎ ! সারা সপ্তাহ জুড়ে অপেক্ষায় থাকতাম শুক্রবারের ! বিটিভি-তে যে সপ্তাহে শুধু একটাই সিনেমা দেখানো হয় আর সেটা যে শুধু শুক্রবারেই ! বেলা তিনটায় সিনেমা শুরু কথাটা মাথায় রেখেই যেন থাকত সারাদিনের কর্মপরিকল্পনা !

যাই হোক, যে প্রসঙ্গে সিনেমার কথা মনে পড়লো সেই প্রসঙ্গেই বরং বলি ! তখনকার বেশিরভাগ সিনেমাতে যে জিনিসটা বেশি চোখে পড়তো তা হচ্ছে বিভিন্ন বংশের মধ্যকার অতীতের কোন দ্বন্দ্ব এবং সেই সূত্রপাত ধরে নতুন প্রজন্মের মধ্যেও তৈরি হওয়া একটা দূরত্ব ! যেমন- তালুকদার বংশের সাথে মির্জা বংশের কিংবা চৌধুরী বংশের সাথে শিকদার বংশের দ্বন্দ্ব ! এই দ্বন্দ্বের ফলে এক বংশ অপর বংশের কোন ভাল কর্মকেই ভাল চোখে দেখতে পারতো না ! তাছাড়া এক বংশের লোকেরা অপর বংশের লোকদের সবসময় যে কোন ভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করতো ! কোন এক পর্যায়ে দুই বংশ থেকে নায়ক-নায়িকার উদ্ভব হয়ে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দুই বংশের মিলনের মাধ্যমে সমাপ্তি হতো সিনেমার !

তবে আমরা যারা সিনেমা দেখতাম তারা কিন্তু বাস্তব জীবনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বংশানুক্রমিক দ্বন্দ্ব কখনোই প্রত্যাশা করতাম না ! তাই বাংলা সিনেমার এই বিষয়গুলি কখনোই আমরা আদর্শ হিসেবে নিতাম না কিংবা নেই নি ! কিন্তু ১৫-২০ বছর পরে এসে যা দেখছি তা যে কল্পনাকেও হার মানায় ! দেশের শীর্ষ দুই রাজনৈতিক দলই কি করে সেই দিনকার বাংলা সিনেমাকেই আদর্শ হিসেবে বেছে নিলেন ?

সম্পূর্ণ বাংলা সিনেমাটাকেই যদি তারা আদর্শ হিসেবে নিতেন তাও তো ভালোই ছিল ! কিন্তু তারা তো আদর্শ হিসেবে নিয়েছেন শুধু দ্বন্দ্বের অংশটাকে ! সবচেয়ে বড় কষ্টের বিষয় হচ্ছে ঐ বাংলা সিনেমায় তো দুই বংশে নায়ক-নায়িকার আবির্ভাবের মাধ্যমে একটা সময় সিনেমার চিত্রনাট্যকার বংশ দু’টির মিল দেখাতেন, কিন্তু বাস্তব জীবনের চিত্রনাট্যকার যিনি তিনি কি এই দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে আদৌ কোন শুভবুদ্ধির নায়ক আর নায়িকার আবির্ভাব ঘটাবেন- যাদের কল্যাণে দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে বসবাসকারী শান্তিকামী লোকজন একটু শান্তির আশ্রয় খুঁজে পাবে ?

প্রশ্নটাই শুধু জানা আছে আমার ! উত্তর তো জানা আছে শুধু ঐ চিত্রনাট্যকারের যিনি উপরে বসে লিখছেন তার মনগড়া চিত্রনাট্য !

(২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৫ এর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেয়া)

১,০৪২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কবিতার প্রতি ভালোলাগা থেকেই আমার লিখার হাতেখড়ি । কবিতার ছন্দ আমাকে ভীষণ টানে । আর তাই কবিতা পড়া কিংবা লিখায় ছন্দ খুঁজে ফিরি প্রতিনিয়ত । সে কারণেই কি না আহসান হাবীব, জীবনানন্দ কিংবা জসীম উদ্দিনের মতো কবিদের লিখা আমাকে একটু বেশিই টানে ! বিরহের কবিতাও ভীষণ ভালো লাগে । লিখাটা অবশ্য আমার শখের একটা অংশ । লিখায় আমি যে খুব একটা পারদর্শী নই সেটা কেউ সরাসরি না বললেও বুঝতে পারি । তাছাড়া আমার শব্দভাণ্ডার কতটা সীমিত তা আমার লিখা পড়লে যে কেউ বুঝতে পারবেন । তবুও নিজের মনের ক্ষুধা নিবারণ করতে লিখে যাই । লিখতে ভালো লাগে । খুব কঠিন করে লিখতে পারিনা । অবশ্য সেরকম চেষ্টাও যে খুব একটা করা হয় তেমনটাও নয় ! অনলাইন ব্লগে লিখায় হাতেখড়ি এই (২০১৫ সাল) ফেব্রুয়ারিতে, নক্ষত্র ব্লগে । (২০১৫ সাল) মার্চে যুক্ত হলাম চলন্তিকায় । অবশ্য ফেসবুকে বছর দুয়েক আগে থেকেই মাঝে-মধ্যে লিখা হয়েছে । বলতে পারেন নগণ্য এক লেখক আমি- যে কি না শুধু নিজের মনের আনন্দের জন্যই লিখে । আর তাই এখনো (০৮-০৩-২০১৫) পর্যন্ত কোন প্রিন্ট মিডিয়াতে আমার লিখা জমা দেইনি কিংবা দেবার চেষ্টাও করিনি । স্বাভাবিকভাবেই, আমার কোন লিখা কোন প্রিন্ট মিডিয়াতে আজ পর্যন্ত ছাপার অক্ষরে মুদ্রিত হবার সুযোগ পায়নি । ইদানিং অবশ্য এ (প্রিন্ট মিডিয়া) ব্যাপারে একটু আগ্রহ জন্মেছে । সম্ভবত নবম শ্রেনিতে প্রথম কবিতা লিখি । এক বড় ভাই দেখে বলল, "তুমি তো খুব ভালো লিখ । তোমার কবিতাটা দিও ! আমি কম্পিউটারে কম্পোজ করে দেব ।" ছাপার অক্ষরে লিখা হবে আমার কবিতা... ভাবতেই আনন্দ লাগছিল ! সেই থেকে মূলত কাগজ-কলমের সাথে যোগাযোগ । নিয়মিত লিখা হয়নি কখনোই । তবে মাঝে-মধ্যে কিছু ভাবনা মনে এমনভাবে উথালপাতাল শুরু করে যে না লিখা পর্যন্ত মনে শান্তি আসে না । না চাইলেও তাই মাঝে মাঝে লিখতেই হয় । ইদানিং অবশ্য কিছুটা সময় দিচ্ছি এক্ষেত্রে । তবুও সেটা মনের ভাবকে গুছিয়ে তোলার জন্য যথেষ্ট নয় । লিখার ব্যাপারে কবি নজরুলের একটি কথা ভীষণ প্রিয় আমার -"বনের পাখির মতো স্বভাব আমার- কারো ভালো লাগলেও গাই, না লাগলেও গাই !" কবিতা লিখার পাশাপাশি খেলাধুলা করা, খেলা দেখা, পত্রিকা পড়া, টিভি দেখা এমনকি ছোটদের সাথে সময় কাটানোও আমার অন্যতম শখ । তবে সবচেয়ে বড় শখ ভ্রমণ । প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের খুব সাধারণ এক পরিবারের ছেলে আমি । ব্যক্তি হিসেবেও খুব সাধারণ । হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স (২০১২) শেষ করে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছি । জীবনে তেমন কোন উচ্চাশা নেই । সবাইকে নিয়ে একটু ভালো থাকা... এই তো চাওয়া !
সর্বমোট পোস্ট: ১১৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৯০০ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০৩-০৮ ০৩:০৩:৫৯ মিনিটে
banner

১০ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    অসাধারণ ভাল লাগলো
    ,,,,,পড়ে
    খুব খু,,,ব ভালো লাগলো

    শুভ কামনা
    শুভ রাত্রি

  2. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    আমাদের রাজনীতিকদের কেউই দেশপ্রেমিক নন।
    কেউই দেশ ও তার জনগনকে ভালবাসেন না – এটা এখন শতভাগ সত্যে প্রমাণিত।
    এখানে বিবেক-বোধ সম্পন্ন ব্যক্তিত্বেরও ভীষণ অভাব। কাজেই, এই নোংরা সংস্কৃতি
    কখনোই বন্ধ হবে না। ধন্যবাদ কবি।

  3. সুমন সাহা মন্তব্যে বলেছেন:

    //কিন্তু ১৫-২০ বছর পরে এসে যা দেখছি তা যে কল্পনাকেও হার মানায় ! দেশের শীর্ষ দুই রাজনৈতিক দলই কি করে সেই দিনকার বাংলা সিনেমাকেই আদর্শ হিসেবে বেছে নিলেন ?//

    তাই, একদমই তাই। প্রশ্ন যে কত, উত্তর কোথায়?

    ভালো লাগলো প্রিয়। শুভেচ্ছা জানবেন।

    • টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

      উত্তর তো খুঁজতে হবে আমার আপনার মতো সাধারণ মানুষকেই ! আপনার আমার মতো সব সাধারণ মানুষ একত্রিত হলে অসাধারণ কিছু করে ফেলা খুবই সম্ভব !
      সুন্দর অনুভূতি প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ প্রিয় । ভাল থাকুন ।

  4. সেতারা ইয়াসমিন হ্যাপি মন্তব্যে বলেছেন:

    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক মতাদর্শের কথা ভাবতে গেলেই বমি আসে। কারো মাঝেই সত্যিকারের রাজনৈতিক আদর্শ খুঁজে পাওয়া যায়ানা…!

    তোমার ভাবনা গুলো সময়োপযোগী…! ভাল লাগলো…!

    • টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

      ধন্যবাদ আপু এমন অসাধারণ অনুপ্রেরণায় সিক্ত করার জন্য । আমার মতো নবীন লেখকের জন্য এটাই অনেক বড় প্রাপ্তি ।
      ভাল থাকুন আপু, সবসময় ।

  5. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    হুম…………

    বিটিভির সিনেমার কথা মনে হলে হাসি পায়

    আহারে কত অপেক্ষা করতে হতো । প্রথম সিনেমা হতো মাসে একবার
    তারপর পনের দিন পর পর তারপর প্রতিসপ্তাহে……..

    আগের বাংলা সিনেমার পুনরাবৃত্তি রাজনীতিতে

    লেখা ভাল লাগল ভাইয়া ভাল থাকুন

  6. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    এই লিখার মাধ্যমে আপনাকে পেছেনের স্মৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পেরে ভাল লাগছে আপু । এভাবেই পাশে থাকুন ! সবসময়…
    ভাল থাকুন আপু সবসময়, সবখানে !

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top