Today 14 Dec 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

আমরা করব জয় একদিন (পর্ব-১৪)

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ৩০/০৪/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 282বার পড়া হয়েছে।

অবশেষে সেই দিনটি চলে এল যা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে  উজ্জলভাবে নিঃসন্দেহে।পৃথিবীকে পুনুরুদ্ধারের দিন।মঙ্গলগ্রহের ভয়ন্কর সাইবর্গ বাহিনী আর আরিয়ান পুত্র বীর নোয়ার বাহিনী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের দিন।নোয়ার অত্যাধুনিক মহাকাশযান এর পক্ষে কিছুতেই সম্ভব ছিলনা ভয়ন্কর সাইবর্গ কিলার মেশিনের পাল্লা দেওয়া। নাসার সব পদস্থ কর্মকর্তা পৃথিবীর সব বৈজ্ঞানিক বড়বড় সব বুজুর্গদের উপহাস বিদ্রুপকে ডিঙ্গিয়ে অসাধ্য সাধন করল নোয়া।পৃথিবীকে মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাচিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে আসল। যা ছিল কল্পনাতীত দুঃসাধ্য। ক্যালেন্ডারের পাতায় লেখা তারিখ ৪০৮০/০৪/৩০।

আইমার সব বাধা নিষেধ অগ্রাহ্য করল আজ নোয়া।তার বিশাল মহাকাশ যুদ্ধযানের অপারেটিং সে একাই বসে পড়ল।তার কমান্ডো বাহিনীর বিপূল অংশ যোগ দিয়েছে সাইবর্গ কিলারদের গ্রুপে।সবাই এই যুদ্ধের অসারতা উপলদ্দি করে নোভাকে সঙ্গ দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ মনে করলনা।সাইবর্গ কিলাররা শুধু মানুষকে খুন করে শান্ত হয়না। কাওকে জীবন্মৃত অবস্থায় সারাজীবনের জন্য মহাশূন্যে যন্ত্রনাদায়ক গ্যাসে ডুবিয়ে রাখা হয়।এই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তির ভয়ে পৃথিবী জনশূন্য হয়ে পড়ল।দলে দলে মানুষ প্রতিদিন ভয়ন্কর সাইবর্গদের সাথে যোগ দিতে লাগল আপন ভূমির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে। নোয়া তাদের ক্ষান্ত করতে পারছিলনা। দিতে পারছিলনা কোন ভরসা। কিন্ত সে ছিল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সে একাই যুদ্ধ করবে।দরকার হলে নিজের প্রান বিসর্জন দিয়ে হলে পৃথিবীকে মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করবে।

সকাল থেকে চারিপাশে যুদ্ধের সাজ সাজ রব।সবাই যার যার রক্ষা করবে লৌহ চেম্বারে বসে বসে শেষবারের মত যন্ত্রগুলি পরীক্ষা করে নিচ্ছে।আরিয়ান বিমর্ষ হয়ে দেওয়ালে হেলান দিয়ে বসে আছে। নোয়াকে যেকোনভাবে যুদ্ধ থেকে সরিয়ে রাখতে চাচ্ছে।নোয়া তার আইমার কারও কথায় কান দিচ্ছেনা।

হায় আরিয়ান এর বুক দেখে দীর্ঘনিশ্বাস বেরিয়ে আসে ।কিভাবে আমার আত্মজকে রক্ষা করি।

এখনও প্রস্তুত হওনি আরিয়ান?ভেন্কটেশের কথায় চমকে আরিয়ান সোজা হয়ে বসল।

কাছে এসে কাধ চাপড়ে দিল ভেন্কটেশ।সে আরি্য়ানের মনবেদনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল।কিন্তু আরিয়ানকে বুঝতে দিতে চায়না।

আজকে সে নিজেকে প্রকাশ করে ফেলল আরিয়ানের বিষন্নতা দেখে।

নোয়ার গায়ে কেও অস্র তুলবেনা আরিয়ান। আমার সৈন্যদের বলা আছে। নোয়া আমাদের কাছে আত্মসমর্পন করলে ওর কোন ক্ষতি হবেনা আরিয়ান। দরকার হলে আমি তাকে স্থায়ী বন্দোবস্ত করে দিব মঙ্গলগ্রহে আরিয়ান।

বিষন্ন একটা ক্রুর হাসি হাসে আরিয়ান ।

জবাব দিল সে কড়া ভাবে।

ভেন্কটেশ আমি তোমাকে দশটা পৃথিবীর অফার দিলেও মঙ্গলগ্রহে তুমি থাকতে চাবে তোমার বাসস্থান বলে।আমার ছেলেকে অন্যায় লোভ দেখিয়ে তোমরা ফেরাতে পারবেনা। মৃত্যূর ভয় দেখিয়ে কাবূ করতে পারবেনা। আমার ছেলে গর্বে তার বক্ষ প্রসারিত হয়ে উঠল।আমাকে তোমরা বন্দী করে জবরদস্তি কাজ করাচ্ছ।নাহলে আমিও আর সে বলতে পারলনা।

রাগে উত্তেজনায় গলা কাপতে লাগল।

ভেন্কটেশ কিছুটা বিষন্ন হয়ে আরিয়ানের দিকে তাকিয়ে থাকল। কি বলবে ভেবে পেলনা।

মুহুর্মুহু কামানের গর্জন শোনা যাচ্ছে প্রকৃতি মঙ্গলগ্রহ পৃথিবীকে প্রকম্পিত করে।

দুই যুদ্ধযান পরস্পরের মুখোমুখি আজ।বাবা ছেলে পরস্পরের শত্রুর ভূমিকায়।

তাকিয়ে আছে আরিয়ান নোয়া পরস্পরের চোখের দিকে।

(পরবর্তীতে)

৪৪৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার লিখছেন।

  2. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ।শুভেচ্ছা।

  3. সাঈদ চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    আরজু আপু পুরোটা পড়া হলনা । পড়ে আবার এসে পড়ে যাবো । যেটুকু পড়েছি ভালো লেগেছে । চলুক এভাবেই ।

  4. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ সাঈদ ভাই মন্তব্যের জন্য।কিন্তু চলন্তিকায় কমেন্টস শূন্য কেন?আগে সবাই এত কমেন্টস করত।আশা করছি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে চলন্তিকা।

  5. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    Khub vhalo . . . Erokom ekta lekha deoar jonno dhonnobad

  6. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    In sha allah colontika abar sobar comment e vhorpur hoye uthbe

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top