Today 16 Dec 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

আমিও তোমাদের মতো

লিখেছেন: গৌতমমূসা মোহাম্মদ কৃষ্ণঈসা | তারিখ: ৩০/১০/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 506বার পড়া হয়েছে।

আমিও তোমাদের মতো
এসেছিলাম এই পৃথিবীতে
তবে আমি ছিলাম খুব ক্লান্ত
এবং পথ ছিল বড় কণ্টকময়
কিন্তু তা অপসারণে ছিল প্রতিবন্ধকতা।

আমার মনে প্রশ্ন জেগেছিল
কেন এই জীবন?
কেন আমার এই পৃথিবীতে আসা?

আমি অনেক কে দেখেছি
যারা জীবনে শুধুই অর্থ
উপার্জনে ব্যস্ত ছিল।

অনেক কে দেখেছি
তারা যে এসেছিল
তার চিহ্ন রেখে যেতে ব্যস্ত ছিল।

অনেক কে দেখেছি
তারা এই জন্য এসেছিল যে
পৃথিবীর মানুষ যেন শান্তিতে থাকতে পারে।

আর আমি আমার জীবনে অনেক খুঁজেছি
কেন আমি এসেছিলাম এই পৃথিবীতে
অথচ আমি তা খুঁজে পাইনি
কারণ আমি ছিলাম ক্লান্ত।

আমি দেখেছি ধর্ম গ্রন্থ গুলোর
বাণীতে বলা আছে
এই কালের পরে আছে আর এক কাল
তার নাম পরকাল।
এই জনমের পর আরও জনম
তার নাম পুনর্জন্ম।

আমি দেখেছি পৃথিবীর মানুষ বড় বিচিত্র
অনেকে আমাকে বুঝতে চায় নি
অথবা আমি তাদেরকে বুঝতে পারি নি।

আমি দেখেছি পৃথিবীতে ঘৃণা ব্যতীত
ভালবাসা মূল্যহীন
পাপ ব্যতীত পুণ্য অর্থহীন।

আমি দেখেছি মানুষের ভেতরে আরেক মানুষ
মনের ভেতরে আরেক মন
এবং মানুষ ভাবে এক
ভেতরের মানুষ করে আরেক
মন ভাবে এক
ভেতরের মন চায় আরেক।

আমার ইচ্ছে ছিল
পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকবার
কি কি ঘটনা ঘটে তা দেখবার
কারণ আমি পৃথিবীকে ভালবেসেছিলাম।
কিন্তু আমার শারীরিক অক্ষমতা
যদি আমাকে অন্যের জন্য বোঝা প্রমাণিত করে
তাই আমার সেই ইচ্ছে কে পরিত্যাগ করেছি।

আমি তোমাদের দৃষ্টিতে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব
কিন্তু আসলে আমি থেকে যাব
তোমরা হয়ত আমাকে দেখবে পৃথিবীর পথে প্রান্তরে
তখন তোমাদের মনে পড়বে
আমার মৃত্যুর কথা
এবং ভাববে তোমরা আমার মতো অন্য কাউকে দেখেছো
তাই আমাকে আর ডাকবে না
কিন্তু আমি এভাবেই থেকে যাব এই পৃথিবীতে।

৫৮৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমিঃ সাধারণ হতে চেষ্টা করি। ভালবাসিঃ মানুষ। শখঃ ব্লগিং এবং বই পড়া। অবাক করেঃ পৃথিবী। মনের গভীরে জমে থাকা কিছু আজগুবি প্রশ্ন আমাকে স্থির থাকতে দেয় না। তাই সামান্য কিছু লেখালিখির মাধ্যমে তা প্রকাশ করতে চেষ্টা করি মাত্র। কর্ম জীবনে এপারেল এন্ড ফ্যাশান ট্রেডে কাজ করছি। আমার এই নাম করণের পেছনে কাউকে হেয় করার প্রবণতা নেই বরং সকল ধর্ম-গুরুর প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।
সর্বমোট পোস্ট: ৩৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৭৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-০৬ ০৩:৩০:৩৮ মিনিটে
banner

১৬ টি মন্তব্য

  1. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    অসাধারণ কবিতা।

  2. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    কিন্তু এই বেঁচে থাকা কৃত কর্মের মাঝে নাকি পূনরায় জন্মের মাধ্যমে ?
    জানাবেন কি কবি ভাই ?

    • গৌতমমূসা মোহাম্মদ কৃষ্ণঈসা মন্তব্যে বলেছেন:

      ধন্যবাদ শাহ আলম ভাই সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
      আমার কাছে মনে হয় জীবন মানেই কাজ। কেউ কখনও এক মুহুর্তের জন্যও কাজ ছাড়া থাকতে পারে না। ঘুমানও একটা কাজ। জ্ঞান অর্যন করাও একটা কাজ। আবার কারখানায় মেশিন চালানও একটা কাজ।
      সুতরাং আমি আপনার সাথে সহমত।
      অ-ন-ক শুভকামনা রইল।

  3. তাপসকিরণ রায় মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লেগেছে আপনার কবিতা।

  4. তাসরুজ্জামান বাবু মন্তব্যে বলেছেন:

    কবিতাটির লাইনগুলো পাশাপাশি লিখে দেখুন এটি আসলে কবিতা না গদ্য । গদ্য কবিতারও কিন্তু ছন্দ থাকে, সেটা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা চাই। আর হুজুর (স) সাহাবিদের নাম ভালো না হলে পালটে দিতেন । কারণ ইসলামে ভাল নামের খুব গুরুত্ব আছে । অথচ আপনি এমন একটি কাজ করেছেন যে বুঝা যায় না আপনি হিন্দু না মুসলিম। আপনি অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে নিজের ধর্মের প্রতি অবমাননা করে ফেললেন ? মুশরিকদের সাথে ভাল ব্যাবহার করা ইসলামের নির্দেশ, কিন্তু শিরক করা হারাম। (মুশরিকরা যারা চিরকাল জাহান্নামে থাকবে তাদের প্রতি এই শ্রদ্ধা কেন ? এত উদারতা কেন ? তারা তো ইসলামের প্রতি এরুপ শ্রদ্ধা দেখায় না! তাহলে আপনি কি হীনন্মনতায় ভুগছেন ?আপনি হিন্দু হলে কথা নেই, মুসলিম হলে আমার অনুরোধ তওবা করে নাম বদল করুন । আমার কথায় কষ্ট নেবেন না প্লিজ। যা বলেছি, আপনার মঙ্গল কামনার উদ্দ্যেশ্যেই বলেছি ।)

    • গৌতমমূসা মোহাম্মদ কৃষ্ণঈসা মন্তব্যে বলেছেন:

      ধন্যবাদ বাবু ভাই মূল্যবান মন্তব্য প্রদানের জন্য।
      ছন্দ সম্পর্কে আমার ব্যাপক জ্ঞান নেই তবে সামান্য ধারণা আছে।
      সেই ধারণা থেকে আমি জানি বাংলা কবিতায় তিন ধরণের ছন্দ থাকে, অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং স্বরবৃত্ত। অক্ষরবৃত্তে প্রতিটি অক্ষর একটি করে মাত্রা পায়। যুক্তাক্ষরও একটি মাত্রা পায়। মাত্রাবৃত্তে যুক্তাক্ষর দুটি মাত্রা পায়। স্বরবৃত্তে ইংরেজী সিলেব্ললের মতো মাত্রা হয়। এছাড়া আরেকটি ছন্দ আছে যেটা মাইকেল মধুসূদন প্রবর্তন করেছিলেন। তার নাম অমিত্রাক্ষর ছন্দ। আমি আসলে এই কবিতাটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লিখতে চেষ্টা করেছি।

      আর নামের ব্যাপারে বলা প্রয়োজন যে, নাম শুনে কে হিন্দু আর কে মুসলিম তা বোঝা মুশকিল। যেমন ধরেন, রাবেয়া তাপসী, ইনাকে আপনি কি বলবেন? তারপর ধরুন শিল্পী, এটা কি হিন্দু নাম নাকি মুসলিম নাম? কিছু মনে নেবেন না, ধরুন আপনার যে নাম, এখানে তাসরুজ্জামান, এটা দেখে বোঝা যায় যে এটা মুসলিম নাম, কিন্তু তারপর এই যে বাবু, এই বাবুকে আপনি কোথায় ফেলবেন? বাবু কি হিন্দু নাম নাকি মুসলিম নাম? আপনি যদি কোনও মুসলমানকে তার নামের শেষে সাহেব না বলে যদি বাবু বলেন তাহলে সে রাগ করতে পারে। ধরুন কারো নাম আশরাফ। এখন আপনি যদি তাকে আশরাফ সাহেব বলেন তাহলে কোনও সমস্যা নেই কিন্তু যদি বলে আশরাফ বাবু তাহলে তিনি এই ভেবে রাগ করতে পারেন যে আপনি উনাকে হিন্দু বলতে চাচ্ছেন অথচ আপনার নামেই কিন্তু বাবু আছে।
      হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) পিতার নাম ছিল আব্দুল্লাহ অথচ তিনিতো নিবিজি জন্ম গ্রহণের আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
      আমি হীনমন্নতায় ভুগছিনা তবে একটি ব্যাপার লক্ষ্য করেছি, তা হলো এই যে পৃথিবীতে আমরা হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খৃষ্টান হচ্ছি তা কিন্তু হিন্দু পরিবারেই হিন্দু হচ্ছে আর মুসলিম পরিবারে মুসলমান হচ্ছে, কোনও খৃষ্টান পরিবারে কিন্তু হিন্দু হচ্ছে না বা মুসলিম পরিবারে ইহুদী হচ্ছে না। তাহলে দেখা যাচ্ছে ধর্ম মানুষ পাচ্ছে পারিবারিক সুত্রে। আমি খোঁজ নিলে হয়তো দেখব আমার সাত-আট পুরুষ আগের সবাই হিন্দু ছিল বা বৌদ্ধ ছিল। আপনিতো জানেন যে শুক্রাণুর কোনও ধর্ম হয় না বা ডিম্বাণুর কোনও ধর্ম হয় না তাহলে এই শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু মিলে যে জাইগোট তৈরী হচ্ছে সেই জাইগোটের ভেতরে আত্মা আসলেই ভ্রূন হয় এবং সময়ের পরিবর্তনে তা শিশু মানব হয়। তাহলে ঐ শিশুটি হিন্দু ঘরে জন্মালে হিন্দু আর মুসলিম ঘরে জন্মালে মুসলিম আর ইহুদী ঘরে জন্মালে ইহুদী কেন? বিভিন্ন পরিবারে কে এই আত্মা গুলো পাঠাচ্ছে? তাহলে ঐ আত্মার বা শিশু মানবের কি দোষ?

      • তাসরুজ্জামান বাবু মন্তব্যে বলেছেন:

        ধন্যবাদ ভাই যে আপনি আমার কথাকে সহজভাবে নিয়েছেন । আপনি ছন্দ সম্পর্কে যেসব বলেছেন , সম্পুর্ণ সঠিক । কিন্তু আমি আসলে কানের অনুভূতির কথা বুঝিয়েছি । আপনি ভালো কবির গদ্য কবিতা পড়লে দেখবেন সেগুলোর মধ্যে এক ধরণের প্রবাহমানতা আছে । শুনতে ভালো লাগে। আর কবিতা ভালো না হলে রাস্তা দিয়ে আবৃত্তি করতে করতে চললে হোঁচট খেতে হয় । এটিই ছন্দ । (প্রকৃতপক্ষে গল্প ,উপন্যাস প্রবন্ধগুলোরও একটা ছন্দ আছে । আমরা সেটা অনেকেই মনে রাখি না। )এদিক থেকে আপনার কবিতায় একটু ত্রুটি আছে বলে মনে হল ।(মনে কিছু নেবেন না । আপনি আরো চেষ্টা করুন, ভালো করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ !)
        নামের ব্যাপারে কিছু কথা বলি ।

        মুসলমানের নাম সাধারণত ইসলামিক হয়, আর হিন্দুদের নাম খাঁটি বাংলা বা ততসম বা তদ্ভব শব্দের হয় । যেমন : বনলতা । এই নামটি সাধারণত হিন্দুরা রাখে । কিন্তু এর অর্থ বনের লতা । কাজেই এই নামটি মুসলমানরা চাইলে রাখতে পারে।(যদিও সাধারণত রাখা হয় না ধর্মীয় সাতন্ত্র বজায় রাখার জন্য, সেটা ভিন্ন কথা । ) ঠিক তেমনি ‘তাপসী’, বাবু, শিল্পী এই নামগুলো যদিও হিন্দুরাই বেশি রেখে থাকে তবুও এগুলো মুসলমানের নাম হওয়াতে কোনো দোষ নেই(কারণ এগুলোর মধ্যে হিন্দুয়ানি কোনও অর্থ নেই । এগূলো শুধুই ততসম বা বাংলা শব্দ) । এগুলোকে উভনাম বলতে পারেন । এই কারণে আমার বাবু নামটি (যার অর্থ ছোট বাচ্চা) বদলাইনি । কিন্তু গৌতম, কৃষ্ণ এই নামগুলো হিন্দুদের, বৌধ্যদের ধর্মগুরুর নাম । আপনি হয়ত জানেন, কোনো মুসলমানের জন্য হিন্দুদের পৈতা পরা কুফরি ।কারণ এতে তাদের সাথে ধর্মীয় ব্যাপারে সাদৃশ্য পরিলিক্ষিত হয়। তাহলে নামের ব্যাপারে কী হবে আপনি নিজেই বলুন । এমন নাম পিতা মাতা রাখলেও তো বদল করা উচিত । সেখানে নিজে রাখার তো প্রশ্নই ওঠে না ।

        আর আপনি কি সেই হাদিসটি পড়েননি, যেখানে বলা আছে- প্রত্যেক শিশুই মুসলমান হিসসেবে জন্মগ্রহণ করে, পরে তার পিতা মাতা তাকে নিজের ধর্মে পরিচালিত করে । আপনার কি ধারণা , গোরস্থানে যারা শুয়ে থাকে সবাই মুসলমান ? চিতায় যারা পুড়ে সবায় হিন্দু ? এমন নয় । বহু লোক আছে যারা হিন্দু ধর্মে জন্মগ্রহণ করেছে, সামাজিকতার ভয়ে মুখ ফুটে কালেমা পড়ে না। এমন কি হয়তবা পূজাও করে, ,লোকের ভয়ে। কিন্তু মন থেকে নয়, বিশ্বাস করে ইসলামে । এই লোকগুলো কিন্তু নামে হিন্দু হলেও আসলে মুসলমান । আম্মার (রা) কিন্তু বহুদিন ইসলাম গ্রহনের কথা গোপন রেখেছিলেন এবং সেটা হুজুর (স)এর নির্দেশে ।
        আবার অনেক লোক আছে যারা হুজুর (স) কে গালি দেয়, ফরজ বিধানকে অস্বীকার বা বিদ্রুপ করে এরা নামে মুসলমান হলেও কিন্তু আসলে কাফের।
        আসলে আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে মুসলমানের ঘরে জন্ম দিয়ে একটু সহজ করেছেন এই যা। কিন্তু যাদেরকে হিন্দুর ঘরে জন্ম দিয়েছেন অন্য দিক থেকে তাদের বেশি ভালোর জন্যই এটা করেছেন । তারা যদি ইসলাম কবুল করে তাহলে আমাদের চেয়ে বেশি বদলা পাবে । আল্লাহ তায়ালা এই জন্যই এই কাজ করেছেন । আল্লাহ তায়ালা কারো খারাপ চান না ।
        আর একটা কথা বলি । প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুর আগে কোনো না কোনো এক সময় জেনে যায় যে-একমাত্র ইসলামই সঠিক । কিন্তু অলসতা বা চক্ষুলজ্জার কারণে অনেকেই ইসলাম গ্রহণ করে না। যেমন আবু তালিব, আবু জেহেল, আবু লাহাবরা জানত যে মুহাম্মাদ(স) সঠিক । কিন্তু লোকলজ্জা…
        অনেক মুসলমান যেমন নামাজ না পড়লে কী শাস্তি হবে জেনেও নামাজ পড়ে না অলসতার কারণে, তেমনি অনেক হিন্দু ইসলাম সঠিক জেনেও গ্রহণ করে না অলসতার কারণে । ইমাম গাজ্জালী (র) বলেন- যে সব মুসলমান নামাজ পড়ে না , মৃত্যুর সময় তাদের ইমান ছিনিয়ে নেয়া হয় ।
        এবার আপনিই বলুন- কত মুসলমান ঈমান হারা হয়ে মারা যাচ্ছে, অথচ আমরা তাকে গোরস্থানে দাফন করছি । তাহলে এই লোকটার সাথে একটা হিন্দুর কী পার্থক্য হল?

        অনেক হিন্দু ইসলামের বুঝ পাওয়ার পরেও সাথে সাথে গ্রহণ না করার কারনে পরে শয়তানের ধোঁকা খেয়ে চিরকালের জন্য কাফেরই থেকে যায় । যেমন, হুইটেকার নামক এক নাস্তিক দার্শনিক একদিন তার ছোট মেয়েটার কানের দিকে তাকিয়ে ভাবছিলেন- কানের এই প্যাচগুলো নিশ্চয় কেও সৃস্টি করেছেন । পরক্ষনেই ভাবলেন- ধ্যুত, আমি এসব কি ভাবছি ! কিন্তু তিনি যদি এই ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতেন তাহলে অন্যরকম হতে পারত ।
        একটা কথা আবারও বলছি-ইসলাম সঠিক এই বুঝটি জীবনের কোনো না কোনো সময় আল্লাহ তায়ালা সবাইকে দেন । এমন কি মৃত্যুর পুর্ব মুহুর্তে হলেও। কেও গ্রহণ না করলে সেই দায়ী, আল্লাহ তায়ালা নন ।
        ভালো থাকবেন ।
        tasrubabu@gmail.com

        • গৌতমমূসা মোহাম্মদ কৃষ্ণঈসা মন্তব্যে বলেছেন:

          ধন্যবাদ বাবু ভাই আপনার গঠন মুলক আলোচনার জন্য।
          আপনার কথা অনুযায়ী একমাত্র ইসলাম সঠিক আর অন্যান্ন গুলো ভুল বা মিথ্যা।
          তাহলে পবিত্র কোরআন শরীফে আল্লাহ তালা কেন অন্যান্ন ধর্মের কিতাব গুলোর প্রতি ঈমান আনতে বলেছেন?

          “এবং যারা ঈমান এনেছে সে সব বিষয়ের উপরে যা কিছু তোমার প্রতি অবতির্ণ হয়েছে এবং যা কিছু তোমার পুর্ববর্তীদের উপর অবতির্ণ হয়েছে।” …সুরা বাকারা, আয়াতঃ৪

          • গৌতমমূসা মোহাম্মদ কৃষ্ণঈসা মন্তব্যে বলেছেন:

            এখানে শুধু কিতাবের উপর ঈমান বললে ঠিক বলা হবেনা, “যা কিছু তোমার পুর্ববর্তীদের উপর অবতির্ণ হয়েছে।” অর্থাৎ শুধু কিতাব নয় বরং যা কিছু অবতির্ণ হয়েছে, কিতাব ছাড়াও অন্যান্ন নিয়ম বা বিধানের উপরেও ঈমান আনার কথা বলা হয়েছে।

          • তাসরুজ্জামান বাবু মন্তব্যে বলেছেন:

            ধন্যবাদ ভাই, নিচের আয়াতগুলো পড়ুন :
            ‘আল্লাহ তায়ালার দরবারে মনোনীত ধর্ম একমাত্র ইসলাম’ (আলে ইমরান : ১৯)
            ‘ইসলাম ছাড়া অন্য যে কোনো ধর্ম যে কেউ অনুসরণ করবে তা কোনোদিন কবুল করা হবে না এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হবে।’(আলে ইমরান : ৮৫)
            ‘নিশ্চয় কিতাবি কাফের এবং মুশরিকগণ দোযখের আগুনে বাস করবে, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে । এরাই হবে সৃষ্টির অধম ।‘ (আল বাইয়িনাহ :৬)
            আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। ।এবার আপনার উল্লেখিত আয়াতের ব্যাখ্যা শুনুন।
            যা কিছু তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর নাজিল হয়েছিল অর্থ হলো- পুর্ববর্তীদের উপর অবতীর্ন সকল বিধিবিধান। বলা বাহুল্য এসব বিধি বিধান আসমানি কিতাবেই সংরক্ষিত ছিল ।কিতাব ছাড়া তো আর আলাদা বিধি বিধান নাজিল হয়নি।
            হ্যাঁ, একজন মুসলমান হিসেবে আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হবে আল্লাহ তায়ালা আমাদের পুর্বে যা কিছু নাজিল করেছিলেন সেগুলোর প্রতি। না হলে তো ইমানই থাকবে না । যেমন কোনো মুসল্মান যদি হুজুর (স)কে খুব ভালোবাসে কিন্তু ঈসা (আ)কে বিশ্বাস না করে তাহলে তো তার ঈমান থাকবে না ।এমন কি শয়তানে বিশ্বাস না করলেও ঈমান থাকবে না । কারণ শয়তানের কথা কুরানে আছে ।
            প্রশ্ন হতে পারে , যদি ঈসা (আ), মূসা (আ) এর উপর বিশ্বাস না করলে ঈমান না থাকে তাহলে তাহদের ধর্মের লোকগুলো জাহান্নামে যাবে কেন ?
            উত্তর হলো- হুজুর (স) এর নবুয়তের পূর্ব পর্যন্ত তাদের আনুগত্য বৈধ ছিল, এরপর আল্লাহ তায়ালা তাদের ধর্মগ্রন্তগুলো স্থগিত করে দিয়েছেন (এর পেছনে নিশ্চ্য় আল্লাহ তায়ালার কোনো ভালো উদ্দেশ্য আছে)। তাই, হুজুর (স) এর নবুয়ত প্রাপ্তির পুর্বে যারা মারা গেছে তারা যদি স্ব স্ব নবীকে মেনে থাকে তাহলে জান্নাতে যাবে ।হুজুর (স) একবার ওমর(রা) এর হাতে তাওরাতের কপি দেখে রাগ করে বলেছিলেন- আল্লার কসম ! আজ মূসা (আ)বেঁচে থাকলে তাকেও আমার অনুসারী হওয়া লাগত ।
            আপনি হয়ত জানেন, কেয়ামতের আগে ঈসা (আ)আসবেন। তিনি কিন্তু বাকি জীবন হুজুর (স)এর উম্মত হিসেবেই কাটাবেন ।(তাহলে খ্রীস্টান্দের উচিত কাকে অনুসরণ করা ?)
            একটি কথা- যে ধর্মের কথা কুরানে বা হাদিসে উল্লেখ নেই তা একসময় সত্য ধর্ম ছিল বলে বিশ্বাস রাখাও উচিত নয়। যেমন : হিন্দু ধর্ম।
            আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন ভাই ?
            আমার ইমেইল : tasrubabu@gmail.com

  5. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    আমি দেখেছি ধর্ম গ্রন্থ গুলোর
    বাণীতে বলা আছে
    এই কালের পরে আছে আর এক কাল
    তার নাম পরকাল।
    এই জনমের পর আরও জনম
    তার নাম পুনর্জন্ম।
    আমার বেশ ভাল লেগেছে এই কবিতাটি।
    আমার যেটা মনে হচ্ছে অশ্রদ্ধা করে আসলে এখানে কিছু লিখা হয়নি।
    লেখক নৈর্ব্যক্তিক ভাবে লিখেছেন ।
    এটা উনি আধ্যাতিকভাবে কোন ধর্মের পক্ষে বা বিপক্ষে লিখেননি। পাপ পৃন্য বিবেক বোধ এসব নিয়ে লিখেছেন।
    চমৎকার এক আধ্যাতিক কবিত।

  6. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    দারুন সুন্দর কবিতা
    ভাল লাগল

  7. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    কঠিন কথাবার্তার কবিতা

    তবে ভাল লিখেছেন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top