Today 19 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

আমিও তো মানুষ

লিখেছেন: দ্বীপ সরকার | তারিখ: ২৫/০৬/২০১৬

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 641বার পড়া হয়েছে।

বস্তা বস্তা নীল, কষ্টদের মিমাংসিত
অধ্যায়ের চিঠি পড়ে থাকে হলুদ খামে,
কেউ ছুঁয়েও দেখেনি বলে
বিভৎস দেখে ছায়াহীন রোদ,
ওপাশে পুরনো কষ্টের চাকু উন্মুখ থাকে,
কেটেকুটে পার হওয়া চাকু কখনো
আত্নীয় হতে পারেনা।
তবু সহ্যের আলোয় নিজেকে বিকশিত করি।

আমি আকাশ। চারপাশ দুরন্ত নীল।
আর কত বিষ ঢাললে নীলগুলো সাদা
হবে কার জানা আছে বলো?
অথচ এই তুমি আমার দিকে তাকিয়ে
বিষের পিয়ালা এগিয়ে দাও
আর ঢোকে ঢোকে তা গিলে ফেলি আমি,
আমিও তো মানুষ!!

ঘোড়াটেপা বন্দুকের নালায় সাইড ইফেক্ট পড়েনা বলে
গুলিবিদ্ধ করো আমাকে,
বিতারিত আদম হাওয়ার শরীরে আজও
কষ্টের গন্ধ শুঁকে বেড়ায় অবাধ্য নীল।
আর আমি!
আমি তো নগন্য মানুষ,
তবুও তো মানুষ।

লেখাঃ১৩/৬/১৬ইং

৬৩৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
জন্মঃ প্রকৃত নাম সরকার শহিদুর রহমান। ছদ্ম নাম দ্বীপ সরকার। জন্ম ১৯৮১ইং, ১লা মার্চ। মুসলিম পরিবারে। বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানাধীন গয়নাকুড়ি গ্রামে। পিতা,মৃত হাবিবুর রহমান। দশ/বারো বৎসরে পিতাকে হারাই।  মাতা মোছাঃ আছিয়া বেওয়া। চার ভাই। পাঁচ বোন। ভাইদের মধ্যে ৩য়। শিক্ষাঃ গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শিক্ষায় হাতে খড়ি। তারপর ওখান থেকে একই এলাকার দাড়িগাছা দারুসসালাম দাখিল মাদ্রাসায় ৩য় শ্রেণীতে ভর্তি করে দেয়া হয় । এখানেই শিক্ষার মুল ধারা শুরু।  ৪র্থ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বরাবরই ক্লাস ফার্স্ট এবং গোটা স্কুলের মধ্যে সর্বোচ্চ নাম্বার অর্জন করি। দিন রাত সমান করে পড়ার টান ছিলো। পড়া থেকে উঠিনি কোন সময়।স্কুল থেকে এসেই বই হাতে।শতবার ডেকে ডেকে ভাত খাওয়ানো। সেজন্য অনেকের বকা খেয়েছি। মাগরিব থেকে ফজর পর্যন্ত একটানা রাত জেগে পড়েছি। এরকম কত রাত কাটিয়েছি বইয়ের ওপরে  তার গননা করা মুশকিল। তকে খেলাধুলার প্রতি কোন আকর্ষন ছিলোনা এখনো নেই। স্কুলের সকল ছাত্র ছাত্রী,শিক্ষক,এলাকার সকলেই মেধাবি ছাত্র ভাবতো, এবং সম্মান করতো। একবার ৯৯% ভোট পেয়ে এজিএস নির্বাচিত  হয়েছিলাম। এদিকে গান গজল হামদ নাত গাইতাম, কবিতা লিখতাম বলে সকলে শিল্পী এবং কবি বলে ডাকতো। গান গেয়ে মন জয় করতাম সকলের । বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমাকে দিয়ে গান,হামদ নাত গেয়ে নিতো স্যারেরা। ৬ষ্ট/ ৭ম শ্রেণী থেকে কবিতা, গান, গজল রচনা করে অনুষ্ঠানে বলতাম। এখান থেকেই ১৯৯৫ ইং সালে ১ম বিভাগে দাখিল ( মেট্রিক) পাশ করি। আশানুরুপ রেজাল্ট হয়নি বলে স্কুলের শিক্ষকগন মন ভিজাতে পারেনি। আরো বড় স্বপ্ন ছিলো তাদের। প্রতি বৎসরে আমাকে চারটি করে পুরস্কার দিতো। ক্লাসের প্রথম,সমগ্র স্কুলের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর, গান গাওয়া, রেগুলার স্কুলের জন্য। এর পর নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রী কলেজ থেকে ১৯৮৭ইং সালে জেনারেল সেকশনে ৩য় বিভাগে এইচ এস সি পাশ করি। কিন্ত কাঙ্খিত ফলাফল না হওয়ায় চলমান স্বপ্নের ছন্দপতন ঘটলো। পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমে গেলো। তারপর সংসারে কিছুটা অর্থের দ্বৈন্যতা দেখা দিলো সংসারের ঝামেলা মাথা নিয়ে গাইবান্ধা জেলার কামদিয়া নুরুল হক ডিগ্রী কলেজে ভর্তি হই এবং ১৯৯৯ইং সালে এখান থেকে ২য় বিভাগে গ্রাজুয়েশন সম্পুন্ন করি। এর পর আর পড়াশোনার দিকে যেতে পারিনি। অদম্য সাহস এবং মেধা থাকার পরেও অর্থ দ্বৈন্যতা আর সামনের দিকে এগুতে দেয়নি। তার পর ২০০১ ইং সালে একই গ্রামের তহমিনা খাতুনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই । বর্তমানে এক মেয়ে এক ছেলে। মেয়ে,শান্তা মারিয়া শানু এবং ছেলে, মেশকাত। সাহিত্যে আগমনঃ ছোটবেলা থেকে একটু একটু করে লিখলেও তা বড়সড়ো করে রুপ নেয় বগুড়া লেখক চক্রের সাথে যোগ দিয়ে। মুলত এখানেই অনেকের সঙ্গে পরিচয় ঘটে এবং স্থানীয় পত্র পত্রিকায় নিয়মিত লেখা বের হতে থাকে। এসময় " কুয়াশা" নামে এক লিটিল ম্যাগাজিন সম্পাদনা করেছিলাম। কবিতার ফোল্ডারও বের করেছিলাম দুটি। এর পর ধীরে ধীরে ব্লগ ফেসবুক,অনলাইন অনেক সাইটে পদচারনা। অভিজ্ঞতাঃ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২০০৫ ইং সালে একটি বেসরকারী সংস্থায় মনিটরিং এবং অডিট অফিসার পদে চাকুরিতে যোগদান করি। এখানে প্রায় আট বৎসর চাকুরি করার পর শারিরিক অসুস্থতার কারনে আর চাকুরিতে যেতে পারিনি। এই দীর্ঘ আট বৎসর চাকুরির চাপে সাহিত্য থেকে দুরে ছিলাম। কিন্ত সয়নে স্বপনে জাগরনে তিলে তিলে কবিতাকে ভালবেসেছি এবং মাথা থেকে তাড়িয়ে দিতে পারিনি একেবারে। প্রকট ইচ্ছা শক্তি আমাকে দীর্ঘ আট বৎসর পর হলেও কবিতার কাছে নিয়ে এসেছে। চাকুরির সুবাদে দেশের প্রায় ৬০টি জেলাসহ অনেক থানা,গ্রাম,ঐতিহাসিক স্থান,পর্যটন এলাকা ভ্রমন করার সুযোগ হয়েছে।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৭১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৯-৩০ ১৫:১৩:৩৮ মিনিটে
Visit দ্বীপ সরকার Website.
banner

১ টি মন্তব্য

  1. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকায় আজকাল আর আগের মত প্রান নেই, লেখা,পাঠসংখ্যা ও মন্তব্য দুটোরই বড় আকাল। এমনও
    দেখা যায় গোটা সপ্তাহে মাত্র এক বা দুটি লেখা আসে। আগে প্রথম পাতায় এক লেখকের দুটো
    লেখা দেয়া যেত না, এখন সে নিয়ম মানতে গেলে মাসে কেউ একটির বেশি লেখা দিতে পারবে
    না, তাতে আরো কমে যাবে মোট লেখা ও ব্লগের গতি। অথচ মাসে বিশটির উপরে লেখার জন্য
    আলাদা প্রমোশনাল পয়েন্ট আছে, তার মানে এখন এই প্রমোশনাল অফার গ্রহন করতে গেলে ভাঙতে
    হয় প্রথমোক্ত নিয়ম। তবুও পুরনো দিনের কথা মনে করে, চলন্তিকা আবার প্রান ফিরে পাবে ভেবে
    এখন সপ্তাহে এক থেকে দুটো লেখা দিয়ে যাই। এমন ভাবনার সচল লেখকের সংখ্যাও এখন হাতে
    গোনা কয়েক জন।
    আজ সেলফোন দিয়ে আমার লেখায় আসা বিরল মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়েও নাকাল হতে হল, সাইট
    একদম স্লো, একবার, দুইবার, তিনবার চেষ্টা করার পর মন্তব্যের উত্তর দিতে সমর্থ হলাম। সম্প্রতি
    মন্তব্য দিতে গিয়ে বেশ কয়েকবার এই একই সমস্যা হয়েছে আমার। মন্তব্য করে এড বাটনে চাপ দিলে
    সাইট রিলোড হয় কিন্তু মন্তব্য যোগ হয় না, এই সমস্যা কি আমার একারই হচ্ছে না অন্য কারো বা
    সবারই হচ্ছে, এই বিষয়ে সঞ্চালক ও লেখক বন্ধুদের মনোযোগ আকর্ষণ করছি।
    লেখা পোষ্ট করার পর এডিট করে আবার লিখছি কারন লেখা যোগ করতেও তিন বারের চেষ্টায় সফল
    হলাম, খুবই দুঃখজনক ব্যাপার।
    হঠাৎ করে কেন এমন অচলাবস্থা হল চলন্তিকার, বিভিন্ন অফার দিয়েও আগের মত সচল হচ্ছে না ব্লগ।
    বিষয়গুলো ভাবা দরকার। সঞ্চালকরাও আগের মত একটিভ নন। সাইট নিয়মিত ঠিকমত আপডেট হয় না,
    পত্রিকার প্রকাশনার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে লেখা নিয়েও হল না প্রকাশনা, কেন হল না সে বিষয়ে কোন
    স্পষ্ট বক্তব্যও চোখে পড়েনি। একই ব্লগে এখন সাহিত্যের পাশাপাসি যোগ হয়েছে ব্যবসায়িক
    উদ্যোগ। যান্ত্রিক সমস্যার কারনে এমনিতেই লেখা, মন্তব্য দেয়া ঝামেলার কাজ। তারপরে আগে
    যেখানে লেখা ও মন্তব্য দূটোতেই পয়েন্ট ছিল বেশি, এখন সেখানে দুটোতেই পয়েন্ট কমিয়ে অর্ধেক
    করে আকাশচুম্বী পয়েন্টের বিমান টিকেটের এক অফার দেয়া হয়েছে যা আসলে সঞ্চালকদের
    আন্তরিকতার অভাব বা ব্লগের লেখক পাঠকদের মন বুঝতে না পারার কারনে বলেই মনে হয়। দুর্বল হয়ে
    যাচ্ছে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গাগুলো। যাইহোক আশা করছি সব জটিলতা কাটিয়ে
    চলন্তিকা আগের রুপে ফিরে আসবে।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top