Today 18 Jan 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ইদানীং বোরকা বৃত্তি

লিখেছেন: জসীম উদ্দীন মুহম্মদ | তারিখ: ৩১/০৫/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1088বার পড়া হয়েছে।

ইসলাম ধর্মে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য পর্দা ফরয করা হয়েছে । কারণ পর্দা প্রথা নারী ও পুরুষকে অশালীন ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত রাখে।
এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই যে, আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় মার্জিত ভাবে চলাফেরা করে, পর্দা সংক্রান্ত ইসলামি অনুশাসন মেনে চলে এমন নারীগণ অপেক্ষা কৃত নিরাপদে রাস্তা -ঘাটে পথ চলতে পারেন। পবিত্র আল কুরআনের সুরা নুরে পর্দা সম্পর্কে আয়াত নাযিল করা হয়েছে ।
কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়া আমার এ পোস্টের উদ্দেশ্য নয় । ইদানীং স্কুল, কলেজ, বিশ্ব বিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের বোরকা প্রীতি চোখে পড়ার মত; যা ইসলামি অনুশাসন মেনে চলার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত । তাই তাদের এহেন বোরকা প্রীতি ধর্মীয় কারণে হলে এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই । কিন্তু একজন বোরকা পড়া মেয়েকে যখন প্রেমিকের সাথে পার্কে , রেস্তোরাঁয় কিংবা অন্য কোথাও আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়া যায় ; কিংবা একজন বোরকা পড়া মেয়ে যখন নকল করে ধরা পড়ে, প্রতারনা করে; তখন সাধারণ মানুষ সকল বোরকা পড়া মেয়েদের কটাক্ষ করতে ছাড়ে না । ঘোমটা পড়ে যারা খ্যামটা নাচে —–তাদের পাপের ভার অন্যরা কেন বইতে যাবে ? আর ইসলামের রীতিও এটাই যে, প্রত্যেক ব্যক্তি অবশ্যই তার স্বীয় কর্মের জন্য দায়ী থাকবে । এ ব্যাপারে অন্য কাউকে কোনমতেই দায়ী করা চলবে না । কিন্তু সমাজের আর দশ জন কথা বলা ছাড়বে কেন ? তারা তো সুযোগ পেলেই এক হাত নেওয়ার অপেক্ষায় থাকে । যেমনঃ একজন ইমাম সাহেবের একটি অশালীন কাজ করা আর অন্য একজন সাধারণ মানুষের অশালীন কাজ করা অবশ্যই এক কথা নয় । কারণ তাদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকে অনেক বেশি । আমরা সাধারণ মানুষ তাদেরকে অনুসরণ, অনুকরণ করে থাকি । তাই কেউ ধর্মের লেবাস পরিধান করলে অবশ্যই তাঁর উচিত সেই পোশাকের মর্যাদা রক্ষা করা । তা না হলে কেউ কেউ এর দায় ধর্মের উপর চাপিয়ে দিতেও কুণ্ঠা বোধ করে না । তাই কোন ব্যক্তি বিশেষের কর্মকাণ্ডের দায়ভার কেন ধর্ম বহন করবে ? কিন্তু বাস্তবে তাই হচ্ছে ! সেই সাথে একথাও সত্যি যে, ধর্মের লেবাস পড়ে যারা অধর্মের কাজ করে বেড়ায় ; তারা যুগে যুগে নিন্দিত ও ঘৃনিত;
আর ধর্মীয় বিধান অনুসারে তারা ইহ ও পরকালে লাঞ্চিত ।
তাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি এ ব্যাপারে সচেতন হওয়ার
বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি ।

১,১৬৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ২২৬ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৬০৬ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০১-২৪ ১৬:৪০:১২ মিনিটে
banner

১৪ টি মন্তব্য

  1. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    আমিও এইভাবে ভাবি। যখন আমি আমার পোশাকে কোনো সম্প্রদায় রিপ্রেসেন্ট করছি ,তাকে যথাযথ ভাবে করি। ধর্মের লেবাস পড়ার আগে ধর্ম কে অবশ্যই ভিতরে আনতে হবে। অর্থাৎ ধর্মের সব অনুশাসন প্রথমে মেনে চলার অনুশীলন করতে হবে। সাধারণ মানুষদের চেয়ে আমরা রিয়াক্ট করি যখন দেখি কোনো হুজুর অন্যায় কাজ করছেন। সঙ্গত কারণে জামায়াত শিবিরের উপরে আমাদের অভিযোগ বেশি । তখন এইভাবে ভাবিনা মানুষ আমরা ভুল বা অন্যায় হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের অন্যায় ক্ষমা করি ধর্মীয় লেবাসের মানুষের অন্যায় ক্ষমা করিনা। এইজন্য মনে প্রশ্ন চলে আসে প্রাধান্য পাবে কি ?ধর্ম অনুশাসন অনুশীলন আগে না চরিত্র বিবেক মানবিক কোয়ালিটির উন্নয়ন। এইভাবে ভাবা উচিত দুইয়ের সমন্নয় হতে হবে। ভালো পরিছন্ন ধর্মীয় পোশাক ভিতরের আত্মায় সংশোধন আনে একসময়।

    জসিম ভাই চমত্কার বক্তব্য তুলে এনেছেন এ লিখায়। ভীষণ ক্লান্ত। ..গুছিয়ে লিখতে পারলামনা আজ মনের কথা। পরে এসে আবার কথা বলে যাব। শুভেচ্ছা দিয়ে গেলাম এখন আপাতত। ভালো থাকবেন।

  2. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপু ।

  3. আহমেদ ফয়েজ মন্তব্যে বলেছেন:

    পোশাক হলো সংস্কৃতি। পোশাক আর ধর্ম এক নয়। সংস্কৃতিকে যখন আমরা ধর্ম বানিয়ে ফেলি তখন দুটিকেই কার্যত হালকা করে দেওয়া হয়।

  4. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব ভাল বলেছেন ফয়েজ ভাই । কিন্ত আম জনতাকে কিভাবে বুঝাবেন ?
    আর ধর্ম কি সংস্কৃতির বাইরে ? ধন্যবাদ আপনাকে ।

  5. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    দারুণ আলোচনা

  6. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    বোরকা পড়লে সেটা পড়ার মতই পড়া উচিত।

  7. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখকের সাথে ১০০% সহমত।

    তবে আমাদের সবার সচেতন হতে হবে, অপরাধি অপরাধীই, বোরখার কারণে সব বোরখা ধারীকে আঘাত দেয়া চল্বেনা।

  8. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগলো লিখা

    চমৎকার

    খুব সুন্দর
    শুভ কামনা রইল

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top