Today 17 Nov 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

একটি বিড়ালের গল্প

লিখেছেন: শওকত আলী বেনু | তারিখ: ৩০/১০/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 956বার পড়া হয়েছে।

তখনও ভোর হয়নি। কিছুটা দুরে অবস্থিত লাইটপোস্টের বিচ্ছুরিত আলোক রশ্মি জানালার ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে জানান দিচ্ছে ভোর হতে এখনও কিছুটা সময় বাকি। সামগ্রিক বিচারে প্রাক-সকালের তাপমাত্রা এই সময়ে যা থাকার কথা তার চেয়ে একটু বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে আজ। লন্ডনে প্রান্তিক অক্টোবরে এমন চমত্কার আবহাওয়া বিরাজ করবে তা ভাবাও যায় না। আবহাওয়া ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে এমনটি আরো কিছুদিন চলতে পারে।

ভোর হওয়ার আগেই আমার দ্বিতল বাড়ির পূর্ব-দক্ষিন কোণের জানালার পিছনে অস্পষ্ট কিছু একটা খচখচানি শব্দের আওয়াজে আমার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় চোখ খুলতেই দেখি আমার স্ত্রীও জানালার পাশে কী একটা দেখে চমকে উঠলো। দ্রুত লাফ দিয়ে উঠতেই চোখে পড়ল ধূসর বর্ণের জীবন্ত কিছু একটা ব্যাকুল হয়ে জানালায় ধাক্কাধাক্কি করছে। দেখেই মনে হলো খুব বিপদে আছে। আমাদের দুজনের দৃষ্টিতেই তাত্ক্ষণিক ধরা পড়ল এটি ছোট্ট একটি বিড়াল ছানার (Kitten) মিউ মিউ আর্তনাদ। বোধহয় ছানাটি বিপদে পড়ে জানালার কার্নিশে বসে ভিতরে ঢোকার প্রাণপন চেষ্টা করছে তখনও।

আমরাও অন্যকিছু না ভেবেই দ্রুত জানালার কপাট খুলে ঘরে প্রবেশের সুযোগ করে দেই ওকে। মুহুর্তেই যেন সে প্রাণ ফিরে পায়। লাফ দিয়ে খাটের রেলিং ডিঙিয়ে আমার বিছানায় লেপের উপর চরম আয়েশি ভঙ্গিতে পা গুলো উপোর করে গড়াগড়ি শুরু করলো।ধূসর বর্ণের কী চমত্কার মায়াবী চেহারার ছোট্ট মনি’টা। দেখে মনে হলো বয়স মাত্র কয়েক সপ্তাহ হবে।অচেনা এই অতিথিকে দেখে ওই সময়ে একটিবারের জন্যেও মনেই হয়নি যে, সে একজন অপরিচিত আগন্তুক। বাচ্চাটির ‘হাবভাব’ এবং ‘ফ্রেন্ডলি আচরণ’ দেখে মনে হলো সে একটি চরম বিপদ থেকে একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নিয়েছে। যেমনটি খুঁজে নেয় মানব সন্তান তাঁর স্নেহময়ী মায়ের নিরাপদ আঁচল।

আগন্তুক বিড়াল ছানা

আগন্তুক বিড়াল ছানা

কিছুক্ষণের মধ্যেই কী এক মায়া-মমতার কঠিন বেড়াজালে আটকে গেল ছানাটি এবং সাথে আমরাও। আমার কলেজ পড়ুয়া কন্যার সাথে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাঁর চূড়ান্ত ভাব বিনিময় হয়ে যায়।আমার কন্যাও বায়না ধরল ওকে আর কিছুতেই কোথাও যেতে দিবে না। বললাম বাসায় তো আমাদের আরও একটি পোষা বিড়াল রয়েছে চলো এটিকে আমরা তাঁর মনিবের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করি।বাচ্চাটি হয়তো পথ ভুলে চলে এসেছে।দেখে মনে হল কতদিন যেন কিছুই খায়নি। ঘরে সংরক্ষিত ‘ড্রাই ক্যাট ফুড’ দিয়ে তাঁকে যথারীতি আপ্যায়ন করা হলো। মনের আনন্দে পেট ভরে খেয়ে কিছুক্ষণ খেলাধুলার পর আবারও আমার নরম পরিপাটি বিছনায় শুয়ে গড়াগড়ি খেতে লাগলো যেন এই বাড়িটিই তাঁর আসল বাড়ি এবং বাড়ির মানুষগুলো তাঁর কত আপনজন !

ছোট্ট বিড়ালটিকে ফেরত পাঠিয়ে দিতে আমার কন্যা কিছুতেই সায় দিচ্ছেনা। তাঁর আরও একটি পোষা বিড়াল চাই।

আমাদের ঘরে আগে থেকেই রয়েছে চমত্কার একটি পোষা বিড়াল। তাঁর নাম মিনি। গায়ের রং কালো । আমার পরিবারের সবাই বিড়াল খুব পছন্দ করে। আমার স্ত্রী, বিশেষ করে আমার ছেলে ও মেয়ে দুই জনই আমাদের পোষা বিড়ালটির চমত্কার ঘনিষ্ট বন্ধু।
খটকা লাগলো তখনই যখন আমাদের পোষা বিড়ালটি আগন্তুক শাবকটি’র সাথে সাক্ষাত ঘটলো।আমাদের মিনি আগন্তুক শাবকটিকে দেখে কোনো তীব্র প্রতিক্রিয়া না দেখালেও কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ গম্ভীর হয়ে গেল। প্রথম দেখায় একটু বিরক্ত হলেও কয়েক ঘন্টা যেতে না যেতেই বুঝা গেল মিনি খুব অভিমান করে বসে আছে। ডাকাডাকি করলেও অপলক দৃষ্টিতে তাঁকিয়ে থাকে আমাদের দিকে।বুঝতে কষ্ট হয়নি মিনির খুব মন খারাপ। খুব সযত্নে এড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের সকলকে। সাথে আমাদের সকল আদর-আপ্যায়নগুলো।সবিনয়ে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয় অন্যদিকে। ডাক দিলেও শুনতে চায় না, ফিরেও তাঁকায় না। কী ভয়ংকর অভিমান ! আমাদের প্রতি মিনির চরম অবহেলার ভঙ্গি আমাদেরকেও খুব কষ্ট দিচ্ছে। আহত করছে বারবার।

আমাদের পোষা মিনি

আমাদের পোষা মিনি

বিড়াল একটি বিচিত্র এবং আদুরে প্রাণী। আদুরে এই কারণে যে একটি পোষা বিড়াল নিয়মিত আদর-সোহাগ পেতে চায় অনেকটা স্নেহশীল সন্তানের মতই। আবার সে নিজেও তাঁর ঘরের মানুষগুলোর প্রতি পরম ভালবাসা দেখিয়ে থাকে গায়ে লেজ বুলিয়ে এবং মিউমিউ করে ডেকে।যদিও গবেষকরা বলে থাকেন একটি পোষা বিড়াল তাঁর মনিবকে সর্বদাই অন্য একটি বড় বিড়াল মনে করে থাকে। বিড়াল কী ভাবে আদর পেতে চায় এই উপলব্ধি হয়েছে আমার একান্ত ব্যক্তিগত বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে।অনেক ছোট বেলা থেকেই আমি বিড়াল এবং কুকুর পোষা দেখে আসছি এবং সেই সময়টায় নিজে কত যত্ন করে কুকুর পুষেছিলাম সেই স্মৃতি আমাকে এখনও বারবার তাড়িত করে।বিড়ালের সাথে মানুষের সখ্য কখন থেকে গড়ে উঠছে তার কোনো সঠিক দিনক্ষণ নির্দিষ্ট জানা না থাকলেও বিড়াল বিশেষজ্ঞরা মনে করে থাকেন প্রায় চার হাজার বছর পূর্ব থেকে মানুষ বিড়াল পুষছে।

মানুষ এবং বিড়ালদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা কত গভীর তা আমার এই পোষা বিড়ালটির দিকে সযত্নে না তাঁকালে কিছুই বুঝা যায় না। এদের বন্য স্বভাব থাকলেও গৃহে পালিত এই প্রাণীটির প্রতি কী পরিমান মায়া জমা হতে পারে তা যিনি পোষেণ কেবল তিনিই শুধু বুঝতে পারেন।গবেষণায় দেখা গেছে শতকরা ৯৫ ভাগ বিড়ালের মালিক মনে করেন, পোষা বিড়ালের সঙ্গে তারা নিয়মিত কথা বলেন এবং বিড়াল তা শোনে। আমারও মনে হয় পোষা বিড়াল মানুষের কথা শোনে। আমি যখন আমার প্রিয় মিনির সাথে কথা বলি বিড়ালটি আমার দিকে মনোযোগী হয়ে তাঁকিয়ে থাকে এবং আমার মুখের শিখানো শব্দগুলো সে নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারে। আমি যা করতে বলি সে তা করেও থাকে। ঘুমানো এবং খাওয়া-দাওয়া’র নিয়মিত রুটিন ছাড়াও মাঝে মধ্যে ঘরের বাহিরে থাকলে ওর নাম ধরে ডাকাডাকি করলে তাত্ক্ষণিক দৌড়ে চলে আসে তখন অনেকটা নিজের সন্তানের মতই মনে হয়।

আগন্তুক ছোট্ট বাচ্চাটি কে আদর আপ্যায়ন করা আমাদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছিলনা কারণ মিনি কিছুতেই বাচ্চাটির প্রতি আমাদের দেয়া যত্ন-সোহাগ মেনে নিতে পারছিলনা। তাই সিদ্বান্ত নিতে হলো মিনির অভিমান ভাঙ্গাতে হলে এবং বাচ্চাটির সুন্দর জীবন নিশ্চিত করতে হলে তাঁকে ঘর থেকে তাড়িয়ে না দিয়ে ‘এনিম্যাল চ্যারিটি’-তে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করাই হবে উত্তম কাজ। এবং এইটি না করলে অসহায় প্রাণীটির প্রতি অন্যায় করা হবে। তাছাড়া দুটো বিড়াল একসাথে পোষাও ঝামেলামুক্ত নয়। যুক্তরাজ্যে ‘সেলিয়া হ্যামন্ড এনিম্যাল ট্রাস্ট’ নামের একটি বিখ্যাত (http://www.celiahammond.org/) চ্যারিটি রয়েছে যারা বিড়াল-কুকুরদের চিকিত্সা ও সার্বিক যত্ন নিয়ে থাকে।খ্যাতিমান ফ্যাশন সুপারমডেল ‘সেলিয়া হ্যামন্ড’ এর গড়া ওই ট্রাস্টে ফোনে যোগাযোগ করলে তাঁরা আমাদের কথা শুনে পরামর্শ দেয় যেহেতু বাচ্চাটি খুবই ‘ফ্রেন্ডলি’ তাই ‘ফার্স্ট প্রায়োরিটি’ হলো তাঁকে নিজ মালিকের কাছে পৌঁছে দেয়া। এতে মালিক এবং বিড়াল ছানা দুই পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক হবে। তাঁদের পরামর্শ হলো প্রথমত: আশেপাশের বাড়ি গুলোতে যোগাযোগ করে বাচ্চাটির মালিক খুঁজে বের করে তাঁদের কাছে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।অগত্যা মালিককে খুঁজে পাওয়া না গেলে যেন আমরা আবার তাঁদের সাথে যোগাযোগ করি।

ওদের পরামর্শ অনুযায়ী আমার কন্যা বাচ্চাটির ছবি তুলে স্থানীয় বাসস্টপে এবং রাস্তার মোড়ে নোটিশ টাঙিয়ে দেয়। ঘন্টা দুই এর মধ্যে একজন দেখেও গেলেন। সে জানালো এইটি তাঁর নয়।আরো একজন ফোনে যোগাযোগ করেও পরে আর দেখতে আসেন নাই।প্রকৃত মালিক খুঁজে না পাওয়ায় একদিন পর আবার ‘সেলিয়া হ্যামন্ড এনিম্যাল ট্রাস্ট’-এ ফোনে যোগাযোগ করলে তাঁরা জানায় বাচ্চাটিকে তাঁদের ট্রাস্টে পৌঁছে দিতে পারলে ভালো, নয়তো তাঁরা সুবিধামতো ‘রেসকিউ টিম’ পাঠিয়ে নিয়ে যাবে। তবে এইটিকে যেন কিছুতেই ছেড়ে দেয়া না হয়।

Kitten found notice

Kitten found notice

এই ছেড়ে দেয়া না দেয়ার বাধ্যবাদকতা অনেক। যে কেউ চাইলেই বিড়ালের বাচ্চাকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে তাঁর অনিশ্চিত জীবন ডেকে আনতে পারেনা।এটি অপরাধ হিসেবে গন্য করা হয়।এখানে প্রতিটি পোষা বিড়ালের একটি ইউনিক রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকে। তাঁকে নিয়মিত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হয়।মারাত্মক রোগের হাত থেকে মুক্ত রাখতে বিড়ালটিকে নিয়মিত টিকা দিতে হয়। প্রতি বছর একবার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভ্যাকসিন দিতে হয়। প্রতি তিন মাস অন্তর দাঁত, চোখ সহ অন্যান্য চেকআপ করাতে হয়। এইভাবেই পোষা বিড়াল গুলো সুস্থ্য জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে।

মিনির অভিমান ভাঙ্গাতে আর বেশি দেরী না করে বাচ্চাটিকে ট্রাস্টে পাঠানোর জন্যে দিনক্ষণ ঠিক করা হলো।দিনক্ষণ ঠিক করেও স্বস্থির পাচ্ছিলাম না। কারণ এরই মধ্যে আমার কলেজ পড়ুয়া কন্যা বাচ্চাটিকে না পাঠানোর বায়না ধরলো । সে বাচ্চাটিকে পুষতে চায়। বাচ্চাটির ফ্রেন্ডলি আচরণ তাঁকে কতটা দুর্বল করেছে তা আমি আগে এতটা লক্ষ করিনি। আমি টের পেয়েছি তখন, যখন বুঝতে পারলাম ‘সেলিয়া হ্যামন্ড এনিম্যাল ট্রাস্টে’ বাচ্চাটি হস্তান্তরের সময় আমার মেয়ের কান্না দেখে। সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল। ভারী কন্ঠে বারবার বলছিল বাচ্চাটি ওদের হাতে তুলে দেয়ার সময় তাঁর দিকে কেমন করে তাঁকিয়ে ছিল। বাচ্চাটির তাঁকিয়ে থাকার বিষন্ন দৃষ্টি তাঁকে হয়তো সেই মুহুর্তে অনেক কষ্ট দিয়েছে। হয়তো ভাবছে আর কোনদিনই দেখা হবে না। নিজ হাতে দুই দিনের সম্পর্ক ছিন্ন করতে যার এত কষ্ট আমি তাঁকে নিয়ে ভীষণ ভাবনায় পড়ে গেলাম। তাঁর ভারী কন্ঠে আমারও কন্ঠ ভারী হয়ে আসছিল। আমিও এগুতে পারলাম না। বাচ্চাটির নিশ্চিত জীবন চিন্তা করে এবং অভিমানী মিনির রাগ ভাঙ্গাতে গিয়ে কন্যাকে না কাঁদিয়ে আমার আর কোনো উপায় ছিলনা।

৯২৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখি করি।সংবাদিকতা ছেড়েছি আড়াই যুগ আগে।তারপর সরকারী চাকর! চলে যায় এক যুগ।টের পাইনি কী ভাবে কেটেছে।ভালই কাটছিল।দেশ বিদেশও অনেক ঘুরাফেরা হলো। জুটল একটি বৃত্তি। উচ্চ শিক্ষার আশায় দেশের বাইরে।শেষে আর বাড়ি ফিরা হয়নি। সেই থেকেই লন্ডন শহরে।সরকারের চাকর হওয়াতে লেখালেখির ছেদ ঘটে অনেক আগেই।বাইরে চলে আসায় ছন্দ পতন আরো বৃদ্বি পায়।ঝুমুরের নৃত্য তালে ডঙ্কা বাজলেও ময়ূর পেখম ধরেনি।বরফের দেশে সবই জমাট বেঁধে মস্ত আস্তরণ পরে।বছর খানেক হলো আস্তরণের ফাঁকে ফাঁকে কচি কাঁচা ঘাসেরা লুকোচুরি খেলছে।মাঝে মধ্যে ফিরে যেতে চাই পিছনের সময় গুলোতে।আর হয়ে উঠে না। লেখালেখির মধ্যে রাজনৈতিক লেখাই বেশি।ছড়া, কবিতা এক সময় হতো।সম্প্রতি প্রিয় ডট কম/বেঙ্গলিনিউস২৪ ডট কম/ আমাদেরসময় ডট কম সহ আরো কয়েকটি অনলাইন নিউস পোর্টালে লেখালেখি হয়।অনেক ভ্রমন করেছি।ভালো লাগে সৎ মানুষের সংস্পর্শ।কবিতা পড়তে। খারাপ লাগে কারো কুটচাল। যেমনটা থাকে ষ্টার জলসার বাংলা সিরিয়ালে। লেখাপড়া সংবাদিকতায়।সাথে আছে মুদ্রণ ও প্রকাশনায় পোস্ট গ্রাজুয়েশন।
সর্বমোট পোস্ট: ২০৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৫১৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-১৭ ০৯:২৪:৩১ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

    বেনু ভাই এ কি কাল্পনিক বিড়ালের গল্প না বাস্তব?অনেক ভাললাগা আপনার গল্পে।শুভেচ্ছা রইল।

    • শওকত আলী বেনু মন্তব্যে বলেছেন:

      কাল্পনিক বলছেন কেন ? লেখা পড়ে কি কাল্পনিক মনে হলো ? পুরোটাই বাস্তব । অনেক ধন্যবাদ মুন আপনাকে দীর্ঘ লেখাটি পড়ে মন্তব্যের জন্যে । ভলো থাকুন ।

  2. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো আপনার বিড়ালের গল্প।
    ভালো থাকুন বেনু ভাই।

  3. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    বিড়াল নিয়ে এত
    বাহ বাহ ভাল লাগল

  4. শওকত আলী বেনু মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা মন্তব্যের জন্যে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top