Today 19 Nov 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

এবার মশা মারতে ড্রোন!

লিখেছেন: অনিরুদ্ধ বুলবুল | তারিখ: ২১/০৬/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 658বার পড়া হয়েছে।

Drone-Mosquito

আপাতভাবে মনে হতে পারে মশা মারতে কামান দাগা বলতে যা বোঝায় এ যেন খানিকটা তাইই। তবে বিষয়টি নিয়ে রসিকতা নয় মাইক্রোসফট যা করছে তা মশা নিয়ন্ত্রণের একটি যুগোপযোগী পদ্ধতি। মশা মারার জন্য ড্রোন বা চালকবিহীন ছোট রোবট বিমান তৈরি করছে মার্কিন এই প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানটি।

মাইক্রোসফটের গবেষকেরা ডেঙ্গু বা এভিয়ান ফ্লুর মতো রোগ সৃষ্টিকারী মশা বা মহামারি রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ড্রোন তৈরি করছেন। তাঁদের এই প্রকল্পের নাম ‘প্রিমোনিশন’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁরা এমন পদ্ধতি উদ্ভাবনেও কাজ করছেন যাতে মহামারি আকারে ছড়ানোর আগে ছোঁয়াচে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

গবেষক ইথান জ্যাকসন বলেন, তাঁরা প্রাকৃতিক ড্রোন বানাচ্ছেন যাতে রোগের প্রাথমিক লক্ষণ দেখেই এর প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এ জন্য এক ধরনের মশা মারার জাল তৈরি করা হয়েছে যাতে কম বৈদ্যুতিক শক্তি খরচ হয় ও হালকা ব্যাটারিতেও চালানো যায়।

মাইক্রোসফটের এই ড্রোনে মশা আটকানোর জন্য বেইট সিস্টেম নামে একটি বিশেষ ধরনের সেন্সর রয়েছে যা মশাকে সহজেই অন্য কীটপতঙ্গ থেকে আলাদা করতে পারে। এ ছাড়াও এই ড্রোনে ব্যবহৃত রাসায়নিক মশাকে বাঁচিয়েও রাখতে পারে যাতে সেই মশা নিয়ে পরে গবেষণা চালানো যায়। (রয়টার্স)আপাতভাবে মনে হতে পারে মশা মারতে কামান দাগা বলতে যা বোঝায় এ যেন খানিকটা তাইই। তবে বিষয়টি নিয়ে রসিকতা নয় মাইক্রোসফট যা করছে তা মশা নিয়ন্ত্রণের একটি যুগোপযোগী পদ্ধতি। মশা মারার জন্য ড্রোন বা চালকবিহীন ছোট রোবট বিমান তৈরি করছে মার্কিন এই প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানটি।

মাইক্রোসফটের গবেষকেরা ডেঙ্গু বা এভিয়ান ফ্লুর মতো রোগ সৃষ্টিকারী মশা বা মহামারি রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এমন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির ড্রোন তৈরি করছেন। তাঁদের এই প্রকল্পের নাম ‘প্রিমোনিশন’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁরা এমন পদ্ধতি উদ্ভাবনেও কাজ করছেন যাতে মহামারি আকারে ছড়ানোর আগে ছোঁয়াচে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

গবেষক ইথান জ্যাকসন বলেন, তাঁরা প্রাকৃতিক ড্রোন বানাচ্ছেন যাতে রোগের প্রাথমিক লক্ষণ দেখেই এর প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এ জন্য এক ধরনের মশা মারার জাল তৈরি করা হয়েছে যাতে কম বৈদ্যুতিক শক্তি খরচ হয় ও হালকা ব্যাটারিতেও চালানো যায়।

মাইক্রোসফটের এই ড্রোনে মশা আটকানোর জন্য বেইট সিস্টেম নামে একটি বিশেষ ধরনের সেন্সর রয়েছে যা মশাকে সহজেই অন্য কীটপতঙ্গ থেকে আলাদা করতে পারে। এ ছাড়াও এই ড্রোনে ব্যবহৃত রাসায়নিক মশাকে বাঁচিয়েও রাখতে পারে যাতে সেই মশা নিয়ে পরে গবেষণা চালানো যায়। (রয়টার্স)

তথ্যসূত্রঃ http://www.now-bd.com/2015/06/17/411638.htm

৬৫৫ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কৈফিয়ত - তোমরা যে যা-ই ব'ল না বন্ধু; এ যেন এক - 'দায়মুক্তির অভিনব কৌশল'! যেন-বা এক শুদ্ধি অভিযান - 'উকুন মেরেই জঙ্গল সাফ'!! প্রতিঘাতের অগ্নি-শলাকা হৃদয় পাশরে দলে - শুক্তি নিকেশে মুক্তো গড়ায় ঝিনুকের দেহ গলে!! মন মুকুরের নিঃসীম তিমিরে প্রতিবিম্ব সম - মেলে যাই কটু জীর্ণ-প্রলেপ ধূলি-কণা-কাদা যত। রসনা যার ঘর্ষনে মাজা সুর তায় অসুরের দানব মানবে শুনেছ কি কভু খেলে হোলি সমীরে? কাব্য করি না বড়, নিরেট গদ্যও জানিনে যে, উষ্ণ কুসুমে ছেয়ে নিয়ো তায় - যদি বা লাগে বাজে। ব্যঙ্গ করো না বন্ধু আমারে অচ্ছুত কিছু নই, সীমানা পেরিয়ে গেলে জানি; পাবে না তো আর থৈ। যৌবন যার মৌ-বন জুড়ে ঝরা পাতা গান গায় নব্য কুঁড়ির কুসুম অধরে বোলতা-বিছুটি হুল ফুটায়!! ভাল নই, তবু বিশ্বাসী - ভালবাসার চাষবাসে, জীবন মরুতে ফুটে না কো ফুল কোন অশ্রুবারীর সিঞ্চনে। প্রাণের দায়ে এঁকে যাই কিছু নিষ্ঠুর পদাবলী: দোহাই লাগে, এ দায় যে গো; শুধুই আমার, কেউ না যেন দুঃখ পায়।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪২২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০২-১৪ ০২:৫৯:৫৩ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    বাপরে কত কিছু যে আরো হবে

    এই মেশিন আমার দরকার বেশী
    বেয়াদপগুলানরে শাস্তি দেওন দরকার

    সুন্দর পোস্ট শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া

    • অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

      আপনার বেশি দরকার! ভারি স্বার্থপর তো!!
      হাঃ হাঃ হাঃ
      মেশিনটা আমাদের জন্য কেন নয় আপু?
      আপনার মন্তব্যে বেশ মজা পাই।
      ভাল থাকুন, মশার জ্বালা মুক্ত থাকুন।

  2. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ দারুন পোষ্ট

    দারুন

    ভাল লাগলো পড়ে

  3. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল খবর
    কাজে লাগবে

  4. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার খবর ! প্রশ্ন হচ্ছে- আমরা কি এই প্রযুক্তি ব্যবহারের আদৌ সুযোগ পাব ?
    সুন্দর শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ কবি ।

  5. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    বর্তমান দুনিয়া – পূঁজিবাদ অর্থনীতির দুনিয়া। অর্থনৈতিক প্রয়োজনেই প্রযুক্তিকে অবাধ ও সহজ করে দেয়া হয়। এছাড়া এখন পৃথিবী একটি ‘গ্লোবাল ভিলেজে’ রূপান্তরিত হয়ে উঠেছে – সুতরাং ওই প্রযুক্তি আমাদের হাতে পৌঁছুতেও দেরি নেই।
    ভাল থাকুন, শুভেচ্ছা নিন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top