Today 16 Oct 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ওজন কমানোর দাওয়াই

লিখেছেন: মাসুদ পারভেজ | তারিখ: ১১/০৫/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 761বার পড়া হয়েছে।

নিজেকে ফিট রাখাটা একান্ত জরুরি। বাড়তি ওজন শুধু আপনার দৈহিক সৌন্দর্যকেই নষ্ট করে না বরং বিভিন্ন রোগের আশঙ্কাকেও বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে নিজের মতো করে নিজেকে উপস্থাপন করাটাও একটি শৈল্পিক বিষয়। তাই নিজেকে সুন্দর রাখতে সব সময়ই দরকার নিজের ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।

তবে ওজন কমানোর কোনো জাদুমন্ত্র নেই। ওজন কমাতে চাইলে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ আর নিয়মিত শরীরচর্চা দুটোই দরকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক ওজন কমানোর কিছু কার্যকরী দাওয়াই:

১. স্বাভাবিকভাবে একজন পূর্ণবয়স্ক পুরুষের প্রতিদিন গড়ে ১৪০০-১৬০০ ক্যালরি প্রয়োজন। আর একজন পূর্ণবয়স্ক নারীর প্রতিদিন গড়ে ১০০০-১২০০ ক্যালরি প্রয়োজন। এর বেশি খেলেই তা বাড়তি ওজন হিসেবে জমা হবে।

২. খাদ্যাভ্যাসে উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। তেলে ভাজা খাবার চকলেট, আইসক্রিম, বার্গার বা স্যান্ডউইচ, বিরিয়ানি ওজন বাড়বে। অন্যদিকে হাতে তৈরি রুটি, পাউরুটি, কম তেলের সবজি অল্প তেলে রান্না নুডলস, রান্না করা সবজি কম তেল-মসলায় রান্না করা মাংস খেতে পুষ্টিও পাবেন আবার ওজনও বাড়াবে না।

1

৩. ওজন কমাতে শরীর চর্চার উদ্দেশ্য হলো ক্যালোরি পুড়ানো, কতটুকু ক্যালোরি খরচ হলো তা নির্ভর করে আপনার শরীরচর্চার পরিমাণ ও কত সময় ধরে করলেন তার ওপর। সবচেয়ে ভালো সহজ উপায় হলো প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা। আর ছোটখাটো সহজ উপায় হলো আপনার শারীরিক তত্পরতা আপনি বাড়াতে পারেন লিফটে না উঠে সিঁড়ি বেয়ে উঠুন, গাড়িটা বাদ রেখে আশপাশের বাজারঘাট, অফিস হেঁটেই যান। ওজন কমানোর দাওয়াই

৪. ভুনা ও চর্বিযুক্ত মাংসও থাই স্যুপ বা ক্রিম স্যুপে ওজন বাড়ানোর হারকে ত্বরান্বিত করে। খেতে পারেন তন্দুরি বা গ্রিলড খাবার- এসবে ওজন বাড়ে না। ডিম খেতে চাইলে সেদ্ধ খান। ভাজি, অমলেট কিংবা পোচ করে নয়। কেউ যদি স্বাস্থ্য সচেতনতার দোহাই দিয়ে ভাত কিংবা শর্করা খাওয়া একেবারেই বন্ধ করে দেন, সেটি যেমন খারাপ আবার অতিরিক্ত শর্করা কিংবা ভাত খেয়ে ফেলাটাও শরীর জন্য ক্ষতিকর। তাই এখন থেকে ভাত দিয়ে তরকারি নয় বরং তরকারি দিয়েই ভাত খান।

৫. তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি হলো কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য, তাই যাদের ওজন বেশি তাদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত।

1

৬. মসলাজাতীয় খাবার, যেমন: আদা, দারুচিনি, কালো মরিচ এগুলো প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে। মসলাজাতীয় খাবার হলো ওজন কমানোর কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি।

৭. বাঁধাকপিকে ওজন কমানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হিসেবে ধরা হয়। বাঁধাকপি মিষ্টি ও শর্করাজাতীয় খাবারকে চর্বিতে রূপান্তর করতে বাধা দেয়। এ জন্য বাঁধাকপি খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে ওজন কমাতে। এটিকে কাঁচা অথবা রান্না করেও খাওয়া যায়।

৮. খাবারের শেষে যাদের কোমলপানীয় পানের অভ্যাস, তাঁরা ডায়েট পানীয়তে অভ্যস্ত হোন। মিষ্টি ফলও কিন্তু ওজন বাড়ায়। সবচেয়ে ভালো হয় ফলের রসে তৃষ্ণা মেটাতে পারলে, তবে ফল টক হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

৭৬২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ১৭ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ০ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-২৩ ১৫:৪৮:১৪ মিনিটে
banner

৫ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    দারুন ভাবনার প্রয়াস

    ভালো ভালো খুব খুবই

    ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,নাইস

  2. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর ভাবনার প্রয়াস

  3. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    পোস্ট পড়ে আমার কোন লাভ হলো না – বুঝতেই পারছেন
    – হাঃ হাঃ হাঃ
    ধন্যবাদ।

  4. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    ওজন নিয়ে যত পোস্ট পেলাম সব শুধু ওজন কমানোর ! :( বাড়ানোর কথা কেউ লিখছে না ! :( সবাই মনে হয় ধরেই নিয়েছে পৃথিবীতে কম ওজনেরও মানুষ থাকতে পারে ! :(
    ভালো লাগলো পোস্ট ! শুভেচ্ছা জানবেন ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top