Today 14 Dec 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

কতবার ভেবেছিনু আপনা ভূলিয়া তোমারও চরনে দিব হৃদয় খুলিয়া।

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ০৪/০৭/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 743বার পড়া হয়েছে।

h

আজকে ভাবছি চিঠি একটা লিখবই তোমাকে। তোমার অভিযোগ সবসময় তোমার দশ বারটা চিঠির জবাবে একটা চিঠি লিখি। তোমার বড় চিঠি নাকি মনোযোগ দিয়ে পড়িনা।ঠিক না তোমার এক একটা চিঠি আট থেকে দশবার পড়ি। পড়তে ভালবাসি। খুব লিখতেও চাই তোমাকে। চিঠি কেন যেন গুছিয়ে লিখতে পারিনা। মনে মনে তোমার সাথে কত কথা বলি দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা। সেসব লিখলে কথোপকথনের মত একটা কবিতার বই হয়ে যাবে।আচ্ছা তোমার কি কথোপকথন কবিতার বইগুলি পড়া?আমার অনেক পছন্দের এই কবিতাগুলি।তোমার পছন্দের গানটা গাইকতবার ভেবেছিনু আপনা ভূলিয়া
তোমারও চরনে দিব হৃদয় খুলিয়া।
চরনে ধরিয়া তব কহিব প্রকাশি
গোপনে তোমারে সখা কত ভালবাসি।
ভেবেছিনু কোথা তুমি স্বর্গের দেবতা
কেমনে তোমারে কব প্রনয়ের কথা
ভেবেছিনু মনে মনে দুরে দুরে থাকি।
চিরজন্ম সঙ্গোপনে পূজিব একাকী_
কেহ জানিবেনা মোর গভীর প্রনয়
কেহ দেখিবেনা মোর অশ্রবারিচয়।
আপনি আজিকে যবে শুধাইছ আসি
কেমনে প্রকাশি কব কত ভালবাসি।
(রবীন্দ্র সংগীত)

স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি গানটি পড়তে পড়তে এতক্ষনে তোমার মুখটা উজ্জল হল।হাসছ তুমি তাইনা?

চিঠি লিখতে লিখতে এই কথাটা মনে পড়ে গেল।এখন হাসি পাচ্ছে ভীষন।তখন ছিল ব্যাপারটা বিড়ম্বনার বেদনার।মনে আছে তুমি আমি প্রতিদিন বারান্দায় ফুলের গাছে পানি দেওয়ার অভিনয় করে অনেকক্ষন সময় কাটাতাম।লুকিয়ে লুকিয়ে পরস্পরকে দেখতাম।যখন চোখাচোখি হত আমরা হেসে মুখ ফিরিয়ে নিতাম।একদিন তুমি এরকম ইশারা করে কথা বলছ। পিছনে এসে দাড়িয়েছে তোমার দুলাভাই।আমিতো তো ওনাকে দেখছি।তোমাকে ইশারায় কিছু বলতে পারছিনা।উনি আমার দিকে তাকিয়ে আছেন সরাসরি রক্তচক্ষু মেলে।

এই ঘটনার পর একমাস দেখা সাক্ষাত ছিলনা আমাদের। তুমি ছিলে তোমাদের বোনদের প্রহরায় আমি ছিলাম সরাসরি মায়ের তত্বাবধানে।

আরেকদিন পাথরের টুকরায় বেধে প্রথম চিঠি পাঠালে।সে কি উত্তেজনা।বাবা ভয়ও পেয়েছিলাম।

ছোট একটা মেসেজ ছিল তাতে লেখা

আমি সকালে হাটতে যাব কালকে ঠিক ছয়টায়।তুমি হাটতে বের হলে তোমার সাথে দেখা হবে।কিযে তুমি এত ভোরে আমি কিভাবে একা বের হই।আমি তখন সবে অনার্স ফাষ্ট ইয়ারের স্টুডেন্ট।সর্বক্ষন থাকি মায়ের কড়া প্রহরায়।মা দুইদিন দেখে ফেলেছে তোমাকে আমাকে চোখাচোখি করা অবস্থায়।ভয়ে চিঠিটা আমি টুকরা টুকরা করে ছিড়ে ফেললাম।

পরের দিন বারান্দায় তোমার সাথে দেখা। সে কি অভিমান তোমার ।আমার দিকে তাকাতে চাওনা। হার মানতে হল আমাকে ।পরের দিন তোমার সঙ্গে হাটলাম ধানমন্ডি লেকে অনেকক্ষন।মায়ের চোখকে ফাকি দিয়ে সেই যে শুরু হল।তুমি আমাকে কৃষ্ণচুড়ার একটা ডাল ভেঙ্গে দিলে।তুমি জান এখনও আমার কাছে সেই ডালটা আছে।ফুলের পাপড়িগুলি আমার বইয়ের পাতায় গচ্ছিত আছে।
তোমার দেওয়া প্রথম গিফটটা এখনও আছে।যা তুমি প্রথম ভ্যালেনটাইন ডে তে দিয়েছিলে।চমৎকার একটা প্যাড তাতে একটা পেন।বলেছিলে আমাকে চিঠি লিখতে হবে প্রতিদিন।

কাগজে আবার চিঠি আবার লিখতে হবে কেন?আমিতো তোমাকে ফেসবুকে মেসেজ দেই।বললাম হেসে।

নানা ফেসবুকে না।আমি তোমার হাতের লেখা চিঠি চাই।কাগজে তোমার হাতের সুগন্ধ চাই।
সেই থেকে তোমার এই প্যাডটা প্রতিদিন একবার দেখি।ভালবেসে স্পর্শ করি।কিন্তু কখনও চিঠি লেখা হয়নি।তোমার অভিমান অনুযোগ স্বত্বেও কখনও চিঠি লিখতে পারিনি।

এবারের ভ্যালেনটাইন ডে এর আগে একটা চিঠি লিখতে চাচ্ছিলাম।

তুই ফেলে এসেছিস কারে,মন,মন রে আমার।
তাই জনম গেল, শান্তি পেলি না রে, মন,মন রে আমার।
যে পথ দিয়ে চলে এলি সে পথ এখন ভূলে গেলি_
কেমন করে ফিরবি তাহার দ্বারে মন,মন রে আমার।

তোমার দেওয়া রবীন্দ্র সংগীতের সিডি শুনছিলাম।শুনতে শুনতে সব পুরানো কথা মনে হচ্ছিল।

এর মধ্যে বিষাদের সময় আসল একসময়ে।তোমার ছোটবোন সুমার বিয়েতে গিয়েছি আমি আর মা।গিয়ে শুনলাম তুমি ডিভি পেয়েছ।এ তো বেশ খুশীর খবর।তুমি আমাকে জানালে না কেন এই ভেবে কিছুটা অভিমান ও হয়েছিল প্রথমে।তোমাদের লিভিং রুমে একমিনিটের জন্য দুইজনের একাকী হওয়ার সুযোগ হল।
অভিনন্দন জানাতে তুমি বললে আমি তোমাকে জানাতে যাচ্ছিলাম।সুযোগ পাচ্ছিলামনা।ভীষন ব্যাস্ত বলে তড়িঘড়ি করে অন্যরুমে চলে গেলে।ভীষন মন খারাপ হল তোমার ব্যাবহারে।সেই মন খারাপ বেদনায় পরিনত হল যখন শুনলাম তোমার দুলাভাইয়ের কলিগ এর বোন এর সাথে আখত হবে পরের মাসে এবং বিয়ের পরে সস্ত্রীক ইউ এস চলে যাচ্ছ।

এরপরে দুইদিন বারান্দায় প্রায় তোমার জন্য বসে রইলাম দুই ঘন্টা তিনঘন্টা।তোমাকে আর বারান্দায় দেখা গেলনা।ধীরে ধীরে পার হল আর এক দিন দুইদিন তিনদিন এভাবে একমাস দুইমাস তিনমাস।তোমাকে আর দেখা গেলনা।সাবসিডিয়ারী অংকে পরীক্ষা খারাপ করে বসলাম।লজ্জায় মায়ের চোখের দিকে তাকাতে পারছিলামনা।মা বুঝে ফেললেন পুরো ব্যাপারটা।তাই নিজেকে স্বাভাবিক করতে হল।জোর করে তোমার স্মৃতি মন থেকে মুছলাম।মন শক্ত করলাম।আমাদের সব ভাইবোন পড়ালেখায় ভাল ।কেও কখনও রেজাল্ট খারাপ করেনা। সেখানে আমার এই পরীক্ষা খারাপ হওয়া দিনদিন শুকিয়ে যাওয়া বাবা সহ অন্য ভাইবোন চোখে পড়েছিল।এইসময় মা আমাকে খুব আগলে রেখেছিল।আমি আর মা একসঙ্গে সকালে হাটতে বের হতাম।

কি রে তোকে শাওন ফোন করেনা এখন? চিঠি লিখেনা?লজ্জায় মায়ের চোখের দিকে তাকাতে পারিনি।কি যে বলব মাকে তা ভাবছিলাম।সত্যি কথা বলতে কষ্ট হচ্ছিল।মিথ্যে কথা বা মাকে বলি কিভাবে? শুধু তাই বললাম সত্য মিথ্যের ধারকাছে না গিয়ে ও একটু সময় নিচ্ছে মা।নুতুন দেশ নুতুন পরিবেশ।

আস্তে আস্তে তোমাকে ভূলে যেতে চেষ্টা করলাম।পড়ালেখায় মনোযোগী হলাম অনেক বেশী।অনার্সে রেকর্ড মার্কস সহ পাশ করলাম।তোমাকে ভূলতে গিয়ে পড়ালেখায় বেশী মনোযোগী হয়েছিলাম।

আমরা পুরানো জায়গা ছেড়ে নুতুন বাড়ীতে উঠলাম।ক্রমে একবছর দুইবছর তিনবছর পার হল। তোমার স্মৃতি আস্তে আস্তে মন থেকে মুছে যেতে শুরু করল।আমাদের সেই স্মৃতি বিজড়িত লেক পুরানো বাসা ওই রাস্তা আস্তে আস্তে ভূলে গেলাম।এর মধ্যে মাষ্টার্স পাশ করলাম।বি এড সার্টিফিকেট নিলাম।একটা স্কুলের জব পেয়ে গেলাম।বাসায় বিয়ের কথা হচ্ছে।

এর মধ্যে একদিন ঘটল অদ্ভুত ঘটনা যা অবাস্তব মনে হল এখনও সিনেমা উপন্যাসের মত ই মনে হয় জীবনটাকে জান।একদিন স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিলাম।হাতিরপুলে র কাছাকাছি ইষ্টার্ণ প্লাজার কাছাকাছি সুমার সাথে দেখা । ও জবরদস্তি করে বলা যায় টানতে টানতে আমাকে ওর বাসায় নিয়ে গেল।

ওর অভিযোগের কথা অভিমানের কথা শুনতে শুনতে অস্থির আমি।এরপরে ও বোমা ফাটানোর মত করে যে খবর বলল তার জন্য প্রস্তুত ছিলামনা একেবারে।হাতের ব্যাগ পড়ে গেল মাটিতে। বলল তোমাকে বিয়েতে রাজী করানো যাচ্ছেনা কিছুতে।আমাকে জিজ্ঞাসা করল “তোর ব্যাপার কি ?ভাইয়াকে কি ভূলে গেলি?ভাইয়া কিন্তু তোর উপর মন খারাপ করেছিল।এখন বুঝেছে।তোর কাছে ভাইয়ার কোন চিঠি পোছায়নি।আমি খোজ করে সুন্দরবন কূরিয়ার থেকে তোর সব চিঠি নিয়ে এসেছি।এই দেখ ।অদ্ভুত ব্যাপার জান বিশাল এক ব্যাগ সহ তোমার সর্বমোট পঞ্চাশ টা চিঠি সুমা আমার হাতে দিল।আমার অবস্থা তখন তুমি নিশ্চয় কল্পনা করতে পারছ।জ্ঞান হারানোর অবষ্থায় চলে গিয়েছি।সুমা আমাকে আকড়ে ধরল শক্ত করে।

আমি ভাইয়াকে বলেছি তুই কখনও অন্যায় করতে পারিসনা ।তখন ভাইয়ার কথামত কূরিয়ার এ গিয়ে খোজ করে সব ওর সব চিঠিপত্র উদ্বার করলাম।কয়েকমাস ধরে তোকে যে কত খোজা খুজছিরে জানিস।নামাজ পড়ে দোয়া করছি।এইজন্য আল্লাহ তোকে আজ মিলায়ে দিল।

আমার অবস্থাটা চিন্তা কর।একমাস হল দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা তোমার চিঠিগুলি অসংখ্যবার পড়ছি আর পড়ছি।প্রতিটার উত্তর ও লিখে ফেলছি।সব একসঙ্গে পোষ্ট করব ভাবছি।দেশে আস।না হয় বিয়ের রাতে চিঠিগুলি গিফট করব তোমাকে।তোমার অভিযোগ ভালবেসে কখনও চিঠি লিখিনা।এবার সব চিঠি একসঙ্গে তোমাকে দিব যাতে একমাস ঘরের বাহির না হয়ে শুধু চিঠি পড়তে পার।

এরপরে সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে গেল।তোমার বোনরা বাসায় আসল বিয়ের প্রোপোসাল নিয়ে। তুমি নাকি চাচ্ছ বিয়ের ডেট ১৪ই ফেব্রুয়ারী ভ্যালেনটাইন ডে তে ফেলতে।দেশে আস ।এই চিঠিটা তখনই তোমাকে দিব অন্যসব চিঠিসহ।

তোমার আসার অপেক্ষায় ব্যাকূল হৃদয়ে বসে আছি।আর মাত্র এক মাস।সময়টা মনে হচ্ছে কাটতে চাচ্ছেনা।এই অপেক্ষা ক্লান্তিকর হলে তার সাথে মধুর ও বটে।

পরশু তোমার বোনের সাথে দেখা হয়েছে নাকি মায়ের।বললেন তুমি পরের মাসে আসছ দেশে।তখন ওনারা চাচ্ছেন আমাদের বিয়ের দিন ঠিক করবেন।

এরপরে সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে গেল।তোমার বোনরা বাসায় আসল বিয়ের প্রোপোসাল নিয়ে। তুমি নাকি চাচ্ছ বিয়ের ডেট ১৪ই ফেব্রুয়ারী ভ্যালেনটাইন ডে তে ফেলতে।দেশে আস ।এই চিঠিটা তখনই তোমাকে দিব অন্যসব চিঠিসহ।

আর একমাস ধৈর্য্য ধরে থাক।শরীরের দিকে খেয়াল রেখ।ভাল থেক।শরীরের যত্ন নিও।

তোমারই
আমি।

(কাল্পনিক চিঠি।চিঠির চরিত্র ঘটনার সঙ্গে বাস্তবের কোন সম্পর্ক নাই।কোথাও কোন মিল পাওয়া গেলে তা হবে সম্পূর্ন কাকতালীয়।)

৮৪১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

১৮ টি মন্তব্য

  1. তৌহিদুল ইসলাম ভুঁইয়া মন্তব্যে বলেছেন:

    আপু কার জন্য এই চিঠি? আমিও এমন একটা চিঠির প্রতাশায় আছি।

  2. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    মনে করুন আপনাকে ই লিখেছি। সব প্রেমিক হৃদয় , প্রেমিকদের ভালোবেসে এ চিঠি। ধন্যবাদ তৌহিদুল ভাই মন্তব্যের জন্য। অনেক অনেক ভাল থাকবেন। …..অবশ্যই আমার প্রেমে ডুবে থাকবেন। …………..

  3. প্রহেলিকা মন্তব্যে বলেছেন:

    বাহ!!!দারুন দক্ষ হাতের লেখাতো পেলামই সাথে আমার প্রিয় একটি গান, দারুন বলতেই হয়। এই সকালের স্নিগ্ধতায় আপনার লেখা আর একটু ভিন্নমাত্রা যোগ করল। শুভেচ্ছা সহ শুভ সকাল।

    • আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

      চমত্কার কমেন্টস করে এই সকালে স্নিগ্ধতা আর একটা ভিন্নমাত্রা যোগ করে দিলেন। ..আজকে। অনেক ধন্যবাদ প্রহেলিকা। ভাল থাকবেন।

  4. ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব সুন্দর হয়েছে। পড়ার সময় কেন জানি অতীতে হারিয়ে গিয়েছিলাম। বিয়ের আগে আমিও আমার হবু স্ত্রীকে এই ভাবে চিঠি লিখতাম। মাঝে মাঝে ভোরবেলা চন্দ্রিমা উদ্যানে হাঁটতে যেতাম। চিঠি না থাকলে আমাদের দুইজনেরই খুব মন খারাপ লাগত। আজ কাছাকাছি থাকার পরও বহুদিন চিঠি লেখা হয় না। মোবাইলে মাঝে মাঝে এসএমএস করা হয়। ভোরবেলা হাঁটতেও যাওয়া হয় না। আপনার লেখাটি পড়ে আবার চিঠি লেখা আর হাঁটতে বের হতে ইচ্ছা করছে। ফিরে পেতে ইচ্ছা করছে সেই দিনগুলির। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    আপনার কিন্তু ভুল বানানটা ভুল হয়। খেয়াল রাখবেন।

    • আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

      সুন্দর কমেন্টস করে আমার ক্লান্তি দূর করে দিলেন আনোয়ার ভাই। আবার আগের কিছু অভ্যাসে নিজেকে নিয়ে আসুন। চিঠি লিখুন প্রিয়তমা স্ত্রীকে আবার সময় করে। দেখবেন জীবনের চার্ম আবার ফিরে আসবে যা ভাবছিলেন হারিয়ে গেছে। …..দেখবেন তা আছে পাশে যায়নি হারিয়ে। …হাটতে যান চন্দ্রিমা উদ্যানে। ..ওনাকে অবাক করে কিছুটা মজা করে বলুন কিছু কথা বলতে চাচ্ছিলাম সামনা সামনি বলতে অস্বস্তি বোধ করছি সেজন্য চিঠি ………….দেখবেন আনন্দে উনি হেসে ফেলবেন।
      হাতের লেখা একটা চিঠি এখন আমার কাছে সব উপহারের চেয়ে কাঙ্খিত বেশি। সহজ ,সরল এখানে কোন ভান নেই ভালবাসা প্রকাশে।

      অনেক ধন্যবাদ আবার ও সুন্দর কমেন্টসের জন্য। ভাল থাকবেন আনোয়ার ভাই। শুভেচ্ছা রইল।

      • আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

        হ্যা আমার বানান ভূল হয়ে যায়। এমনকি ভূল ও ভূল। দেখেন কান্ড। আপনি দেখিয়ে না দিলে তো সচেতন ই হতামনা। ধন্যবাদ আনোয়ার ভাই।

    • আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

      ধন্যবাদ আনোয়ার ভাই লেখাটি সিলেকশন করায়। অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই। ভাল থাকবেন কেমন।

  5. সারমিন মুক্তা মন্তব্যে বলেছেন:

    কেমন ভাল বলতে পারবো না। তবে ভাষায় বুঝাতে পারব না। ধন্যবাদ

    • আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

      আমি ও ভাষায় বুঝাতে পারছিনা মুক্তার কমেন্টসে কত খুশি হয়েছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ বোন। ভাল থাকবেন।

  6. শওকত আলী বেনু মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো…. তবে বড় লেখা পড়ার সময় পাইনা..

    • আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

      ভালো লাগলো…. তবে বড় লেখা পড়ার সময় পাইনা.আমি ও তারপর চেষ্টা করি ভাল ভাল লিখা পড়তে , কমেন্টস করতে। ধন্যবাদ বেনু ভাই তারপরে ও কমেন্টস করার জন্য। ভাল থাকবেন।

  7. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    ওয়াও এত সুন্দর!

  8. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    ওয়াও এত সুন্দর!

    ধন্যবাদ ভাই কমেন্টস করার জন্য। ভাল থাকবেন।

  9. সাখাওয়াৎ আলম চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    যদিও আপনি লিখেছেন কাল্পনিক। কিন্তু চিঠি লেখাটি পড়ে কারও মনে হবেনা এটি কাল্পনিক কোন লেখা। এতো সুন্দর এতোই চমৎকার যে এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম।

  10. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    এত সুন্দর করে কমেন্টস আর প্রসংসায় ভাসিয়ে দিলেন আপনি। আজকে মন টা এত খারাপ লাগছিল আপনার কমেন্টস পরে হেসে ফেললাম। মনে আনন্দ চলে আসল। ধন্যবাদ ভাই। যে আনন্দ আমাকে দিয়েছেন তার অনেকগুণ বেশি আনন্দ আল্লাহ আপনাকে দিক। ……….এই কামনা রইল। আপনার অনেক সুন্দর জীবন কামনায়।

  11. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    কি লেখা । পড়ার পরেই কোথাও না কোথাও হারিয়ে যেতে হয় ।
    মনোমুগ্ধকর ।

  12. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল বাসার চিঠি ভাল লাগল

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top