Today 18 Jul 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

কস্টের এক যুগ

লিখেছেন: তৌহিদ উল্ল্যাহ শাকিল | তারিখ: ১০/০৬/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 426বার পড়া হয়েছে।

সিগারেটের ধোঁয়া বেশ বিরক্তি লাগে জিতুর। তবু জিতু সিগারেট জ্বালিয়ে বসে আছে বাড়ির পেছনের মাঠে। সিগারেট কখনো পান করে না জিতু । প্রতিবছর এই দিনে একটি সিগারেট কিনে নেয় গ্রামের রহিম মিয়ার মুদি দোকান থেকে । রহিম মিয়া অবাক হয় কিন্তু কিছু বলে না । বছরের এই দিনটি বেশ কষ্টের । সিগারেট জ্বালিয়ে বুকের মাঝে চামড়ায় স্যাকা দেয় জিতু । বুঝতে চেষ্টা করে কতটা কষ্ট হত তার মায়ের ?আজ এক যুগ হল জিতুর মা মারা গেছে । ঠিক মারা গেছে ভুললে হবে , মেরে ফেলা হয়েছিল । আর তারপর আত্নহত্ন্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখন জিতুর বয়স আট। আজ জিতুর বয়স কুড়ি।মায়ের চোখ বুঝে অত্যাচারের সে সব কষ্ট সহ্য করা জিতু দেখেছে নিজের চোখে কিন্তু অনুভব করতে পারেনি সেই সময়। তাই সে অনুভব করতে চায় মায়ের কষ্ট আর বেদনা গুলো।

বেশ সুন্দর সংসার ছিল জিতুদে’র। আজো অবশ্য আছে তবে সেই সংসারে জিতু অবাঞ্ছিত। বছরে একবার গ্রামের বাড়িতে আসে । কারো সাথে তেমন কোন কথা বলে না । মনের গভিরের ক্ষতটা ভুলতে সে বার বার চায় কিন্তু পারে না । প্রতিদিন রাতে ঘুমুতে যাবার পূর্বে তার মায়ের সেই বীভৎস চেহারাটা চোখের সামনে ভেসে উঠে । তখন সব কিছু ভুলে যায় জিতু । কেমন একটা প্রতিশোধ স্পৃহা জেগে উঠে মনে । এরপর কখন ঘু্‌মিয়ে পড়ে সে খেয়াল তার থাকেনা। জিতুর মা আয়েশা আক্তার বেশ সুন্দরী ছিল। জিতুর মায়ের হাসি ছিল ভুবন ভুলানো । জিতুর বাবা আতিক ছিলেন ব্যাবসায়ী। সংসারে সুখ ছিল । কিন্তু একদিন জিতু স্কুল থেকে ফিরে তার মাকে কাঁদতে দেখে । সে মায়ের আঁচল ধরে মায়ের শরীরের সাথে মিশে যায়। মা তাকে জড়িয়ে ধরে অনেকক্ষণ ফুফিয়ে ফুফিয়ে কাঁদে। সেই থেকে মাকে প্রায় কাঁদতে দেখত জিতু। কেন মা কাঁদত তা জিতু বুঝতে পারত না । তাই একদিন ছোট ফুফুকে জিগ্যেস করেছিল । ফুফু বলেছিল তার বাবা নাকি ইদানিং তার মাকে খুব মারধর করে । এছাড়া তার বাবা নাকি হেনা’কে বিয়ে করবে। হেনা ছিল জিতুদের গ্রামের নবাব আলীর মেয়ে। হেনা বেশ সুন্দরী ছিল । জিতুর বাবা আতিক ইদানিং হেনাদে’র বাড়িতে নিয়মিত আসা যাওয়া করে । জিতু মা এসব নিয়ে কথা বললে তার বাবা তার মাকে অত্যাচার করতে থাকে ।

একদিন জিতুর বাবা দুপুরে হেনাদের বাড়ি থেকে এলে , জিতুর মা কি যেন জিগ্যেস করেছিল । আর তাতেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে আতিক । জিতুর মাকে চুলের মুঠি ধরে মারতে মারতে উঠানে নিয়ে আসে । জিতু সবে মাত্র স্কুল থেকে ফিরেছে । মাকে মারতে দেখে জিতু দৌড়ে যায় । জিতুকে দেখে ও তার বাবা শান্ত হয়না , আশে পাশের ঘরের লোকজন তখন বাইরে এসে সেই অমানবিক দৃশ্যের মজা নিচ্ছে । তাদের সামনে যেন ফ্লিম চলছে ভি,সি,পি’তে । যাকে বলে একেবারে লাইভ টেলিকাস্ট। অনেকক্ষণ ধরে তার মাকে বেদম পেটানোর পর সেদিন তার বাবা যা করেছিল জিতু আজ ভুলতে পারেনা।

-এই মাগী এদিকে আয়। তোর সতীত্ব পরীক্ষা করি ।বলে জ্বলন্ত সিগারেট তার মায়ের বুকের উপর চেপে ধরে।

গগন বিধারী চিৎকার দিয়ে উঠে জিতুর মা । আশে পাশের সবাই দর্শকের মত চেয়ে থাকে । কেউ এগিয়ে আসেনি সেই সময়। জিতু অজ্ঞান মায়ের পায়ের কাছে বসে বসে তখন কাঁদছে। তার মায়ের বুকের ব্লাউজটা তখন সিগারেটের পোড়া ছিদ্র আর সে ছিদ্র দিয়ে ……।জিতুর মাকে মেরে কিছুক্ষণ পড় নতুন পাঞ্জাবী পড়ে বেরিয়ে যায় জিতুর বাবা। অপলক দৃষ্টিতে জিতু সেদিকে চেয়ে থাকে অবাক নয়নে।

এত কস্টের পর ও তার মা তাকে খেতে দিয়েছিল খুড়িয়ে খুড়িয়ে হেটে গিয়ে। মায়ের ফর্শা মুখ বেদনার কালিতে নীল হয়ে যেত , সব কিছু খুটিয়ে খেয়াল করত জিতু। কোন কিছুর বাহানা করা ভুলে গেছে সেই থেকে । জিতু পারত পক্ষে বাবার সামনে পড়ত না । এরি মাঝে একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে নজু কাকা জিতু’কে বলে

-কিরে জিতু তোর বাবা তো তোর জন্য নতুন মা এনেছে ।

বাকি পথটুকু জিতু কারো সাথে কথা বলে না । এক দৌড়ে বাড়ি এসে মায়ের কাছে যায় । খেতে বসে নজু কাকার বলা কথাটা মাকে বলে ফেলে মুখ ফসকে । সেই সময়ে কি এত বুজ ছিল জিতুর?ছিলনা তাইতো বলেছিল । জিতু’র কথা শুনে জিতুর মা অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। পাশের ঘরের রুবি চাচী এসে মাথায় পানি দিয়ে হুঁশ আনে জিতুর মায়ের। সেদিন থেকে তিন চারদিন জিতুর বাবা আর ঘরে ফেরেনি। জিতুর মা সারাদিন বসে বসে কাঁদত। আট বছর বয়সী জিতু তখন চুপচাপ মায়ের পাশে বসে থাকত ।

জিতু তার বাবাকে কখনো ভালবাসেনি । কারন বাবা ও তাকে কোনদিন আদর স্নেহ করেনি । জিতু’র নানা ছোবহান মোল্লা কয়েকবার এসেছিলেন মেয়েকে নিয়ে যেতে কিন্তু জিতুর মা স্বামীর বাড়ি ছেড়ে যায়নি। জিতুর মা স্বামীর এত নির্যাতনের পর ও তার স্বামী আতিক’কে খুব ভালবাসতেন। তাই দুই মাস পড় যখন স্বামী ফিরে এল বাড়িতে তখন কিছু না বলে স্বামীর জন্য পছন্দের খাবার রান্না করেছিলেন। স্বামীর নতুন বিয়ে করা নিয়ে কোন প্রশ্ন করেননি সেদিন জিতুর মা । কিন্তু তিনি জানতেন না তার জন্য কতবড় বিপদ অপেক্ষা করছে। রাতে জিতু প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে মাকে নিয়ে বাইরে যায় । এমন সময় ঘরের পেছনে দাঁড়ানো কে যেন জিতুর মাকে জড়িয়ে ধরে । জিতুর বাবা টর্চ লাইটের আলো ফেলে সে দৃশ্য দেখতে পায় এবং সেই মধ্যে রাতে পুরো পাড়াকে জানিয়ে বেড়ায় তার স্ত্রী দুশ্চরিত্রা । জিতুর মা যতই বুঝানোর চেষ্টা করে কেউ তার কথা বিশ্বাস করে না । এরপর আবার বেধম প্রহার সেই সাথে সিগারেটের স্যাকা। অর্ধমৃত মায়ের পাশে উঠানে পড়ে থাকে জিতু । রাত ভোর হয়ে সকাল হয় ধীরে তার মায়ের জ্ঞান ফিরে আসে । জিতুর বাবা আবার কয়েকদিনের জন্য নতুন শশুর বাড়ি চলে যায়। সেই সাথে ইদানিং নিয়মিত নেশা করে জিতুর বাবা । জিতু কয়েকদিন দেখেছে নিজের চোখে ।

হেনা এবং তার পরিবার জিতু’র মাকে তাড়িয়ে দিতে বলে । হেনা চরিত্রহীন মেয়ে । এলাকার অনেক লোকের যাতায়াত ছিল তার ঘরে । সেই মোহে আতিক সাহেব ও ধরা পড়েন । হেনার পরামর্শে জিতুর মায়ের উপর হতে থাকে নির্মম নির্যাতন। দিনের পর দিন । এভাবে সময় চলতে থাকে । হেনার পীড়াপিড়ি আর সহ্য করতে পারেনা আতিক । মনে মনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়। সেদিন রাতে বেশ সেজেগুজে নিজের বাড়ি আসে। রাত তখন আনুমানিক দেড়টা হবে । সারা গ্রাম নিরব নিস্তব্দ । স্বামী ভক্ত জিতুর মা তার বাবার জন্য খাবার বানায় । সেদিন কোন উচ্চ্যবাচ্চ্য না করে খাবার খায় । খাওয়া দাওয়া শেষে জিতুর বাবা বলে

-শোন জিতুর মা । আজ জানি কেমন লাগছে । চল পুকুরের পাড় থেকে ঘুরে আসি । জিতুর মা সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে স্বামীর সাথে পুকুরের পাড়ে যায় । জিতু তখন গভীর ঘুমে।

অস্পষ্ট একটা শব্দে জিতুর ঘুম ভেঙ্গে যায়। দেখে মায়ের পা তার বুক বরাবর শুন্যে ঝুলছে। জিতু উঠে বসে মায়ের পা ধরে টান দেয় , অসাড় শরীর নড়ে না দেখে জিতু বেশ জোরে চিৎকার দেয়। পাশের ঘর থেকে চাচী, জেঠী’রা ছুটে আসে। ঝুলন্ত জিতুর মায়ের শরীর দেখে যা বুঝার তা বুঝে নেয়।

পরদিন সারা গ্রামে খবর ছড়িয়ে পড়ে জিতুর মা গলায় দড়ি দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। সকলে তা বিশ্বাস করলে ও জিতু তা বিশ্বাস করে না । কারন সে দেখেছিল তার বাবা তার মাকে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে । কিন্তু তার চিৎকারের পর থেকে সকাল পর্যন্ত সে তার বাবাকে দেখেনি । তাই তার কথা কেউ বিশ্বাস করবে না বলে সেদিন চেপে গিয়েছিল সেই কথাটা । ভরদুপুরে একদল পুলিশ এসে জিতুর মায়ের মৃত দেহ নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে নিয়ে যায় । অসহায় জিতু তখন নানার কোলে বসে বসে সব দেখছে । সেই সময় কাঁদতে কাঁদতে জিতুর বাবা এসে পরিবেশকে আরো কান্না ঘন করে তোলে।

কেউ বলে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে জিতুর মা আত্নহত্যা করেছে , কেউ বলে অন্য কথা যা জিতু জানে । জিতুর বাবা থানা পুলিশ সামলায় । ময়না তদন্তের রিপোর্ট আর প্রয়োজন হয় না । সেদিন রাত দশটার দিকে জিতুর মায়ের জানাযা হয়। রাস্তার পাশের জমিতে তাকে দাফন করা হয়। জিতুকে জিতুর নানা লেখাপড়া এবং দেখা শুনার জন্য নিয়ে যায় । সেই থেকে আজ পর্যন্ত জিতু মায়ের সেই কষ্ট বুকে নিয়ে বেঁচে আছে প্রতিনিয়ত। প্রতিবছর মায়ের মৃত্যু দিবসে আসে গ্রামে ।এসে সেই পুকুরের পাড়ে গিয়ে মাঠের পাশে বসে থাকে জিতু। সন্ধ্যা হলে আবার চলে যায়।

সন্ধ্যা হতে জোরে বৃষ্টি নামল । অতি কষ্টে গ্রামের পথটুকু পেরিয়ে পায়ে হেটে ট্রেন ষ্টেশনে এসে পৌঁছল । মফস্বলের ষ্টেশন একেবারে ফাঁকা , সুনসান নীরবতা , ষ্টেশন মাস্টারের রুমে একটা মোমবাতি জ্বলছে মৃদু মৃদু করে । তার সামনে বসে আছে মোটা ফ্রেমের চশমা লাগিয়ে বৃদ্ধ ষ্টেশন মাস্টার । বয়স ষাটের কাছাকাছি হবে , মাঝে নীরবতা ভেঙ্গে খুক খুক করে কেশে জানান দিচ্ছেন তিনি আছেন । তার পাশে টুলে বসে জিমুচ্ছে লাইনম্যান। ঘুমের ঘোরে মাঝে আন্দাজে থাপ্পড় মারছে নিজের শরীরে মশা তাড়াতে। বৃষ্টির কারনে অন্য কোন যাত্রী নেই ষ্টেশনে । জিতু চুপচাপ একাকী দাঁড়িয়ে রইল যাত্রী চাউনির নিচে । মাঝে তাকে ও হাত দিয়ে মশা তাড়াতে হচ্ছে।

পরিশিষ্ট ঃ

জিতু তার বান্ধবী দিয়াকে সাথে নিয়ে ভার্সিটির পেছনে গাছের নিচে বসে বসে বাদাম চিবাচ্ছে। এমন সময় জিতুর ফোন বেজে উঠল ক্রিং ক্রিং করে ।

‘ হ্যালো কে বলছেন।হ্যা আমি জিতু ।আপনি কে কোথা থেকে। কি বলেন।’

‘ কি হয়েছে ‘দিয়া বলে উঠল।

‘বাবা মারা গেছে , কারা যেন উনাকে মেরে রাস্তার পাশের জঙ্গলের ভেতরে গাছের সাথে ফাঁস লাগিয়ে দিয়েছে ।আমাকে এখন যেতে হবে দিয়া ‘

‘ঠিক আছে চল আমিও যাব’

‘জান দিয়া এই মানুষটিকে আমি কখনো ভালবাসিনি , কিন্তু আজ আমার মনটা তার জন্য বেশ খারাপ । আমার অন্য রকম একটা কষ্ট লাগছে।’

দুপুর দুইটার দিকে জিতু এবং তার বান্ধবী দিয়া গ্রামে এসে পৌঁছল । বাড়ির আঙ্গিনায় তখন আতিকে’র লাশ নিয়ে মানুষের বিলাপ । ধীরে ধীরে জিতু এগিয়ে গেল লাশটার পাশে , তারপর সন্তপর্ণে ঢেকে দেওয়া চাদরটা সরিয়ে দেখে তার বাবার ঠিক বুক বরাবর দুটো গভীর ক্ষত । সম্ভবত মৃত্যের পূর্বে কেউ সেখানে সিগারেটের স্যাকা দিয়েছে । জিতু চোখ বন্ধ করে ঢেকে দিল তার বাবার দেহটা । এমন সময় পুলিশ এসে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে গেল ।

গভীর ঘুমে কখন সকাল হল জিতুর সেদিকে খেয়াল নেই । আজ দীর্ঘ একযুগ পড় জিতুর স্বস্তির ঘুম হল । আজ আর মায়ের বীভৎস মুখের ছবি সে দেখেনি । তার এখন অনেক কাজ । তার বাবার মৃতদেহ সৎকারের কাজ এখন ও বাকী। থানা থেকে আতিকে’র লাশের জন্য অপেক্ষা করতে লাগল জিতু এবং অন্য সকলে ।

৬০৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সময় বয়ে যায়।আমি ও বেড়ে উঠি . নিশ্চিত জীবনের পথ খুঁজে ফিরি কিন্তু অস্থির অবস্থা সে পথ ভুলিয়ে দেয়।কোলাহল ব্যাস্ততা ছেড়ে মনের আনন্দে লিখি।যশ খ্যাতি এসবের পেছনে কখনো ছুটে চলিনি আর চলতে ও চাই না ।কেমন লিখি জানি না । কারো কাছে ভালো লাগলে খুশি হব। touhidullah82@gmail.com
সর্বমোট পোস্ট: ১৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-০২ ০২:৩৯:৪২ মিনিটে
banner

১৭ টি মন্তব্য

  1. আজিম হোসেন আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    চলুক অবিরত।

  2. সুমাইয়া বরকতউল্লাহ্ মন্তব্যে বলেছেন:

    shaki vaea kemon aso? golpo valo laglo, aro likho, tbay chotoder jany na likhlay tomar sathay aari, aari, aari.

  3. পৃথিবী জূড়ে স্বপ্ন মন্তব্যে বলেছেন:

    মন খারাপ করা গল্প :-(

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর হয়েছে।

  5. গৌমূমোকৃঈ মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লেগেছে। চলতে থাকুক।

  6. মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক খান মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব ভাল একটা লেখা পড়লাম।

  7. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    শাকিল ভাই…গল্প খুব ভালো লাগল…অনেক অনেক শুভকামনা….

  8. কাউছার আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    মন খারাপ করা গল্প। তবে গল্প খুব ভালো

  9. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    শিরোনামের ‘‘কস্টের” বানান ভুল হয়েছে। একটু বানানের দিকে খেয়াল করবেন। গল্পটা খুব সুন্দর ছিল। শুভ কামনা। চালিয়ে যান অবিরত . . . . .

  10. কাউছার আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব ভাল একটা লেখা পড়লাম।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top