Today 12 Nov 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

খানভবন হরর

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ২৩/০১/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 470বার পড়া হয়েছে।

চতুর্থ পর্ব

দরজায় ক্রমাখত কড়া নেড়ে যাচ্ছে কেও বাহির থেকে।ঘরের ভিতরের কার ও সাহস হচ্ছে দরজা খুলে দেওয়ার।বেশ কিছুক্ষন ধাক্কার পর সামিয়ার এক সাহসী বন্ধু উঠল ।

আমি জানালা দিয়ে দেখছি চাচা।তারপর দরজা খুলব বলল সে।তাছাড়া এত ভয় পেলে তো আমরা সবাই প্যানিক অটাকে মারা যাব।

রহমান সাহেবের বড় ভাই বলছেন এ ছেলে ঠিক বলেছে।সব আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও।হুজুর আপনি আযান দেন।নামাজ পড়ে খাওয়া দোওয়া করে আমরা বাসার দিকে রওয়ানা করব।আল্লাহর পাক কালাম পড়লে সঙ্গে থাকলে কোন ভয় নাই।

এবার দরজায় অনেক জোরে লাথির আওয়াজ পড়ছে বাহির থেকে চিৎকার শোনা যাচ্ছে তাড়াতাড়ি দরজা খুলুন আমরা পুলিশের লোক।

তাড়াতাড়ি দরজা খোলা হল।পুলিশের একজন পাজাকোলা করে চারজন ঘরে আনছে।তার অবস্থা সাংঘাতিক।দরদর করে রক্ত ঝরছে পা থেকে।

সবাই দৌড়ে এসে ঘিরে ধরল তাকে।কি হয়েছে? সবার ব্যাকূল জিজ্ঞাসা।পুলিশ দেখে প্রথমে যে সাহস মনে এসেছিল এখন আবার তা আতন্কে ঢেকে গিয়েছে।

একজন পুলিশ দৌড়ে শক্ত করে দরজার ছিটকিনি লাগিয়ে দিল।

তাড়াতাড়ি তাকে ব্যান্ডেজ করে দেওয়া হল।সামিয়ার এক ডাক্তার বন্ধু যার সাথে ফাষ্ট এইড এর বক্স থাকায় রক্ষা। ক্ষত থেকে প্রথমে আতকে উঠল সবাই ।গভীর ক্ষত।পুলিশটির সারা শরীর কাপছে মনে হচ্ছে তার জ্বর আসছে কিছুক্ষনের মধে।

কিসে কামড় দিয়েছে সবাই বিষ্ময় প্রকাশ করেছে।

কি জানি আমি শুধু জ্বলজ্বলে চোখ দেখেছি আর কামড়নোর সময় দাত দেখেছি।সম্ভবত কুকুর বা নেকড়ে বলে সে কাতর গলায় অল্প বয়সী এক পুলিশ।মাত্র বাইশ বছর।আজকে তার প্রথমদিন কাজের জয়েনের।সকাল বেলা তার যতটা উত্তেজনা কাজ করছিল নুতুন কাজে জয়েনের এখন সে ততটা ম্রিয়মান হয়ে আছে।

একপুলিশ বেশ রেগে আছে।বলে এটা কোথায় বাসা নিয়েছেন? না আছে রাস্তায় লাইট না কোন দোকানপাট না তিন চার মাইলের মধ্যে কোন বাড়ী।আমরা আপনার এই বাড়ীর পাশে চারঘন্টা ধরে খুজছি আপনাদের।কি এক জায়গা।প্রান নিয়ে যদি কাল ঢাকায় ফিরতে পারেন তাহলে এই বাড়ীমূখো আপাতত কিছুদিনের মধ্যে হবেননা।

কেন কেন সবাই পুলিশদের গ্রুপের চারিদিকে ঘিরে বসল।

কয়েকজন পুলিশ মেঝে লাঠি দিয়ে ঠুক ঠুক করে বাড়ী দিয়ে চেক করল পুরা নীচের তালা।

কয়েকজন দোতলা তিনতলা পর্যায়ক্রমে সবরুম তন্নতন্ন করে খুজল।

কিছু পেলামনা এখন ও যা সন্দেহ করছি পুলিশের লিডারটি বলল।

কি খুজছেন অবশেষে জিজ্ঞাসা করলেন রহমান সাহেব।

সম্ভবত ঘরের ভিতরে কোন গোপন রা্স্তা আছে বাহিরে যাওয়ার।আমরা সেটাই খুজে দেখছি।এই বাড়ীর আন্ডারগ্রাউন্ডে সম্ভবত ভয়ন্কর কিছুর অস্তিত্ব আছে এবং সেখান থেকে বাহিরে যাওয়ার রাস্তা ও সম্ভবত আছে।

এ কি বলছেন ভয়ে আতন্কে সবাই চিৎকার করতে থাকে।এতক্ষন তারা ভাবছিল সবাই ঘরের ভিতর মোটামুটি বিপদমূক্ত।

এইসময়ে অদ্ভুত এক সাইরেনের আওয়াজ নীচের থেকে ভেসে আসতে থাকে।শব্দটা ক্রমশ তাদের কাছাকাছি আসতে থাকে।

ভিতরে আতন্কিত মানুষগুলি একে অপরকে জড়িয়ে অনাগত আশন্কার দুরুদুরু বক্ষে অপেক্ষা করতে থাকে।

আতন্কিত মানুষগুলি জানেনা কিছুক্ষনের মধ্যে তাদের ভাগ্যে কি ঘটতে যাচ্ছে।

(চলবে)

৫৬৯ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

Comments are closed.

go_top