Today 14 Nov 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

চাঁদে পিৎজার রেস্তোরাঁ!

লিখেছেন: মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক খান | তারিখ: ১২/০৫/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1013বার পড়া হয়েছে।

চাঁদে গিয়ে নভোচারীরা খাবেন গরম গরম পিৎজা। এ জন্য সেখানে খোলা হবে একটি পিৎজা রেস্তোরাঁ। চাঁদে এ ধরনের প্রথম রেস্তোরাঁ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করছে আন্তর্জাতিক ফাস্টফুড চেইন ডমিনোস পিৎজা।

গত বছর ডমিনোস জাপানে তাদের প্রতিষ্ঠানের ২৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ সময় তারা চাঁদে ওই রেস্তোরাঁ নির্মাণের পরিকল্পনা করে। এর আগে ২০০১ সালে ডমিনোসের প্রতিদ্বন্দ্বী ফাস্টফুড চেইন পিৎজা হাট আন্তর্জাতিক মহাকাশকেন্দ্রের নভোচারীদের জন্য একটি পিৎজা পাঠিয়েছিল।
ডমিনোসের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছে একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মায়েদা করপোরেশন। রেস্তোরাঁর জন্য চাঁদের মাটিতে কংক্রিট দিয়ে গম্বুজাকৃতির একটি ভবন তৈরি করে দেবে তারা।

ব্রিটিশ মুদ্রায় রেস্তোরাঁ নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৩৪০ কোটি পাউন্ডেরও বেশি। এর মধ্যে চাঁদে ৭০ টন নির্মাণসামগ্রী ও পিৎজা তৈরির সরঞ্জাম পাঠাতে ব্যয় হবে ৪৫০ কোটি পাউন্ড। ১৫টি রকেটে করে এসব সামগ্রী চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ডমিনোস ঘোষণা করেছে, কংক্রিট তৈরিতে চাঁদের খনিজ উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে রেস্তোরাঁর নির্মাণ খরচ কমিয়ে আনা হবে। এ জন্য ১৫০ কোটি পাউন্ড ব্যয় হতে পারে।
একজন শিল্পী ২৬ মিটার ব্যাসের গম্বুজাকারের দোতলা ওই রেস্তোরাঁর একটি নকশা তৈরি করেছেন। এর ভূগর্ভস্থ অংশ স্টিলের পাত দিয়ে তৈরি করা হবে।
ডমিনোসের মুখপাত্র তমোহাইদ মাতসুনাগা দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফকে বলেন, ‘গত বছর থেকে আমরা এই প্রকল্পের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছি। তবে ওই রেস্তেরাঁ কবে চালু হবে, তা এখনো ঠিক করিনি।’

তমোহাইদ মাতসুনাগা বলেন, ভবিষ্যতে চাঁদে অনেক মানুষ বাস করতে পারে। যেসব নভোচারী চাঁদে অভিযান নিয়ে কাজ করছেন, তাঁরা হতে পারেন সেখানকার ভবিষ্যৎ নাগরিক। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১,৩৪১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমার জন্ম পিরোজপুরে নানা বাড়িতে। দাদা বাড়িও পিরোজপুরে। পিরোজপুর শহরের সার্কিট হাউজ – ফায়ার সার্ভিস এর মাঝখানে আমাদের বাড়ি। পিরোজপুর আমার কাছে স্বপ্নের শহর। যদিও ক্লাস থ্রী থেকে আমি ঢাকাতে মানুষ। এসএসসি ১৯৯৬ সালে। পড়াশুনা করেছি ফার্মেসিতে, পরে এমবিএ করেছি আন্তর্জাতিক বিপননে। জুলাই ১৫, ২০১১ থেকে সব ধরনের রাজনৈতিক আলোচনা থেকে অবসর নিয়েছি। বিশেষ ব্যক্তিত্বঃ নবিজী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান যে ব্যক্তিত্ব আমাকে টানেঃ ডঃ মুহম্মদ ইউনুস প্রিয় লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, হুমায়ুন আহমেদ, হেনরি রাইডার, জুল ভান প্রিয় টিভি সিরিয়ালঃ Spellbinder, Spellbinder 2: Land of the Dragon Lord, The girl from tomorrow, Tomorrows end, Time Trax, MacGyver, Alice in Wonderland, The Chronicles of Narnia প্রিয় টিভি নাটকঃ কোথাও কেউ নেই, অয়োময়, রুপনগর, বহুব্রিহী, বার রকম মানুষ প্রিয় টিভি শোঃ ইত্যাদি, সিসিমপুর, Pumpkin Patch Show লেখালেখি আমার শুধু শখই না, মনে হয় যেন রক্তের টান। বিশেষ করে বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি। বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি আমার কাছে রঙ্গিন ঘুড়ির মত। কল্পনার সীমানা পেরিয়ে যে ছুটে চলে মহাজগতিক পরিমণ্ডলে। এ যেন সময়টাকে স্থির করে দিয়ে এর আদি-অন্ত দেখার মত। তারপরও এ ঘুড়ি যেমন ইচ্ছে তেমন উড়তে পারে না, সুতোয়ে টান পড়ে বলে। এ টান যুক্তির টান। যৌক্তিক কল্পনা বললে ভুল হয় না। তারপরও নিজ ইচ্ছেয়ে সুতোটাকে ছিঁড়ে দিতে ভাল লাগে মাঝে মাঝে। আমি যেমন নিজে স্বপ্ন দেখি তেমনি সবাইকে স্বপ্ন দেখাতে চাই। অঞ্জন দত্তের ভাষায় বলতে হয়, ‘মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যখন-তখন কান্না পায়, তবু স্বপ্ন দেখার এই প্রবল ইচ্ছাটা কিছুতেই মরবার নয়।’ কনফুসিয়াসের এই লাইন টা আমাকে খুব টানে … journey of a thousand miles begins with a single step। আমার প্রথম লেখা প্রকাশ হয় ১৯৯৬ সালে আধুনালুপ্ত বিজ্ঞান সাপ্তাহিক আহরহ তে। আমার নিজের একটা ব্লগ আছে, mahkbd.blogspot.com। আমার ইমেইল mahkbd@gmail.com।
সর্বমোট পোস্ট: ৯৬ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৫৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৫-১১ ০৩:১৪:৫৫ মিনিটে
banner

১৪ টি মন্তব্য

  1. আজিম হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    মানুষের সকল ভাবনা হোক তাঁর কল্পনার ফলশ্রুতি..

  2. মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক খান মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনাকেও ধন্যবাদ।

  3. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    আজিম ভাইয়ের কথাই আমিও একমত পোষন করছি।

  4. শাহরিয়ার সজিব মন্তব্যে বলেছেন:

    চাদেঁ পিৎজার রেস্তোরাঁ হলে নাকি আমাকে নিয়া যাবে বলছে । আমি স্বপ্নে দেখছি ।

  5. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    আমিও স্বপ্ন দেখছি।

  6. কাউছার আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    মানুষের সকল ভাবনা হোক তাঁর কল্পনার ফলশ্রুতি..

  7. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    কাউছার আলম ভাইয়ের কথাই আমিও একমত পোষন করছি।

  8. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    চাঁদের পিৎজা আমি ও খাব
    তবে দামটা কত বললে
    এখন থেকে টাকা জমাতে পারতুম।

  9. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগা জানিয়ে গেলাম ।

  10. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    সব অভিনব জিনিস জানছি এ লেখায়।তবে এইপ্রকল্প করাতে জাতিসংঘ বা অন্যসব দেশের অনুমোদন দেওয়া উচিত না একজন সম্যবাদী হিসাবে এই আমার মত।শুধূ পিজা খাওয়ার জন্য এত বিপুল অংকের টাকা খরচ না করে উচ্চতর কোন গবেষনার কাজে লাগানো উচিত ।হতে পারে ক্যান্সার এইডস এইসব প্রানঘাতী রোগের আরও ব্যাপক গবেষনা তার রেমেডী বের করার চেষ্টা করা
    হতে পারে বারমুডা ট্রায়াংগলের রহস্য ভেদ করার চেষ্টা করা।বিজ্ঞনানের অন্য গবেষনার কাজে বায় করা।
    সৌরমন্ডলীর অন্য গ্রহ নক্ষত্র নিয়ে গবেষনার কাজে ব্যায় করা।
    গরীব দেশগুোলোর সামনে এই ধরনের প্রকল্পের বাস্তবায়ন আমাদের না খেতে পাওয়া কিছু দরিদ্র দেশ বংলাদেশ সহ ইথিওওিয়া সোমালিয়া এসব দেশগুলিকে প্রচন্ডভাবে হিউমিলিয়েট কর এই আমার বোধদয়।

    আপনাকে ধন্যবাদ এই লিখার জন্য।

  11. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    সরি বরাবরের মত আমার লিখাতে প্রচুর বানান ভূল রয়ে গেছে বলে আমি দুঃখিত।আশা করছি আমি কোন শব্দটা লিখতে চেয়েছিলাম বা বানান ভূল স্বত্বেও সবাই বুঝতে পারবে এবং আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

    ধন্যবাদ সবাইকে।

  12. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    পিৎজার রেস্তোরা তৈরী হয়েছিল কি?
    মানুষের যত আজিব ভাবনা।

  13. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো লেখা সেই সাথে মনে পড়ে গেল কত মানুষ এখনো পৃথিবীতে অনাহারে আছে !

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top