Today 22 Jul 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ছায়া চন্দ্রা ও সমুদ্রের সংসার-৫

লিখেছেন: রাজিব সরকার | তারিখ: ২৮/১১/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 305বার পড়া হয়েছে।

চন্দ্রা দেরি না করে তৎক্ষণাৎ বলে-একটান একটান করেই তো অভ্যাসটা হয়ে যায়।
অবশেষে মিলা হাল ছেড়ে বলে-আচ্ছা খুকি,তোমার খেতে হবে না।তুমি বসে বসে ফিটার খাও।
এমন সময় নীলিমা হেসে উঠে।মিলা কিছুটা বিস্মিত হয়ে বলে-একটু পরে চন্দ্রা যে একটা বাঁশ খাবে,তাই ভেবে মজা পাচ্ছি।
চন্দ্রা মেয়েটার দিকে তাকাল।মেয়েটার মাথায় কি ফন্দি এসেছে,কে জানে?এরতো আবার ফন্দি মাথায় একটার পর একটা আসতেই থাকে।
নীলিমা বলল-মিলা একটু এদিকে আয়?
মিলা এদিকে আসতেই পেছন ঘুরে চন্দ্রার মুখের উপর প্রাকৃতিক গ্যাস ছেড়ে দিল।তিনদিন ধরে টয়লেট করে না।গ্যাসটা একেবারে নাক মুখের উপর দিয়ে গেল।বিশ্রী গন্ধে বমি আসার মত অবস্থা।ওরা দুজন হাসতে হাসতে একেবারে রুমের বাইরে চলে গেল।হাসি যেন কিছুতে থামছেই না।
-মি…মি
কথা না বলতেই আবার হাসা শুরু করল।
-ফাটিয়ে দিয়েছিস নীলু।অনেকদিন ধরে এমন বিশুদ্ধ আনন্দ পাই না।থ্যাংক ইউ দোস্ত।
চন্দ্রা নাক মুখ উড়না দিয়ে ঢেকে বসে আছে।নীলুটা এমন ফাযিল যে,মুখে বলার মত না।উড়না রেখে বেসিনে মুখটা ভাল করে ধৌত করতে গেল।কয়েকবার ভাল করে ধুইল।তবুও কেমন জানি নাক মুখ হতে গন্ধ যাচ্ছে না।মনে হচ্ছে তীব্র গন্ধটা এখনো রয়ে গেছে।
রাত্রি বারটা পেরিয়ে।শিলা লিখতে বসেছে।তার আবার লেখালেখি রোগ আছে।গভীরভার রাত পর্যন্ত জেগে লিখে।কি যে মজা পায়,কে জানে?নীলিমা আর মিলা বারান্দায় দাড়িয়ে কথা বলা শুরু করেছে।একটা দেড়টার আগে কথা বলা থামবে না।চন্দ্রা শুধু একা বসে আছে বিছানায়।বড় বড় একা একা লাগছে তার।বেশ ইচ্ছে করছে কারও সাথে কথা বলতে।ফোনটা হাতে নিল।ভাবল,অর্ণবকে কল দিবে।কল লিস্ট থেকে নামও বের করল।কিন্তু কেমন জানি অস্বস্তি লাগছে।ঠিকমত চিনে না,জানে না,এমন একটা ছেলেকে কল দিবে,তা কি হয়?ছেলেটায় বা কি ভাববে,ভাল মেয়ে নয় নিশ্চয়,নইলে নিজের গরজে কল করে।অবশেষে ছেলেটার উপরই রাগ উঠছে।মাথা মোটা একটা।বারটা বেজে গেছে একবার কল দিতে কি হয়?রাত্রিতেই সবাই সবার সাথে কথা বলে।কে জানে,হয়তো আরেকজনের সাথে কথা বলছে।আজকাল ছেলেদের যে অবস্থা,এক একটা মজনু হয়ে গেছে।মেয়েদের প্রেমে পড়া বুঝি অভ্যাস হয়ে দাড়িয়েছে।
কয়েকদিন কেটে গেল।মনের ভিতর ছটফট বেড়ে গেছে।ভাবছে,এই বুঝি অর্ণব কল করবে।কিছুতেই মন বসছে না।বিকেলবেলা।হালকা বাতাস বইছে।চেয়ে আছে আকাশের দিকে।আকাশে সাদা সাদা মেঘ একবার এদিক যাচ্ছে আরেকবার ওদিক যাচ্ছে।এমন সময় ফোনটা বেজে উঠে।হৃদয়টা যেন লাফ দিয়ে উঠে।ভয়ে ভয়ে মোবাইলের দিকে তাকায়।সত্যিইতো অর্ণব কল করেছে।
-হ্যালো।
-কি কর?
-এইতো আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি।
-কারও প্রেমে পড়লে নাকি?
-আরে না।
-প্রেমে পড়লে নাকি আকাশ,ফুল,ফল,নদী ইত্যাদির প্রতি ভাল লাগা জন্মায়?
-বেশতো অভিজ্ঞতা আছে বলে মনে হচ্ছে।
-অভিজ্ঞতা নেই,তবে গল্প উপন্যাস পড়ে তাইতো দেখি।
-বেশ গল্প উপন্যাস পড়া হয় বুঝি।
-ধুৎ,হাতে গুণা ছয় সাতটা হয়তো পড়েছি।তুমিতো বেশ গল্প উপন্যাস পড়,ঠিক বলেছি কিনা?
-তা বলেছ,কিভাবে জানলে বলতো?
-এইটুকু না,আর অনেক কিছু জানি।
-যেমন।
-তুমি প্রচন্ড পড়ুয়া,ইন্ডিয়া তোমার ফেভারিট ক্রিকেট টিম,অবশ্য বাংলাদেশের পরে।
-প্রচন্ড পড়ুয়া,এটা বোধহয় ঠিক না।
-ইন্টারে প্রচুর পড়াশুনা করেছ।কিন্তু এখন কিছুটা আরামে আছ।এই কথাতো,সেটাইতো বুঝিয়েছি।
-তা ঠিক আছে।এতসব তুমি কিভাবে জান?
-তা তো বলা যাবে না।
এইভাবে চলল দুই তিন সপ্তাহ।চন্দ্রা ছেলেটাকে ঠিক বুঝতে পারছে না।কথা যে খুব বেশি হয়,তা না।তিন চারদিন পর পর দশ বার মিনিট।প্রতিদিন অবশ্য ম্যাসেজ পাঠায় দুই তিনটা।সেও রিপ্লাই করে।এই পর্যন্তই।মনের ভিতর ধুক ধুক ছাড়ে না।এ কোন ব্যথার ভিতর পড়ল,ভেবে পায় না।সন্ধ্যা ঘনিয়ে চারদিকে আধার নামা শুরু হয়েছে।নীলিমা অভিনয় করা শুরু করেছে।
দেখ,জলিল স্যার কিভাবে হাটে?এই বলে নীলিমা হাটতে শুরু করে।কিছুটা গম্ভীর হয়ে বলে-This is the best of the best department of the university.প্রায় ষাট হাজার ছাত্র ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলে।তোমরা মাত্র অনলি ফোরটি ফাইভ এখানে পড়ার সুযোগ পেয়েছ।
এরপর তামান্না ম্যাডাম কেমন করে, দেখানো শুরু করে।উড়নাটা মাথায় দিয়ে বলে-উ আ,আজ বড় ক্লান্ত লাগছে।দেখি তোমাদের কি পড়ানো যায়?এই চন্দ্রা বইটা দেয়তো।আর ভাল লাগে না।
তারপর রিয়া ম্যাডামের হাবভাব দেখায়।মিলার চোখ হতে চশমাটা খুলে পড়ে।চশমাটা কিছুটা ঝুকিয়ে নাকের উপর নেয়।এরপর বলা শুরু করে-আজ কাল চোখে কি যে সমস্যা হয়েছে,কিছু ঠিকমত দেখতে পাই না।চশমাটার পাওয়ার বাড়াতে হবে।যাই হোক,এই বিভাগে ভর্তি যখন হয়েছ তখন মুখস্থ তোমায় করতেই হবে।নইলে রেজাল্ট ভাল করা টাফ হয়ে যাবে।
এতক্ষণ হাসতে হাসতে ওদের প্রায় পেটব্যথা হয়ে গেছে।মেয়েটা অসম্ভব সুন্দর অভিনয় করতে পারে।অভিনয়ে গেলে যে বেশ নামডাক করবে এই ওদের ধারণা।চন্দ্রার ফোনটা বেজে উঠে।শিলা মুচকি হেসে বলে-কিরে,তোরও কি হয়ে গেল নাকি?
চন্দ্রা কিছু না বলে বারান্দায় গিয়ে কল রিসিভ করল।
-হু কেমন আছ?
-ভাল,ইউ?
-এইতো চলছে।
-তোমার কি বিএফ আছে?
-হঠাৎ করে এই প্রশ্ন?
-না,এমনেই করলাম।
-না,তোমার?
-ওই তোমার মতই।তোমার কেমন ছেলে পছন্দ বলতো?
-খুব সাদাসিধে,এখন পর্যন্ত রিলেশন করেনি।আমাকে খুব ভালবাসতে হবে।
-তো দেখতে কেমন হবে?
-ধবধবে ফর্সা ছেলে আমার পছন্দ না।শ্যামলা হলে ভাল হয়।
অর্ণব দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে।চন্দ্রা কিছুটা উৎকন্ঠা নিয়ে বলল-কি হল?
-কিছুই তো মিল না।
-কার সাথে?
-আমার সাথে।
-তাই বুঝি?তোমার কপাল বোধহয় পুড়ল।
-পুড়ল কি বলছ,একেবারে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে।
-তাড়াতাড়ি হাসপাতালে যাও,নইলে তো ক্ষত শুকাবে না।
-তাই যেতে হয় বুঝি।তোমার জন্য ভাল খবর আছে।
-কি ভাল খবর?
-পেয়ে গেছি।
-কি?
-ছেলে।আমার বন্ধু।ছোটবেলা হতে একসাথে পড়ালেখা করেছি।কুয়েটে সিভিলে পড়ে।আমার দেখা সবচেয়ে ভাল ছেলেদের একজন।
-নাম কি?
-সমুদ্র সরকার।
-ছেলে খুব ভাল গল্প উপন্যাস লিখে।যদিও সব অপ্রকাশিত।তোমার তো আবার গল্প উপন্যাস খুব প্রিয়।একেবারে তরতাজা পড়ে ফেলতে পারবে।

তিন চারদিন পর।সমুদ্র টিউশনি করে হলে ফিরছে।ফোনটা বেজে উঠে।
-এতদিন পরে তাহলে মনে পড়ল।
-কি খবর ভাই?
-ভালই আছি।তোর কি খবর?
-এইতো চলছে।ওই প্রেম করবি।
বন্ধুর এই আকস্মিক অফারে বেশ বিস্মিত হল।এখন পর্যন্ত কেউ এইভাবে অফার করেনি।সমুদ্র মৃদু হেসে বলল-পছন্দ হলে করব।
-মেয়েটা খুব ভাল।আমার বিভাগেই পড়ে।প্রথম বর্ষ।
-দেখতে কেমন?
-আমার খারাপ লাগে না।মেয়েটা ভার্জিন আছে,এমন মেয়ে তুই পাবি কই?
-তা ঠিক।এ যুগে এমন মেয়ে পাওয়া টাফ।
-আর শুন,আমার নাম আকাশ নয়,অর্ণব।আর মোবাইলে টাকা লোড কর।কনফারেন্সে আলাপ করিয়ে দিব।
-ঠিক আছে।
-তোর সময় হবে কখন?
-আমিতো ফ্রি আছি।
-আটটার দিকে ফোন দিব।
সমুদ্র মোবাইলে একশ টাকার কার্ড ভরল।কেমন কেমন যেন লাগছে।প্রেম করার প্রথম স্বপ্ন দেখেছিল মেট্রিক পরীক্ষার পড়ে।এক মেয়েকে দেখে প্রচন্ড ভাল লেগেছিল।একই সাথে পড়ত।মাঝে মাঝে দেখা হত।দেখা হলে হালকা পাতলা কথা।খুব কাছে যেত ইচ্ছে হয় মেয়েটার।সবসময় থাকতে ইচ্ছে করত আশে পাশে।
রাত্রি সাড়ে সাতটা।কিভাবে কথা শুরু করবে, চন্দ্রা ভেবে পাচ্ছে না।ছেলেটা কেমন হবে,বলদ টাইপের হবে নাতো?চোখের সামনে একটি সংসারের ছবি ভেসে উঠছে।একটা ঘর,পাশেই একটি ছেলে বসে আছে।একজনের হাত আরেকজনের হাতে।পাশের রুম হতে একটি বালক এসে বলল-মা আমি খেলতে গেলাম।
ছেলেটা বলল-তোমায় এত ভাল লাগে কেন,বলতে পার।
-সবসময় এমন চাপাবাজি করবা না,ভাল লাগে না।
-চাপা মারব কেন,ভাল লাগলে আমি কি করব?
মুচকি হেসে বলে-বাজারে যাওতো।রান্নায় দেরি হয়ে যাবে।
-দাড়াও,তোমাকে কিছুক্ষণ দেখে নেই।ও,আমার বউটা এত সুন্দর কেন?
এমন সময় নীলিমা ধাক্কা দিয়ে বলে-কি রে,কি হল তোর?এভাবে একা একা হাসছিস কেন?
চন্দ্রা নিজেকে সামলে নিয়ে বলল-ও কিছু না,এমনেই।
নীলিমা কিছুটা কঠিন হয়ে বলল-এমনেই মানে,এমনেই হাসে পাগলে,তুই আস্ত একটা ভাল মানুষ।
-একটা হাসির কথা মনে পড়ছিল।
-কি কথা?
-একদিন আমি আর বাবা ভাত খাচ্ছি।বাবা বলল-মা একটু জোরে জোরে কান্না করত।কান্না শুরু করতেই মা এসে হাজির।বলল-কি হয়েছে মা?আমি বললাম-কিছু না।মা বলল-তাহলে কাদছিস কেন?এরপর আমি আর বাবা একসাথে হাসা শুরু করলাম।আমাদের হাসি দেখে মাও হেসে দিল।
নীলিমার বিন্দুমাত্র হাসি পেল না।এটা কোন হাসির ঘটনা হতে পারে?চন্দ্রার দিকে তাকাল।ওর চোখে মুখে বেশ অস্থিরতা।চন্দ্রা বাইরে গিয়ে দাঁড়ায়।বুকটা ধক ধক করছে।আটটা বাজতে মিনিট দুয়েক বাকি।যেকোন সময় রিংটোনটা বেজে উঠবে।মাথাটা কেমন ঘুর ঘুর করছে।মোবাইলের দিকে বারবার তাকাচ্ছে।পা কিছুটা কাপা শুরু হয়েছে।
সমুদ্র এক গ্লাস জল খেল।তার বারবার পানি পিপাসা পাচ্ছে।টেবিলের উপর রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা বইটা পড়ে রয়েছে।কয়েক দিন আগে এক বন্ধুর কাছ হতে নিয়ে এসেছিল।পড়বে পড়বে করেই পড়া হয়ে উঠছে না।বইটা নিয়ে পড়া শুরু করল।দশ পনেরো মিনিট চলে গেল,কয়েকটা লাইন এখন পর্যন্ত পড়তে পারল না।বার বার পড়ার চেষ্টা করছে,বার বার মন যেন কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে।অবশেষে বইটা রেখে দিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করে।কল না আসা পর্যন্ত ঘুম পাড়ায় মনে হল ভাল হবে।একবার ভাবল,আকাশকে কল দিবে।কিন্তু মনে কি এক দ্বিধা তাকে আটকে দিল,নিজেও বুঝতে পারল না।এক রুমমেট লো ভলিয়মে সিনেমা দেখছে।এই লো ভলিয়মও তার কাছে বেশ বিরক্ত লাগল।মনে হল,এখনি যেয়ে চট করে একটা থাপ্পড় মেরে সাউন্ড অফ করতে।আরেকজন বেসুরো গলায় গলা ছেড়ে গান গাওয়া শুরু করেছে।অন্যদিন তো এসব কখনও বিরক্ত লাগে নি।আজ কেন এমন হচ্ছে?শেষ পর্যন্ত রাগ গড়িয়ে পড়ল আকাশের উপর।বলদটা এত দেরি করছে কেন?কল দেয়ার কথা আটটায়।সাড়ে আটটা বাজে।টাইম সেন্স যে কবে হবে,কে জানে?দেরি হলে একটা কল দিয়ে জানিয়ে দিলেই হয়,এভাবে বসিয়ে রাখার কোন মানে হয়?মেয়েটা নিয়ে ভাবতে থাকে।কেমন জানি মনে হচ্ছে,দেখতে খুব একটা বোধ হয় ভাল হবে না।বন্ধু একবারও তো বলল না,মেয়েটা দেখতে ভাল।মেয়েটা ভার্জিন,একথা বলার মানে কি?একটা ফ্রেশ মেয়ে পাচ্ছি,সে যেমনই হোক,এটায় বড় ব্যাপার হিসেবে কি তুলে ধরছে না?মেয়ের ফেসবুক আইডি নিতে হবে।মেয়েটার ছবি দেখে পছন্দ হলে তবেই এগোবে।শুধু শুধু মেয়ে পছন্দ না হলে রিলেশনে জড়িয়ে লাভ নেই।রাহাত রুমে প্রবেশ করে।টিউশনিতে গিয়েছিল।
-কি এরকম ভাবে অবেলায় শুয়ে আছিস?
-না এমনেই।
বলে উঠে বসে সমুদ্র।সুমন তার বেড থেকে বলে-দেখ,কী আকাম কুকাম করেছে,করে একেবারে নেতিয়ে গেছে।
রাহাত হেসে বলে-ওর কি কিছু আছে যে আকাম কুকাম করবে?ছেলেমানুষ হলে কথা ছিল।
সমুদ্র রাহাতকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠে-কয়েক বছর ধরে তো শুধু প্রেমই করে যাচ্ছ,প্রডাকশন তো কিছু দেখতে পাচ্ছি না।কী আমার ছেলে মানুষ?আর আরেকজনের প্রেমিকা তো এখন বোন হয়ে গেছে।কিছু থাকলে কি আর মেয়েটা বোন বানায়?
রাহাত বলে-তবুও তো প্রেম করছি।কিছু নেই বলেই তো প্রেম করার কোন ইচ্ছায় হয় না।হাতের কাছ দিয়ে মেয়ে চলে যায়,কোন ভাবগতির উদয় হয় না তোমার।আমার তো মাঝে মাঝে পরীক্ষা করে দেখতে ইচ্ছে হয়।
এই বলে সমুদ্রকে জড়িয়ে ধরে।সাথে সাথেই দীনেশ আর সুমন এসে জাপটে ধরে।সুমন হাসি হাসি কন্ঠে বলে-দীনেশ খুল,তাড়াতাড়ি খুল।
সমুদ্র জোড়ে জোড়ে হাত পা নাড়া শুরু করে।
-দীনেশ,আর এগোবে না বলছি।এক পা এগোলেই খবর আছে।

৩৮৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ১৭১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৮-৩০ ১৬:১৭:৫০ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ ভাল লাগছে পড়তে। চরিত্র গুলি নিখূতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।আমাদের কাছে থেকে দেখা ন্যাচারাল কিছু ক্যারেকটার।চন্দ্রা অর্ণব সমুদ্র মিলা মজার এবং বাস্তব চরিত্র।

    ধন্যবাদ লেখককে প্রানবন্ত লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।

  2. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালই এগোচ্ছে বেশ মন দিয়েই পড়তেছি। এগেয়ে যান সাথেই আছি

  3. ওয়াহিদ উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

    সাবলীল লেখা। ভাল লিখেছেন।

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগছে। লিখুন সব সময়।

  5. রাজিব সরকার মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ সবাইকে

  6. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    বাবা বলল-মা একটু
    জোরে জোরে কান্না করত।কান্না শুরু করতেই
    মা এসে হাজির
    কাঁন্না হবে বুঝি ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top