Today 19 Jun 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

তবুও মাকে গভীর মমতায় স্মরণ করার দিন আজ।

লিখেছেন: শওকত আলী বেনু | তারিখ: ০৬/০৩/২০১৬

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 271বার পড়া হয়েছে।

mum_3587156b

আজ রোববার (৬ মার্চ ) যুক্তরাজ্যে পালিত হচ্ছে ‘মাদারিং সানডে’। বাংলাদেশে এই দিনটিকে বলা হয় ‘মা দিবস’ যা উদযাপন করা হবে ৮ মে, রোববার।

যদিও মাকে ভালোবাসা জানানোর কোন দিনক্ষণ ঠিক করে হয় না-তবুও মাকে গভীর মমতায় স্মরণ করার দিন আজ। মা পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া। যে মা জন্ম দিয়েছেন, লালন-পালন করেছেন, তাঁকে শ্রদ্ধা দেখানোর জন্য বিশেষ মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।

যুক্তরাজ্যে প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়  ইস্টার সানডে’র ঠিক তিন সপ্তাহ আগে, লেন্ট-এর চতুর্থ রোববার। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে দিনটি পালন করা হয়। আর বাংলাদেশে পালিত হয় মে মাসের দ্বিতীয় রোববার।

ভার্জিনিয়ার আনা জার্ভিসকে বলা হয় মা দিবসের প্রবর্তক। মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর  জন্য ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিবসটিকে রাষ্ট্রয়ী স্বীকৃতি দেন।এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। এরপর পৃথিবীর দেশে দেশে মা দিবসটি পালনের রেওয়াজ ছড়িয়ে পড়ে।গ্রীক সভ্যতায় দিনটিকে বলা হতো ‘মাদার অব গড’।

যুক্তরাজ্যের ট্রেডেশন হলো এই বিশেষ দিনটিতে সন্তানেরা মাকে নিয়ে  আনন্দে সময় কাটায়।কেউ নিজের বাড়িতে, কেউ বা রেস্তোরায়। মাকে ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে উপহার দেয়া হয় ফুল, কেক,চকলেট আর মনোরম গিফট কার্ড।এই দিনটিকে উপলক্ষ করে হাইস্ট্রিট দোকানগুলোতে  বহুগুন বেড়ে যায় ফুল,কেক,চকলেট আর গিফট কার্ডের বিক্রি।

দিবসটির গুরুত্ব ও ইতিহাস তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের মেট্রো, মিরর ও টেলিগ্রাফ সহ অধিকাংশ সংবাদপত্র ‘মাদারিং সানডে’ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।`
মা একটি বটবৃক্ষের মতো, যার প্রতিদিনের ছায়ায় আমরা বেঁচে থাকি। তাই প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তই হোক আমাদের ‘মা দিবস’।

২৭১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখি করি।সংবাদিকতা ছেড়েছি আড়াই যুগ আগে।তারপর সরকারী চাকর! চলে যায় এক যুগ।টের পাইনি কী ভাবে কেটেছে।ভালই কাটছিল।দেশ বিদেশও অনেক ঘুরাফেরা হলো। জুটল একটি বৃত্তি। উচ্চ শিক্ষার আশায় দেশের বাইরে।শেষে আর বাড়ি ফিরা হয়নি। সেই থেকেই লন্ডন শহরে।সরকারের চাকর হওয়াতে লেখালেখির ছেদ ঘটে অনেক আগেই।বাইরে চলে আসায় ছন্দ পতন আরো বৃদ্বি পায়।ঝুমুরের নৃত্য তালে ডঙ্কা বাজলেও ময়ূর পেখম ধরেনি।বরফের দেশে সবই জমাট বেঁধে মস্ত আস্তরণ পরে।বছর খানেক হলো আস্তরণের ফাঁকে ফাঁকে কচি কাঁচা ঘাসেরা লুকোচুরি খেলছে।মাঝে মধ্যে ফিরে যেতে চাই পিছনের সময় গুলোতে।আর হয়ে উঠে না। লেখালেখির মধ্যে রাজনৈতিক লেখাই বেশি।ছড়া, কবিতা এক সময় হতো।সম্প্রতি প্রিয় ডট কম/বেঙ্গলিনিউস২৪ ডট কম/ আমাদেরসময় ডট কম সহ আরো কয়েকটি অনলাইন নিউস পোর্টালে লেখালেখি হয়।অনেক ভ্রমন করেছি।ভালো লাগে সৎ মানুষের সংস্পর্শ।কবিতা পড়তে। খারাপ লাগে কারো কুটচাল। যেমনটা থাকে ষ্টার জলসার বাংলা সিরিয়ালে। লেখাপড়া সংবাদিকতায়।সাথে আছে মুদ্রণ ও প্রকাশনায় পোস্ট গ্রাজুয়েশন।
সর্বমোট পোস্ট: ২০৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৫১৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-১৭ ০৯:২৪:৩১ মিনিটে
banner

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top