Today 06 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ও ঠাকুরমার ঝুলি(প্রথম প্রকাশ: ১৯০৭)

লিখেছেন: গোলাম মাওলা আকাশ | তারিখ: ২৫/১২/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 644বার পড়া হয়েছে।

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

ঠাকুরমার ঝুলি(প্রথম প্রকাশ: ১৯০৭)

ff

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
জন্ম: ১৫ এপ্রিল ১৮৭৭ (২ বৈশাখ ১২৮৪)

মৃত্যু: ৩০ মার্চ ১৯৫৬ (১৬ চৈত্র ১৩৬৩ )

১৯০৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশের আগে দক্ষিণারঞ্জনের লেখা ও সংগৃহীত রূপকথা কলকাতার কিছু পত্রিকায় ছাপা হয়। ‘ঠাকুরমার ঝুলি’র পাণ্ডুলিপির প্রকাশক না পেয়ে নিজের অর্থেই প্রকাশে উদ্যোগী হন দক্ষিণারঞ্জন। এ সময় দীনেশচন্দ্র সেনের সাথে যোগাযোগ ঘটে তাঁর। পরে দীনেশচন্দ্র সেনের উদ্যোগেই সেকালের বিখ্যাত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ভট্টাচার্য অ্যান্ড সন্স থেকে ১৯০৭ সালে গ্রন্থাগারে প্রকাশিত হয় ‘ঠাকুরমার ঝুলি’।

dfd

>>জন্মও শিক্ষা জীবন:

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার উলাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার মাতার নাম কুসুমময়ী ও পিতার নাম রমদারঞ্জন মিত্র মজুমদার।
>> ১৮৮৭ সালে দশ বছর বয়সে তাঁকে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি করে দেওয়া হয় ঢাকার কিশোরীমোহন হাইস্কুলে। পরে ১৮৯৩ সালে, কিশোরীমোহন হাইস্কুল থেকে দক্ষিণারঞ্জণকে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি করে দেয়া হয়। এ দুটি স্কুলে থাকার সময় পড়ালেখায় ভালো করতে না পারায় তাঁর পিতা টাঙ্গাইলে বাসরত বোন (দক্ষিণারঞ্জনের পিসী) রাজলক্ষ্মী চৌধুরানীর কাছে রেখে টাঙ্গাইলের সন্তোষ জাহ্নবী হাইস্কুলে ভর্তি করে দেন। এই স্কুলের বোর্ডিং-এ থেকে তিনি দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। কিন্তু পিতার হঠাৎ সিদ্ধান্তে টাঙ্গাইল ছেড়ে ১৮৯৭ সালে বহরমপুর হাইস্কুলে তাকে দশম শ্রেণীতে ভর্তি করানো হয়। এই স্কুল থেকেই ১৮৯৮ সালে প্রথম বিভাগে তিনি এনট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এন্ট্রান্স পাসের পর দক্ষিণারঞ্জনকে বহরমপুরের কৃষ্ণনাথ কলেজে এফ এ ক্লাসে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু তিনি পড়ালেখা শেষ করেননি।
>>সাহিত্য:
মা বা আহুতি (১৯০৮),
ঠাকুরমার ঝুলি (১৯০৯),
আর্যনারী (প্রথম ভাগ ১৯০৮, দ্বিতীয় ভাগ ১৯১০),
চারু ও হারু (১৯১২),
দাদামশায়ের থলে (১৯১৩),
খোকাখুকুরখেলা (১৯০৯),
আমাল বই (১৯১২),
সরল চন্ডী (১৯১৭),
পুবারকথা (১৯১৮),
ফার্স্ট বয় (১৯২৭),
উৎপল ও রবি (১৯২৮),
কিশোরদেরমন (১৯৩৩),
কর্মের মূর্তি (১৯৩৩),
বাংলার সোনার ছেলে (১৯৩৫),
সবুজ লেখা (১৯৩৮),
চিরদিনের রূপকথা (১৯৪৭),
আশীর্বাদ ওআশীর্বাণী (১৯৪৮) ইত্যাদি।
>>‘চারু ও হারু’সম্ভবতঃ বাংলা ভাষায় প্রথম কিশোরদের জন্য উপন্যাস।
>>এছাড়া ১৯০১ সালে তিনি ‘সুধা’ নামে একটি মাসিক সাময়িক পত্রিকা নিজ সম্পাদনায় প্রকাশ করেন।
*** দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ছবি আঁকতেন, ঠাকুরমার ঝুলি’র ছবিগুলো তাঁর আঁকা। এছাড়াও বাসগৃহে কাঠের উপর খোদাই কর্মে তাঁর বিশেষ পারদর্শিতা ছিল।
দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার পরবর্তিতে কোন এক সময়(জানা যায়নি) কোলকাতায় স্থায়ী হন এবং তাঁর
কোলকাতার নিজস্ব ভবন ‘সাহিত্যভবন’-এ ১৯৫৬ সালে মারা যান।

৬২৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি খুব সাধারণ।
সর্বমোট পোস্ট: ১৩৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৯৭৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২২ ১৬:৩০:৪৭ মিনিটে
banner

৪ টি মন্তব্য

  1. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    তথ্যবহুল পোস্ট , জানা হলো অনেক কিছু।

  2. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দপ্র পোস্ট শেয়ারের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ভাইয়া
    ভাল থাকুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top