Today 07 Mar 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

দুইজন অমরাবতীর গল্প (বিজ্ঞান কল্পকাহিনী )

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ২৫/০৯/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 800বার পড়া হয়েছে।

দুইজন  অমরাবতীর গল্প (বিজ্ঞান কল্পকাহিনী )

পূর্ব প্রকাশিতের পর

 

মোর  বীনা  উঠে কোন সুরে বাজে

অভিনব চঞ্চল ছন্দে ছন্দে

 

গানের সুমধুর সুরে ত্রিনিদাদ  এর ঘুম ভেঙ্গে গেল

 

আহা গো  কে গায় গো

এত সুন্দর করে

 

আশেপাশে তাকিয়ে শিল্পী কে খুঁজে পেলনা ত্রিনিদাদ

 

ওহ গ্রামাফোনে বাজছে শিল্পীর নামটা  দেখি সে অবশ্যই তার আবিস্কার শিল্পীর নাম উত্সর্গ  করবে

 

গ্রামাফোন  এর কাছে রেকর্ড  খুজতে গিয়ে  দেখতে গিয়ে বন্ধ গ্রামাফোন

 

তবে কে গাচ্ছে ?

 

নীরা ? আশ্চজ্য

 

গানের শব্দ অনুসরণ করতে করতে ত্রিনিদাদ পৌছল ল্যাব এর পিছনে র খোলা প্যাসেজ এ

 

যা  দেখল তাতে ত্রিনিদাদ এর নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার জোগাড় হলো

 

ঠিক যেন কোনো  সিনেমার দৃশ্য

 

নীরা পরে আছে অপূর্ব মনে হচ্ছে নীল্ রঙের একটা রোব জাতীয় ড্রেস

দোলনাতে  দোল  খেতে  খেতে অপুরূপ মহিমায় সে গান গাচ্ছে

 

মোর  বীনা  উঠে কোন সুরে বাজে

অভিনব চঞ্চল ছন্দে ছন্দে

 

মোর  বিনা উঠে কোন সুরে বাজে

অভিনব চঞ্চল ছন্দে ছন্দে

 

সে  ডিসিশন এ আসল আজকে সারাদিন এই অপুরূপ এর সাথে সময় কাটাবে  ল্যাব এ ঢুকবেনা                      কি দরকার  ল্যাব এ কঠিন বিজ্ঞান সাধনায় নিজেকে নিয়োজিত করার ?

 

কি সহজে মেয়েরা পুরুষ কে তার দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করে  ফেলে তার মোহনীয় রমনীয় সৌন্দর্জ এ অবাক হয়ে ভাবে  ত্রিনিদাদ

 

ত্রিনিদাদ  কাছে এসে অন্তরঙ্গ ভাবে দোলনায় নীরার পাশে বসে পড়ল এবং তা করলো জীবনে প্রথম বার এর মত গভীর আবেগ এ কোনো মেয়ের মস্তিস্ক তার বুকে স্থাপন করলো  এরপর জিজ্ঞাসা করলো

 

নীরা আমার বুকে মাথা রেখে তোমার কি মনে  হচ্ছে ?

 

আপনি অনেক আবেগতাড়িত কিন্তু কেন   ? বললে ও নীরার  চোখে আবার সেই সোনালী আলোর ঝিলিক  দেখতে পেল

 

ত্রিনিদাদ  জীবনে প্রথম বার এর মত কোনো মেয়েকে তার কাপড় এর আবরণ সরিয়ে দেখতে চাইল এবং  দেখল এবং তীব্র আবেগ বোধ করলো সম্পূর্ণ রূপে মানবীয় এই শরীর এবং এই যন্ত্র  মানবী টির প্রতি

 

সেটা সে সম্ভবত না করলে ই  ভালো করত তাহলে অন্তত সে আরো কিছু  দিন যেমন বেশি বাচত তেমনি পৃথিবীর মানুষকে দিতে পারত

উপহার এক যুগান্তকারী আবিষ্কার

 

 

কিন্তু তা আর হলনা  প্রচন্ড  শব্দে বিস্ফোরিত হলো ত্রিনিদাদ এর ল্যাব

সারা ল্যাব এ আগুন ধরে গেল খুব বড় একটা আগুনের গোল্লা এসে আঘাত করলো ত্রিনিদাদ  এর বুকে      যে বুকে কিছু ক্ষন আগে নীরা মাথা  রেখে শুয়ে ছিল  সঙ্গে সঙ্গে ত্রিনিদাদ এর সারাশরীরে আগুন ধরে গেল

কযেক সেকেন্ড এর সে  একশ পার্সেন্ট বার্ন হয়ে গেল

 

শেষবারের  মত তার প্রিযমানবী র দিকে তাকাতে তাকাতে প্রবল যন্ত্রনায় মৃত্যু বরণ করলো

 

বিজ্ঞান এর অবদান যেমন বলিয়া শেষ করা  যায়না তেমনি বিধ্বংসী ভূমিকা কিছু কম নহে তা আমরা উপলব্ধি করতে পারি হিরোশিমা নাগাসাকি র দিকে তাকালে l

 

আমার এ পর্ব টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এ জাপান এর হিরোশিমা নাগাসাকি তে পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণে যাদের মৃত্যু হয়েছিল তাদের উদ্দেশ্যে l

————————————————————————————————————

গ্যালাক্সি  এর আপল অন্রইদ  এ  সকাল থেকে রাত অবধি ইমার্জেন্সি লাইট টি জ্বলছে আর নিভছে

প্রায় দশ হাজার নিরাপত্তা কর্মী এসে জায়গা টাকে বড় ফানেল এর কভার এ সিল করে আলাদা করে দিল যাতে হিলিয়াম এর বিষাক্ত প্রভাব এ এই গ্যালাক্সি এবং পৃথিবীতে আর কোনো বড় মানবেতর বিপর্যয় না হয় l

 

দুর্ঘটনার খবরে পাগলের মত  ছুটে আসলেন এথেনা ত্রিনিদাদ এর পোড়া অঙ্গার দেহ  দেখে পাগলের মত চিত্কার করে উঠলো

 

হায় আমার ত্রিনিদাদ এভাবে আমাদের  ছেড়ে কিছুতে  যেতে পারনা অপ্রকৃস্থিতের মত মাথা নাড়াচ্ছে আর এক কথা বারবার বলছে সে কিছুতে বিশ্বাস করতে তার এই প্রাণ প্রিয় ভাইটির সাথে আট ঘন্টা আগে কথা হয়েছে সে ছিল খুব প্রানোচ্ছল হাসি  খুশি তার নুতুন আবিস্কার নিয়ে সে ছিল অনেক উত্তেজিত

 

এর মধ্যে সে বোন্ এর সাথে খুনসুটি ও  করলো কিছু কিছু ক্ষন

 

এই আপা অমিত প্রেমে পড়ে গেছি  এক বিশ্ব সুন্দরীর পটার ফাদার কে নিয়ে চলে এস সম্ভব হলে এক্ষনি বিয়ে করব

 

কে রে এথেনা উত্তেজিত কোথায় থাকে ?

 

এই মুহুর্তে আমার কোলে বসে আছে এখন আমি ওকে নিয়ে বিজি থাকব

তোমার সাথে পরে কথা হবে বাই বলে ফোন কেটে দিল

 

নীরার চুলের গন্ধ শুকতে  শুকতে নীরার নারী দেহের নির্ঝাস নিতে নিতে বিস্ফোরণের আগুনে ত্রিনিদাদ এর মৃত্যু আমাদের সবার ই জানা

 

এথেনা  র সৎ ভাই  ছিল ত্রিনিদাদ তাতে ভালবাসতে কোনো অসুবিধা হয়নি

দুজনের বাবা এক মা আলাদা

 

জেরমিক্স সান্তনা দেওয়া র  চেষ্টা করছে এথেনাকে

জেরমিক্স এই ল্যাব সাত নং প্রকোষ্ঠের সপ্তম তরুণ বিজ্ঞানী

তার কাজ হচ্ছে ক্লোন ও রোবট নিয়ে

ইরা এবং নীরা এই দুই রোবট তৈরিতে এথেনার সাথে তার প্রচেষ্টা ও ছিল সীমাহীন

 

হটাত তার মাথায় বিদ্যূত  চমকের  মত এই  আইডিয়া খেলে গেল

তাইত আমাদের সর্বাধুনিক ক্লোন এ কেন ত্রিনিদাদ এর ব্রেন এবং হার্ট অন্য কারো থেকে নিয়ে দেখা যাক আমার প্রানপ্রিয় বন্ধু কে ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায় কিনা

 

দীর্ঘ পনর ঘন্টা পরে তার মুখে হাসি ফুটল l

 

(পরবর্তিতে)

৮৬৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

৪ টি মন্তব্য

  1. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ তো লিখেছেন !
    অনেক ভাল লাগল ।

  2. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ শান্ত

  3. তুষার আহসান মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক ভাল লাগা

    অশেষ ধন্যবাদ
    ভাল থাকবেন সব সময়।

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    লাইন গুলো বেশী ফাক হওয়ায় পড়তে অসুবিধা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top