Today 17 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ধর্ষণ

লিখেছেন: হাসান ইমতি | তারিখ: ২১/০৩/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 872বার পড়া হয়েছে।

Dhorson

চোখে চোখ রাখা আকর্ষক মুগ্ধতা ঘনীভূত হয়ে
হৃদয়ের বালুবেলা উপচে স্পর্শের মদির বাসনায়
ঠোঁটের উষ্ণতা হয়ে ঝুলে যায় উন্মত্ত ভালোবাসা,
গ্রীষ্মের দুপুরের তাপমাত্রা হঠাৎ করে যায় বেড়ে …
ভোজবাজির মত মুছে যায় চারপাশের প্রেক্ষাপট…
শুন্য ফাঁকা জনপদে আদিমতম আমন্ত্রনে কামতপ্ত
পুরুষ এসে দাঁড়ায় নারী যোনীর গোপন দুয়ারে …
চূড়ান্ত পরিণতির মুহূর্ত ঘনিয়ে আসার আগ মুহূর্তে
সহসা গর্জে উঠে বুড়ো সমাজের বজ্র নিনাদ.. দাড়াও…
এ পাপ… পাপ … পাপ … পাপ …পাপ … পাপ
থমকে যায় নারী, স্থবির হয়ে যায় স্খলিত প্রেমিক…
জারি হয়ে যায় মানব জন্মের দায় শোধের হুকুমনামা
বন্ধ করতে হবে সব অসামাজিক অশ্লীল নোংরামি …
নাজুক নারীর থেকে হটাও তোমার পৌরুষের লাম্পট্য
সরাও কামুক হাত, ফিরিয়ে নাও চোখের নির্লজ্জ দৃষ্টি …
এখনো সই সাক্ষর করা হয়নি সামাজিক কাবিন নামা …
রাখা হয়নি সামাজিক স্বীকৃতির কোন সাক্ষী সাবুদ …
কোন নীতিগত বৈধতা নেই এ অসামাজিক স্খলনের
কোন ক্ষমা নেই এই অগ্রহনযোগ্য পাপাচারের …
কিন্তু হৃদয় তো হৃদয় ছুঁয়েছে পারস্পরিক আকর্ষণে …
হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের পারস্পরিক মিলনের চেয়ে
একখন্ড নিষ্প্রাণ কাগজ কি করে কাগজ বড় হয় ?
এই প্রশ্নের কোন উত্তর পাওয়া যায় না …
পাপের পরিণতিতে যথারীতি ঘোষিত হয় মহাদন্ড
সমস্ত হৃদয়বৃত্তি মিথ্যে…
ভালোবাসা মানবিক বিকার মাত্র …
সম্পর্কের ভিত্তিভূমি হয়ে আবার সদর্পে ফিরে আসে কাবিন নামা …
অবশেষে নষ্ট জন্মের দায় মাথা পেতে নিয়ে রাতের হৃদয়হীন
আঁধারে বাসরের নরম শয্যায় জন্মের মত ধর্ষিত হয়ে যায় ভালোবাসা ।

৮৬৯ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি হাসান ইমতি, জন্মস্থান ফরিদপুর, বর্তমান বাসস্থান উত্তরা, ঢাকা । আমি মূলতঃ অনলাইন ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে লেখালেখি করে থাকি । এ ধারায় কবিতা ভিত্তিক সাইটের ভেতর রয়েছে বাংলা কবিতা, কবিতা ক্লাব, কবিতা ইবারয়ারি, গল্প কবিতা, বাংলার কবিতা ইত্যাদি এবং ব্লগের ভেতর সামহোয়্যার ইন ব্লগ, চলন্তিকা, ইস্টিশন, নক্ষত্র, আমার ব্লগ, চতুর্মাত্রিক ইত্যাদি। ইতিমধ্যে ই-ম্যাগের ভেতর অন্যনিষাদ, কালিমাটি, মিলন সাগর, জলভূমি, প্রতিচ্ছবি, বাঙ্গালিয়ানা সহ আরও কিছু ব্লগজিন ও বাজিতপুর প্রতিদিন, মিডিয়াবাজ, নব দিবাকর, তোমার আমার, বাংলা নিউজ ২৪, নারায়ণগঞ্জ টাইমস সহ আরও কিছু অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে আমার লেখা । প্রিন্ট মিডিয়ার ভেতর গত ২০১৫ ইং বইমেলায় সাহিত্যকথা, অন্যপ্রকাশ, তারুন্য সহ আরও কয়েকটি সংকলনে আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছে । এর বাইরে ভারতের দিগন্ত পত্রিকা, যুগসাগ্নিক, ঢাকার লেখচিত্র প্রকাশনী, বাংলার কবিতাপত্র, অতসী পত্রিকাসহ আরও কিছু প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে আমার লেখা । অনলাইনে আয়োজিত আটকাহন সাহিত্য পুরস্কার, গল্পলেখা সাহিত্য পুরস্কার ও সৃষ্টিসুখের উল্লাসে সাহিত্য পুরস্কার সহ আরও কিছু সাহিত্য পুরস্কার আমার লেখাকে সন্মানিত করেছে । ব্যক্তি জীবনে আমি কমনওয়েলথ এম বি এ শেষ করে সি এ করার পাশাপাসি একটি উৎপাদন মুখী প্রতিষ্ঠানে নিরীক্ষা বিভাগে কর্মরত আছি । গুগলে অভ্র দিয়ে বাংলায় "হাসান ইমতি" লিখে সার্চ দিলে আমার সম্পর্কে আরও জানা এবং আমার লেখার একাংশ পড়া যাবে ।
সর্বমোট পোস্ট: ১৫৪ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৮০৮ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-১২-১৪ ১১:৫৬:২৪ মিনিটে
Visit হাসান ইমতি Website.
banner

৫ টি মন্তব্য

  1. ফাগুন আইভী মন্তব্যে বলেছেন:

    এখনো ওই কাগজটার মূল্যই বেশি, হয়তো তাইই থাকবে। এর পিছনে অবশ্যই কারণ আছে,ওই যে জন্মের দায় যেন কাউকে একা না বইতে হয়!

    কবিতার ব্যাপারে কিছু বলতে পারছিনা, হঠাৎ করে মানব জীবনের গুপ্ত ব্যথা প্রকাশ হয়ে পড়ায়,আমি নির্বাক!

  2. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    বিবাহ বহির্ভূত সকাম প্রেম বা প্রেমহীন বৈবাহিক বন্ধনে স্বীকৃত কাম দুটোই আসলে ধর্ষণের পর্যায়ে পড়ে – এটিই এই লেখার মুল উপজীব্য, ভালোবাসা ফাল্গুন ।

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    আল্লাহ আমাদেরকে হেদায়েত করুন আর হেফাজত

    সমাজকে পাপমুক্ত করে যেন আল্লাহ

    সুন্দর লেখা।

  4. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বাস্তবতা উপর ভিত্তি করে লিখা
    কাব্যতা ইজ ফাইন
    বেশ ভাল লাগলো কবি হাসান ইমতি ভাই
    শুভ কামনা রইল

  5. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    লিখা ভালো লেগেছে !
    তবে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে সামাজিক স্বীকৃতির বিষয়ের প্রয়োজন আছে ।
    আমরা যাদের দেখে বড় হয়েছি, তাদের বেশিরভাগই কিন্তু একসাথে চলতে চলতেই একজনের প্রতি অন্যজন ভালবাসায় জড়িয়ে গেছে !
    আর বিয়ের পরের কামকে ধর্ষণ হিসেবে মানতে পারছি না । কেননা এখনকার যুগে বেশিরভাগ বাবা-মা ছেলেমেয়েদের মতামত নিয়েই বিয়ে দেবার চেষ্টা করে । প্রেমের সামাজিক স্বীকৃতি হিসেবে প্রেমে যুগল বন্দীদের মধ্যে বাবা-মা ই বিয়ে দেয় এখন !
    ভালো থাকুন কবি ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top