Today 10 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ধারাবাহিক উপন্যাস “নরক”

লিখেছেন: এ হুসাইন মিন্টু | তারিখ: ০৮/০৭/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 741বার পড়া হয়েছে।

পর্ব-আট

বর্ষা আমাকে নিতে এসেছে। রিকশা করে বর্ষার সাথে ওদের বাড়িতে যাচ্ছি। আমার সাথে দেখা করার জন্য বর্ষার বাবা নাকি সিঙ্গাপুরের ফ্লাইট কেন্সেল করেছেন। বর্ষাকে আজ ঢের উৎফুল্ল লাগছে। এই উৎফুল্লতা কতক্ষণ টিকবে তা বলতে পারব না। তবে বেশিক্ষণ টিকবে যে টিকবে না সেই গ্যারান্টি আমি দিতে পারি, কারণ ওদের বাসার কাছাকাছি এসে পড়েছি। মতিহার সাহেবের সাথে দেখা হবার সঙ্গে সঙ্গে বর্ষার সব আনন্দ মাটি হয়ে যাবে বলে আমার ধারনা।

বর্ষার এই আনন্দ, উচ্ছ্বাস সারা জীবন টিকে থাক মনে মনে এমন দোয়া করতে ইচ্ছা করলেও করতে পারছি না। কারণ এই দোয়া কবুল হবার সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ। আর কবুল হলে আমি নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারি, বাবার দেয়া গাইডলাইন থেকে বিচ্যুতি ঘটার সম্ভাবনা ঢের। তাইতো জেনে শোনে এমন একটি ব্যার্থ দোয়া করতে পারছি না। বাস্তবতা বলে একটা কথা আছে, আর আমরা কেউ বাস্তবতার উর্ধ্বে নই।

বাসার সামনে গিয়ে রিকশা থামল। চোখ তুলে তাকাতেই আমি তব্দা লেগে গেলাম। বাড়ি তো নয় যেন স্বর্গপুরী। গেইটের একপাশে তামার অক্ষরে সোনা রঙে লেখা ‘মতিহার প্যারাডাইস’। গুলশান এলাকার সবচেয়ে অভিজাত বাড়িগুলির একটি। গেইটে দারোয়ানের ছোট্ট ঘরটিও বিদেশি দামি গ্লাস দিয়ে মোড়ানো। বর্ষার বাবা মতিহার সাহেব একাধিক গর্মেন্টেসের মালিক। বাড়ি দেখেই বুঝা যাচ্ছে মতিহার সাহেব গার্মেন্টেসের হতদরিদ্র শ্রমিকদের ঘাম ঝরানো টাকা ইচ্ছামত খরচ করেছেন।

গেইট বন্ধ, বর্ষা কলিং বেলের সুইচ টিপল। দুই তিনবার সুইচ টিপার পর দারোয়ান গেইট খুলে উঁকি দিলো। দারোয়ানদের এই এক বদোভ্যাস। গেইটের সামনে যদি কোনো গাড়ীর হর্ণ শোনে গেইট খুলার জন্য হম্বিতম্বি শুরু করে দেয় এই ভেবে, হয় মালিক এসেছে। না হয় মালিকের বড় কোনো আত্মীয় এসেছে। গেইট খুলতে দেরি হলে চাকরী যাবার সম্ভবনা আছে। আর যদি কেউ কলিং বেলের সুইচ টিপে, অথবা নক করে হাতের কবজি ব্যাথা করে ফেলে তবু গেইট খুলতে চায় না।

ভাবে ভিখারি এসেছে, ডাকাডাকি করে চলে যাবে। আগে যদি বসে ঝিমোয়, নক শোনার পর পুরোদমে ঘুমিয়ে পড়ে। ভিখারি কিংবা সাধারণ কারো জন্য গেইট খুলতে হয়ত দারোয়ানদের সম্মানে বাধে।

বর্ষাকে দেখা মাত্রই দারোয়ান গেইট খোলার জন্য তড়িঘড়ি শুরু করল। গেইট খুলতে দেরি হওয়ার জন্য বর্ষা হয়ত দারোয়ানকে ঝাড়ফোঁক কিছু দিতো কিন্তু আমি সাথে থাকায় দিতে পারল না। বড় বড় চোখ করে একবার তাকিয়েই ক্ষান্ত দিলো।

সদর দরজা পার হয়ে ভেতরে ঢুকতেই আমার মাথায় চক্কর দিলো। এলাহী কান্ড ! হয়ত রাজা বাদশাহ থাকেন এখানে, আয়োজন দেখে আপাদত তাই মনে হচ্ছে। ফুলের বাগান, বাগানের মাঝখানে দোলনা পাতা, ব্যায়াম করার আয়োজন, আরো কত কী ? বাগানে নানান রকমের ফুল ফুঁটে আছে। কোনোটি চিনতে পারছি, আবার কোনোটি পারছি না। এমন একটির দিকে হাত তুলে জিজ্ঞাস করতেই বর্ষা বলল, অর্কিড।
অর্কিড ফুলের নাম ! এর আগে কখনো শোনি নি। বিদেশি হবে হয়ত। করিডরে পা ফেলতেই কে যেন চেঁচিয়ে বলল, গুড মর্নিং ।
এদিক ওদিক তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেলাম না। হাতের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম, পৌনে দশটা বাজে। বর্ষাকে জিজ্ঞাস করতেই হাত উঠিয়ে ময়নার খাঁচা দেখাল।
তারপর ভেতরে ঢুকতে ভয় ভয় লাগল। বাহির বাড়িতেই এতসব ভেতরে না কী আছে, কে জানে ? বর্ষা আমার হাত ধরে ভেতরে নিয়ে গেল।
ড্রয়িংরুমে ঢুকে আরো বেশি অবাক হলাম। বিদেশি কার্পেট বিছানো, পা ফেলা মাত্রই শরীরে অন্য রকম অনুভূতি হচ্ছে। বিলাসবহুল সোফা, আমি তার একটিতে কোমর গেড়ে বসলাম। বর্ষা তার বাবাকে ডাকতে ভেতরে চলে গেছে।
সোফার সামনে কাঁচের টেবিল, তাতে অতি সুদর্শন একটি এশট্রে রাখা আছে। আমি ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখলাম, এশট্রে ঠিক-ই কিন্তু ওতে ছাই ফেলার জায়গা দেখতে পারছি না।
কখনো কখনো খারাপ কিছু করতে না পারলেও মনে মনে আফসোস হয়। যেমন এখন আমার হচ্ছে, মনে হচ্ছে ধূমপান করা না শিখে ভুলই হয়েছে। এত সুন্দর এশট্রেটি ব্যবহার করা থেকে বঞ্চিত হলাম।
কিছুক্ষণ পর পাখি ডাকতে শুরু করল। আমি হতভম্বের মত এদিক ওদিক তাকিয়ে খোঁজছি, ড্রয়িংরুমে পাখি এল কোথায় থেকে ?
ঢের খোঁজাখোঁজি করার পর চোখ পড়ল দেওয়াল ঘড়ির উপর। ঘড়ি তো নয় যেন চিড়িখানাকে দেওয়ালের সাথে আটকে রাখা হয়েছে। দুইটা দোয়েল পাখি মুখোমুখি দাড়িয়ে আছে, মাঝখানে ঘড়ি। শুধু মিনিট আর ঘন্টার কাঁটা দেখা যাচ্ছে। আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম, ঘড়িতে একটি কাঁটা কম কেন ?
খেয়াল করে দেখলাম নিচে আরেকটি ছোট্ট দোয়েল ছানা লাফালাফি করছে। একবার লাফ দিয়ে ডান দিকে যাচ্ছে, আবার যাচ্ছে বাম দিকে, বুঝতে পারলাম ওটাই সেকেন্ডের কাঁটা। অতএব এ বাড়িতে যা কিছু আছে সবি বিদেশি।
আমি ভাবনায় পড়ে গেলাম, এরকম বিদেশি পরিবেশে বেড়ে উঠার পরও বর্ষা কীভাবে স্বদেশি হয়ে আছে ? মনে হল এখানে আর এক মূহুর্ত থাকাও আমার জন্য সমুচিন হবে না। এরকম বিদেশি পরিবেশে নিজেকে বড্ড বেমানান লাগছে।
উঠবো উঠবো ভাবছি এমন সময় ঠেলা গাড়ীর মত ঠেলে ছোট্ট একটি ষ্টিলের গাড়ী নিয়ে একজন প্রবেশ করল। কাঁচের টেবিলের কাছে এসে ঠেলা গাড়ী থেকে সুদর্শন মেলামাইনের কেতলি, কাপ, পিরিজ, চিনির বইয়াম, বিস্কিট আরো অনেক কিছু টেবিলের উপর নামিয়ে রেখে নিরবে বেরিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর এক ভদ্রলোক এসে ঢোকলেন। দরজা দিয়ে ঢুকতে ঢুকতে বলল, সরি, আমার দেরি হয়ে গেল।
কাছে এসে আবার বলল, তুমি নিশ্চয় সবুজ ?
আমি দাড়িয়ে সালাম দিয়ে তার সাথে একমত প্রকাশ করলাম। ভদ্রলোক সামনের সোফায় বসতে বসতে আমাকেও বসতে বললেন। আমি ফের যথাস্থানে বসলাম।
শুরু হল মানদাত্তা আমলের ষ্টাইলে আলোচনা। নিজের পরিচয় তুলে ধরে বললেন, আমি বর্ষার বাবা। তুমি তো ডাক্তারি পড়ছ ?
জ্বী। ডাক্তারি পড়া এক রকম শেষের দিকে।
ভদ্রলোক কোনো রকম ইনয় বিনয় বা ভনিতার আশ্রয় না নিয়ে সরাসরি বললেন, বর্ষা তোমাকে ভালোবাসে। তুমিও নিশ্চয়..
আমি কোনো জবাব দিলাম না। ভদ্রলোক আমার নিরবতাকে হ্যা ভেবে নিয়ে কিছুক্ষণ পর আবার বললেন, তোমার বাড়িতে কে কে আছে ?
আমি বললাম, আমি ছাড়া আর কেউ নেই।
মতিহার সাহেব একেবারে চুপসে গেলেন। কিছু একটা মনে করে সিগারেট জ্বালালেন। আমি কৌতূহলি নয়নে তাকিয়ে আছি ভদ্রলোক কীভাবে এশট্রেটি ব্যবহার করেন তাই দেখার জন্যে।
ভদ্রলোক সিগারেট টানছেন আর ছাই জমাচ্ছেন এশট্রের ঢাকনার উপরে। অর্ধেক সিগারেট শেষ হবার পর বাকী সিগারেটটুকু ছাইয়ের সাথে রেখে মাঝখানের লম্বা বটনটি চাপ দেবার সাথে সাথে ঢাকনাটি বৈদ্যুতিক পাখার মত ঘুরতে শুরু করল, আর নিমিষেই সব ছাই এশট্রের ভেতরে। আশ্চর্য জিনিস, বিদ্যুত ছাড়াই কেমন দ্রুত ঘুরল।
এবার মতিহার সাহেব আমার দিকে তাকালেন। শ্লেমা সাফ করে শুকনো গলায় রস আনার চেষ্টা করে বললেন, তুমি কি আরো লেখাপড়া করবে ?
আমি বললাম, জ্বী না।
ভালো। চাকরী বা চেম্বার টেম্বারের ব্যবস্থা হয়েছে ?
জ্বী না।
মতিহার সাহেব ফের কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তার ফর্সাজ্জ্বল মুখমন্ডলে কিঞ্চিৎ মলিনতা নেমে এসেছে। হঠাৎ এই মলিনতার কারণ কী বুঝতে পারছি না। কারণ যাই হোক আমি মোটেও বিচলিত নই। সবকিছু জানার পর এই বৈঠকের রিজাল্ট কী হবে তা আমি ভালো করেই জানি। তাই আমার বিচলিত হবার কোনো কারণ নেই।
আরো কিছুক্ষণ পর মতিহার সাহেব ফের মুখ খুললেন, ব্যারিষ্টারি পড়তে বর্ষা যেহেতু লন্ডন যাচ্ছে। আমি বলি কি বিয়ে করে তুমিও লন্ডন গিয়ে ডাক্তারিটা আরো ভালো করে পড়ে আস। তারপর চেম্বার খুলতে চাইলে খুলবে, আর যদি অন্য কিছু করতে চাও করবে।
মতিহার সাহেবের এই প্রস্তাবটি আমাকে বেশ ভাবিয়ে তুলল। অতি সহজে তিনি আমাকে একটি প্রলভোন দেখালেন। বেশ কিছুক্ষণ পর আমি বললাম, আমি এখন উঠব।
মতিহার সাহেব বললেন, সেকি উঠবে কেন ? বিদেশ যেতে আপত্তি আছে ? আমি চুপ করে রইলাম। মতিহার সাহেব ফের বললেন, তাহলে তুমি কি করতে চাও সেটা বলো।
আমি আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বললাম। সবকিছু শোনার পর মতিহার সাহেবের চোখ মুখ কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে গেল। তার চেহেরা দেখে মনে হচ্ছে আমার কথা শোনে তিনি খুবই মর্মাহত হয়েছেন। অত্যান্ত হতাশার স্বরে জিজ্ঞাস করলেন, গ্রামে গিয়ে চেম্বার খুলবে ?
আমি সাধারণ ভঙ্গিতেই বললাম, জ্বী।
গ্রামের লোকজন তোমার ফি দিতে পারবে ?
আমি কোনো ফি নেব না।
খানিকক্ষণ চোপ থেকে মতিহার সাহেব বললেন, সত্যি তোমার উদ্দেশ্য মহৎ ও প্রশংসনীয়। কিন্তু শুধু মহত্ব দিয়ে তো জীবন চলে না। জীবন চালাতে অর্থের প্রয়োজন হয়, আর সেই অর্থ যোগানের জন্য চাই ভালো উপার্জন। তোমার মহৎ ও সতোদ্দেশ্যের প্রতি সহানভূতি থাকলেও তোমার হাতে আমার একমাত্র মেয়ের হাত দিতে পারছি না বলে আমি দুঃখিত। আমি কিছুতেই চাই না, আমার মেয়ে কোনো অঁজোপাড়া গাঁয়ে গিয়ে পড়ে থাক। গৃহিনী হওয়ার জন্য উকালতি পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আমি চাই আমার মেয়ে এমন কিছু করুক যাতে সমাজে মাথা তুলে দাড়াতে পারে। বাবা হিসাবে এইটুকু চাওয়া কি অপরাধ ?
আমি মাথা নাড়িয়ে বললাম, না।
মতিহার সাহেব সঙ্গে সঙ্গে বললেন, গ্রামে থাকলে তা সম্ভব ?
আমি আবারো না করলাম।
মতিহার সাহেব চুপচাপ বসে আছেন। এরপর তিনি কী বলবেন একটু হলেও আমি তা আন্দাজ করতে পারছি। আমার উচিৎ এখনি উঠে পড়া। বর্ষার কথা মনে হতেই বুকের ভেতর কেমন যেন ছ্যাঁত করে উঠল। কিন্তু কেন ? আমি বর্ষাকে ভালোবাসি, ভুলেও এমনটি মনে হয় নি কখনো । তাহলে আজ এত শূন্যতা বোধ হচ্ছে কেন ? কেন মনে হচ্ছে আমার জীবন থেকে কিছুটা হারিয়ে যাচ্ছে ? যাই মনে হউক না কেন ? এখানে আর এক মূহুর্ত থাকাও সমুচিন হবে না। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মতিহার সাহেব সেই কথাই বলতে চাচ্ছেন। বর্ষা তার নিজ বাবা সম্বন্ধে এতদিন যা জেনে ও ভেবে এসেছে আর কিছুক্ষণ আমি এখানে থাকলে তার উল্টো চিত্রটিও পরিলক্ষিত হতে পারে।
এই আশঙ্কায় আমাকে উঠতেই হল। আমাকে তুমি ক্ষমা করো বর্ষা। তোমার নিষ্পাপ মনের নিঃস্বার্থ চাওয়ার মূল্য দিতে পারলাম না বলে আমি দুঃখিত। তোমার কোমল হাত ধরে পিছুটানের সাঁকো পারি দিতে পারলাম না। খুব ইচ্ছা করছে এসব কথা বর্ষাকে বলে যেতে, কিন্তু পারছি না। কেন যেন মনে হচ্ছে আমাকে এইভাবে চলে যেতে দেখলে বর্ষা হয়ত কাঁদবে, আমার মতন একজন বাজে লোকের জন্য কারো চোখ থেকে একটা ফোঁটা অশ্রু ঝরে পড়ুক, আমি তা চাই না বলে বর্ষাকে না জানিয়েই স্বর্গপুরী থেকে আমাকে প্রস্থান করতে হল।
আমার বিশ্বাস আমি চলে যাবার পর মতিহার সাহেব কিছু একটা বলে বর্ষাকে বুঝাতে সক্ষম হবেন। এইভাবে না বলে চলে যাবার পর বর্ষা হয়ত আমার উপর ক্ষিপ্ত হবে, ঘৃণা করে মুখ ফিরিয়ে নিবে। আমিও কামনা করছি তাই যেন হয়। আমরা দুইজন একেবারেই ভিন্ন মেরুর বাসিন্দা, আমাদের মিলন কিছুতেই সম্ভব নয়।  (এই উপন্যাসটি 2013 বই মেলায় প্রকাশিত)

(যা না বললেই নয়- এই উপন্যাসের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে1971 থেকে 1993 পর্যন্ত)

৮৪৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
পুঁজিবাদের এই জমানায় কলম আমার পুঁজি চেনা মানুষের ভিড়ে আমি অচেনা মুখ খোঁজি,, কলমে ভর করে দাড়ানোর প্রচেষ্টায় রত এক শব্দ শ্রমিক । লেখকের প্রকাশিত বইসমূহঃ- কাব্যগ্রন্থ-জীবন নদীতে খরা উপন্যাস-অশ্রু, নরক ও প্রচ্ছায়া ।
সর্বমোট পোস্ট: ৯৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১২৫০ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-২৬ ১২:২৭:৩১ মিনিটে
banner

১১ টি মন্তব্য

  1. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    পড়লাম। ভালই লাগল। লিখে যান অবিরত।

  2. কাউছার আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগছে লিখে যান।

  3. সাফাত মোসাফি মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল খুব

  4. এ হুসাইন মিন্টু মন্তব্যে বলেছেন:

    অসংখ্য ধন্যবাদ

  5. শাহরিয়ার সজিব মন্তব্যে বলেছেন:

    মিন্টু ভাই আপনি বরাবরই ভালো লেখেন , এই লেখাটিও ভালো লাগছে ।

  6. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার লেখার কোন তুলনা হয় না।

  7. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    অসংখ্য ভাল লাগা জানালাম ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top