Today 21 Jan 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

নগদ টাকা উঠে যাচ্ছে ডেনমার্ক থেকে!

লিখেছেন: অনিরুদ্ধ বুলবুল | তারিখ: ১০/০৭/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 820বার পড়া হয়েছে।

ডেনমার্কে গেলে এখন আর মানিব্যাগ নেওয়ার দরকার নেই। খুব শিগগিরই সব ধরনের নগদ টাকা ব্যবহারের চল উঠে যাচ্ছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান এই দেশ থেকে। ‘নগদ অর্থবিহীন অর্থনীতি’ বা ‘ক্যাশলেস ইকোনমি’র উদ্যোক্তা ড্যানিশ সরকার। এ বছরের সেপ্টেম্বরে ড্যানিশ সাধারণ নির্বাচনে এই ইস্যু এসেছে বেশ জোরেসোরে। ইন্ডিয়া টাইমসে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

 

ডিজিটাল পেমেন্ট

ড্যানিশরা কিন্তু ইতিমধ্যে একটু একটু করে নগদ অর্থ ছাড়া চলা শিখে গেছে। ড্যানিশ জনগোষ্ঠীর এক তৃতীয়াংশ জনগণ এখন ‘মোবাইল পে’ ব্যবহার করে কেনাকাটা করে বা বিল মেটায়। ‘মোবাইল পে’ হচ্ছে একটি মোবাইল অ্যাপিৱকেশন যার মাধ্যমে একজনের অ্যাকাউন্ট থেকে আরেকজনের অ্যাকাউন্টে অর্থ হস্তান্তর করা যায়।এর বাইরে সুইডেন, ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ডে ক্রেডিট কার্ড পেমেন্ট সিস্টেমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে নগদ অর্থের প্রয়োজন না পড়ে।

 

ড্যানিশ সরকার বলছে, আগামী বছরের মধ্যে খুচরা বাজার থেকেও নগদ অর্থ তুলে নেওয়া হবে। দর্জিবাড়ি, মুদির দোকান, গ্যাস স্টেশন এবং রেস্টুরেন্টে ডিজিটালি খরচ মেটানো হবে। আগে এসব খুচরা ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। শিগগিরই সেটা তুলে নেওয়া হবে।

 

সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ক্যাশলেস ইকোনমির ঘোষণা দিয়েছে ডেনমার্কের সরকার। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, খরচ কমানো এবং ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটাতে সে পথে এগিয়ে যাচ্ছে ডেনমার্ক। সরকারের এই প্রস্তাব এখন সংসদের পাস হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। এ বিষয়ে সংসদের কবে ভোটাভুটি হবে তা এখনো ঠিক হয়নি।

 

তবে বিষয়টি পাস হতে সংসদে বেশি ঝক্কি পোহাতে হবে না বলেই মনে হচ্ছে। কারণ ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ছোটখাটো অর্থ পরিশোধে ইতিমধ্যে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে ড্যানিশরা। যেমন এক প্যাকেট চুইংগাম কিনলেও সেটার দাম কার্ডেই পরিশোধ করে তারা।

 

ডেনমার্কের ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন লবিস্ট ‘ফিন্যান্সরাডেট’ বলছে, ক্যাশলেস ইকোনমিতে গেলে দোকানগুলোর পয়সা সাশ্রয় হবে, নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং ক্যাশকাউন্টারে বসে ভাংতি টাকা দেওয়ার ঝামেলা থেকেও মুক্তি মিলবে।

 

ক্যাশলেস সংস্কৃতির ভীতি

ক্যাশলেস সংস্কৃতিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা ভীতিও রয়েছে। সেগুলোও পর্যালোচনা করে দেখছে ড্যানিশ সরকার। ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি হচ্ছে জালিয়াতির। সুইডেনে গত এক দশকে এ ধরনের জালিয়াতি সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।

 

ডেনমার্কের সর্ববৃহৎ ব্যাংক এবং মোবাইল পে সিস্টেমের মালিক ডানস্ক ব্যাংক (উধহংশব ইধহশ) এ ধরনের জালিয়াতি রোধে বেশ কিছু শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। মোবাইল পে অ্যাপিৱকেশনের সঙ্গে নেম আইডি নামে একটি ডিজিটাল সিগনেচার কার্ড সংযুক্ত করা হয়েছে যার মাধ্যমে কার্ডের মালিকের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস অবশ্য বেশ আগে থেকেই ক্যাশলেস ইকোনমি নিয়ে সোচ্চার ছিলেন। তাঁর মতে, এর মাধ্যমে বিশ্বের হতদরিদ্র জনগণের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে যাবে।

তথ্যসূত্রঃ  http://www.now-bd.com/2015/07/10/417535.htm

৮২০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কৈফিয়ত - তোমরা যে যা-ই ব'ল না বন্ধু; এ যেন এক - 'দায়মুক্তির অভিনব কৌশল'! যেন-বা এক শুদ্ধি অভিযান - 'উকুন মেরেই জঙ্গল সাফ'!! প্রতিঘাতের অগ্নি-শলাকা হৃদয় পাশরে দলে - শুক্তি নিকেশে মুক্তো গড়ায় ঝিনুকের দেহ গলে!! মন মুকুরের নিঃসীম তিমিরে প্রতিবিম্ব সম - মেলে যাই কটু জীর্ণ-প্রলেপ ধূলি-কণা-কাদা যত। রসনা যার ঘর্ষনে মাজা সুর তায় অসুরের দানব মানবে শুনেছ কি কভু খেলে হোলি সমীরে? কাব্য করি না বড়, নিরেট গদ্যও জানিনে যে, উষ্ণ কুসুমে ছেয়ে নিয়ো তায় - যদি বা লাগে বাজে। ব্যঙ্গ করো না বন্ধু আমারে অচ্ছুত কিছু নই, সীমানা পেরিয়ে গেলে জানি; পাবে না তো আর থৈ। যৌবন যার মৌ-বন জুড়ে ঝরা পাতা গান গায় নব্য কুঁড়ির কুসুম অধরে বোলতা-বিছুটি হুল ফুটায়!! ভাল নই, তবু বিশ্বাসী - ভালবাসার চাষবাসে, জীবন মরুতে ফুটে না কো ফুল কোন অশ্রুবারীর সিঞ্চনে। প্রাণের দায়ে এঁকে যাই কিছু নিষ্ঠুর পদাবলী: দোহাই লাগে, এ দায় যে গো; শুধুই আমার, কেউ না যেন দুঃখ পায়।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪২২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০২-১৪ ০২:৫৯:৫৩ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    nice

    ভাবনা ইজ নাইস
    শুভ কামনা রইল

  2. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    জানলাম

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    সুবিধা অসুবিধা নিয়েই চলুক ড্যানিসদের জীবন যাত্রা।

    ধন্যবাদ সুন্দর তথ্য দেয়ার জন্য

  4. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    ঝামেলা কিছুটা থাকলেও সুবিধাই বেশি হবে বলে মনে হচ্ছে ! আমরা ২০৫০-এ এই ব্যবস্থা পাব বলে আশা করতে পারি ! 😛

    সুন্দর শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ !

    • অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

      এখন আমরা গ্লোবাল ভিলেজের সভ্য –
      প্রগতির কোন অগ্রগতিই আর দুষ্প্রাপ্য নয়-
      আশা করা যায় – লাগসই হলে আরো দ্রুতই তা সম্ভব হয়ে উঠবে।
      মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ কবি।
      ভাল থাকুন নিরন্তর –

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top