Today 22 Sep 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

নারীর মূল্যায়ন

লিখেছেন: কল্পদেহী সুমন | তারিখ: ০৯/০৩/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 389বার পড়া হয়েছে।

স্নিগ্ধ, রূপময়ী, সৌন্দর্য্যের প্রতীক
স্নেহ, মমতা, ভালোবাসার আঁধার,
বিস্তৃত সর্বত্র পরিপাটি রাখে ঠিক
সাজানো পৃথিবীর রূপের শ্রেষ্ঠ বাহার।

সে কে, সে কি ভিনগ্রহের কোন প্রাণি,
নাকি মানুষের মাঝেই অন্য জাতি?
সে মানুযের রূপভেদে কেউ একজন মানি
পুরুষ নামক স্বজাতির জনম জনমের সাথী।

আজ বৈষম্যের করিডোরে বন্দী তার মন
যদিও সে সমাজের অনেক বড় ধন,
আজ নিপীড়িত সে ঘরে বাহিরে যেমন
ইভটিজিং, ধর্ষণ, বৈষম্য যার উদাহরণ।

তবে সবাই নয় বন্দী নিপীড়িতদের মতো
ভুগছেনা সবাই ঐ বৈষম্য আছে যত,
অনেকেই স্বাধীন এসব যন্ত্রণা থেকে
আর তাই কখনও অঘটন আনে ডেকে।

তাদের স্বাধীনতার অবশ্যই প্রয়োজন
কেবলই ততটুকুই বৈষম্যের করতে দূরীকরণ,
দিবসেই তাদের অধিকার সীমাবদ্ধ নয়
বছরের প্রতিদিন তাদের করতে হবে জয়।

তাদের যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন চাই
পদে পদে করুণার নয় আর দোহাই,
ছোট করে নয়, মানুষের মতো করে
সমান দৃষ্টিতে তাদের মর্যাদা উপরে ধরে।

স্রষ্টার আইনে যদি গড়ে উঠতো সমাজ
বৈষম্য বলে কিছু করতোনা আর বিরাজ,
সুষ্ঠু, সুন্দরে ভরে উঠতো এই সমাজ
চারিদিকে তখন শান্তি শান্তির আওয়াজ।

তবুও তারা পিছপা নয় গড়তে এ সমাজ
শত বাঁধা সত্ত্বেও করে চলছে গুরু কাজ,
নিজ দায়িত্বে পালন করছে সব
সংসার, দেশ, জাতির এতেই কলরব।

স্বাধীনতা সবারই প্রয়োজন, পুরুষ কি নারী
তবে তারও একটা সীমানা দরকারী,
না হলে যে প্ররোচনা ধরবে চেপে
কালিমায় জীবন দূষিত করতে লেপে।।

৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
খন্দকার মো: আকতার উজ জামান সুমন পিতা: মো: আবু সাদেক খন্দকার মাতা: ঝরনা বেগম বর্তমান ঠিকনা: মিরপুর, ঢাকা স্থায়ী ঠকানা: কুমিল্লা জন্ম তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ ধর্ম: ইসলাম জাতীয়তা: বংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শিক্ষা: বাংলাদেশ নৌবাহিনা কলেজ, ঢাকা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয়টিতে জি.পি.এ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন। বর্তমানে মানারত ইন্টার্ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিপার্টমেন্টে অধ্যয়নরত। আমি যে রকম : কথা বেশি একটা বলিনা চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। সব সময় কল্পনা করি। কল্পনায় আমি সবসময় নিজের সাথে কথা বলি। আর সব সময় অন্যমনষ্ক থাকি। আমার আশেপাশে কে কি করছে না করছে তার দিকে আমার তেমন খেয়াল থাকে না। অনেক সময় কাউকে খুজতে যেয়ে নিজেই হারিয়ে যাই। আর একটা কথা হলো আমার পথ মনে থাকে না তাই আমি একা হাটতে গেলে প্রায়শই পথ ভুল করি। পথে হাটাহাটি করার সময় কত জনের সাথে ধাক্কা খেয়েছি এ পর্যন্ত, তার হিসাব নেই। আমার সমস্ত জীবনটাকে কল্পনা মনে হয় কারণ সব কিছুই যাই ঘটে আমার সাথে তাই আমার কাছে কল্পনা মনে হয়। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে ভাবি কল্পনা ভেঙ্গে গেলাই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার এই অসম্ভব রকম কল্পনাসক্ত দিনকে দিন বেড়েই চলছে। নিজেকেই কখনও হারিয়ে ফেলি আমি। জানিনা জীবনের অনেক কিছুই হয়তো তবে যতটুকু আমি অর্জন করেছি তার সবটুকুই সত্য। মিথ্যা কিছু নিয়ে আমার বড়াই নেই। এক অদ্ভুত বিষয় সর্বদাই আমাকে ভাবিয়ে তুলে তাহল কেন যেন অন্য আট দশটা মানুষের মতো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারিনা। কিছু বিষয় আমাকে বারবার স্পর্শ করে যাবেই। আমি যা বলি তার সবটাই গভীর অনুভূতি থেকে বলি তাই হয়তো আমার কথার জবাব অর্থপূর্ণ না হলে এক ধরনের অপমানবোধ কাজ করে। আমি ভাবনার অতলে প্রবেশ করে জটিল বিন্যাসে অনেক ছক আঁকি যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ হতে আমার বিষয়গুলো ভাবলে মানানসই হবে না। আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে এরকম খুব কম মানুষই আছে। আমিও নিজেকে কখনও কখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা, তাই হয়তো আমার মন খারাপের কারণ, রাগ করার কারণ অনেক সময় আমার অজানাই থাকে। আমি খুব বেশি একটা কথা বলা পছন্দ করিনা যদিও আমার ফেসবুকে পোস্ট দেখলে তা অনেকের বিশ্বাস হবেনা। বাস্তবে আমি বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের আলোচনায় কথা তেমন বলিনা বললেই চলে। আমি সব সময় বিভিন্ন ধরনের ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পছন্দ করি তাই হয়তো বাস্তব জীবনের সাথে আমার সম্পর্কটাও নড়বড়ে। আমি সহজেই মানুষকে অনুভব করে ফেলি যার ফলে খুব সহজেই কাউকে মনের গভীরতায় ঠাই দিয়ে বসি। আর এটাই কখনও কখনও আমার দুঃখের কারণ হয়ে বসে। আমি জানিনা আমার বর্তমান, জানিনা আমার ভবিষ্যৎ তবে এটুকুই বলতে পারি এক সময় সুখ আর দুঃখ দুটোই একই মনে হবে আমার কারণ আমার অনুভূতির জগতটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। আর আমার অনুভূতি নিস্তেজ হয়ে যাওয়া মানে আমার কবিতা, গল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে আমার সৃজনশীল কর্মের তালিকা হতে। তবে আমি থাকব একজন অবাধ্য বন্ধু হয়ে সবার মাঝেই। প্রকাশিত বইঃ (১)সমন্বয়(কাব্য গ্রন্থ-সম্মিলিত সংকলন)
সর্বমোট পোস্ট: ২৯২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২৯ ১৬:৩০:৩০ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    কন্যা, জায়া, জননী, ভগিনী
    এই চার রূপে তোমাকে চিনি … তবে নারীর সবচেয়ে বড় পরিচয় নারীও মানুষ ।

  2. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    তোমার ভাবনাগুলো অনেক সুন্দর

    লেখা ভাল লাগল

  3. জসিম উদ্দিন জয় মন্তব্যে বলেছেন:

    সৌন্দয্যে ব্যখ্যা এত সুন্দর করে দিয়েছেন ভালো লাগলো ।

  4. জসিম উদ্দিন জয় মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখে যান ভালো করতে পারবেন ।

  5. খালিদ হাসান মন্তব্যে বলেছেন:

    আজ বৈষম্যের করিডোরে বন্দী তার মন
    যদিও সে সমাজের অনেক বড় ধন,
    আজ নিপীড়িত সে ঘরে বাহিরে যেমন
    ইভটিজিং, ধর্ষণ, বৈষম্য যার উদাহরণ।

    khub valo laglo

  6. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    এত সুন্দর করে দিয়েছেন
    ভালো লাগলো ।

  7. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    নারীদের নিয়ে ভাবনা – ভাল লাগল বেশ
    তবিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

  8. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব সুন্দর লিখা আপনার

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top