Today 24 Jan 2021
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

নিলাম

লিখেছেন: মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক খান | তারিখ: ০৭/০১/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1207বার পড়া হয়েছে।

‘মানুষ সম্পর্কে আমার ধারনা খুব একটা ভালো নয়।’ আমি বসে বসে বিতানীন জাতীয় উত্তেজক তরল পানীয়ের জন্য অপেক্ষা করছি, ঠিক তখনই একজন আমার সামনের গ্রানাইটের শক্ত আসনে বসামাত্র আমাকে উদ্দেশ্য করে গলার স্বর যতটাসম্ভব নামিয়ে প্রায় ফিসফিস করে কথাগুলো বলল। অন্য সময় হলে আমি হয়তো তাকে জিজ্ঞেস করতাম, ‘কেন?’ আন্তঃনক্ষত্রীয় মহাকাশযানের রওনা হবার ঠিক আগে বেশ কিছু উপদেশবানী শুনিয়ে দেয়া হয়।

‘হাইপার ডাইভের সময় ভয় না পেয়ে সিটবেল্ট বেঁধে রাখুন।’

‘অহেতুক কারও সাথে তর্কে জড়াবেন না।’

‘মানুষ হতে সাবধান থাকবেন।’ ইত্যাদি ইত্যাদি।

 

এরই মধ্যে আমার পানীয় চলে এসেছে। আমি আস্তে আস্তে চুমুক দিয়ে চোখ প্রায় বন্ধ করে এই কড়া পানীয় গিলতে শুরু করি। ইউনিট স্বল্পতার জন্য ট্রানজিট প্যাসেঞ্চারের টিকিট কেটেছি বলে এখানে এসেছি মহাকাশযান বদলাতে। আমার গন্তব্য নোরা নক্ষত্রপুঞ্জ। যে মহাকাশযানে করে এখানে এসেছি সেটি সময়মত পৌঁছাতে না পারায় এখান থেকে পরেরটি ধরতে পারিনি। আমাকে এজন্য দুসৌরদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে।

 

আমি এখন একটি ছোটখাচ পাবে বসে আছি। ট্রাভেল এজেন্সী বলেছিল এটি পাঁচমাত্রার কৃত্রিম উপগ্রহ হবে। কিন্তু আসলে তাতো নয়ই বরং এখানে মহাকাশদস্যুদের অবাধ বিচরণ দেখে ভয়ই পাচ্ছি। ছুটি কাটানোটা বোধহয় পুরোপুরি মাটি হয়ে যাবে। ফিরতি পথে ফিরে যাব কিনা ভাবতে ভাবতে আড়চোখে লোকটির দিকে তাকালাম। বেশ পরিচ্ছন্ন পোশাক, চুল ঘাড় অবধি নেমে এসেছে, কালে সুদৃশ্য দুল ঝুলছে। চোখের দিকে তাকিয়ে আমি থমকে গেলাম। দীর্ঘদিন মহাজাগতিক সভ্যতা নিয়ে গবেষণার ফলে ব্যাপারটি খুব সহজেই ধরতে পারলাম।

 

ঘরটি অসম্ভব গমগম করছে। মহাকাশে এইসব পাবগুলোতে সবসময়ই ট্যুরিষ্টদের পদচারণায় মুখর থাকে। ফলে সবসময়ই মারিন্তা, ইআসিকো, মানুষ, স্কুটাবা, হঠাৎ হঠাৎ কিছু চেস্যারিয়ান্তো আর দুএকটি রবোট্রন দেখা যায় অবশ্য সব রবোট্রন নয়, যাদের কপোট্রনে থাকে মারিন্তা, ইআসিকোর মস্তিষ্ক। কিন্তু চেস্যারিয়ান্তো? নাহ! গ্যালাক্সীর এ প্রান্তে চেস্যারিয়ান্তোদের খুব একটা দেখা যায় না।

 

আমি চোখ-কান খোলা রেখে চারপাশ আরও ভালো করে দেখতে থাকি। কাছাকাছি একটি টেবিল ঘিরে ভালো তিনচারজন মারিন্তা তর্কে মেতে উঠেছে। সামান্য দূরে একজন স্কুটাবা। মহাবিশ্বে স্কুটাবা রা হচ্ছে সবচেয়ে রহস্যময় প্রাণী। নিজেদের প্রয়োজন ছাড়া অন্যকোন সভ্যতার ধারেকাছেও যায়না। তাছাড়া ওদের গ্যালাক্সীর থেকে কাছাকাছি অন্য যে গ্যালাক্সীতে প্রাণী বসবাস করে সেটাও অনেকদূরে। আর বাস্তবিক অর্থে ওরা মহাবিশ্বের এককোনায় বসাবাস করে বলে খুব কম সভ্যতাই ওদের সম্পর্কে সামান্যকিছু জানে। জানালার পাশে দুজন তরুণ-তরুণী গভীর আগ্রহ নিয়ে গল্প করছে। তরুণটি ইআসিকো কিন্তু তরুণটি শীনুতি। রুতুন গ্রহানু পুঞ্জে একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে মহাবিশ্বে সর্বাধিক গ্রহ পরিভ্রমন করে। সেখানেই বিপরীত দিকে ঘূর্ণায়মান দুটি গ্রহের সভ্যতা হচ্ছে ইআসিকো আর শীনুতি। যখন দুইগ্রহ পরস্পরের অস্তিত্ব জানতে পারে তখন দুটোই সভ্যতার চরমে। দুগ্রহের মধ্যে গড়ে ওঠে আশ্চর্য সেতুবন্ধন। আর এজন্য ইআসিকো আর শীনুতিদের সবাই কাজিন বলে।

 

লোকটি আবার বলল, ‘মানুষ সম্পর্কে আমার ধারণা খুব একটা ভালো না।’

 

এরকম একটি অপ্রাসঙ্গিক কথা কেউ বারবার কাউকে উদ্দেশ্য করে বলতে থাকলে ভদ্রতার খাতিরে হলেও বলতে হয়, কি হয়েছে? আমিও বললাম, ‘কেন? কি হয়েছে?’

 

‘তুমি দেখছি কিছুই জাননা! খবর শোননি?’ এবার সে সত্যিই আমাকে অপমান করল। আমি মহাবিশ্বের হালচালের খবর খুব একটা রাখি না, তারপর এখন আমি ট্যুরিষ্ট। ইন্টার গ্যালাকটিক ওয়েব কর্নারে কবে যে চোখ বুলিয়েছি তা মনে করতে পারলাম না।

 

আমি পানীয়ের গ্লাসে তৃতীয়বারের মত চুমুক শেষ করে বললাম, ‘তোমার মত চেস্যারিয়ান্তোরা যে সব ব্যাপারে বেশী আগ্রহ দেখায় বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় তা নিতান্তই ছেলেমানুষী। সত্যি বলতে কি তোমরা এখনও বুদ্ধিমাত্তার দ্বিতীয়স্তরটি ডিঙাতে পারোনি।

 

আমিবোধ হয় ওর মর্মমূলে আঘাত হেনেছি। কারণ তার চোখ ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে আসছে।

 

রেগে গেলে চেস্যারিয়ান্তোদের এমনই হয়। সে ঠাস করে টেবিল চাপড়ে বলল, ‘তোমরা আমাদের ছোট করতে পার না। এই মহাবিশ্বে তোমাদের যতটুকু অধিকার আছে আমাদেরও ঠিক ততটুকু অধিকার আছে। তুমি জান আমাদের সভ্যতা কতবছরের পুরোনো? ঠিক করে বল তুমি জান কিনা?’

 

আমি মাথা নারলাম। চেস্যারিয়ান্তোরা সত্যিকার অর্থেই সবচেয়ে প্রাচীণ বুদ্ধিমান প্রাণী। তাই কথা ঘুড়াবার জন্য আস্তে করে বললাম, ‘কি বলতে চাইছিলে বল?’

 

‘আমার ভুল হয়েছে মানুষের সাথে কোন কথা বলাই আমার উচিত হয়নি।’

 

এবার বোধহয় সে আমার মর্মমূলে আঘাত হানল। মানুষ মহাবিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী এবং প্রভাবশালী প্রাণী। তাকে এত সহজে কেউ অবজ্ঞা করতে সাহস পায় না। স্বীকার করছি এই চেস্যারিয়ান্তোটির সাহস আছে।

 

‘তুমি মানুষকে অপমান করার ধৃস্টতা দেখাতে পার না?’ আমি বললাম।

 

‘কেন? আমাদের গ্রহ দখল করেছ বলে ভেব না তোমাদের মথা মত আমরা উঠবস করব। মনে রেখ একদিন তোমাদেরও আমাদের মত পরিণতি ভোগ করতে হবে।’ সে বোধ হয় আমাকে হুশিযার করে দিতে চাইল।

 

আমিও ওর কথার ঢঙ্গে উত্তর দিলাম, ‘দিবাস্বপ্নই দেখতে থাকো। আর মনে রেখ মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তাকে হারানো এতটা সহজ না।’

 

‘মানুষ সৃষ্টির সেরা নির্বোধ জীব।’ সে উত্তর দিল।

 

এই চেস্যারিয়ান্তোটি অহেতুক তর্ক করে ঝগড়া বাজাতে চাচ্ছে। আর ঘন্টাখানিক পরে আমার মহাকাশযানের সিডিউল। তাই এ মুহুর্তে মেজাজ বিগড়াতে চাইলাম না। উঠে গিয়ে কাউন্টারে বিল মিটিয়ে বাইরে বের হয়ে এলাম। সামনে লম্বা কড়িডোর। আমি সেদিকেই পা বাড়াই। হঠাৎ কোত্থোকে যেন চেস্যারিয়ান্তোটি আরও কয়েকজন নিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়াল। বলল, ‘শুনলে না মানুষ কী করেছে?’

 

আমি ওদের পাশ কাটিয়ে চলে যেতে উদ্যত হই। নিরাপত্তার অভাব বোধ করতে থাকি। ‘তোমরা যা করেছ তাতে মহাবিশ্বের সবাই তোমাদের বোকা নির্বোধ আর অপরিনামদর্শী বলবে। তোমরাতো কারও কাছে মুখ দেখাতে পারবে না।’

 

কেউ একজন হেসে ওঠে, ‘কেন মুখ ঢেকে রাখবে।’ আমি তখন শেষমাথায়।

 

চেস্যারিয়ান্তোটি চিৎকার করে ওঠে, ‘শুনে যাও তোমরা কী করেছ? তোমরা তোমাদের জন্মগ্রহকে নিলামে চড়িয়েছ; পৃথিবীকে নিলামে তুলেছ। তোমাদের পায়ের তলায় এখন আর মাটি নেই।’

 

একজন বলে ওঠে, ‘আফসোস! কেউ কি কখনও শুনেছে সন্তান মাকে নিলামে তুলেছে। ’ অন্যএকজন বলে, ‘মানুষ পারে মানুষ সব পারে কারন… ’

 

কারনটা আর আমি শুরতে পারি না। সবার অট্টহাসিতে কথা ঢাকা পড়ে যায়। আর ঠিক তখনই আমার মহাকাশযান এসে পৌঁছাল ওদের কথায় কান দেওয়ার সময় আমার কাছে নেই। সময় কোথায় সময় নষ্ট করার। আমাকে পৌঁছাতে হবে নোরা নক্ষত্রপুঞ্জে।

১,২৭৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমার জন্ম পিরোজপুরে নানা বাড়িতে। দাদা বাড়িও পিরোজপুরে। পিরোজপুর শহরের সার্কিট হাউজ – ফায়ার সার্ভিস এর মাঝখানে আমাদের বাড়ি। পিরোজপুর আমার কাছে স্বপ্নের শহর। যদিও ক্লাস থ্রী থেকে আমি ঢাকাতে মানুষ। এসএসসি ১৯৯৬ সালে। পড়াশুনা করেছি ফার্মেসিতে, পরে এমবিএ করেছি আন্তর্জাতিক বিপননে। জুলাই ১৫, ২০১১ থেকে সব ধরনের রাজনৈতিক আলোচনা থেকে অবসর নিয়েছি। বিশেষ ব্যক্তিত্বঃ নবিজী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান যে ব্যক্তিত্ব আমাকে টানেঃ ডঃ মুহম্মদ ইউনুস প্রিয় লেখকঃ মুহম্মদ জাফর ইকবাল, হুমায়ুন আহমেদ, হেনরি রাইডার, জুল ভান প্রিয় টিভি সিরিয়ালঃ Spellbinder, Spellbinder 2: Land of the Dragon Lord, The girl from tomorrow, Tomorrows end, Time Trax, MacGyver, Alice in Wonderland, The Chronicles of Narnia প্রিয় টিভি নাটকঃ কোথাও কেউ নেই, অয়োময়, রুপনগর, বহুব্রিহী, বার রকম মানুষ প্রিয় টিভি শোঃ ইত্যাদি, সিসিমপুর, Pumpkin Patch Show লেখালেখি আমার শুধু শখই না, মনে হয় যেন রক্তের টান। বিশেষ করে বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি। বিজ্ঞান-কল্পকাহিনি আমার কাছে রঙ্গিন ঘুড়ির মত। কল্পনার সীমানা পেরিয়ে যে ছুটে চলে মহাজগতিক পরিমণ্ডলে। এ যেন সময়টাকে স্থির করে দিয়ে এর আদি-অন্ত দেখার মত। তারপরও এ ঘুড়ি যেমন ইচ্ছে তেমন উড়তে পারে না, সুতোয়ে টান পড়ে বলে। এ টান যুক্তির টান। যৌক্তিক কল্পনা বললে ভুল হয় না। তারপরও নিজ ইচ্ছেয়ে সুতোটাকে ছিঁড়ে দিতে ভাল লাগে মাঝে মাঝে। আমি যেমন নিজে স্বপ্ন দেখি তেমনি সবাইকে স্বপ্ন দেখাতে চাই। অঞ্জন দত্তের ভাষায় বলতে হয়, ‘মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যখন-তখন কান্না পায়, তবু স্বপ্ন দেখার এই প্রবল ইচ্ছাটা কিছুতেই মরবার নয়।’ কনফুসিয়াসের এই লাইন টা আমাকে খুব টানে … journey of a thousand miles begins with a single step। আমার প্রথম লেখা প্রকাশ হয় ১৯৯৬ সালে আধুনালুপ্ত বিজ্ঞান সাপ্তাহিক আহরহ তে। আমার নিজের একটা ব্লগ আছে, mahkbd.blogspot.com। আমার ইমেইল mahkbd@gmail.com।
সর্বমোট পোস্ট: ৯৬ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৫৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৫-১১ ০৩:১৪:৫৫ মিনিটে
banner

৯ টি মন্তব্য

  1. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    হ্যা মানুষ হয়তো একদিন পৃথিবীকে ও নিলামে তোলবে………….

    অনেক শুভ কামনা।

  2. আহসান হাবীব সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    তোমরা তোমাদের জন্মগ্রহকে নিলামে চড়িয়েছ; পৃথিবীকে নিলামে তুলেছ। তোমাদের পায়ের তলায় এখন আর মাটি নেই।’

    কেউ কি কখনও শুনেছে সন্তান মাকে নিলামে তুলেছে।

    ‘মানুষ পারে মানুষ সব পারে কারন… ’

    সত্য কথাগুলো তিক্ত হলেও অস্বীকার করার উপায় নেই ।

  3. তাপসকিরণ রায় মন্তব্যে বলেছেন:

    কিছু কিছু ভাষা সম্বন্ধে সত্যি আমি অনভিজ্ঞ–তবে গল্পের সুন্দর ধারাবহ ও বক্তব্য বেশ ভাল লেগেছে।

  4. আরজু মন্তব্যে বলেছেন:

    মানুষ মহাবিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী এবং প্রভাবশালী প্রাণী।ট্রু ষ্টেটমেন্ট। চমৎকার গল্প ।সত্যি আমি অভিভূত হয়ে যাই আপনার সায়েন্স ফিকশন পড়লে।আপনার দক্ষতা প্রশংসনীয় বিজ্ঞান কাহিনী লেখার।

    সময় কোথায় সময় নষ্ট করার। আপনাকে পৌঁছাতে হবে নোরা নক্ষত্রপুঞ্জে(আসল মন্জিলে)সায়েন্স ফিকশন এর বাজার দখল।সরি এভাবে বলা উচিত হয়নি।আপনি আরও আরও অনেক ভাল লিখবেন একদিন আইজ্যাক আজিমভ এর সমকক্ষ হবেন এই দোয়া রইল।
    অনেক ধন্যবাদ অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

  5. আহমেদ রুহুল আমিন মন্তব্যে বলেছেন:

    ‘মানুষ হতে সাবধান থাকবেন।’ ইত্যাদি ইত্যাদি কিংবা ‘শুনলে না মানুষ কী করেছে?’
    অথবা ,‘মানুষ সম্পর্কে আমার ধারণা খুব একটা ভালো না।’- ভীন গ্রহের এলিয়েনদের মন্তব্য আমাদের জন্য কোনদিন কি একটি শুভবার্তা বয়ে নিয়ে আসবে ? যদি নিয়ে আসে……..এই কামনাই থাকল ৷ বিজ্ঞান কল্পকাহিনী খুবই ভালো লাগলো ৷ সেই সত্তর- আশির দশকে পড়া কুয়াশা সিরিজ কিংবা মাসিক রহস্য ম্যাগাজিনে প্রকাশিত রহস্যোপন্যাসের ছোঁয়া একধরনের নস্টালজিয়ায় ফিরে গেলাম ৷ ধন্যবাদ- শুভকামনা রইল ৷

  6. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ঘল্পটি ভাল লাগল । বৈজ্ঞানিক কল্প কাহিনীতে যে চমক থাকে তা এতে আছে । শুভ কামনা । ভাল থাকুন ।

  7. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল কল্প কাহিনী… সত্যতা আছে গল্পে

  8. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার হয়েছে

  9. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    আ:রহমান ভাইয়ের সাথে পোষণ করলাম

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top