Today 06 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

নিষিদ্ধ পল্লী থেকে

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ১৭/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 924বার পড়া হয়েছে।

প্রথম পর্ব

h
ভূমিকা :বেশ অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম এই অসহায় নারী সম্প্রদায় কে  নিয়ে কিছু লিখব। লিখতে গিয়ে বাধা অনুভব করছিলাম প্রথম এ। এদের সাথে আমার কখনো ফিজিকালি দেখা হয়নি।ওদের সম্পর্কে যতুটুকু জানা তা গল্পের বই আর সিনেমার মাধ্যমে। এতটুকু অভিজ্ঞতা দিয়ে লিখা টা কি বাস্তব সম্মত হবে কি না সে ব্যাপারে একটু সংশয় ছিল । পরে মনে হলো ওদের কে আমি না চিনলে ও আমি একজন মেয়ের মনোজগত জানি বুঝি।একজন মাকে বিশ্লেষণ করতে পারব। এদের প্রফেশন বাদ দিলে ওরা নিশ্চয় আমার ই মত একজন মা স্নেহময়ী রমনী হবেন সুযোগ পরিবেশ তৈরী করে দেওয়া হলে। তবে আমার লিখায় কিছুটা সীমাবদ্বতা রাখতে হবে এইকারণে ভদ্রতা আর শালীনতার জন্য আমি এখানে জীবনের কুত্সিত দিকগুলি স্ল্যাং ল্যান্গুয়েজ এড়িয়ে যাব। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। লিখাটি পড়ার আমন্ত্রণ রইলো সবার প্রতি।======================================================================================
মূল পোস্ট:
 ১ কইরে শ্যামলী বাহিরে থেকে খালার ডাকার আওয়াজ শুনতে উঠে বসল সে।
কালকে রাতে একেবারে ঘুমাতে পারেনি সে।এই লোকটা আসলে পাগলামী করে।প্রতিরাতে এখানে থেকে যায়।এখানে যারা অন্যায় আনন্দের সন্ধানে আসে তারা তাদের কখন ই ভালবাসেনা।তাদের ক্ষনিকের অভিজ্ঞতা বা বিনোদনের জন্য আসে বড় ঘৃনায় টাকা ছুড়ে চলে যায় কোন ধরনের বোধ না করে।সম্ভবত তাদের দৃষ্টিতে আমরা পাঁক আমাদের স্পর্শে তাদের গায়ে কাঁদা লেগেছে।সেটা তারা ভূলতে পারেনা ।বড় ঘৃনার দৃষ্টি দিতে দিতে তারা বিদায় নেয়।যাওয়ার সময় খুব অল্প সংখ্যক লোকের আবার আসার প্রতিশ্রতি থাকে।কেননা সবার ভিতরে একটা অপরাধবোধ কাজ করে।নিজেকে নষ্ট করায় আরেকজনকে নষ্ট করায়।শুধু এই লোকটি ব্যাতিক্রম।প্রথম থেকে খুব সহানুভূতির সাথে শ্যামলীর সাথে মিশছে।তার সব দরকারী জিনিস প্রতিদিন নিয়ে আসে।অনেকটা তার মৃত স্বামীর কথা মনে করিয়ে দেয়। তার বাধা কাষ্টমার।এক বড় সরকারী অফিসে নাকি কাজ করে।বড় বড় গল্প বড় বড় স্বপ্ন সে শোনে।তাকে বেশ কিছু শাড়ী দরকারী জিনিস কিনে দিয়েছে বাড়তি তার পাওনা টাকা দেওয়ার পরও।প্রতিদিন সন্ধায় কিছু বাজার নিয়ে এসে বলে রান্না কর খাব।ক্ষিধে লেগেছে।শ্যামলী বিরক্তি বোধ করে কখন ও অসহায় বোধ করে।একজন কে নিয়ে থাকলে এখানে চলেনা।বাহিরে এসে দেখে খালা বিরক্তমুখে বসে আছে।কি রে তুই সারাক্ষন ওই ব্যাটার লগে লাইগা বইসা থাকস কেন?

কি করুম খালা যাইতে চায়না।বসি থাকে।ঘরের বউ মনে হয় অশান্তির।সে ও বিরক্ত হয়ে বলে।

বিয়ের জন্য জোর করবি ।দেখবি পলাইব বেটা।খালা গা দুলিয়ে জোরে জোরে হাসে।

বিয়ের কথায় মনটা স্বপ্নাতুর হয়ে যায় শ্যামলীর।তার মানুষটির কথা মনে পড়তে থাকে।না স্বামী তার একজন ই।বড় আদরের ভালমানুষ ছিল।ওরকম আর কি তার জীবনে হইব।

বিয়ের রাতে স্বামী তারে সালাম করার পর একটা চেইন পরাই দিছিল গলায় আর একহাজার টাকা আচলে বাইধা দিছিল।কতমানুষ আইল গেল।কত ছোয়া এই শরীরের উপর হইল ওই জায়গায় কেও হাত দিতে পারেনি ।কোনদিন পারবনা।

মাপ করি দিও আমারে অনেক অধর্ম হয়ে যাইতাছে এই জীবনে।দীর্ঘনিশ্বাস বেরিয়ে আসে বুকের গভীর থেকে।
শোন একটা বিরাট খবর আছে।তোরে এটা জানাইতে আসছি।

খালার কথায় শ্যামলীর চিন্তার সূত্র ছিন্ন হয়ে যায়।

এই ওয়ার্ডের কমিশনার বাহিরে যাচ্ছে একমাসের জন্য।তোর মেয়েরে তার মনে ধরছে।একসঙ্গে নিতে চায় বিলাত।

চমকে উঠে শ্যামলী খালার দিকে মারমূখী দৃষ্টিতে তাকায়।জবাব টা তার আসে অত্যন্ত কর্কশ হয়ে।কেননা খালা তার মূল্যবান আদরের জায়গায় হাত দিয়ে ফেলছে।

আর কোনদিন আমার কাছে এই প্রস্তাব নিয়ে আইসনা।তোমারে আমার মায়ের মত মনে করছিলাম।ফুঁফিয়ে উঠে বলে সে।

খালা ও একটু অপরাধবোধে এসে জড়িয়ে ধরে শ্যামলীকে।সে জানে মেয়ের ব্যাপারে শ্যামলীর আবেগের ব্যাপারটা।

তুমি জান খালা সুমার বয়স তের বছর।ওরে হোষ্টেলে রাইখা পড়াশোনা করাইতেছি আমার জীবনের ছোয়া যেন না লাগে।ওর জন্য কষ্ট করি আমি এই ঘৃণার কাজ করি।মেয়ের ভাল বিয়ে দিতে পারলে আমি এই কাজ ছাইড়া দুরে চইলা যামু ।ভিক্ষা কইরা খামু।পাথর ভাঙ্গুম।এই কাজ আর করুমনা।আমার সুমার বাপের অভিশাপ লাগব আমার উপর।হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে সে।

তোর মেয়েরে কি ভাল কেও বিয়ে করবে? শ্যামলী যদি কোন ছেলে বড়মনে হইলে যদি করে।আমার উপর রাগিসনা মারে।সত্য কথাটা কইলাম বলে।খালা সমবেদনায় বলে।

সেইরকম হইলে প্রথমে মেয়েরে বিষ খাওয়ামু তারপর আমি নিজে খামু তবু আমার মেয়ে এই রাস্তায় আইবনা খালা।এখন তুমি যাও।আর কোনদিন আমার লগে এরকম বাজে কথা কইবানা বলে খালার মুখের উপর দরজা লাগিয়ে দিল।

খালা যাওয়ার পর বিছানায় শুয়ে ফুপিয়ে ফুিয়ে অনেকক্ষন কাদল মৃত স্বামীর কথা মনে করে।

অনেকদিন পরে খুব পরিস্কার করে সময় নিয়ে স্নান করল।নামাজ পড়ল সেই ছোটবেলার মত।

প্রভূ আমার নামাজ কবুল করে নাও।আমার শরীরটা অপবিত্র কিন্ত আমি এক মা ।আমার মায়ের মন পবিত্র। মায়ের পবিত্র ভালবাসার দোহাই দিয়ে বলি আমার মেয়ের জীবন যেন আমার মতন না হয়।কাঁদতে কাঁদতে এলোমেলোভাবে জায়নামাজে শুয়ে পড়ল।ঘুমিয়ে পড়ল একসময়।

সামাদ ঠিক সেইসময় শ্যামলীর দরজায় এসে পৌছল।বাজার থেকে সে বড় চিতল মাছের পেটি কিনেছে।সে ভাবছে নিজে রান্না করে শ্যামলীকে হাতে করে খাইয়ে দিবে।

কয়েকবার দরজা ধাক্কা দেওয়ার পর কার ও কোন সাড়া মিললনা।

কিছুক্ষন পরে ভিতর থেকে শ্যামলীর আওয়াজ পেল সে।

তাকে চলে যেতে বলছে।ওর নাকি শরীর ভালনা।

সামাদ তারপর ও চেষ্টা করল একটু দরজা খোল ।শরীর বেশী খারাপ হলে ঔষধ কিনে দিয়ে যাব।অনুনয়ের স্বরে বলল।সে ভাল করে জানে শ্যামলীকে দেখার মত কেও নেই।

ভিতর থেকে জবাব আসল কর্কশ “আপনি ঔষধ আনবেন কেন?আপনি কি আমার জামাই লাগেন?

মনে কর আমি সেই। মন গলানোর চেষ্টা করে সে।কোন ফল না হওয়াতে অবশেষে মাছটা দরজার কাছে ফেলে চলে গেল।

কিছুক্ষন পরে বেশবাশ ঠিক করে নিজেকে গুছিয়ে শ্যামলী দরজা খুলে দিল।কোথাও সামাদকে পেলনা।তার মনটা এখন একটু ভাল হয়েছে নামাজ পড়ার কারনে।খুব যত্ন করে মাছ রান্না করে বসে রইল লোকটার জন্য।এখন তার অনেক মন খারাপ লাগছে বেচারার জন্য।

মাছ ভাত ঢেকে সে অপেক্ষা করতে লাগল সামাদের।

সেই রাতে সামাদ আর ফিরে এলনা।

২ সামাদ নিষিদ্ধ পল্লী থেকে বের হয়ে প্রতিবারের মত ই এদিক সেদিক দেখতে থাকে পরিচিত কেও তাকে দেখল কিনা স্বাভাবিক ভাবে ই। যদিও এই ব্যাপারে তার মনে কোনো অপরাধ বোধ নাই বা কোনো বিবেকের ধ্বংশন সে কখনো ই বোধ করেনা। এই মেয়েটিকে সে কোনো দিন বাজে মেয়ে মনে করেনা। বাজে মেয়ে মনে করলে এই লোকালয়ে সে পা দিতনা। শ্যামলীর জন্য তার মনে কেন যেন বেশ মায়া পড়ে গেছে। এই মেয়েটির এই কাজের আড়ালে সে যেন অন্য এক রমনী স্বত্বা কে খুঁজে পেয়েছে। সেই জন্য এই মেয়েটিকে ঘৃনা করতে পারেনা কখনো। কোথায় যেন এই মেয়েটি তাদের ভদ্র সমাজের মেয়েদের থেকে যেন বেশি মাথা উচু করে দাড়িয়ে। তার কোনো লোভ কোনো চাহিদা এখন পর্যন্ত্য দেখেনি সামাদ। এমনকি বেশি টাকা দিতে গিয়ে শ্যামলী কে রাজি করাতে পারেনি। অন্যায় পন্কিলের মধ্যে থেকে কেমন করে যেন ভিতরে শুভ্রতা কে এখনো ধরে রেখেছে।

বাহির হতে গিয়ে একেবারে মুখোমুখি হয়ে গেল তাদের পারচেজ অফিসার এর।

যাকে কোনভাবে এইমুহুর্তে দেখতে চায় না সেই তার সামনে। কালকে সারা অফিস রাষ্ট্র করে দেবে। মুখটা একটু দেখে অন্য দিকে তাকিয়ে সরে যেতে চেষ্টা করলে ও সুযোগ দিলনা ভদ্রলোক।

কি ব্যাপার ভাই এর কোন আত্মীয় থাকে এখানে ?চোখে মুখে বিশাল কৌতহুল নিয়ে জরিফ চালাতে থাকে মুখের উপর।

আর মিথ্যে বলে লাভ নেই। তাই সে আর ভনিতা না করে বলে ফেলে

জি পাড় টা অস্বস্তিকর। এখানে আমার এক অসহায় আত্মীয় থাকেন ভাই। অবস্থার চাপে এই পথে এসেছে। আমি ওকে সাহায্য করতে আসি ভাই। আপনি যা ভাবছেন তা না।

এবার তিনি লজ্বা পেয়ে যান কাশতে কাশতে বলেন না ভাই আপনাকে তো জানি আমরা ভালো মানুষ।

৩ রাত দশটা বেজে গেল সামাদের ঘরে পৌছতে।স্ত্রী সন্দেহের চোখে দেখতে লাগলো।

স্ত্রীর দৃষ্টির হাত থেকে বাচতে তাড়াতাড়ি বাথরুম এ ঢুকে গেল।

সুমা ক্লাস এর দিকে যাচ্ছিল দপ্তরী এসে বলল

আপনার মা আসছে দেখা করতে।

খুব বিরক্ত মুখে দেখা করতে আসল। মাকে সে মনে মনে অনেক টা ঘৃণার চোখে দেখে।মা র জড়িয়ে ধরা আদর করা সব কিছু তে সে কুন্ঠিত হয়ে পড়ে। যদিও সে তা  বুঝতে দিতে চায় না। তবে সব সময় নিজেকে লুকিয়ে রাখা ও দুরূহ। মা বুঝে ফেলে। তখন সে মায়ের জন্য সহানুভূতি বোধ করে। অভিমান ভরে মায়ের সাথে মনে মনে ঝগড়া করে

“কেন তোমার পাপ রোজগারে আমাকে মুখ দেখাও “সেটা সে কখনো বলতে পারেনা বা পারবেনা। একই সঙ্গে সে এটা ও বুঝে মা যেমন ই হোক তাকে মা ভীষণ ভালবাসে। মায়ের পৃথিবী সে।

বিরক্ত হয়ে বেরিয়ে আসে দেখে মা টিফিন ক্যারিয়ার নিয়ে দাড়িয়ে।

শ্যামলী দৌড়ে এসে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে। মেয়ের মুখ মুছিয়ে আদর করে দেয়।

মা আমার ক্লাস এর দেরী হয়ে যাচ্ছে সুমা বিরক্ত হয়ে বলে।

আচ্ছা ঠিক আছে তুই ক্লাস এ যা। আমি তোর্ রুম এ যাই। একটু ঘুমামু। শ্যামলী কুন্ঠিত হয়ে বলে। মেয়ের দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে।

মাশাল্লাহ মেয়েটা আমার অনেক সুন্দর হইছে।

মা এখানে থাকবা ?মেয়েরা অনেক বাজে কথা বলে আমারে। সুমা ফুফিয়ে কথা টা বলে ই ফেলে।

শ্যামলী চমকে উঠে। তার কল্পনাতে ও ছিলনা এখানে মেয়েরা বা সুমা তার এই ব্যাপার জানতে পারে।

মারে আমার ভুল হয়ে গেছে। মাপ করে দে।

কাদতে কাদতে মেয়ের হোস্টেল থেকে বেরিয়ে পড়ে।

সারা বাস অবিরল ধারায় তার চোখ দিয়ে জল পড়তে থাকে। কানতে কানতে তার হিক্কার মত উঠে যায় একসময়।

এক বৃদ্ব মহিলা এসে কাছে এসে আকড়ে ধরে বলে কি হইছে গো মা তোমার ?আমারে কও ক্রমাগত সে ফুফিয়ে কাদতে থেকে আর বলতে থাকে

আমার কেও নাই মাগো।

(পরবর্তীতে)

(লেখাটি প্রথম আলোতে পূর্বে প্রকাশিত)

৮৯৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

৯ টি মন্তব্য

  1. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে আপি। কিছু করার চিন্তাও আমরা কেও কেন যেন করি না।

  2. আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

    আজকে ব্লগ ঝিমিয়ে আাছে দেখি।কোন কমেন্টস নাই পোষ্টে।যাই হোক আপনি করেছেন। ধন্যবাদ । শুভেচ্ছা রইল।

    • গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

      আমি বেকার মানুষ। ব্লগে ডু মেরে বশে বসে সময় কাটায়।

      • আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

        কেন পড়াশোনা কি শেষ হয়ে গেল আপনার? জব এর চেষ্টা করুন ব্লগে সারাদিন না বসে।ব্লগ বাজে এক ধরনের আসক্তি।আমাদের প্রয়োজনীয় সময় নষ্ট করছি ব্লগে এসে

        কমেন্টস রা কোথায় গেল? সবাই কি টাইটেলে নিষিদ্ধ নাম দেখে ভয় পেয়ে গেল আকাশ ভাই? অনেক অনেক ধন্যবাদ আবার ও কমেন্টসের জন্য । শুভেচ্ছা রইল।

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক ভাল হইছে গল্পটা আপু। আপনি অনেক ভাল লেখেন
    পিরের পর্বের অপেক্ষায়।

    • আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

      আজকে নিয়মিত ব্লগার রা নেই।অনিয়মিত আপনার কমেন্টস পেয়ে ভাল লাগল। লেখা কি কার ও চোখে পড়েনি নাকি? আমি কত চাচ্ছি এই মেয়েদের জন্য কিছু করতে।এই মেয়েদের নিয়ে লেখা মানুষ পড়তে চায়না ।আর কি করবে তাহলে।আমার দেশের মানুষ নিজেকে ছাড়া আর কাওকে নিয়ে মাথা ঘামায়না একেবারে।

      আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ কমেন্টসের জন্য । শুভেচ্ছা রইল।

  4. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রভূ আমার নামাজ কবুল করে নাও।আমার শরীরটা অপবিত্র কিন্ত আমি এক মা ।আমার মায়ের মন পবিত্র। মায়ের পবিত্র ভালবাসার দোহাই দিয়ে বলি আমার মেয়ের জীবন যেন আমার মতন না হয়।কাঁদতে কাঁদতে এলোমেলোভাবে জায়নামাজে শুয়ে পড়ল।ঘুমিয়ে পড়ল একসময়।—– পড়লাম মুন আপনার অসাধারন একটি গল্প! যাতে অন্ধকারের মানুষ গুলোকে আলোতে ফিরিয়ে আনার দিশা দেয়া হয়েছে । আমি বিশ্বাস করি আপনি তা নিপুণ ভাবেই করতে পেরেছেন!
    আপনি অবশ্যই একজন সাদা মনের মানুষ; আপনার প্রতিটি লেখাই দিক নির্দেশনা মূলক—– ।। নিরন্তর শুভেচ্ছা জানবেন ।।

  5. আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রশংসা করে খুশি করে দিয়েছ জসিম ভাই। দিক নির্দেশনা জানিনা তবে লিখতে চাই এমন কিছু যা পাঠক সামান্য সময় এর জন্য হলে চিন্তা করবে..আমাদের চিন্তার জগত প্রসারিত করতে চাই মেসেজ দিয়ে। অন্ততপক্ষে লেখক সমাজ যেন সমাজ, বিভিন্ন স্তরের সমস্যা , মানুষের দুঃখ দুর্দশার সমাজের বিশৃঙ্খলা ,অসঙ্গতি সব কিছু নিয়ে লিখে , আমাদের মনের দৃষ্টি ওপেন করে দিবে লিখার মাধ্যমে। আমরা যারা সৌভাগ্যবান সব প্রাচুর্য্য সুবিধার মধ্যে আছি তারা যেন নির্যাতিত অসহায় এর কথা তুলে নিয়ে আসি কলমের আচড়ে। .ভুলে না যাই তাদের কথা বলতে যারা আমাদের চেয়ে অনেক নিগৃহীত , অসহায় জীবন যাপন করছে বাধ্য হয়ে।

    অনেক বড় মন্তব্য হয়ে গেল। আরে তাইত আমি একটা পোস্ট এ তো লিখতে পারতাম এ নিয়ে। আচ্ছা পরে আবার বক্তৃতা।

    অনেক অনেক ধন্যবাদ কমেন্টসের জন্য । শুভেচ্ছা রইল। ভাল থাকবে কেমন।

  6. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    আপা খুব সুন্দর করে লিখেছেন, ওদের কাহিনী শুনলে আমি চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনা।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top