Today 12 Nov 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

পদ্মার পাড়ে কিছুক্ষণ

লিখেছেন: কল্পদেহী সুমন | তারিখ: ২০/১০/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1186বার পড়া হয়েছে।

দুই একদিনের ছোট্ট ভ্রমনে গিয়েছিলাম রাজশাহীতে । তার কিছু ছবি দিলাম আজ ।

১.সবুজ ঘাসের মধ্য দিয়ে পদ্মা নদীকে দেখা ।

1

২.পদ্মা নদীর সাথে নীল আকাশের মিতালী ।2

৩.ঘাটে দুইটি নৌকা বাঁধা ।3

৪.মাঝি আর তার ছেলে নৌকা বাইছে।4

৫.ছবি তোলার নিত্যনতুন ভাবনা। একজন নদীতে প্রায় ডুবু ডুবু অবস্থায় থেকে ছবির জন্য পোজ দিচ্ছে।5

৬.নদী থেকে বালি উত্তোলন করে জমানো হচ্ছে।6

৭.নদীর ওপাড়ে কাশফুলের মনোরম দৃশ্য।7 (2)

৮.পদ্মার পাড়ের একটি সুন্দর ছোট্ট ব্রীজ ।7

৯.কুঠিবাড়িতে অবস্থিত পার্কের একাংশ।8

১০.কুঠিবাড়িতে অবস্থিত পার্কের অপর অংশ।9

১১.কুঠিবাড়ির পদ্মার ধারে রিভারভিউ নামক কোল্ড ড্রিংক্স ও ফাষ্ট ফুডের রেস্টুরেন্ট।11

১২.কুঠিবাড়ির পদ্মার ধারে রিভারভিউর পাশে মাছের অবাধ বিচরন ।12

১৩.কোল্ড কফির একটি ভালো রেস্টুরেন্ট ।IMG_20141018_101329

১৪.আমার ছোট ভাইয়ের নৌকায় চড়ার শখ চাপলো হঠাৎ ।14

১৫.পদ্মা গার্ডেনে দুইটি হরিন। ছোট্ট একটি চিড়িয়াখানা বলা যেতে পারে ।???????????????????????????????

১৬.কিছু পাখিও আছে।16

১৭.এরপর ফুদকি পাড়া,সাহেব বাজারে যেতে একটি কিউট বিড়ালের সাথে দেখা।17

১৮.ফুদকি পাড়া,সাহেব বাজারে একটি ছোট কারুকার্যময় ব্রীজ।18

১৯.ফুদকি পাড়া,সাহেব বাজারে পদ্মার ধারে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের মনোমুগ্ধকর কারুকার্যময় ছবি ও পাশে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ছবিও আছে ।

20 19

২০.পদ্মা গার্ডেনের রাস্তার বিপরীত পাশে একটি পুরাতন বাড়ি । যা দাড়োগা বাড়ি নামে পরিচিত।21

২১.পদ্মার পাড়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম।22২২.সন্ধ্যার সময় পদ্মা নদী ।23

২৩.সূর্যাস্তIMG_20141016_172212

২৪.তালাইমারির মোড়ের আলোকসজ্জা।

??????????????????????????????? ???????????????????????????????এরপর ঢাকার পথে যাত্রা। বড্ড ভালো লাগলো পদ্মা নদী আর রাজশাহীর মানুষের জীবনধারা। শহরটা খুব পরিষ্কার ও নিরিবিলি যা ঢাকা থেকে অনেক বেশি বসবাসের উপযোগী। শেষমেষ ধন্যবাদ জানাই রাজশাহী বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আমার বন্ধুদের, যারা আমার ভ্রমনকে করেছে আরও আনন্দদায়ক।

১,১৬৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
খন্দকার মো: আকতার উজ জামান সুমন পিতা: মো: আবু সাদেক খন্দকার মাতা: ঝরনা বেগম বর্তমান ঠিকনা: মিরপুর, ঢাকা স্থায়ী ঠকানা: কুমিল্লা জন্ম তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ ধর্ম: ইসলাম জাতীয়তা: বংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শিক্ষা: বাংলাদেশ নৌবাহিনা কলেজ, ঢাকা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয়টিতে জি.পি.এ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন। বর্তমানে মানারত ইন্টার্ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিপার্টমেন্টে অধ্যয়নরত। আমি যে রকম : কথা বেশি একটা বলিনা চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। সব সময় কল্পনা করি। কল্পনায় আমি সবসময় নিজের সাথে কথা বলি। আর সব সময় অন্যমনষ্ক থাকি। আমার আশেপাশে কে কি করছে না করছে তার দিকে আমার তেমন খেয়াল থাকে না। অনেক সময় কাউকে খুজতে যেয়ে নিজেই হারিয়ে যাই। আর একটা কথা হলো আমার পথ মনে থাকে না তাই আমি একা হাটতে গেলে প্রায়শই পথ ভুল করি। পথে হাটাহাটি করার সময় কত জনের সাথে ধাক্কা খেয়েছি এ পর্যন্ত, তার হিসাব নেই। আমার সমস্ত জীবনটাকে কল্পনা মনে হয় কারণ সব কিছুই যাই ঘটে আমার সাথে তাই আমার কাছে কল্পনা মনে হয়। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে ভাবি কল্পনা ভেঙ্গে গেলাই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার এই অসম্ভব রকম কল্পনাসক্ত দিনকে দিন বেড়েই চলছে। নিজেকেই কখনও হারিয়ে ফেলি আমি। জানিনা জীবনের অনেক কিছুই হয়তো তবে যতটুকু আমি অর্জন করেছি তার সবটুকুই সত্য। মিথ্যা কিছু নিয়ে আমার বড়াই নেই। এক অদ্ভুত বিষয় সর্বদাই আমাকে ভাবিয়ে তুলে তাহল কেন যেন অন্য আট দশটা মানুষের মতো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারিনা। কিছু বিষয় আমাকে বারবার স্পর্শ করে যাবেই। আমি যা বলি তার সবটাই গভীর অনুভূতি থেকে বলি তাই হয়তো আমার কথার জবাব অর্থপূর্ণ না হলে এক ধরনের অপমানবোধ কাজ করে। আমি ভাবনার অতলে প্রবেশ করে জটিল বিন্যাসে অনেক ছক আঁকি যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ হতে আমার বিষয়গুলো ভাবলে মানানসই হবে না। আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে এরকম খুব কম মানুষই আছে। আমিও নিজেকে কখনও কখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা, তাই হয়তো আমার মন খারাপের কারণ, রাগ করার কারণ অনেক সময় আমার অজানাই থাকে। আমি খুব বেশি একটা কথা বলা পছন্দ করিনা যদিও আমার ফেসবুকে পোস্ট দেখলে তা অনেকের বিশ্বাস হবেনা। বাস্তবে আমি বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের আলোচনায় কথা তেমন বলিনা বললেই চলে। আমি সব সময় বিভিন্ন ধরনের ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পছন্দ করি তাই হয়তো বাস্তব জীবনের সাথে আমার সম্পর্কটাও নড়বড়ে। আমি সহজেই মানুষকে অনুভব করে ফেলি যার ফলে খুব সহজেই কাউকে মনের গভীরতায় ঠাই দিয়ে বসি। আর এটাই কখনও কখনও আমার দুঃখের কারণ হয়ে বসে। আমি জানিনা আমার বর্তমান, জানিনা আমার ভবিষ্যৎ তবে এটুকুই বলতে পারি এক সময় সুখ আর দুঃখ দুটোই একই মনে হবে আমার কারণ আমার অনুভূতির জগতটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। আর আমার অনুভূতি নিস্তেজ হয়ে যাওয়া মানে আমার কবিতা, গল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে আমার সৃজনশীল কর্মের তালিকা হতে। তবে আমি থাকব একজন অবাধ্য বন্ধু হয়ে সবার মাঝেই। প্রকাশিত বইঃ (১)সমন্বয়(কাব্য গ্রন্থ-সম্মিলিত সংকলন)
সর্বমোট পোস্ট: ২৯২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২৯ ১৬:৩০:৩০ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. মিলি মন্তব্যে বলেছেন:

    ওয়াও অনেক সুন্দর ছবি !! সবাই বলে পদ্মা আর আগের মত নাই তারপরও পদ্মা পদ্মাই

  2. আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার একটি পোষ্ট সুমন। অনেক অনেক ধন্যবাদ।শুভেচ্ছা রইল।

  3. দ্বীপ সরকার মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক সুন্দর লেখা। সুমন ভাইকে ধন্যবাদ..

  4. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল পোষ্ট
    ভাল লাগল

  5. কামাল উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

    ওয়াও!! অসাধারণ ছবি পোষ্ট, শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম সুমন ভাই

  6. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    হারিয়ে গেলাম আপনার মৎস্য ভুবনে।

  7. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক ভাল লাগল । সুন্দর ছবি তুলেন তো । তো পোষ্ট দেন না ক্যান হুম

  8. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    post is very nice very very nice

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top