Today 19 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

পল্টুর বিজ্ঞান চর্চা।

লিখেছেন: শওকত আলী বেনু | তারিখ: ২৬/০৬/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 963বার পড়া হয়েছে।

এই রবিন,বাসুদেবের গল্প পড়েছিস? পল্টু, রবিনকে প্রশ্ন করেই মিটিমিটি হাঁসতে থাকে।
-বাসুদেব কে? রবিন ঝটপট জবাব দেয়।
-আরে ওই যে, ব্লগে লেখা লেখি করে। মুক্তচিন্তায়ও লেখে।
-তো, হয়েছে কি? কিসের গল্প?
-বেচারা গল্প লিখতে গিয়ে নিউটনকে চ্যালেঞ্জ করেছে।নিউটনের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বে নাকি ভুল আছে। গল্পের নামটা কি জানিস? নিউটনের ভুল।
-কোন নিউটন? সেও কি ব্লগে লেখে?
-আরে নাহ। তুই দেখি আরেক আহাম্মক।বিজ্ঞানী নিউটনের কথা বলছি।প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন। যে ব্যাটা গতির সূত্র এবং সর্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র এই দুটির আবিষ্কারক।
-তো।এখানে তোর্ সমস্যা কোথায়?রবিন এবার নড়েচড়ে বসে।
– আরে না না, আমার কোনো সমস্যা হয়নি। এবং নেইও । গল্পটা পড়ে বুঝলাম মহাবিশ্বে কোন বস্তুই নাকি স্থির নয়। নিউটনের আবিষ্কারের উপর মাতব্বরি!দেব সাহেবের সাহস তো কম নয়। তবে গল্পটা মনে হয় গল্পকার শেষ করেনি।সিরিজ লিখবে কিনা জানিনা। তাই বিষয়টা অসমাপ্ত রয়ে গেল।
-যদি বুঝতেই না পারিস তাহলে এত পোদ্দারি করছিস ক্যান? আঁতলামোর আর জায়গা পাওনা শালা। রবিন এবার ক্ষ্যেপে যায় পল্টুর উপর।

পল্টু ছোট্ট বেলা থেকেই বিজ্ঞান মনস্ক।সব কিছুই যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে  বুঝতে চায়। এবং সকল রহস্যের শেষটা  দেখে নেয়। পল্টু নিউটনের গতির তিনটি সূত্র হাইস্কুলে থাকতেই স্পষ্ট করে শিখে নিয়েছে। এর পর থেকে  তাঁকে আর এই নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়নি। সূত্র তিনটি এখনো পল্টু মুখস্ত বলতে পারে।একবার  এই সূত্রগুলো মুখস্ত বলতে না পাড়ায়  বিজ্ঞান শিক্ষক তোফাজ্জল স্যার কী পিটুনিটাই দিয়েছিল তা মনে পড়লে আজো পল্টু চমকে উঠে।সেই থেকেই সূত্রগুলো তাঁর কাছে পান্তাভাত।যে কাউকে সহজেই শিখিয়ে দিতে পারঙ্গম।

‘বাহির হইতে প্রযুক্ত বল দ্বারা অবস্থার পরিবর্তন না করিলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকিবে’- বাসুদেবের গল্পের এই লাইনটা পল্টুর কাছে বেশ ইন্টারেষ্টিং মনে হয়েছে। পল্টুর যত্ত সব খেঁচখেঁচানি ওই লাইনটার বিষয়বস্তু নিয়ে।স্থির বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করিলে ওই বস্তুটির অবস্থার পরিবর্তন হয় কিনা এই রহস্যের আদিঅন্ত  উতঘাটন করা তাঁর নিকট এখন বেশি জরুরী।এই রহস্যের কুলকিনারা করতে পারলেই ঐতিহাসিক রানা প্লাজা  ধসে পড়ার কারণটি নিয়ে বিশ্ব জোড়া যে হৈচৈ হয়েছিল এবং তত্কালীন মন্ত্রীর যে ইমেজ পাঙ্কচার হয়েছিল তাঁর একটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে বিষয়টির পজেটিভ সুরাহা করা যাবে।
-বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সাথে ওই রানা প্লাজার ধসের সম্পর্ক কি? রবিন পল্টুর কাছে আগ্রহ সহকারে জানতে চায়।
-আছে, আলবৎ আছে।পল্টু জবাব দেয়। মন্ত্রী মহোদয়ের ‘নাড়াচাড়া’ তত্বটি বিথ্যাত বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের গতিসূত্রের সম্ভাব্য প্রভাব বলয় থেকে  বিচ্ছিন্ন  করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। আমি পল্টু এইটা প্রমান করেই ছাড়বো। নিউটনের গতির প্রথম সূত্রটির সাথে ‘নাড়াচাড়া’ তত্ত্বের একটা যোগসূত্র আছে।
-রবিন তোর কী স্মরণ আছে সাবেক মন্ত্রীর ‘নাড়াচাড়া’ তত্ত্বের সেই আলোচিত কাহিনী? পল্টু রবিন কে প্রশ্ন করে।
-ঠিক মনে পড়ছেনা।নাড়াচাড়া তত্ত্ব আবার কোনটি? ব্যাপারটা খুলে বলতো?
-ক্যান ভুলে গেলি নাকি? শালা কবি তোর দেখি কিচ্ছুই মনে থাকেনা। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছিল না, বিএনপির হরতাল সমর্থকরা স্তম্ভ ধরে নাড়াচাড়া করায় সাভারের রানা প্লাজার ওই ভবনটি ধসে পড়েছে। মন্ত্রী তো এই বিষয়ে বিবিসিকে এক সাক্ষাতকারেও বিষয়টি পরিষ্কার করেছিল। আর এই নিয়ে তো কত্ত হৈচৈ পড়েছিল।শুধু দেশে নয় বিশ্বজোড়া হৈচৈ। খোদ নাসাও  নাকি মহা চিন্তায় পড়েছিল এই বিশাল আবিষ্কারের কারণে!
– ঠিক বলেছিস পল্টু। আমার পুরোটাই এখন মনে পড়ছে। যদ্দুর মনে পড়ছে, তিনি একজন ডক্টরেট। আমাদের নদীমাতৃক দেশের একজন খাল খনন বিশেষজ্ঞ।ছিলেন অভিজ্ঞ আলমা। বিদেশেও অনেক ভ্রমন-ট্রমন করেছেন।জনতার মঞ্চ বানিয়ে সরকারও  কুপোকাত করেছেন।খাল খননে ডক্টরেট হলেও তিনিই  ছিলেন  বিশ্ব কাপানো ওই ‘নাড়াচাড়া’ তত্বের জনক।গোটা  বিশ্বের মানুষ তার আবিষ্কৃত তত্ত্ব নিয়ে বেশ কিছুদিন হৈচৈ করেছেন।মজাও লুটেছেন।ফেইসবুক সহ সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোয় তত্বটির নানারকম বিশ্লেষণও হয়েছে।
-তোর্ তো দেখি সব কিছুই মনে আছে। এতক্ষণ ত্যাড়া ব্যাড়া কতা কইলি ক্যান?
-থাকবেনা ক্যান? হগল কবিরাই আত্নভুলা?

বিজ্ঞানী নিউটনের প্রথম সূত্রটি পল্টুর মুখস্ত।এই সূত্রটির মর্ম কথা হলো বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকে এবং গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে সরল পথে চলতে থাকে।
পল্টু নিজের টানা অর্ধেক সিগারেট রবিনের হাতে গুঁজে দিয়ে নিউটনের গতির তিনটি সূত্র  তাকে বুঝাবার চেষ্টা করে।ভাবুক রবিনের এতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ না থাকলেও পল্টুর বকবকানি প্রতিনিয়ত সহ্য করতে হয়।সহ্য না করে উপায়ও নেই।পাছে কিনা সিগারেটটি  হাতছাড়া হয়ে যায়।পল্টুর সাথে আড্ডা দিতে পারলে  দিনে অন্তত কয়েক বার যাযাবর রবিনের ভাগ্যে ওই পাওনাটা জুটে।
পল্টু সিগারেট টানতে টানতে নিউটনের গতিসূত্রের নিখুত ব্যাখ্যায় চলে যায়। গতির তিনটি বিখ্যাত সূত্র হল প্রকৃতির তিনটি নিয়ম, যা চিরায়ত বলবিদ্যার ভিত্তি স্বরূপ।এই নিয়ম গুলো বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল এবং তার দরূন সৃষ্ট গতির মধ্যে সম্পর্ক বর্ননা করে।
-আরে বাপু থাম থাম।ওই  সব কঠিন তত্ত্ব আমার ভোঁতা মাথায় ঢুকবে না। ভাবুক রবিন পল্টুকে জোর করে  থামাতে চেষ্টা করে।
কে শুনে কার কথা! পল্টু নিউটনের গতির প্রথম সূত্রটি একটানে মুখস্ত বলে ফেলে। প্রথম সূত্রটি হলো ‘স্থির বস্তু আজীবন স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু আজীবন সমগতিতে গতিশীল থাকতে চায় যতক্ষণ না তার উপর কোন বহিঃস্থ নেট শক্তি প্রয়োগ করা হয়’।

পল্টুর এই জাতীয় আঁতেলগিরি রবিনের  কখোনই পছন্দ নয়।যদিও সে সর্বদাই লজিক্যাল কথা বলে।তবে বেশি বেশি জটিল বাক্য  বলতে থাকলে রবিনের  মাথায় কিছুই ঢুকতে চায় না।বিজ্ঞানের কঠিন তত্ত্ব বর্ণনা করলেও পল্টুর এবারের  গদগদানি যে যুক্তিযুক্ত হয়েছে তা এই প্রথমবার অনায়াসে  রবিনের মাথার মধ্যগিলুতে কিছুটা হলেও জায়গা করে নিয়েছে।
-পল্টু, এবার তুই একটু দম নে দোস্ত। আমার মাথায় আর এইসব কঠিন তত্ত্ব-ফত্ত্ব কিছুই ঢুকছেনা। আমাকে তুই দুই চারটা কবিতা লেখার সুযোগ দে। হাত জোর করে সময় চায় রবিন।
-ঠিক আছে। কিন্তু নাড়াচাড়া তত্ত্বের ওই হাস্যরস কী রহস্যেই থেকে যাবে? এর তো একটা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। সবার চোখকে ফাঁকি দিলেও তোর্ এই পল্টুর  দোস্তের  চোখকে ফাঁকি দিতে পারবেনা কেউ।
-তাহলে কী বলবি একটু জলদি বল।বিরক্ত সুরে রবিন চিল্লানি দেয়।
-বলছি, শোন।সাবেক এই বিজ্ঞ আমলা ও রাজনীতিকের বক্তব্যকে  অনেকেই হেয় করেছে। অনেকেই বিষয়টিকে হাস্যকর ও রাজনীতিকরণ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করলেও আমি তা মনে করিনা।
-তাহলে তুই কী মনে করিস?
-আমি মনে করি নিউটনের গতিসূত্রের সম্ভাব্য প্রভাব বলয় থেকে ‘নাড়াচাড়া তত্ত্ব ‘কে বিচ্ছিন্ন  করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। সাবেক ওই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্ভাব্য কারণ হিসাবে নাড়াচাড়া তত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন কেন? কেন তিনি বিশাল একটি দালান ধসে পরার জন্যে কতিপয় হরতাল সমর্থক কর্মী বাহিনীকে দায়ী করলেন? এখানেই রয়েছে নিউটনের গতিসুত্রের সাথে তাঁর আবিষ্কৃত নাড়াচাড়া তত্বের  সরাসরি  যোগসূত্র।বিজ্ঞানের প্রতি চরম অনীহা থাকায় বিষয়টিকে তখন কেউ অনুধাবন করতে পারেনি।
-তা কিভাবে? রবিন প্রশ্ন করে।
-এখানেই তো ওস্তাদের মাইর। আমি পল্টু পোদ্দার। আমার সাথে টেক্কা দিবে কুন শালায়? বিশাল এই দালানটিকে  মাননীয় ডক্টরেট স্থির বস্তু হিসাবে আবিষ্কার করেছেন।নিউটনের সূত্রমতে বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তুর উপর কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না।রানা প্লাজা নামক এই দালানটি একটি বিশাল স্থির বস্তু। সুতারং একটি স্থির বস্তুর উপর হরতাল সমর্থনকারীরা কোনো রকম বল প্রয়োগ না করলে ‘রানা প্লাজা’ নামক এই বিশাল স্থির বস্তুটি ধসে পড়বে কেন? এই সোজা-সাপ্টা কথাটা বুঝতে অসুবিধা কোথায়? এবার একটু তাত্ত্বিক বিশ্লেষন করছি। স্যার আইজ্যাক নিউটনের গতিসুত্রের বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে থাকে। হরতালকারীরা যে দিক থেকে বল প্রয়োগ করেছে  প্রয়োগকৃত বলের বিপরীত দিকে ভবনটি তাই কিছুটা হেলে গিয়ে ধসে পড়েছে।ভবনটি বিপরীত দিকে ধসে না গেলে যারা বল প্রয়োগ করে ধাক্কা দিয়েছে তাদের অনেকেই মৃত্যুবরণ করত।তার খবরও সংবাদপত্রে বের হতো।হরতালকারীদের  মৃত্যুবরণের খবর কিন্তু সংবাদপত্রে আজো ছাপা হয়নি। তাই ধরে নেয়া হচ্ছে ভবনটিতে নিউটনের গতিসূত্রের ক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।  বাহির হইতে প্রযুক্ত বল দ্বারা অবস্থার পরিবর্তন না করিলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকিবে।রানা প্লাজার ক্ষেত্রে যা হয়েছে তা হলো কতিপয় হরতাল সমর্থক কর্মী বাহিনী স্থির বস্তুটির উপর বল প্রয়োগ করেছিল তাই ভবনটি ধসে গিয়েছিল।
-তা হলে তো ওই ডক্টরেট সাহেব কোনো আহাম্মকি কথাবার্তা বলেন নি। কবি রবিন সহজেই মেনে নেই পল্টুর যুক্তিযুক্ত কথা।
-একদম যথার্থ বলেছিস। ওই ডক্টরেট সাহেবের ‘নাড়াচাড়া’ তত্বটি বিখ্যাত  আইজ্যাক নিউটনের গতিসূত্রের সম্ভাব্য প্রভাব বলয় থেকে  বিচ্ছিন্ন  করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।

আমি পল্টু। পল্টু পোদ্দার।আমি চলি গাছের পাতায় পাতায়। বিজ্ঞান নিয়ে আমার সাথে পোদ্দারি?

১,০৮১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখি করি।সংবাদিকতা ছেড়েছি আড়াই যুগ আগে।তারপর সরকারী চাকর! চলে যায় এক যুগ।টের পাইনি কী ভাবে কেটেছে।ভালই কাটছিল।দেশ বিদেশও অনেক ঘুরাফেরা হলো। জুটল একটি বৃত্তি। উচ্চ শিক্ষার আশায় দেশের বাইরে।শেষে আর বাড়ি ফিরা হয়নি। সেই থেকেই লন্ডন শহরে।সরকারের চাকর হওয়াতে লেখালেখির ছেদ ঘটে অনেক আগেই।বাইরে চলে আসায় ছন্দ পতন আরো বৃদ্বি পায়।ঝুমুরের নৃত্য তালে ডঙ্কা বাজলেও ময়ূর পেখম ধরেনি।বরফের দেশে সবই জমাট বেঁধে মস্ত আস্তরণ পরে।বছর খানেক হলো আস্তরণের ফাঁকে ফাঁকে কচি কাঁচা ঘাসেরা লুকোচুরি খেলছে।মাঝে মধ্যে ফিরে যেতে চাই পিছনের সময় গুলোতে।আর হয়ে উঠে না। লেখালেখির মধ্যে রাজনৈতিক লেখাই বেশি।ছড়া, কবিতা এক সময় হতো।সম্প্রতি প্রিয় ডট কম/বেঙ্গলিনিউস২৪ ডট কম/ আমাদেরসময় ডট কম সহ আরো কয়েকটি অনলাইন নিউস পোর্টালে লেখালেখি হয়।অনেক ভ্রমন করেছি।ভালো লাগে সৎ মানুষের সংস্পর্শ।কবিতা পড়তে। খারাপ লাগে কারো কুটচাল। যেমনটা থাকে ষ্টার জলসার বাংলা সিরিয়ালে। লেখাপড়া সংবাদিকতায়।সাথে আছে মুদ্রণ ও প্রকাশনায় পোস্ট গ্রাজুয়েশন।
সর্বমোট পোস্ট: ২০৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৫১৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-১৭ ০৯:২৪:৩১ মিনিটে
banner

১৪ টি মন্তব্য

  1. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    সমসাময়িক লেখনি —– অনবদ্য বেনু ভাই !

  2. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লেগেছে রলখাটি । চালিয়ে যান । শুভ কামনা ।

  3. সাখাওয়াৎ আলম চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    হাস্যরসের ভিতরে যে বাস্তব চিত্র গল্পে ফুটিয়ে তুলেছেন -তা সত্যি অসাধারণ। খুবই ভালো লাগলো।

  4. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    বাসুদেবের গল্পের এই লাইনটা পল্টুর কাছে বেশ ইন্টারেষ্টিং মনে হয়েছে। পল্টুর যত্ত সব খেঁচখেঁচানি ওই লাইনটার বিষয়বস্তু নিয়ে।স্থির বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করিলে ওই বস্তুটির অবস্থার পরিবর্তন হয় কিনা এই রহস্যের আদিঅন্ত উতঘাটন করা তাঁর নিকট এখন বেশি জরুরী।এই রহস্যের কুলকিনারা করতে পারলেই ঐতিহাসিক রানা প্লাজা ধসে পড়ার কারণটি নিয়ে বিশ্ব জোড়া যে হৈচৈ হয়েছিল এবং তত্কালীন মন্ত্রীর যে ইমেজ পাঙ্কচার হয়েছিল তাঁর একটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে বিষয়টির পজেটিভ সুরাহা করা যাবে।

    চমত্কার গল্পের রেফারেন্স এর মাধ্যমে চমত্কার লিখা লিখলেন বেনু ভাই। অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল। ভাল থাকবেন কেমন।

  5. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    হাস্যরসের ভিতরে যে বাস্তব চিত্র গল্পে ফুটিয়ে তুলেছেন -তা সত্যি অসাধারণ।

  6. শওকত আলী বেনু মন্তব্যে বলেছেন:

    thank you shanto….

  7. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    বাস্তব চিত্র
    খুব ভাল লাগল

  8. শওকত আলী বেনু মন্তব্যে বলেছেন:
  9. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    সরস বক্তব্যময় লেখা … ভালো লাগলো

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top