Today 19 Sep 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

পাঠকের প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ

লিখেছেন: আঃ হাকিম খান | তারিখ: ০৯/১১/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 709বার পড়া হয়েছে।

3

হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে তাঁর পাঠকের রিলেশনটা বেশ চমকপ্রদ- যেন পাঠকই তাঁর আরাধনা, সাধনা বা বিচরণের জায়গা। তাঁর সেই পাঠকরা হয়তো অত পরিপক্ব নয়, তারা হয়তো আবেগ থরো-থরো কম্পনে মজে; কিন্তু তারাই তাঁর পাঠক, যারা একজন লেখককে জানে-মনে ভালোবাসে। তাঁর পাঠক নিয়ে কিছু লিখতে চাইলেই অনেক প্রসঙ্গ চলে আসে। কারণ তিনি এত বেশি কাজ করেছেন যে যার একেকটা দিকই অনেক বিস্তৃত। তবে হুমায়ূন আহমেদ তাঁর পাঠক, দর্শক ইত্যাদির মাধ্যমে যে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন, তা-ই তাঁর পুঁজি। তাঁকে নিয়ে কিছু বলতে চাইলে দর্শক-পাঠকের প্রসঙ্গটা আসবেই। বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে তিনি কোনো না কোনোভাবে অতি প্রয়োজনীয় এক নাম। বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির গড়পড়তা জগতের অত অপরিহার্য চরিত্র আর কেউ নেই। তিনি তাঁর সাহিত্য বা শিল্পচর্চার প্রথম থেকেই একটা অপরিহার্য ব্যক্তিত্ব হয়ে আমাদের সাংস্কৃতিক জগতে বিচরণ করছেন। তাঁকে এককথায় তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়ার মনোলীলা আমাদের থাকার কোনো কারণ নেই। সদা সৃষ্টিশীল মানুষ তিনি। তাঁকে নিয়ে যত মাতামাতি আমরা দেখতে পাই, তার প্রায় সব কিছুই মধ্যবিত্তের অধিকারে আছে। তিনি কোনো দর্শনের ধার ধারতেন বলে মনে হয় না, এমনকি নিজের মতামত প্রচারের বিষয়টা নিজ উদ্যোগে করতে চাননি। সমালোচকদের কথার খুব একটা পাত্তা দিতেন না তিনি। আমরাই বরং তাঁকে মাথায় তুলে নাচানাচি করি, কেউ বা এক ফুঁয়ে নিভিয়ে দিতে চাই। তবে এ তো সত্যি যে তাঁকে আমরা আমাদের শিল্পের ভুবনে, সাহিত্যের অঙ্গনে, মিডিয়ার জগতে রাখতে চাই আর না চাই, তিনি তাঁর দর্শক-পাঠকদের কাছে দীপ্যমান থাকবেন। আমরা বরং তাঁর জনপ্রিয়তার এ দিকটাই খানিক পরখ করি।

 

1

আমাদের যাপিত জীবনের সঙ্গে নানা অনুষঙ্গ জড়িয়ে থাকে- আমরা জোছনার সঙ্গে, কদম ফুলের সঙ্গে, মেঘময় আকাশের সঙ্গে, পরস্পরের হাসি-কান্নার সঙ্গে, হেঁয়ালির সঙ্গে ভাববিনিময় করি। এসব বিষয় হুমায়ূন কর্তৃক সৃষ্টিশীলতা আনয়নের আগেও ছিল। এখনো তা আছে। এসব এ জনপদের অপরিহার্য সব অনুষঙ্গ। তবু আমরা জোছনার ভেতর হয়তো একজন হুমায়ূনকে খুঁজতে চাই, একজন বেপথু মানুষকে খুঁজি, কিছু যুক্তি খুঁজি, কিছু হাসি-তামাশা করি; যার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই। তাঁর সৃজিত এমন সব চরিত্র আছে, যাকে বাস্তবে পাওয়া যায় না। এ বিষয়টা এখানে অতি প্রাসঙ্গিকভাবেই আসে, বাস্তব বলে কি আসলেই কিছু আছে? হয়তো আছে, হয়তো তা একেক রকম- হুমায়ূনের গড়পড়তা পাঠকরা বিশ্বাস করে যে হুমায়ূন আহমেদ জীবনের সহজ বাস্তবতাকে চিনিয়েছেন। তিনি এমন সব অতিসহজ কথা কিংবা ঘটনা বা কাহিনী তাঁর পাঠককে দেখিয়েছেন, যা আসলে ইতিপূর্বে আমাদের কথাসাহিত্যে আসেনি বা তাঁর পাঠক তাই হয়তো জানত না। একেবারে হাতের নাগালের সহজ বাস্তবকে পেয়ে তারা চমকে উঠেছে, তারা ভেবেছে, সাহিত্যের কথকতা এমনও হতে পারে! তাহলে তো তারাও এ লেখকের সাহিত্যের অংশীদার হতেই পারে। তারা তাঁর হাজার হাজার গ্রন্থ প্রেমের তীব্র আকর্ষণে হয়তো কিনেছে, পড়েছে, অন্যকে পড়তে প্ররোচিত করেছে। আমাদের বাংলা সাহিত্যের সহজ-সরল ভাষার এমন উস্কানিদাতা আর দ্বিতীয়টি নেই। সেই ভালোবাসা মোতাবেক তাঁকে আমরা কার্যত হারাই না, বারবার তাঁকে ফিরিয়ে আনতে চাই। তবে মুশকিল হচ্ছে, তাঁর এ বিপুল পাঠকগোষ্ঠী কথা তেমন জানাতে জানে না, তারা হয়তো অতি জ্ঞানী আর সমঝদার পাঠকের হুংকারের কাছে ক্রমাগত বিমূর্তই থেকে যায়!

 

তাঁকে তো আমরা শুধু উপন্যাসেই পাই না, তিনি তো নাটকেরও মানুষ, সিনেমার মানুষ, ছবি আঁকা, গান-আড্ডা-ম্যাজিকেরও মানুষ। তিনি গল্পেও আছেন এবং ছিলেন অদ্ভুত হেঁয়ালিমুখর জীবনের এক প্রতিভূ হয়ে। এই যে নানাভাবে তাঁকে পাওয়া যায়, নানা মাত্রার এমন মানুষ আমাদের খুব বেশি নেই। তিনি যে অপ্রকাশ্যে থাকতে চাইতেন, তাও একটা বিষয় বটে। তাঁর এ বহুবর্ণের জীবন শুরু হয় উপন্যাস লেখা দিয়ে। ‘নন্দিত নরকে’, ‘শঙ্খনীল কারাগার’, ‘গৌরীপুর জংশন’ ইত্যাদি তাঁর প্রথম দিককার কাজ। তিনি শুরুতেই যাঁদের নেকনজরে পড়লেন, তাঁরা শুধু সাধারণ মানের মধ্যবিত্ত পাঠক নন, সেই তাঁরা হচ্ছেন আহমদ শরীফ, বদরুদ্দীন উমর, আহমদ ছফা প্রমুখ- যাঁরা তাঁর লেখার প্রশংসাও করেছেন। তিনি মধ্যবিত্তকে তাঁর নিত্যদিনের টানাপড়েন, ঝগড়া, ভালোবাসা, ক্রোধ, যন্ত্রণার জায়গা থেকে একটা ধরনে স্পর্শ করলেন। এর চেয়ে বড় কথা, তিনি গড়পড়তা পাঠকের পাঠ-অভ্যাসকেই যেন বদলে দিতে পারলেন। এমন এক কথাওয়ালা তিনি, যেখানে পাঠক তাঁর গ্রন্থটি পাঠ শুরু করলে তা শেষ না করে অন্য কিছু পাঠ করতেই পারে না! বা বই ছেড়ে উঠতে পারে না। তাঁর পাঠকজগৎ ক্রমশ বাড়তে থাকে এবং তিনি পাঠককে একটা মোহের ভেতর রাখতে শুরু করলেন। পাঠক তাঁর সাংস্কৃতিক সম্পদ হওয়া শুরু করল। তিনিও তাঁর পাঠককে পাঠ করা শুরু করলেন! এ এক অপ্রতিরোধ্য রোগও বটে। হুমায়ূন আহমেদ যে এখনকার হুমায়ূন আহমেদ হয়েছেন, তাও এই পাঠকপ্রেমের জন্যই।

 

আমরা তাঁর কাজকে তিন ভাগে ভাগ করতে পারি; যা হবে পাঠকের দৃষ্টিকোণ থেকেই। প্রথমত, আমরা বিবেচনায় নিতে পারি তাঁর সিরিয়াসধর্মী কিছু উপন্যাসকে- যেমন ‘নন্দিত নরকে’, ‘শঙ্খনীল কারাগার’, ‘গৌরীপুর জংশন’, ‘মধ্যাহ্ন’, ‘মাতাল হাওয়া’। এই কাতারে পড়বে কিছু রাজনৈতিক উপন্যাস, যেখানে তাঁর জীবনকে তিনি সৃষ্টিশীলতা দিয়ে উপভোগ করতে চেয়েছেন; যা হতে পারে, ‘মাতাল হাওয়া’, ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘বাদশা নামদার’, ‘মধ্যাহ্ন, ‘দেয়াল’ ইত্যাদি। আর কিছু লেখা আছে, যা পাঠকের দৃষ্টিকে অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যায়। সেই ধরনের উপন্যাস ‘কবি’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘অয়োময়’। এর বাইরে অনেক উপন্যাস ও সায়েন্স ফিকশন তিনি লিখেছেন, যা আসলে করা হয়েছে তাঁর বিপুল পাঠককে ধরে রাখার জন্য, সাহিত্য জগতে বেঁচে থাকার জন্য, জনপ্রিয় সাহিত্যের ধারাকে সজীব রাখার জন্য। জনপ্রিয়তার মোহ তো এক সাংঘাতিক ব্যাপার। তাঁর বেশির ভাগ পাঠকই কখনো পাকেন না, তাঁরা নিত্য কাঁচা থাকেন! পাঠকের মনোরঞ্জনে নিজেকে নিয়োজিত করলে তাঁকে সেই জায়গায়ই পাওয়া যাবে। তিনিও তা-ই করেছেন, পাঠকপ্রিয়তা নিয়ে তিনি মজে থেকেছেন।

 

‘জোছনা ও জননীর গল্প’-এ তিনি একাত্তরের এক ধরনের ডকুমেন্টেশন দেখাতে চেয়েছেন। সৈয়দ শামসুল হকের ‘বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ’-এর বাইরে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অত বিশাল কাজ আর হয়নি। এ উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের তথ্যমূলক অনেক দিকই উঠে এসেছে। তাতে লেখকের নিজের জীবনের একটা প্রবল ছায়াও প্রকাশ পেয়েছে। বরং বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক অবস্থানের সঙ্গে লেখকের পারিবারিক ইতিবৃত্ত প্রকাশেই তিনি মগ্ন থেকেছেন। এতে কিছু চরিত্র আছে, যা লেখকের নিজস্ব সৃষ্টি, এমনকি তাতে যে হাস্যকোলাহল প্রকাশ করা হয়েছে, তাও পাঠকের মনোজগতে এক ধরনের পজিটিভ রি-অ্যাকশনই তৈরি করবে। এ ছাড়াও তাঁর ‘একাত্তর’ আর ‘শ্যামল ছায়ার’ মতো উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের একেকটা ভয়াবহ দিক প্রকাশ পেয়েছে।

 

‘মধ্যাহ্ন’ নামের উপন্যাসে বঙ্গভঙ্গ, দেশ ভাগ, হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, গান্ধী, জিন্নাহ, সোহরাওয়ার্দী, রবি ঠাকুর, নজরুল, সুভাস বসু, উকিল মুনশির অনেক কথা আছে। এর ভাষার ধরনটি বেশ চমৎকার- যেন পূর্ববঙ্গের জল-নদী-হাওয়া-হাওর একেবারে মিশে গেছে। ধর্মের প্রচুর প্রসঙ্গ তাতে আছে। তিনি প্রচলিত ধর্মের বাইরে অর্থাৎ প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বাইরে ধর্মের ব্যক্তিক রূপকে সামনে এনেছেন। ব্যক্তির স্বাধীন চাওয়া-পাওয়া, চৈতন্যের মুক্তবিকাশ, তার আনন্দ-বেদনা, হাহাকার-ক্রন্দনকেই নিজ নিজ ধর্মের বৈশিষ্ট্যরূপে সৌকর্যময় করতে চেয়েছেন। তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর নানা চেহারা আছে, কাহিনীর ভিন্নতা কিছু কিছু আছে, তবে সেই একই মধ্যবিত্তীয় হা-হুতাশ তাতে আছে। পাঠক তা মনের দুঃখে, আনন্দে বা ক্রোধে পড়ে। যখন পড়ে, তখন তা শেষ না করে পাঠ-বিরতিতে পর্যন্ত যেতে পারে না। কারণ এখানে এমন আনন্দময় কিংবা অশ্রুমুখর ব্যবস্থা তিনি ফুটিয়ে তোলেন, যাতে পাঠক তার পাঠ থেকে নিজেকে বিযুক্ত করতে পারে না। হুমায়ূন আহমেদও তা-ই করেন, পাঠককে আস্থায় রেখে তাঁর কাহিনী শোনান, একেবারে তাকে ভারাক্রান্ত করেন। আর তাতে পাঠক পরের বইটির জন্য অপেক্ষা করে।

2

নারী চরিত্রের প্রতি বিশেষ মনোযোগ বরাবরই তাঁর ছিল। তিনি একেকটা চরিত্রের অন্তঃপ্রবাহযোগে নারীর একেকটা দিক বা চলার জগৎ উন্মোচন করেছেন।

 

‘নন্দিত নরকে’ বা ‘শঙ্খনীল কারাগার’-এর রাবেয়া, ‘গৌরীপুর জংশন’-এর অনুফা, ‘মধ্যাহ্ন’-এর লাবুসের মা, ‘বাদশা নামদার’-এর হামিদা বানু, ‘একটি রাশিয়ান পরীর’ এলিটা, ‘কোথাও কেউ নেই’-এর মনা ইত্যাদি খুবই চমৎকার চরিত্র। তাঁর সৃজিত কিছু চরিত্র তাঁকে আলাদা সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করে, যেমন- হিমু, মিসির আলী, বাকের ভাই, মির্জা। হিমু এক অদ্ভুত চরিত্র, তার মেজাজ বা চলাচলের বৈশিষ্ট্যই তাকে আলাদা চারিত্রিক মর্যাদা দিয়েছে, সে কটকটা হলুদ পাঞ্জাবি পরে, সেই পাঞ্জাবির আবার পকেট থাকে না, খালি পায়ে প্রায়শ রাতেই চলাচল করে, তার কোনো মানিব্যাগ নেই। মানুষের উপকার করতে সে দারুণ পছন্দ করে। সে তো ভবিষ্যৎ দ্দ্রষ্টা। যেকোনো পরিস্থিতি তার অনুকূলে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। তদুপরি সে খেয়ালি।

 

মিসির আলী এর সম্পূর্ণ বিপরীত ঘরানার চরিত্র- বয়স্ক, বিজ্ঞানমুখর, দারুণ যুক্তিবাদী। অন্যের যুক্তির জগৎ তিনি খুলে দিতে জানেন! বাকের ভাই টিভি নাটকের এক অতিপরিচিত চরিত্র, যাকে বিচারে ফাঁসি দেওয়ার প্রতিবাদে দেশের অনেক স্থানে মিছিল পর্যন্ত হয়েছিল। কোনো টিভি নাটকের চরিত্রের প্রতি মানুষের এমন দরদ আর দেখা যায়নি। তাও সে আবার আপাত মস্তান চরিত্র। ‘অয়োময়’-এর মির্জা জমিদার হলেও তার স্বোপার্জিত বাসনা ভিন্ন এক আবহ তৈরি করে।

 

আমরা নায়কবর্জিত এক মধ্যবিত্তীয় সাহিত্য অঙ্গনে অবস্থান করছি। তবে উপন্যাসের নায়ক প্রায়শ যেমন বাস্তব নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করার সুযোগ পায়, তারই একটা প্রতিচ্ছায়া যেন তার ভেতর আমরা দেখি! আমরা ধরেই নিই, মধ্যবিত্তের কোনো নায়ক থাকতে নেই। কারণ তারা কোনো নায়ককেই নায়কের জায়গাই রাখতে পারেনি। তারা এতই বিচলিত, হকচকিত, সুবিধামুখর যে, যেখানে তারা স্বপ্নকে একত্রে রাখতে পারে না। এমনকি তাদের স্বপ্নকে স্বপ্নায়িত করার ভেতর যেন বিপদও দেখে। কারণ তারা মহৎ হতে চায়, তবে তারা দারুণ দোদুল্যমুখরও। তারা অনেক সময়ই বিশ্বাসের জায়গায় থাকেও না। এই হচ্ছে চলতি কথা, কিন্তু কেউ না কেউ এই জায়গার ভিন্ন চরিত্র আনতে পেরেছেন বলে আমাদের মন বলতেই পারে! তা খুব পারে। এই যে বেখেয়ালি, কখনো দারুণ খেয়ালি, নষ্টভ্রষ্ট-হকচকিত-পিষ্ট হতে থাকা মধ্যবিত্ত; তাদের মুগ্ধতাকে, আনন্দাশ্রুকে একটা রূপ দেওয়ার জায়গায় এসেছে- এ কাজে অনেক অনেক চেষ্টা যিনি করেছেন, তিনিই হচ্ছেন হুমায়ূন আহমেদ।

৭৫৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১১২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-১৭ ১০:০৩:১৯ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    সাহিত্যে হুমায়ুন আহমেদের অবদান বেশ ।

  2. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    তাঁর তুলনা তিনি নিজেই।

  3. জিয়াউল হক মন্তব্যে বলেছেন:

    হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে অল্প কথায় যা লিখেছেন তা এক কথায় অনবদ্য। ধন্যবাদ আপনাকে।

  4. তাপসকিরণ রায় মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখকের সুন্দর,টানটান লেখা।হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে লেখা নিবন্ধটি ছোটর মধ্যে তাঁর সব দিকটাই তুলে ধরার প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়।লেখককে ধন্যবাদ জানাই।

  5. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    Photo o lekha gulo onek vhalo laglo

  6. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    উনার বই যাদুর মতো ধরে রাখে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top