Today 26 Sep 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

পৃথিবীতে শেষ দিনের ভিডিও_ শেষ পর্ব

লিখেছেন: সহিদুল ইসলাম | তারিখ: ১৪/১২/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 976বার পড়া হয়েছে।

নির্মম সত্য কথা শুনে একে-অপরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন। ওগো বিধি এইকি রেখেছিলে ভাগ্যে। হৃদয়, বীণাকে বলছে, আমি যদি তোমাকে হারাই, তাহলে কি নিয়ে বাঁচবো আমি। আমার বেঁচে থেকেই বা কি লাভ? বীণা কষ্ট বুকের মধ্যে চেপে রেখে, যেন মনে কোন দুঃখ নেই, হৃদয়কে বলছে, হৃদয় তুমি এতো চিন্তা করো না তো। এই দেখো আমি এখন অনেক সুস্থ। তুমি দেইখো আমি সুস্থ হয়ে যাবো। জীবন-মরণ সবি তো আল্লাহ্‌র হাতে।

সকল চিকিৎসা বীনার জন্য একে ব্যর্থ হলো। দিন দিন যন্ত্রণা ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যেতে লাগলো। মেডিকেল টিম থেকে সিদ্ধান্ত হলো, ওদেরকে জানিয়ে দেয়া হল_ আমাদের যতটুকু করার ছিল করেছি বাকিটুকু আল্লাহ্‌র হাতে।

হৃদয়-বীনার বুঝতে কিছু বাকী থাকলনা। কঠিন নির্মম সত্য কথাটি বীনা জেনে গেল। বীণা জানতে পারলো সে আর বড়জোর ০৬ মাস বাঁচবে। ০৬ মাস বাঁচলেও শেষের দিনগুলি বীনার জন্য হবে অনেক কঠিন এবং অসহ্যের।

বীণা সিদ্ধান্ত নিল, বিধির ডাকে সারা না দিয়ে যেহেতু কোন উপায় নেই, যেতেই হবে এই মায়াময় জগৎ সংসার ছেড়ে। মৃত্যুকে সহজে কিভাবে আলিঙ্গন করা যায় ভাবলেন। ডাক্তারের পরামর্শে বীণা সিদ্ধান্ত নিল ঘুমের ঔষধ খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঘুমিয়ে পরেব।

২৯ বছর বয়সী বীনা মায়াময় জগৎ সংসার ছেড়ে স্বেচ্ছামৃত্যুর ইচ্ছা থাকলেও বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় আইন। ইচ্ছেমৃত্যু নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিয়ে আইনি লড়াই চালিয়েছিলেন বীনা। শেষমেশ বীণা ঠিক করে ০২ নভেম্বর হৃদয়ের জন্মদিন পালন করবেন এবং ০৩ নভেম্বর ডাক্তারের দেয়া ঔষধ খেয়ে চিরদিনের জন্য ঘুমিয়ে পরবেন।

০২নভেম্বর হৃদয়ের জন্মদিনে সকল আত্মীয় স্বজন এলে এক মর্মান্তিক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এ যেন মানুষ বেঁচে থাকেই রোজ কিয়ামতের দৃশ্য। সবাই বীণাকে জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি করছে। আগামী কালই যে বীণার জন্য শেষ দিন। জেনে শুনে এমন মৃত্যুর দিন কিভাবে মেনে নেয়া যায়।

বীনা, পৃথিবীতে শেষ দিনের ভিডিও করে, ভিডিওতে বীনা বলে, বিদায় আমার প্রিয় বন্ধুরা। আজ সেই দিন যাকে আমি বেছে নিয়েছিলাম সমস্ত যন্ত্রনার অবসান ঘটাতে। এই অসহ্য ব্রেন ক্যান্সার আমি সহ্য করতে পারছি না। আমার কাছ থেকে অনেক কিছুই নিয়ে নিয়েছেন এই রোগ। এক বন্ধ ঘরের ভিতর স্বামী ও পরিবার পরিজনদের সঙ্গে শেষ মুহূর্ত কাটায় বীনা। ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খেয়ে ধীরে ধীরে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে।

(২৯ বছরের মার্কিন নারী ব্রিটানি মেনার্ডের বাস্তব কাহিনী অবলম্বনে রচিত।)
তথ্য গ্রহণ: ডেইলি মেইল http://www.priyo.com/2014/11/03/116606.html#sthash.NkliR0TS.dpuf

 

৯৫৯ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমার পরিচিতিঃ আমি, মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম, পিতাঃ ডাঃ মোঃ সফি উদ্দিন, ১৯৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী, আমার জন্ম-ঢাকা জেলার ধামরাই থানার বেলীশ্বর গ্রামে নানা আলী আজগর মুন্সির বাড়ীতে । পৈত্রিক নিবাস, ঢাকা জেলার ধামরাই থানার অর্জ্জুন-নালাই গ্রামে, কিন্তু বাবার চাকরী জনিত কারনে আমি ছোটবেলা থেকেই মানিকগঞ্জ জেলার, সাটুরিয়া থানার বরুন্ডী গ্রামে বড় হই। বর্তমানে এই গ্রামেই আমি স্থায়ী ভাবে বসবাস করছি। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে আমি বাবা-মার প্রথম সন্তান। আমার লেখাপড়া শুরু হয় উমানন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং এই বিদ্যালয় থেকে ৪র্থ শ্রেণী ও বরুন্ডী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করি, পরে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত ধানকোড়া গিরীশ ইনস্টিটিউশন (হাই স্কুল) হতে ১৯৯২ সালে সাফল্যের সহিত এস,এস,সি পরীক্ষা পাশ করি । সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ হতে ১৯৯৪ সালে আই,কম, ১৯৯৬ সালে বি,কম এবং একই কলেজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়_বাংলাদেশের অধীনে ১৯৯৮ সালে ব্যবস্থাপনা বিষয়ের উপর এম,কম সমাপ্ত করি। এম,কম শেষ পর্বের পরীক্ষা শেষ করার আগেই আমি ১৯৯৮ সালে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করি এবং চাকুরীরত অবস্থায় এম,কম সমাপনী পর্ব সাফল্যের সাথে সমাপ্ত করি। ২০০৮ সাল পর্যন্ত আমি বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করি। ২০০৯ সাল হতে আগস্ট/২০১৪ সাল পর্যন্ত জুরং শিপইয়ার্ড_ সিঙ্গাপুরে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে এবং সেপ্টেম্বর/২০১৪ হতে অদ্যাবধি প্রজেক্ট সুপারভাইজার হিসেবে _ স্যাম্বক্রপ মেরিন_সিঙ্গাপুরে কাজ করছি। আমি ছোটবেলা থেকে লেখালেখি করি । মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের আবহমান বাংলা ম্যাগাজিনে প্রথম লেখা শুরু। আমি গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ( রাজনৈতিক এবং সমসাময়িক) এবং উপন্যাস লেখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আধুনিক বা সাম্প্রতিক পটভূমিকা নিয়ে লেখাই হল আমার অভিগমন। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা আমার মনকে সর্বাধিক ক্ষতবিক্ষত করে। আমার প্রথম প্রকাশিত বইয়ের নাম “আবীর”। যৌথভাবে আমার প্রকাশিত বই ১০০ কবির প্রেমের কবিতা ২য় এবং ৩য় খণ্ড। আমি দেশ এবং বিদেশের বেশ কিছু অনলাইন এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় নিয়মিত গল্প, কবিতা এবং উপন্যাস লিখছি_ এর মধ্যে রয়েছে _ বাংলারকন্ঠ (সিঙ্গাপুর), দৈনিক সিলেটের আলাপ, আমাদের কিশোরগঞ্জ, বাংলারকন্ঠ(অস্টেলিয়া), সাভার নিউজ ২৪ ডট কম, সংবাদ ২৪ ডট নেট, প্রিয় ডট কম, রাঙ্গুনিয়া ২৪ ডট কম, এবি নিউজ২৪, বিবেকবার্তা ডট কম, বাংলা কবিতা ডট কম, বিডি নিউজ ২৪ ডট কম, গল্প কবিতা ডট কম ইত্যাদি। মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম Sahidul_77@yahoo.com
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৪ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৫৩৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-১০-১১ ১৭:০২:১৬ মিনিটে
Visit সহিদুল ইসলাম Website.
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. আব্দুল হাকিম চাকলাদার মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল।

  2. সাঈদ চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    এমন মৃত্যু কারো না আসুক । এ সুন্দর পৃথিবঅ সবার জন্য অবারিত হোক আরো অেনক দিন ।

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    এমন মৃত্যু কারো জীবনে না আসুক। কষ্টের গল্প ভাল হইছে।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top