Today 11 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

প্রতিপক্ষ দলের সবাই বজ্রপাতে নিহত!

লিখেছেন: অনিরুদ্ধ বুলবুল | তারিখ: ১৮/০৫/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 669বার পড়া হয়েছে।

Thunder

অভাবনীয়, অবিশ্বাস্য ব্যাপারই বটে। হঠাৎ করে শুনলে অনেকেই ‘গাঁজাখুরি’ আলাপ বলে উড়িয়ে দিতে চাইবেন ব্যাপারটাকে। কিন্তু ঘটনাটা যে সত্য, সেটার প্রমাণ মিলছে অনেক জায়গাতেই।

১৯৯৮ সালের অক্টোবর মাসে আফ্রিকার দেশ কঙ্গোতে বজ্রপাত নিভিয়ে দিয়েছিল গোটা একটি ফুটবল দলের জীবন-প্রদীপ। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার, এই ভয়ংকর বজ্রপাতে অক্ষত ছিল নিহত ফুটবলারদের গোটা প্রতিপক্ষই। মাঠে লড়াইয়ে নামা একটি দলের ১১ জনই এই বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করলেও একেবারে অক্ষত অবস্থায় বেঁচে গিয়েছিল অপর দলটি। এ ঘটনাকে অবিশ্বাস্য বললেও তো কম বলা হয়।

কঙ্গোর একটি স্থানীয় পত্রিকায় এ সংবাদটি প্রথম ছাপা হয়েছিল। কিনশাসা থেকে প্রকাশিত এল’অ্যাভেনিরে প্রকাশিত এ ঘটনার বিবরণে বলা হয়েছিল, ‘বজ্রপাত মুহূর্তেই কেড়ে নেয় ১১ জন ফুটবলারের জীবন। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, নিহত ফুটবলারদের সবাই একই দলের।’

পত্রিকাটি আরও জানায়, স্থানীয়রা খেলাটি চলার সময় সফরকারী দলের ওপর বিভিন্ন ধরনের তন্ত্রমন্ত্র প্রয়োগ করছিল। আফ্রিকার অনেক দেশেই ফুটবল ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের মন্ত্রতন্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটে। এসব ব্যাপার স্থানীয় সংস্কৃতিরই অংশ।

এল’অ্যাভেনিরের বরাতে বিবিসি এ-সংক্রান্ত সংবাদটি তাদের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করে ঘটনার অব্যবহিত পরেই। ইনডিপেনডেন্ট ও গার্ডিয়ানের মতো পত্রিকাও এ খবরটি প্রকাশ করেছে গুরুত্বের সঙ্গেই। তবে সব পত্রিকাই এল’অ্যাভেনিরের কথা উল্লেখ করেই সংবাদটি প্রকাশ করে।

ঘটনাটির বিবরণে বলা হয়, কঙ্গোর কাশাই প্রদেশে স্থানীয় একটি ফুটবল দলের সঙ্গে আয়োজিত এই ম্যাচে সফরকারী দল এই বজ্রপাত-দুর্ঘটনার শিকার হয়। ম্যাচ চলাকালেই আচমকা বজ্রপাতে মুহূর্তেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সফরকারী দলের সব খেলোয়াড়। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, এই বজ্রপাতে স্থানীয় দলের কোনো খেলোয়াড়ের শরীরেই ফুলের টোকাটি পর্যন্ত পড়েনি। উল্লেখ্য, আটানব্বই সালে এ ঘটনাটি ঘটার সময় কঙ্গোতে চলছিল রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ।

তথ্যসূত্রঃhttp://www.now-bd.com/2014/12/11/355312.htm

৬৬৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কৈফিয়ত - তোমরা যে যা-ই ব'ল না বন্ধু; এ যেন এক - 'দায়মুক্তির অভিনব কৌশল'! যেন-বা এক শুদ্ধি অভিযান - 'উকুন মেরেই জঙ্গল সাফ'!! প্রতিঘাতের অগ্নি-শলাকা হৃদয় পাশরে দলে - শুক্তি নিকেশে মুক্তো গড়ায় ঝিনুকের দেহ গলে!! মন মুকুরের নিঃসীম তিমিরে প্রতিবিম্ব সম - মেলে যাই কটু জীর্ণ-প্রলেপ ধূলি-কণা-কাদা যত। রসনা যার ঘর্ষনে মাজা সুর তায় অসুরের দানব মানবে শুনেছ কি কভু খেলে হোলি সমীরে? কাব্য করি না বড়, নিরেট গদ্যও জানিনে যে, উষ্ণ কুসুমে ছেয়ে নিয়ো তায় - যদি বা লাগে বাজে। ব্যঙ্গ করো না বন্ধু আমারে অচ্ছুত কিছু নই, সীমানা পেরিয়ে গেলে জানি; পাবে না তো আর থৈ। যৌবন যার মৌ-বন জুড়ে ঝরা পাতা গান গায় নব্য কুঁড়ির কুসুম অধরে বোলতা-বিছুটি হুল ফুটায়!! ভাল নই, তবু বিশ্বাসী - ভালবাসার চাষবাসে, জীবন মরুতে ফুটে না কো ফুল কোন অশ্রুবারীর সিঞ্চনে। প্রাণের দায়ে এঁকে যাই কিছু নিষ্ঠুর পদাবলী: দোহাই লাগে, এ দায় যে গো; শুধুই আমার, কেউ না যেন দুঃখ পায়।
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪২২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০২-১৪ ০২:৫৯:৫৩ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ইয়া মাবুদ এসব কি আলামত
    সর্বনাশ

    আল্লাহ তা আলার কি ইচ্ছে কেউ জানে না

    আল্লাহ এমন গজব থেকে আমাদেরকে হেফাজত করেন।

  2. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    ভয়ের কিছু নেই কবি।
    এসব ‘ব্লাক ম্যাজিক’ – আমরা তা থেকে বেশ দূরেই আছি।
    মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা রইল।

  3. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    সত্যিই আশ্চর্যের

  4. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    ঘটনাটা আরো অনেক আগেই শুনেছিলাম / পড়েছিলাম । ধুলো জমতে থাকা স্মৃতিটা আবার পরিষ্কার হয়ে গেল নতুন করে পড়ে । ঘটনাটা আশ্চর্যের পাশাপাশি অনেক মর্মান্তিকও বটে । :(

    • অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

      ঠিক তাই।
      ঘটনা আদৌ কতটা সঠিক বা কতটা রঙ চড়ানো সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।
      ভাল থাকুন কবি – শুভেচ্ছা রইল –

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top