Today 22 Sep 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বাংলা ছবির পরিচালকদের দৃষ্টি আকর্ষন পূর্বক একখানি লেখা ।

লিখেছেন: নিঃশব্দ নাগরিক | তারিখ: ০৪/০৮/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 968বার পড়া হয়েছে।

একসময় বাড়ীতে টিভি ছিল না । পাশের বাড়ীতে যেতাম টিভি দেখতে । সাদা কালো টিভি । তবু শুক্রবারের বাংলা ছবি প্রায়ই দেখা হতো । বয়সও কম ছিল । ভাল মন্দ বোঝার চেয়ে উওেজনাটা বেশী কাজ করত । এখন পরিস্হিতি বদলেছে । সময় বদলেছে । সাথে সাথে অধৈর্য্যর মাত্রাও বদলেছে । তাই পুরো ছবি একসাথে দেখার সামর্থ্য খুব কমই হয় । মাঝে মাঝে রির্মোট চাপাচাপির মাঝেই সিনেমার শেষাংশ দেখে ফেলি । এবং হাসি । সিনেমার মান বা অভিনেতা অভিনেত্রীর অভিনয় দেখে নয় । বরং বিস্তর ভবদেশে পড়ে থাকা আইন সালিশের প্রতি পরিচালকদের উদাসীনতা দেখে । সেই শৈশব থেকে আজ মধ্য যৌবনেও দেখি নায়িকার অপেক্ষা । জেল গেটের সামনে অহেতুক পড়ে থাকা । নায়ক কবে মুক্তি পাবে । কবে মিলন হবে তাদের । এমন বালখিল্য পায়চারী পরিচালকের অদক্ষতাই প্রকাশ করে না, মস্ত দর্শককুলের আক্ষেপও বাড়ায় । অথচ জগত এগিয়েছে । সওরের পর্দার নায়ক আজকের বাস্তবতায় অচল । বর্তমান বাস্তব নায়ক’রা জ্ঞান বিদ্যায়, বিশেষত আইন বিদ্যায় বিরাট পারঙ্গম । তাই মুক্তির অপেক্ষা তাকে করতে হয় না ।

 

আশাকরি পরিচালক’রা একটু বাস্তবতায় নজর দিবেন । নায়িকাকে অপেক্ষায় রেখে নায়কের র্দীঘ কারাবরন অযৌক্তিক । পরাক্রমশালী নায়ক বিয়ের জন্য মুক্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন, এটা তাহার চরিত্রের সাথে যায় না । কেননা মানুষ আজকাল শুধুমাত্র সিনেমায় চোখ রাখে না, চারপাশেও দৃষ্টি রাখে । দৃষ্টিকটু অপেক্ষা দর্শককে দ্বিধায় ফেলে । তাছাড়া অবাস্তব সিনেমা মানুষের মনে খুব একটা স্হানও নেয় না । আশাকরি ভবিষৎতে আমরা বাস্তবতায় ফিরতে পারবো । আল্লাহতালায় সে তওফিক আমাদের দিন ।

 

ধন্যবাদ ।

 

………………নিঃশব্দ নাগরিক ।

 

৯৪০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
an impossible one with the maximum possibility to be a possible one.
সর্বমোট পোস্ট: ১২৬ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩১৬ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৭-৩১ ১৭:৪৬:৩৭ মিনিটে
banner

৯ টি মন্তব্য

  1. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    এখন পরিস্হিতি বদলেছে । সময় বদলেছে । সাথে সাথে অধৈর্য্যর মাত্রাও বদলেছে । তাই পুরো ছবি একসাথে দেখার সামর্থ্য খুব কমই হয় । মাঝে মাঝে রির্মোট চাপাচাপির মাঝেই সিনেমার শেষাংশ দেখে ফেলি । এবং হাসি । সিনেমার মান বা অভিনেতা অভিনেত্রীর অভিনয় দেখে নয় । বরং বিস্তর ভবদেশে পড়ে থাকা আইন সালিশের প্রতি পরিচালকদের উদাসীনতা দেখে । সেই শৈশব থেকে আজ মধ্য যৌবনেও দেখি নায়িকার অপেক্ষা । জেল গেটের সামনে অহেতুক পড়ে থাকা । নায়ক কবে মুক্তি পাবে । কবে মিলন হবে তাদের । এমন বালখিল্য পায়চারী পরিচালকের অদক্ষতাই প্রকাশ করে না, মস্ত দর্শককুলের আক্ষেপও

    হা হা ঠা ঠা করে হাসছি ভিলেনের হাসি পরিচালকগুলারে ভয় পাওয়ানোরর জন্য।দেখেন তো বোকা পরিচালক কবে শিখবে “How to make a film” চলেন আমি আপনি নেমে পড়ি সিনেমা একটা বানিয়ে ওদের লেসন দিব কিভাবে সিনেমা বানাতে হয়।.

  2. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    দেখা যাক ওরা ভাবে কিনা ।

  3. সোহেল আহমেদ পরান মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর পর্যবেক্ষণমূলক পোস্ট…

  4. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর লেখা ভাল লাগল । শুভ কামনা ।

  5. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর লেখা, ভাল লাগল । শুভ কামনা ।

  6. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    বাংলা ছিঃনেমা নিয়ে কোন কথা নাই বা নষ্ট করলাম …

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top