Today 19 Feb 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বাংলা বানান বিভ্রাট: আমার ব্লগীয় অভিজ্ঞতা ।

লিখেছেন: শওকত আলী বেনু | তারিখ: ০৭/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1076বার পড়া হয়েছে।

কোন শব্দের কী বানান হবে তা নিয়ে যত না স্ট্রাগল করছি তার চেয়েও বেশি বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে টাইপ করতে গিয়ে ভুল বানান সম্মুখে চলে আসা।নাতিদীর্ঘ ব্লগীয় জীবনের বাংলা বানান এবং বাংলা টাইপিং নিয়ে কখনো খুব একটা স্বস্তিতে ছিলাম না, এখনো নেই।আর এই দুর্ভোগ সৃষ্টির কারণ মূলত বাংলা কী বোর্ড ব্যবহার না করা। প্রথমেই বলে রাখি বাংলা কীবোর্ড ব্যবহার করে বাংলা লেখার প্রচেষ্টা কখনো করা হয়নি বিধায় এর দায় মাথা পেতে নিতে মোটেই কার্পণ্য করছিনা।এই দায় মেনে নেয়ার কারণগুলোও অনেকটা বাস্তব প্রেক্ষাপট থেকেই উত্সারিত।

গেল শতাব্দীর আশির দশকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন ছেড়ে সরকারী চাকুরী করতে গিয়ে শুরুতেই হোচট খেয়েছি ব্রিটিশ আমলাদের রেখে যাওয়া মাথাভারী প্রশাসনিক যন্ত্রের একদল টাইপিস্ট বা মুদ্রাক্ষরিক নামের সহযাত্রীদের কাছে। বস হয়ে অফিসে টাইপিস্টের কাজ করা (!) এ কেমন করে হয়? দুর্দান্ত অহংকার! অহংকারই পতনের মূল কারণ। সেই থেকে আর বাংলা কী বোর্ড ধরা হয়নি। একই দশকের গোড়ার দিকে ছাত্রজীবনে বাংলা টাইপিংএর প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেড়ে ফেলতাম নীলক্ষেত, মালিবাগ মোড় এবং সেগুনবাগিচার মুক্তাকাশের নিচে বসা মুদ্রাক্ষরিকদের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে। ১৯৯৩ সালের শুরুতে সর্বপ্রথম কম্পিউটারের সংস্পর্শে এসে বাস্তব প্রয়োজনের নিরিখে ইংরেজি টাইপ শেখার আগ্রহটা অনেক গুন বেড়ে যায়। ওই সময় বাংলা কী বোর্ড ব্যবহার করে বাংলা টাইপ শেখার ইচ্ছাটুকু আর জাগেনি।স্বৈরাচারী এরশাদের রাজত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রলম্বিত শিক্ষাজীবনে সংবাদপত্রে ‘পার্টটাইম’ কর্ম করতে গিয়েও বাংলা কী বোর্ডের সংস্পর্শে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করা হয়নি।আহা মূর্খ্যই থেকে গেলাম!

এই ভনিতা করার কারনটা হলো সঠিক কাজটি সঠিক সময়ে করতে না পারায় নিজের দায়কে কিছুটা হলেও হালকা করার প্রচেষ্টা।যাক এবার আসি কাজের কথায়। মাঝে মধ্যেই আমার মনে একটি প্রশ্ন জাগে আমি মাতৃভাষায় যে বানানটি লিখছি তা ভুল না শুদ্ধ তা বুঝার সঠিক উপায়টা কি ? হাস্যকর এই প্রশ্নটি অনেকের কাছে হাস্যরস সৃষ্টি করলেও আমার নিকট সর্বত্রই কৌতুহলী মনে হয়েছে এবং আমি এই নিয়ে বেজায় মুশকিলেও পড়েছি।

উপায় তো একটা আছেই । বাংলা অভিধান খুলে দেখে নিলেই তো সব চুকে যায়। অভিধানে শব্দের অর্থ এবং বানান দুটোই একসাথে পাওয়া গেলেও একাধিক যুক্তাক্ষরসহ র-ফলা,য-ফলা দিয়ে কঠিন বানানগুলোর জন্যে বারবার অভিধান খুলে দেখে নেয়াটাও বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। যেমন উচ্ছৃঙ্খল,মুহুর্মুহু, অগ্ন্যুৎপাত এই জাতীয় বেশ কিছু বানান লিখতে গিয়ে হোচট খেতে হয় অনেক সময়। এইটি একটি উদাহরণ মাত্র।

আমার মত নবিশ ব্লগাররা বানান জানেননা এই কারণেই যে বানান ভুল হয় তা কিন্তু নয় ।অনেক সময় দেখা যায় একটি সাধারণ বানানও ভুল করে ফেলি যা কোনো ভাবেই হওয়া বাঞ্চনীয় নয় । অসাবধানতা বা অসচেতনভাবে লেখার কারণে সহজ বানানও ভুলের তালিকায় থেকে যায় ।যে কোনো ভাষায় লেখালেখি করা হোক না কেন বানান ভুল থাকাটা শুধু দৃষ্টিকটু-ই নয় অমর্যাদাপূর্ণ এবং বিব্রতকর।এছাড়া এতে মাতৃভাষায় শব্দ ভাণ্ডারের অপ্রতুল জ্ঞানও প্রকাশ পায়। এই দায়ভার অবশ্যই লেখক/ ব্লগারের স্কন্ধেই বর্তায় ।

বাংলা ভাষায় বানানের ক্ষেত্রে ভেজালটা কোথায় হয় বেশি ? বানানের ক্ষেত্রে গোলমালটা হয় বেশি, ণত্ব আর ষত্ব বিধানে এটা সবাই জানে। এর পরেও ভুলের মাত্রা থেমে নেই। শব্দের মাঝখানে কিংবা শেষে ‘ন’ দেব, নাকি ‘ণ’ দেব তা নিয়ে দ্বিধায় পড়তে হয়।যেমন: ধরন ও ধারণা বানানে যথাক্রমে ন ও ণ হবে। ‘তুমি কোন্ ধরনের লোক, সে ব্যাপারে আমার ধারণা আছে’। এই সহজ বানানগুলোই বেশি ভুল হয়ে থাকে এবং আমিও করে থাকি।এটাই হলো অসাবধানতা যা কখনই কাম্য নয়। তবে ভুলের বহরটা ‘ই’- ‘ঈ’ নিয়েও কম নয়, একই সাথে এর চিহ্ন নিয়ে অর্থাৎ কোথায় “ি” এবং “ী” বসবে। এছাড়া উ/ঊ-কার, য-ফলা, য-ফলা আকার, শব্দের শেষে য-ফলা, তিন বা চার বর্ণের সংযুক্তি ইত্যাদি।

কথা উঠতেই পারে সাধারণ ব্যাকরণ জ্ঞান এবং বানানরীতি নিয়ে কিছু লেখাপড়া করে নিলেই হয়। সেটা করেও পুরোটা সফল হওয়া যাবে কি? বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানরীতি হাতের কাছে রেখেছি। এই যেমন আমার ক্ষেত্রে যেটা ঘটে তা হলো আমি অনলাইনে ‘গুগল ট্রান্সলেট’ দিয়ে বাংলা টাইপ করি।পূর্বেই উল্লেখ করেছি বাংলা কী বোর্ড এর ব্যবহার জানা নেই বিধায় ‘গুগল ট্রান্সলেট’ এর আশ্রয় নিয়ে আমি খুব স্বাচ্ছন্দে এই কাজটি করে যাচ্ছি। আমার মত হয়তো অনেকেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কম্পিউটারে বাংলা লেখার কাজটি করে থাকে।এই ক্ষেত্রে যেভাবে শব্দটি উচ্চারণ করি ঠিক সেই ভাবেই ইংরেজি বর্ণ টাইপ করে লেখার চেষ্টা করি।কোন শব্দ উচ্চারণে কী বর্ণ ব্যবহার করতে হবে তার একটি গাইডলাইনও রয়েছে। উচ্চারণভিত্তিক ইংরেজি বর্ণে বাংলা টাইপিং ‘গুগল ট্রান্সলেট’র একটি যুগান্তরকারী পদক্ষেপ। কিন্তু এখানেও কিছু গণ্ডগোল থেকে যায়। ‘গুগল ট্রান্সলেট’ ব্যবহার করে ইংরেজি বর্ণে লেখা শব্দ টাইপ করলে যে বাংলা শব্দটি পাওয়া যা তা সর্বক্ষেত্রেই সঠিক বানান হবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।এই ক্ষেত্রে পছন্দ মত শব্দ না আসলে backspace চেপে পছন্দ মত শব্দটি সিলেক্ট করা যায়।এই সিলেকশনে ভুল হলে বানানটি চূড়ান্ত পর্যায়ে ভুলই থেকে যায়।

ইংরেজিতে একটি শব্দের একটিই বানান হয় যা পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে ওই নির্দিষ্ট বানান অনুসরণ করা হয়।এই ক্ষেত্রে কোনও দ্বৈতভাব নেই। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমেরিকা তার নিজস্ব স্টাইলে কিছু ইংরেজি বানান লেখে যা ব্রিটেনের বানানের সঙ্গে মেলে না। সেই ব্যতিক্রমটা অবশ্যই বাংলা বানানের মতো এত জটিল নয় এবং সেই ক্ষেত্রে বানান ভুল হয়েছে বলা যাবেনা । দুইটি স্টাইলের যে কোনো একটি অনুসরণ করলেই হয়ে যায়।

কম্পিউটারে ইংরেজিতে টেক্সট লিখলে শব্দের বানান ভুল হলে সেই শব্দটির নিচে লাল দাগ পড়ে এবং যিনি টাইপ করেন তিনি সহজেই বুঝতে পারেন বানানটি ভুল হচ্ছে। পরে ভুল বানানটি সহজেই ঠিক করে নেয়া যায়।কিন্তু বাংলা টাইপিং এর ক্ষেত্রে তেমন কিছু টেকনিক্যাল ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে বলে আমার জানা নেই। এই বিষয়টি মাথায় রেখে নতুন সফটওয়্যার তৈরি করতে পারলে হয়তো বাংলা বানানের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ শুদ্ধতা অর্জনের একটি যুগান্তরকারী পদক্ষেপ সৃষ্টি হবে।তবে এই জাতীয় কিছু করার পূর্বে বাংলায় নির্দিষ্ট ভাবে প্রতিটি শব্দের নিখুঁত বানান থাকা অতি আবশ্যক।

ইংরেজিতে একটি শব্দের বানান ভুল হলে ওই শব্দটি মুলত মরে যায় । এর কোনো সঠিক অর্থ বহন করেনা।যার জন্যে ভুল শব্দটি অনলাইনে কোথাও খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু বাংলায় একটি শব্দের বানান বিভ্রাট দেখা দিলে অনলাইনে ওই শব্দটির শুদ্ধ বানান খুঁজতে গেলে বিড়ম্বনা আরো বেড়ে যায়। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। একটি শব্দের বানান নিয়ে বিভ্রাট দেখা দিলে আমি যা করার চেষ্টা করি তা হলো গুগল সার্চ দেই।এই যেমন ধরুন ‘বানিজ্য’ এবং ‘বাণিজ্য’ কোনটি সঠিক বানান তা জানার জন্যে গুগল সার্চ দিলাম । ‘বানিজ্য’ শব্দটির জন্যে .৩৩ সেকেন্ড এ ৪৬৭,০০০ টি সার্চ রেজাল্ট পাওয়া গেল। আর ‘বাণিজ্য’ এর জন্যে .৩৪ সেকন্ডে পাওয়া গেল ১,৩৮০,০০০ টি সার্চ রেজাল্ট। এই ক্ষেত্রে দুটো বানান সঠিক হওয়ার কোনো কারণ নেই। ধরে নিলাম যেটি বেশি রেজাল্ট দেখালো হয়ত সেই বানানটি সঠিক। কিন্তু কখনো কখনো এর উল্টোটাও পেয়েছি অর্থাৎ ভুল বানানটির সার্চ রেজাল্ট বেশি দেখায়। যাক এই উদাহরণটি শুদ্ধ বানান খুঁজে বের করার কোনো সঠিক মানদণ্ড হতে পারেনা। তবে এই পরিসংখ্যান দিয়ে যেই বিষয়টা বুঝাতে চেষ্টা করছি তা হলো বাংলায় ভুল বানানের ভয়াবহতা! এই ক্ষেত্রে অনলাইন বাংলা অভিধান থেকে শব্দটির শুদ্ধতা জেনে নেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকেনা ।

বাংলা ভাষায় বানান সমস্যা কোনো নতুন সৃষ্ট সমস্যা নয়। এই জটিলতা প্রাচীন ও মধ্যযুগেও ছিল এখনো আছে। এপার-ওপারে গবেষণাও হচ্ছে বিস্তর। হালে প্রযুক্তির অগ্রগতি হলেও ইংরেজি ভাষার মত বাংলা বানানে বিশুদ্ধতা রক্ষা করার প্রচেষ্টা এখনো সফল হয়নি। প্রযুক্তির নব আবিষ্কারে অচিরেই হয়ত সেই সমস্যারও চমকপ্রদ সমাধান আমরা দেখতে পাব। তবে আমার মনে হয় বাংলা ভাষার বানানের জটিলতাই এই ভাষার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য।

১,০৪৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখি করি।সংবাদিকতা ছেড়েছি আড়াই যুগ আগে।তারপর সরকারী চাকর! চলে যায় এক যুগ।টের পাইনি কী ভাবে কেটেছে।ভালই কাটছিল।দেশ বিদেশও অনেক ঘুরাফেরা হলো। জুটল একটি বৃত্তি। উচ্চ শিক্ষার আশায় দেশের বাইরে।শেষে আর বাড়ি ফিরা হয়নি। সেই থেকেই লন্ডন শহরে।সরকারের চাকর হওয়াতে লেখালেখির ছেদ ঘটে অনেক আগেই।বাইরে চলে আসায় ছন্দ পতন আরো বৃদ্বি পায়।ঝুমুরের নৃত্য তালে ডঙ্কা বাজলেও ময়ূর পেখম ধরেনি।বরফের দেশে সবই জমাট বেঁধে মস্ত আস্তরণ পরে।বছর খানেক হলো আস্তরণের ফাঁকে ফাঁকে কচি কাঁচা ঘাসেরা লুকোচুরি খেলছে।মাঝে মধ্যে ফিরে যেতে চাই পিছনের সময় গুলোতে।আর হয়ে উঠে না। লেখালেখির মধ্যে রাজনৈতিক লেখাই বেশি।ছড়া, কবিতা এক সময় হতো।সম্প্রতি প্রিয় ডট কম/বেঙ্গলিনিউস২৪ ডট কম/ আমাদেরসময় ডট কম সহ আরো কয়েকটি অনলাইন নিউস পোর্টালে লেখালেখি হয়।অনেক ভ্রমন করেছি।ভালো লাগে সৎ মানুষের সংস্পর্শ।কবিতা পড়তে। খারাপ লাগে কারো কুটচাল। যেমনটা থাকে ষ্টার জলসার বাংলা সিরিয়ালে। লেখাপড়া সংবাদিকতায়।সাথে আছে মুদ্রণ ও প্রকাশনায় পোস্ট গ্রাজুয়েশন।
সর্বমোট পোস্ট: ২০৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৫১৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-১৭ ০৯:২৪:৩১ মিনিটে
banner

১৩ টি মন্তব্য

  1. ছাইফুল হুদা ছিদ্দিকী মন্তব্যে বলেছেন:

    আমরা যারা বাংলা ব্লগে লিখি সবারই এ এক বড় সমস্যা।
    সঠিক বলেছেন ভাই বংলা টাইপ নিয়ে অনেক বড় সমস্যায় ভুগছি।
    বিশেষ করে যুক্ত অক্ষরের ক্ষেত্রে কোন শব্দ মনে পড়লেও লিখতে পারছিনা বাংলা টাইপ না জানার কারণে। যারা জানেন এইই বিষয়ে জানাবেন আশারাখি এর সমাধা কি ?
    ধন্যবাদ আপনাকে।

  2. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    Avro key board download korun . F12 key press kore Bangla english uchcharone ja likhben tai Bangla hoye jabe .
    ar F7 press kore Bangla spell check kore neben .

    ar kono somosya nei .

  3. খন্দকার মোঃ আকতার-উজ-জামান সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    হ্যা অনেক সময় অনেক শব্দ ব্যবহার করতে চাইলেও বানান নিয়ে সংশয়ের কারণে ব্যবহার করিনা

  4. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    হা আমিও অভ্র দিয়ে লিখি , অভ্র এত এত সোজা কি করব। আর বাংলা বানান নিয়ে আ্নার এই লিখা সচেন তা বৃদ্ধি করবে অনেক কে।

  5. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    আমাৱ কাছে সপ্টওয়াৱ ভুল কৱেনা আমি ই সপ্টওয়াৱেৱ কাছে ভুল ইনপুট দেই

  6. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    Google থেকে যাৱা ট্ৰানাস্লেট কৱে এসব অনেক ই ভুল ইনপুট দেয়

  7. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    আসলেই বানান নিয়ে বেশ বেকায়দায় আছি
    লিখে মনে হলো এই শব্দটাতো এভাবে লিখে না আবার মনে হলো না ঠিকই আছে
    এই নিয়ে দুটানায় পড়তে হয় । আমারও অনেক বানান ভুল হয় :(

    সুন্দর পোষ্ট ভাল লাগল ভাইয়া :)

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top