Today 25 Jan 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বাঙ্গালির মুক্তির কাণ্ডারি

লিখেছেন: সহিদুল ইসলাম | তারিখ: ০৭/০৪/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 813বার পড়া হয়েছে।

দেখিনি ৫২, দেখিনি ৫৪,

দেখিনি ৬২-র আন্দোলন, উদ্দীপনা,
দেখিনি ৬৯, দেখিনি ৭০,
দেখিনি আমি ৭-ই মার্চের মিলন মোহনা।

হয়তোবা বলতে পারো, দুর্ভাগ্য আমার
৭১-র আগে আমার জন্ম হয়নি,
কিন্তু আমি বলবো, সুভাগ্য আমার
কারণ, বিধি আমায় দুটি সুদর্শনা চোখ দিয়েছে,
আরও দিয়েছে, শ্রবণ শক্তি সম্পন্ন দুটি কর্ণ।
বিধির নিয়ামত, কর্ণ আমায় সত্য শুনিয়েছে
চোখে দেখি আমি বাংলার ইতিহাসের সঠিক বর্ণ।

আজো আমি মুগ্ধ হয়ে শুনি সেই অমৃত সুধা,
যে সুধায় মিটে সবার প্রাণের ক্ষুধা।
৭ মার্চে যে সুধা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন
বঙ্গবন্ধু, বাঙ্গালির মুক্তির কাণ্ডারি
মিলন মোহনায় দাঁড়িয়ে সেদিন
স্বাধীনতার দিশারী, দৃপ্ত কণ্ঠে বলেছিলেন,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।
মূলত ঐ দিন থেকেই শুরু হয়
আমাদের মুক্তি সংগ্রামের নতুন পয়গাম।

আজ স্বাধীনতার ৪৩ বছর,
আমরা অনেক কিছু করেছি অর্জন,
কিন্তু স্বাধীনতার স্বপ্ন এখনো হয়নি পূরণ,
এই স্বপ্নের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কুশক্তি
৭১-র পরাজিত শক্তিরা বারবার আঘাত হেনেছে
আমাদের স্বাধীনতার উপর,
পর্বতসম জনপ্রিয়তা নিয়ে বাংলার কাণ্ডারি
যখন হাল ধরলেন,
তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নিষ্ঠুর ঘাতকের দল
বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।

শুধু হত্যা করেই ওরা ক্ষান্ত হয়নি,
এই বর্বরোচিত হত্যাকে জায়েজ করার জন্য
নানা অপপ্রচার চালাতে থাকে।
ধর্মের দোহাই দিয়ে আমার দেশের সহজ-সরল
মানুষদের বিভ্রান্ত করতে থাকে।
ওরা গ্রহণ করে হিটলারের সেই তত্ত্ব,
যেই তত্ত্বে মিথ্যাকে শতবার বললে মানুষ সত্য মনে করে।

নর্দমার কীট, ৭১-র পরাজিত শক্তিকে আমি বলবো
আচ্ছা, ধরে নিলাম বঙ্গবন্ধু খুব খারাপ লোক ছিলেন,
তোমাদের নিকট আমার প্রশ্ন,
ওই দিন, শেখ রাছেল যখন জানে বাঁচার আকুতি করছিল,
শেখ রাছেল যখন বলছিল,
আমাকে হাসু আপার নিকট পাঠিয়ে দাও,
বড় হলে আমি সারাজীবন তোমাদের দাসত্ব করবো,
জান্নাতি মেহমানের এমন আকুতি শুনে
কঠিন পাথরেরও তো মন গলে যাবে।

নিষ্পাপ শিশুর এমন আকুতিকে উপেক্ষা করে
তোমারা কেন তাঁকে হত্যা করলে?
এতেই তো প্রমাণ হয়,
এই স্বাধীনতা তোমাদের ভালো লাগেনি।
ভালো লাগেনি, ভালো কথা!
কিন্তু কেন তোমারা আমার স্বাধীন মায়ের বুকের উপর
দাপিয়ে বেড়াও, কেন নিষ্পাপ মানুষদের পুড়িয়ে মারো?

শোন ৭১-র পরাজিত শক্তিরা…
এতই যদি তোমাদের কষ্ট হয়, আমাদের স্বাধীনতায়,
তোমরা কি চলে যেতে পারো না?
তোমাদের সেই পেয়ারের স্থানে।
তোমাদের তো সেই স্থানই বেশী ভালো লাগার কথা
যে স্থানে ঈদগাহে বোমা দিয়ে মুসলিম মারলেও
বলার কেউ নেই, বরঞ্চ জিহাদি বলে উৎসাহ দিবে।
তবে কেন আমাদের জ্বালাতন করছ?
চলে যাও তোমাদের সেই পবিত্র ভূমে।

৮০৬ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমার পরিচিতিঃ আমি, মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম, পিতাঃ ডাঃ মোঃ সফি উদ্দিন, ১৯৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী, আমার জন্ম-ঢাকা জেলার ধামরাই থানার বেলীশ্বর গ্রামে নানা আলী আজগর মুন্সির বাড়ীতে । পৈত্রিক নিবাস, ঢাকা জেলার ধামরাই থানার অর্জ্জুন-নালাই গ্রামে, কিন্তু বাবার চাকরী জনিত কারনে আমি ছোটবেলা থেকেই মানিকগঞ্জ জেলার, সাটুরিয়া থানার বরুন্ডী গ্রামে বড় হই। বর্তমানে এই গ্রামেই আমি স্থায়ী ভাবে বসবাস করছি। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে আমি বাবা-মার প্রথম সন্তান। আমার লেখাপড়া শুরু হয় উমানন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং এই বিদ্যালয় থেকে ৪র্থ শ্রেণী ও বরুন্ডী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করি, পরে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত ধানকোড়া গিরীশ ইনস্টিটিউশন (হাই স্কুল) হতে ১৯৯২ সালে সাফল্যের সহিত এস,এস,সি পরীক্ষা পাশ করি । সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ হতে ১৯৯৪ সালে আই,কম, ১৯৯৬ সালে বি,কম এবং একই কলেজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়_বাংলাদেশের অধীনে ১৯৯৮ সালে ব্যবস্থাপনা বিষয়ের উপর এম,কম সমাপ্ত করি। এম,কম শেষ পর্বের পরীক্ষা শেষ করার আগেই আমি ১৯৯৮ সালে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করি এবং চাকুরীরত অবস্থায় এম,কম সমাপনী পর্ব সাফল্যের সাথে সমাপ্ত করি। ২০০৮ সাল পর্যন্ত আমি বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করি। ২০০৯ সাল হতে আগস্ট/২০১৪ সাল পর্যন্ত জুরং শিপইয়ার্ড_ সিঙ্গাপুরে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে এবং সেপ্টেম্বর/২০১৪ হতে অদ্যাবধি প্রজেক্ট সুপারভাইজার হিসেবে _ স্যাম্বক্রপ মেরিন_সিঙ্গাপুরে কাজ করছি। আমি ছোটবেলা থেকে লেখালেখি করি । মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের আবহমান বাংলা ম্যাগাজিনে প্রথম লেখা শুরু। আমি গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ( রাজনৈতিক এবং সমসাময়িক) এবং উপন্যাস লেখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আধুনিক বা সাম্প্রতিক পটভূমিকা নিয়ে লেখাই হল আমার অভিগমন। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা আমার মনকে সর্বাধিক ক্ষতবিক্ষত করে। আমার প্রথম প্রকাশিত বইয়ের নাম “আবীর”। যৌথভাবে আমার প্রকাশিত বই ১০০ কবির প্রেমের কবিতা ২য় এবং ৩য় খণ্ড। আমি দেশ এবং বিদেশের বেশ কিছু অনলাইন এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় নিয়মিত গল্প, কবিতা এবং উপন্যাস লিখছি_ এর মধ্যে রয়েছে _ বাংলারকন্ঠ (সিঙ্গাপুর), দৈনিক সিলেটের আলাপ, আমাদের কিশোরগঞ্জ, বাংলারকন্ঠ(অস্টেলিয়া), সাভার নিউজ ২৪ ডট কম, সংবাদ ২৪ ডট নেট, প্রিয় ডট কম, রাঙ্গুনিয়া ২৪ ডট কম, এবি নিউজ২৪, বিবেকবার্তা ডট কম, বাংলা কবিতা ডট কম, বিডি নিউজ ২৪ ডট কম, গল্প কবিতা ডট কম ইত্যাদি। মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম Sahidul_77@yahoo.com
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৪ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৫৩৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-১০-১১ ১৭:০২:১৬ মিনিটে
Visit সহিদুল ইসলাম Website.
banner

৩ টি মন্তব্য

  1. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক বড় লিখা । তবে বিষয়বস্তু সুন্দর । ক্ষোভ, আক্ষেপ আর প্রতিবাদ ফুটে ওঠেছে কবিতায় ।
    ভাল লেগেছে লিখা । ভাল থাকুন কবি ।

  2. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রতিবাদী কবিতা – বেশ ভাল লেগেছে।
    ৭১-র পরাজিতদের ঘৃণা করি, ধিক্কার জানাই।
    কিন্তু আমাদের তথাকথিত শাসকগোষ্ঠিী, স্বঘোষিত মা-বাপ রাজনীতিকরা কি ঠিক কাজটি করছেন?
    স্বাধীনতার ৪৪ বছর যে তিনটি মহলের কাছে দেশটা লীজ আছে তারা তো সবাই নিজেদের একমাত্র দেশপ্রেমিক বলে তারস্বরে চিৎকার করে গলা ফাটাচ্ছেন! সেই তথাকথিত ক্ষমতাবানরা ক্ষমতায় থেকেও ৪৪ বছরে ৭১-র পরাজিত ভূতদের সাথে পারলেন না কেন? তাদের সততা কি প্রশ্নবিদ্ধ নয় কবি? তারা কি সত্যি জনগনের বন্ধু?
    সুভাগ্য >সৌভাগ্য

  3. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রতিবাদী কাব্য বেশ মন মুগ্ধকর লিখনী
    চমৎকার হয়েছে
    শুভ কামনা থাকলো

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top