Today 20 Oct 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বান্দরবন ভ্রমণ – নীলগিরি

লিখেছেন: মরুভূমির জলদস্যু | তারিখ: ২৭/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 712বার পড়া হয়েছে।

২৫ জানুয়ারি রওনা হয়ে ২৬ তারিখ সকালে পৌছাই খাগড়াছড়ি। একটি মাহেন্দ্রা গাড়ি রিজার্ভ করে নিয়ে সারা দিনের জন্য বেরিয়ে পড়ি খাগড়াছড়ি ভ্রমণে। একে একে দেখে ফেলি “আলুটিলা গুহা”, “রিছাং ঝর্ণা”, “শতবর্ষী বটবৃক্ষ” আর “ঝুলন্ত সেতু”।

পরদিন ২৭ জানুয়ারি খাগড়াছড়ি থেকে রাঙ্গামাটির দিকে রওনা হই একটি চান্দের গাড়ি রিজার্ভ করে। পথে থেমে দেখে নিই “অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহার”। ২৭ তারিখ দুপুরের পরে পৌছাই রাঙ্গামাটি। বিকেল আর সন্ধ্যাটা কাটে বোটে করে কাপ্তাই লেক দিয়ে “সুভলং ঝর্ণা” ঘুরে। ২৮ তারিখ সকাল থেকে একে একে দেখে এলাম ঝুলন্ত সেতু, রাজবাড়ি ও রাজবন বিহার। দুপুরের পরে বাসে করে রওনা হয়ে যাই রাঙ্গামাটি থেকে বান্দারবানের উদ্দেশ্যে।

বান্দরবনে পৌছতে পৌছতে রাত হয়ে যায়। দুই একটি হোটেল আগে থেকেই জানা আছে, কিন্তু সেগুলিতে পছন্দ মত রুম না মিলাতে চলে আসলাম ট্রাফিক মোড়ের কাছে হোটেল “ফোরস্টার”রে। স্বপ্নের ভাগ্যে এবারও কাপল বেড, এবং সবচেয়ে ভালো রুমটা।

রাতের খাওয়া বাকি এখনও। রাজার মাঠের পাশেই আছে চেনা রেস্টুরেন্ট “রি-স্বং সং”। বান্দরবনে আসলেই এখানে খাওয়া দাওয়া করি আমরা। ফ্রেশ হয়ে চলে যাই সেখানে।

রাতের খাবারের পার্ট শেষে রাতের আড্ডা শুরু হয় স্বপনের রুমে। আগামী কালের ট্যুর প্লান নিয়ে আলোচনার পরে ঠিক হয়, সকালের নাস্তা সেরে জিপ নিয়ে যাব নীলগিরি। সেখান থেকে ফেরার পথে চিম্বুক হয়ে থামবো শৈল প্রপাতে। সব ঘুরে বান্দরবন ফিরে দুপুরের খাবার শেষে বিকেলে যাব নীলাচল, সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকব সেখানে, দেখব সূর্যাস্ত।

২৯ তারিখ সকাল, নাস্তা সেরে গত রাতের প্লান মাফিক চলে আসি জিপ ষ্টেশনে। অনেক দরদাম করে (মনে নাই) টাকায় একটি জিপ ঠিক করি নীলগিরি আর শৈলপ্রপাত যাওয়ার জন্য।

শহর ছেড়ে বের হতেই শুরু হয় পাহাড়ি উঁচুনিচু পথ। অনেক বার গিয়েছি এই পথে তবুও পুরনো হয় না। সব সময় তার সেই পুরনো মায়াতেই টানে।

পাহাড়ি পথ আর পথের ধানের পাহাড়ি বসতির বিচিত্র জীবন যাপনে সাক্ষী হয়ে ছুটে চলে আমাদের গাড়ি। পাহাড়ের মাঝ দিয়ে নদীর মতো একে বেকে চলেছে পথ আর পাহারের নিচ দিয়ে পথের মতো একে বেকে বয়ে চলেছে, পাহাড়ি নদী।

পথে দু যায়গায় থামতে হয়। একটি পুলিশ চেকপোস্ট, অন্যটি আর্মি চেকপোস্ট। পুলিশ চেক পোস্টে টুরিস্টদের নামতে হয় না কিন্তু আর্মি চেক পোস্টে নেমে নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার দিয়ে আসতে হয়। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এখানে অবশ্যই সবাই সঠিক তথ্য দিবেন, এগুলি হয় তো আপনারই কাজে লাগবে যদি কোন সমস্যা বা দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ চেকপোস্টের সামনে আমাদের জিপ

ঘণ্টা দেড়েকের জার্নি শেষে আমরা পৌছাই আমাদের প্রথম গন্তব্য “নীলগিরি”। ঝাঁঝাঁ রোদ্দুর চার ধারে, চকচকে রদ উঠেছে। গাড়ি থেকে নেমে কিছুটা চড়াই টপকে উঠে যাই ভিউ পয়েন্টের ছাউনির নিচে।

বেশকয়েকটা ভিউ পয়েন্ট আছে এখানে। সেগুলি হেঁটে হেঁটে দেখি আর সেই সাথে চলে ক্লিক-ক্লিক ক্যামেরার কাজ। ক্যামেরার চোখে আপনারাও দেখুন শীতের নীলগিরি।


এই ধরনের একটা যায়গায় থাকতে গেলে আপনার পকেটের জোড় থাকতে হবে।


নীলগিরি হেলিপ্যাড


একেলা


বসবেন নাকি একটু!


ভিউপয়েন্টে সাইয়ারা


সবার সামনের ভিউপয়েন্ট


ম্যাপের সামনে সাইয়ার ও বুসরা


পূর্বদিকের ভিউপয়েন্টে, পিছনে সাঙ্গু নদ


সাঙ্গু নদ


আড্ডা


ফিরবো এবার….

আগামী পর্বে দেখা হবে শৈলপ্রপাতে।

পূর্বের পর্বগুলি –
খাগড়াছড়ির পথে[”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব[”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – আলুটিলা গুহা[”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – রিছাং ঝর্ণা[/”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – শতবর্ষী বটবৃক্ষ[”।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহার[”।
রাঙ্গামাটি ভ্রমণ – সুভলং ঝর্ণা ও কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহার[”।
রাঙ্গামাটি ভ্রমণ – ঝুলন্ত সেতু, রাজবাড়ি ও রাজবন বিহার[”।
বান্দরবন ভ্রমণ – নীলগিরি[”।

প্রথম প্রকাশ: ঝিঁঝি পোকা

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের ঝিঁঝি পোকার বাগানে নিমন্ত্রণ।

৬৯৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের মরুভূমির জলদস্যুর নিমন্ত্রণ।
সর্বমোট পোস্ট: ৯৭ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৯৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৪-৩০ ১৫:৫৮:৫৮ মিনিটে
Visit মরুভূমির জলদস্যু Website.
banner

১২ টি মন্তব্য

  1. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    Khub vromon chhobi
    lekha prochur
    valo laglo

  2. কামাল উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার এমন চমৎকার ছবিগুলো দেখে আমি বরাবরই মুগ্ধ হই,,,,,,,,,,,,,শুভেচ্ছা অবিরত।

  3. কামাল উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনি আমার আমিয়াখুম পোষ্টে বলেছিলেন
    আমি জানতাম রেমাক্রি থেকে ভোড়ে রওনা হলে সেদিনই সন্ধ্যা নাগাদ রেমাক্রিতে ফেরা যায়!!

    আমিয়াখুম নয়, আপনি আসলে নাফাখুমের কথাটাই শুনেছিলেন। নাফাখুম ও কিন্তু চমৎকার একটা জলপ্রপাত আছে, অনেকে ওটাকে বাংলার নায়াগ্রাও বলে থাকে। আর আপনি যদি আমিয়াখুম যান তাও নাফাখুম হয়েই যেতে হবে, ধন্যবাদ।

  4. আর এন মিলি মন্তব্যে বলেছেন:

    আহ নীলগিরি !!আবার যাব আপনার ছবিগুলো দেখে লোভ সামলাতে পারছি না

  5. মরুভূমির জলদস্যু মন্তব্যে বলেছেন:

    আমিও যাব সময় সুযোগ হলে ঐদিকে আবার

  6. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লেগেছে
    আমাকে সাথে নিতে ভুলবেন না,

    শুভ কামনা ।

  7. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক ভাল লাগা পোস্টে

  8. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    আহ ভাল লাগল ছবি দেখে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top