Today 27 May 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বান্দর – একটি ফটোপোষ্ট

লিখেছেন: কামাল উদ্দিন | তারিখ: ০২/১০/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1087বার পড়া হয়েছে।


গ্রামের নাম রামপুর। এটা নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানার অন্তর্গত একটি গ্রাম। এই গ্রামটিতে প্রচুর লোকসংখ্যা থাকলেও একটা অংশে বিশাল বিশাল প্রাচীন গাছ আর ঝোপঝাড়ের কারণে এটাকে অনেকটা বনভুমীর মতোই দেখা যায়। বলতে পারেন বানরের আবাসস্থলের জন্য যা খুবই উপযোগী। অনেকে এটাকে বানরের গ্রামও বলে থাকে। তো একদিন চলে গেলাম রামপুরের বানর দেখতে। যাদের সাথে দেখা হলো তাদের নিয়েই আমার আজকের বানরীয় পোষ্টSmile স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় এই গ্রামে আট থেকে দশটি দল আছে বানরের। একেক দলে ২০ থেকে ২৫টি বানর থাকে। সেই হিসাবে ২০০ থেকে ২৫০টি বানর এই গ্রামে বাস করে, যদিও খাদ্য আর মানুষের অত্যাচারে ওদের জীবন এখানে বিপন্ন প্রায়।

(২/৩) আগের বার বানরদের দেখা পেয়েছিলাম মন্দিরের উপরের বটগাছে, এবার অনেকক্ষণ বট গাছের নিচে বসেও ওদের সাক্ষাৎ পাইনি, শেষে একজন বললো শশ্মান ঘাটের দিকে গেলে পেতে পারেন, কারণ ওরা এক যায়গায় স্থির থাকে না। শশ্মান ঘাটের বাঁশের ঝাড়ে ঠিকই ওদের পেয়ে গেলাম।

/

(৪/৫) বাহিরের লোকদের ওরা চেনে, কেউ আসে খাবার নিয়া কেউ আবার ঢিল ছুরে ওদের বিরক্ত করে, তাই বাঁশ বাগানে বসে আমাদের ওরা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।


(৬) ক্যামেরা দেখে ভালোই পোজ দিলো, কি বলেনSmile


(৭) কেউ আবার আমাদের চাইতে বাচ্চার দিকেই বেশী মনোযোগী।


(৮/৯) ইতিমধ্যে আবার বৃষ্টি শুরু হওয়ায় আমাদের আর বানরদের দুপক্ষেরই অসুবিধায় পরতে হয়।


(১০/১১) প্রথমে বিস্কুট দিয়ে বুঝলাম এভাবে সব বানরকে বাঁশ ঝাড় থেকে বের করা সম্ভব নয় তাই নিয়ে আসলাম মুড়ি, আর ছিটিয়ে দিলাম পাশের খালি জায়গায়। ব্যস একে একে সবাই বেড়িয়ে আসতে লাগলো।


(১২) ওরা আমাদের দেওয়া মুড়িগুলো কুড়িয়ে খেতে লাগলো, আর আমরা মনের সুখে ওদের ছবি তুললাম।


(১৩/১৪) মায়ের আশে পাশে বাচ্চাটি মনের সুখে খাচ্ছে খেলছে।


(১৫) এই দুইটার নাম দিছি আমি মাথা নষ্ট, ওরা বার বার আমাদের আক্রমণ করার চেষ্টা করে।


(১৬) বানরের বাচ্চাগুলোর কার্যক্রমই সব চেয়ে মজার।


(১৭/১৮) মুড়ি খাওয়ার পর কেউ কেউ কাঠাল খাওয়ার ব্যস্ত হয়ে পরে।


(১৯) খাওয়ার শেষ হওয়ার পর অনেকেই আয়েশ করে জিরিয়ে নিচ্ছে, আর আমরাও বাড়ির পথে পা বাড়ালাম।

১,০৭২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
বিশ্ব জোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র –নানা ভাবে নতুন জিনিস শিখছি দিবা রাত্র ……
সর্বমোট পোস্ট: ২৭ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৯১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৯-১৪ ০৫:২৮:১৯ মিনিটে
banner

১৪ টি মন্তব্য

  1. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    Darun darun post
    mugdho hoye dekhlam

    aro aro chai
    valo thakben

    • কামাল উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

      ছবি আর ভ্রমণ কাহিনী দিতে আমার কোন সমস্যা নাই, শুধু লিখতে একটু আলসেমী লাগে, কিন্তু ষ্টকে আছে অজস্র, ধন্যবাদ দাদা।

  2. খন্দকার মোঃ আকতার-উজ-জামান সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    অনেক সুন্দর লাগলো ছবিগুলো।ভালো থাকবেন

  3. আর এন মিলি মন্তব্যে বলেছেন:

    সব গুলাই দারুন তবে ১,৩,৭ ১৬ অসাধারন

  4. মরুভূমির জলদস্যু মন্তব্যে বলেছেন:

    ঐদিকে কখনো যাওয়া হলে অবশ্যই আপনার গ্রামে যেতে হবে।

  5. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    Photo gulo vhalo hoyce, ar lekha ta to osadharon

  6. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    Ami gelo ekbar jabo. . . Ha ha ha . . . Kubi agrohi hoye aci@মরুভূমির জলদস্যু

  7. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    বানরদের নিয়ে ছবি গুলি চমৎকার হয়েছে?

  8. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    মোবাইলে ছবি দেখতে পেলাম না।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top