Today 06 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বিয়ে বিয়ে খেলা

লিখেছেন: জিল্লুর রহমান | তারিখ: ০৩/০৮/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 565বার পড়া হয়েছে।

রুপার ছবিমেয়েটির বয়স আর কতোই বা হবে বড় জোর এগারো বা বারো। অথচ বিয়ের জন্য পাত্র সন্ধানের কাজ শুরু হয়েছে আরো বছর খানেক আগে। গায়ে গহনা, পায়ে আল্তা, নাকে নোলক, মাথায় ঘোমটা লাগিয়ে নারীত্ব শেখানোর কাজ শুরু হয়েছে সেই সাত/আট বছর বয়স থেকেই। ইতোমধ্যেই পড়শীদের মধ্যে কানাঘুষাও কম শুরু হয়নি। তাই মেয়েটির বাপ-মা’র দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই, যেমন করেই হোক যত তাড়াতাড়ি বিয়ের ব্যবস্থা করা যায় ততই মঙ্গল।
মেয়েটির নাম বাতাসী। পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ডুডুমারী গ্রামে তার জম্ম। বাতাসী পাঁচ বোনের মধ্যে সবার বড়। বাতাসীর বাবার নাম ফরিদুল, মায়ের নাম আমিনা। পুত্র সন্তানের আশায় একে একে পাঁচটি মেয়ে এসেছে তাদের সংসারে, তাই বড় টান পোড়েনের সংসার, মানবেতর জীবন-যাপন, না মরে বেঁচে থাকা। ফরিদুল দিনমজুর, নিজের সুস্থ সবল দেহ আর হাত দু’খানাই তার জীবিকার একমাত্রসম্বলকোন কারণে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে কিংবা কোনদিন কাজ না পেলে অনাহারে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই, তারপর পাঁচটি মেয়ের বিয়ে দেওয়ার দুঃশ্চিন্তায় ফরিদুল যেন দিশেহারা প্রায়।
অবশেষে অনেক খোঁজাখুজির পর হাড়িভাসায় এক পাত্রের সন্ধান মিললো। পাত্রের নাম বাবলু, বয়স ত্রিশ বছর, প্রথম স্ত্রীর কোন সন্তান-সন্ততি নেই বলে পাত্র মহাশয় দ্বিতীয় বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে যে যৌতুকের কিছু টাকা পাওয়া যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। আর বাল্য বিবাহ এবং বহু বিবাহ প্রথা যে রাষ্ট্রীয় আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ এ নীতিবাক্য বেতার, টেলিভিশন থেকে এখনো প্রত্যন্ত অঞ্চলের সব মানুষের কানে পৌঁছায়নি, তাই এ এলাকায় একাধিক বিয়ের ঘটনা অনেক। তবে বাতাসীর ভাবী স্বামীরইবা দোষ কীসের?

বিবাহ স্থির হলো, যৌতুক বাবদ নগদ পাঁচ হাজার টাকা, একটা ভ্যান আর একটা ক্যাসেট প্লেয়ার। সেদিন সন্ধ্যায় বাবলু হাট থেকে ফিরে করিছন, কছিরন বলে ঘরে ঢুকে বলল, কাথা ঠিক করি আসিনু (কথা ঠিক করে এলাম)।
কছিরন সহসা বাবলুর কথা বুঝতে না পেরে জিজ্ঞেস করল, কীসের কাথা (কীসের কথা)?
বাবলু সহাস্যে বলে উঠল, মোর বিহার কাথা (আমার বিয়ের কথা)।
কছিরনের মাথায় যেন বজ্রপাত পড়ল, প্রচণ্ড বিষ্ফোরণে হৃদয়ের ভিতরটা চুরমার হয়ে গেল। কছিরন অষ্ফুটস্বরেবলল, তোমহরা আরো বিহা করিবেন (তুমি আবার বিয়ে করবে)?
বাবলু মুখ বিকৃত করে বলল, বিহা করিবানাহু তে কি করিম? ভেলদিন তো দেখিনু, তোক বিহা করিবার ভেলদিন হইল আর কতদিন দেখিম? এলহাও তুই মোক একটা ছোয়া দিবা পারিলু নি, মোর কি বাপ হবা মনায় না? মোর কি বংশের বাতি ধরাবার কেহর দরকার নাই? (বিয়ে করবো না তো কী করবো? অনেকদিন তো দেখলাম, তোমাকে বিয়ে করার অনেকদিন হলো আর কতদিন দেখবো? এখনো তুমি আমাকে একটা সন্তান দিতে পারলে না, আমার কি বাবা হওয়ার সাধ নেই? আমার বংশের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার দারকার নেই)?
তামান দোষ মোর কপালের নাহইলে বিহার ভেলদিন হইল, কত মাজারত গেনু, কত হুজুরের পানি পরহা খানু তাহ আল্লা মোক এক খানা ছোয়া দিল নাই। মুই আল্লারঠে কী দোষ করিনু যে আল্লা মোক একখান ছোয়া দিল নাই, (সব দোষ আমার ভাগ্যের, নাহলে বিয়ের অনেক দিন হলো, কত মাজারে তো গেলাম, কত মাওলানার পানি পড়া খেলাম তবু আল্লাহ আমাকে একটা সন্তান দিলো না। আমি আল্লাহর কাছে কী দোষ করেছি যে আল্লাহ আমাকে একটা সন্তান দিলো না।) বলে কছিরন কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল।

বাতাসী তার বিয়ের কথা জানতে পারলো বিয়ের আগের দিন। দুপুরে হাতে কাপড় ঝুলিয়ে বাতাসী যখন পুকুরে গোসল করার জন্য যাচ্ছিল তখন তার এক দুরসম্পর্কীয় ভাবী বাতাসীকে অদূরে একটা গাছের নিচে বসিয়ে বলল, বাতাসী শুনিনু তোর নাকি বিহা? (বাতাসী শুনলাম তোর নাকি বিয়ে)?
বাতাসী বিয়ের কথা কিছুই জানে না তাই ভাবীর দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইল।
তোর বিহা তুই হে কহিবা পারিন না? এলাও শুনিননাই? আইসেক এইঠে বইসেক। তোর নগদ কুনিক কাথা কহু? (তোর বিয়ে তুই বলতে পারিস না? এখনো শুনিসনি? আয় এখানে বস। তোর সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করি)? বলে বাতাসীকে কাছে বসিয়ে মাথার উকুন মারার অজুহাতে করে কথা বলতে শুরু করল, কাইল তোর বিহা, তুই স্বামীরবাড়ি যাবু, তোর বোধে ভাল লাগে না? (কাল তোর বিয়ে, তুই স্বামীর বাড়ি যাবি, তোর মনে হয় ভালো লাগে না?
বিয়ে, স্বামী, সংসার সম্পর্কে এগারো/বারো বছর বয়সের বালিকা বাতাসীর ধারণা নেই তাই সে কোন উত্তর দিতে পারলো না, আর অবোধ বালিকাকে কাছে পেয়ে জ্ঞান বিতরণের সুযোগে ভাবীটিও স্বামী দেবতাকে সন্তোষ্ট করার বিভিন্ন কৌশল অনবরত বিড় বিড় করে বলতে থাকলো, স্বামীসেবা করে বেহেস্তেরচাবি হাতে নেওয়ার সহজ উপায় ও সংসারের সবার মন জয় করে নিজের সুখ বিসর্জন দেওয়ার তৃপ্তিটিও বালিকার কানে ঢুকানো হলো। আর বাতাসী বুঝেই হোক আর না বুঝেই হোক হ্যাঁ কিংবা না, বলে সাড়া দিলো।
বর এলো, বরযাত্রী এলো, ২/১ টি পটকা ফুটিয়ে বিয়ের আনন্দধ্বনিও ঘোষিত হলো। দু’পক্ষের বেহাই-বেহাইনদের মধ্যে রং তামাশারও অন্ত রইল না, শুধু যার জন্য এতকিছুর আয়োজন তার মুখে কোন কথা ফুটলো না। তার চোখে, মুখে একটা গাঢ় কালিমা মাখা শংকার ছাপ ফুটে উঠল, তা কারো চোখে ধরা পড়ল, কারো চোখে ধরাই পড়ল না। কিন্তু তাতে আর কী বিয়ের দিনে মেয়েদের চোখে-মুখে কিছুটা উদ্বিগ্নের ছাপ থাকাই স্বাভাবিকবর পক্ষের একজন দাড়িওয়ালা, পাঞ্জাবী-পায়জামা পরিহিত মুরুব্বী কিছিমের লোক দেখা গেল। শোনা গেল তিনিই বিবাহ পড়াবেন। ভুঁড়ি ভোজ শেষে তিনি কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সাদা কাগজ, কলম নিয়ে লেখালেখির কাজ শুরু করলেন। লেখা শেষে কয়েকজন সাক্ষীসহ পাত্রের সম্মতি জানা গেল। কিন্তু পাত্রীর সম্মতি নিতে গিয়ে দেখা গেল বিপত্তি। সাক্ষীগণ মৌলভী সাহেবসহ পাত্রীর কাছে গিয়ে দেখেন বেচারী সংজ্ঞাহীন।
আবার কেউ কেউ রাত্রি গভীর হওয়ার অজুহাতে তখনই পাত্রীর সম্মতি জানার জন্য অস্থির হয়ে পড়ল। অবশেষে মৌলভী সাহেব তার লেখা কয়েকটি লাইন পড়ে পাত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, বলুন কবুল।
কিন্তু বালিকার বয়স এগারো/বারো বছর হলেও অন্য কারো কণ্ঠেই হোক, ভাবীর কণ্ঠেই হোক আর সংজ্ঞাহীন পাত্রীর কণ্ঠেই হোক তা জানার কারো অবকাশ রইল না। সকলে ঢেকুর ছেড়ে পান চিবাতে চিবাতে আলহামদুলিল্লাহ্ বলে সুংসবাদের আনন্দধ্বনি ছড়াতে লাগল। শুধু যার বিয়ে তার সম্মতির কথা জানা গেল না। জীবনের এমন আনন্দের দিনকে উপভোগ করা তো দূরের কথা, জীবনের একান্ত আপন পুরুষটিকেও একবার চোখে দেখার সুযোগ হলো না।
একটা অবোধ বালিকা নিজের ইচ্ছা, অধিকার, স্বাধীনতাবুঝবার আগেই সমস্ত আশা আকাংখা বিসর্জন দিয়ে কন্যাদায়গ্রস্থ পিতাকে দায়মুক্ত করে ত্রিশোর্ধ একজন পুরুষের কাছে নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে সঁপে দিয়ে সতীনের সঙ্গে সংসার করতে চলল।

সমাপ্ত

৭৩২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি পেশায় একজন প্রকৌশলী। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে একসময় লেখালেখি শুরু করেছিলাম। বর্তমানে আমার লেখা উপন্যাসের সংখ্যা ১৮টি। এখনো লেখা চলছে অবিরত। আমার ফোন নাম্বার-০১৭১৮১৫৭০৭৬
সর্বমোট পোস্ট: ৩৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৮৭ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৮-০২ ০৪:০১:৪৪ মিনিটে
Visit জিল্লুর রহমান Website.
banner

২৩ টি মন্তব্য

  1. এ হুসাইন মিন্টু মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকায় আপনাকে স্বাগতম

  2. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    জিল্লুর রহমান ভাই আপনাকে চলন্তিকায় স্বাগত জানাচ্ছি।
    আপনার জীবনের গল্পটি আমার কাছে এত ভালো লেগেছে যে গল্পটি পড়ে আমার কান্না এসে গেছে। আপনার গল্পে যেমন একজন কন্যাদায়গ্রস্থ পিতার অসায়ত্বের চিত্র ফুটে উঠেছে, তেমনি ফুটে উঠেছে একজন অসাহায় নারীর করুণ কাহিনী। নারী সর্বক্ষেত্রে অবহেলিত হচ্ছে আজ। সন্তান না থাকার কারণে যেমন স্বামীর কাছে নারীর মূল্য নেই, তেমনি কন্যা সন্তান বেশী হওয়ার কারণে বাবার কাছে নারীর কোন মূল্য নেই। এই বাস্তব কাহিনীটি আপনার গল্পের মধ্যে ফুটিয়ে তুলেছেন অত্যান্ত সুন্দর সাবলীল ও আঞ্চলিক ভাষায়। পাশাপাশি বাল্য বিবাহ ও একাধিক বিবাহের চিত্রও ফুটে উঠেছে। তাই এই সুন্দর জীবনের গল্পটি রচনা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভাল থাকবেন। সব সময় আমাদের পাশে থাকবেন। নিয়মিত লিখবেন। এই কামনা করি।

    • জিল্লুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

      প্রত্যেকটা লেখা শুরু করি আর ভাবি এবার কোন এক পুরুষকে নিয়ে উপন্যাস লিখব কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার লেখায় ফুটে উঠে নারীদের জীবনের নির্মম দিকগুলো। জানি না শেষ পর্যন্ত আমাকে সবাই নারীবাদী বলবে কী না। আসলে আমি মানবতাবাদী। আমার লেখা পড়বেন এবং মন্তব্য করবেন। সেই সঙ্গে আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন। আপনাদের গঠনমূলক সমালোচনা আমার লেখাকে আরো সমৃদ্ধ করবে। সম্ভব হলে আমার লেখাগুলো ফেসবুকে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন যেন আমার লেখা অতি দ্রুত বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে। ভালো থাকবেন।

  3. এ টি এম মোস্তফা কামাল মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখার সাবলীলতায় মুগ্ধ হলাম। চলন্তিকায় স্বাগতম। আমিও আপনার মতোই নতুন।

    • জিল্লুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

      আমার লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি লেখার জগতে নতুন। তাই মুগ্ধ হওয়ার পাশাপাশি পরামর্শও দিবেন। এখানে অথবা ফেসবুকে অথবা আমার মোবাইলে। আমার মোবাইল নাম্বার-০১৭১৮১৫৭০৭৬।

  4. আলামগীর কবির মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রথম লেখা স্টিকি পেয়ে গেল। চলন্তিকাতে আপনাকে স্বাগতম। ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছাও নিবেন।

  5. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকাতে আপনাকে অভিনন্দন। নিয়মিত লেখা পোস্ট করবেন এবং চলন্তিকার সাথে থাকবেন। ঈদের শুভেচ্ছা রইল।

  6. সম্পাদক মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকাতে আপনাকে অভিনন্দন।

  7. আনোয়ার জাহান ঐরি মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রথম আলোতে আপনার লেখার সাথে আমার পরিচয় আছে। এখানেও আপনার সুসাহিত্য নিয়মিত পাবার আশা করছি। স্বাগত আপনাকে।

    • জিল্লুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

      আমার লেখাকে সুসাহিত্য বলে আমাকে সম্মান দেয়ার আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। এই কথাটা বোধ হয় আপনার মুখে প্রথম শুনলাম। আপনার মুখে ফুল চন্দন ফুটুক। সত্যি সত্যি আমার লেখা যেন সুসাহিত্য হয়। শুভকামনা।

  8. আহমেদ ফয়েজ মন্তব্যে বলেছেন:

    “বাতাসী তার বিয়ের কথা জানতে পারলো বিয়ের আগের দিন। দুপুরে হাতে কাপড় ঝুলিয়ে বাতাসী যখন পুকুরে গোসল করার জন্য যাচ্ছিল তখন তার এক দুরসম্পর্কীয় ভাবী বাতাসীকে অদূরে একটা গাছের নিচে বসিয়ে বলল, বাতাসী শুনিনু তোর নাকি বিহা?”
    “আলহামদুলিল্লাহ্ বলে সুংসবাদের আনন্দধ্বনি ছড়াতে লাগল। শুধু যার বিয়ে তার সম্মতির কথা জানা গেল না। জীবনের এমন আনন্দের দিনকে উপভোগ করা তো দূরের কথা, জীবনের একান্ত আপন পুরুষটিকেও একবার চোখে দেখার সুযোগ হলো না।”
    সত্যিই ভাই মন ছুঁয়ে গেল।
    এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি কিন্তু থামাতে পারছেনা সরকার, সমাজ, সামাজিক প্রতিষ্ঠান। বাতাসীর মতো প্রতিদিনই জীবন ও জীবনের শৈশব বিলিয়ে দিচ্ছে হাজারো শিশু।
    চলন্তিকা সাইটে এমন একটি লেখা চলন্তিকার মানকে বৃদ্ধি করেছে। আপনাকে অভিনন্দন ও স্বাগতম।

  9. জিল্লুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    আসলে সরকার এবং এন.জি.ওগুলো কাজ করছে। নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। এসবের মুলে আসলে দরকার নারী শিক্ষা এবং নারীদের অর্থ সংশ্লিষ্ট কাজে সম্পুক্ত করা। আগে প্রয়োজন নারীকে বোঝা থেকে সম্পদে পরিণত করা তাহলে সমস্যার অনেকটা সমাধান হবে। বিষয়টা অনেক বড় এত ছোট পরিসরে আলোচনা করে শেষ হওয়ার মতো নয়। তবু আপনার কথা প্রেক্ষিতে বললাম। নারীরা এগিয়ে যাক, আমরা পুরুষরা তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করবো। ভালো থাকবেন।

  10. সুপণ শাহরিয়ার মন্তব্যে বলেছেন:

    “একটা অবোধ বালিকা নিজের ইচ্ছা, অধিকার, স্বাধীনতা বুঝবার আগেই সমস্ত আশা আকাংখা বিসর্জন দিয়ে কন্যাদায়গ্রস্থ পিতাকে দায়মুক্ত করে ত্রিশোর্ধ একজন পুরুষের কাছে নিজের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে সঁপে দিয়ে সতীনের সঙ্গে সংসার করতে চলল।”

    জিল্লুর রহমান,
    অত্যন্ত সময়োপযোগী লেখা। অসম্ভব সুন্দর ভাষায় একটা মর্মান্তিক বাস্তবকে তুলে এনেছেন। পড়ার পর মনটা ভিঁজে গেলো। এমন লেখা আরো চাই। ধন্যবাদ।

  11. জিল্লুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ। আশা করি আমার লেখা পড়বেন। ভালো থাকবেন।

  12. বাহাউদ্দিন আহমেদ মন্তব্যে বলেছেন:

    নারীর বাস্তব জীবনের একটি করুন কাহিনী তুলে ধরেছেন।

  13. আঃ হাকিম খান মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার সুসাহিত্য নিয়মিত পাবার আশা করছি।

  14. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো লিখা

    দারুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top