Today 17 Dec 2017
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ড নাকি সার্টিফিকেট!

লিখেছেন: কল্পদেহী সুমন | তারিখ: ০৭/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 412বার পড়া হয়েছে।

আমাদের সমাজে আজ যে বিষয়টি খুব দেখা যাচ্ছে তাহলে ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড /বয়ফ্রেন্ড ছাড়া নিজেদের অচল ভাবার প্রবনতা। তাদের কাছে মনে হয় পড়াশোনা ও জীবনের অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় থেকে প্রেম করাটা জরুরি। অনেকের কাছে প্রেম করাটা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পড়ালেখা, চাকরির খবর নেই প্রেম নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় অনেককেই। কিছু কিছু মানুষের তো একটা দিনও কাটাতে ভালো লাগেনা গার্লফ্রেন্ড /বয়ফ্রেন্ড ছাড়া। এতো চাহিদা কেন তাদের এই বয়ফ্রেন্ড / গার্লফ্রেন্ডের বলতে পারেন? আমি বলি, আমাদের এই সমাজটাতে আজ পাপীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাদের বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ডের সাথে অশ্লীল কথা না বললে ভালো লাগে না, অনেক সময় এমন সব কথাও বলে যা বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মাঝেও হয়না। তাদের কাছে গার্লফ্রেন্ড /বয়ফ্রেন্ড থাকা অনেক সময় শিক্ষার সার্টিফিকেটের চেয়েও দামী ফলে বন্ধু বান্ধবের সাথে সার্টিফিকেটের আগে বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ডের পরিচয় করিয়ে দেওয়াটাকে তারা বিশেষ সম্মানের কাজ বলে মনে করে থাকে। আর অনেকের কথা কিইবা বলব সার্টিফিকেট জীবনে দেখাতে পারবে কিনা আল্লাহই জানে। এদের মাঝে আবার কিছু প্রস্টিটিউট আছে যারা বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ডের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করতে ব্যতিব্যস্ত। তাদের কাছে দৈহিক সম্পর্ক গড়া হলো প্রধান ভালোবাসা। আর সবচেয়ে বড় আজব লাগে তখনই যখন এই প্রস্টিটিউটগুলো নিজেদের সতী বলে এবং তাদের বিবাহ বহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ককে বৈধ বলে মনে করে। তাদেরকে বুঝাতে যেয়ে নিজেই উল্টো খারাপ হয়ে যেতে হয়। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো এই প্রস্টিটিউটগুলো যখন সতী সেজে অন্য বিশুদ্ধ মানুষকে বিয়ে করে তখন। আল্লাহ আমাদের এসব প্রস্টিটিউটের হাত থেকে রক্ষা করুন (আমীন)।

৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
খন্দকার মো: আকতার উজ জামান সুমন পিতা: মো: আবু সাদেক খন্দকার মাতা: ঝরনা বেগম বর্তমান ঠিকনা: মিরপুর, ঢাকা স্থায়ী ঠকানা: কুমিল্লা জন্ম তারিখ: ৩ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৪ ধর্ম: ইসলাম জাতীয়তা: বংলাদেশী বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত শিক্ষা: বাংলাদেশ নৌবাহিনা কলেজ, ঢাকা থেকে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি উভয়টিতে জি.পি.এ ৫ পেয়ে উত্তীর্ন। বর্তমানে মানারত ইন্টার্ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী ডিপার্টমেন্টে অধ্যয়নরত। আমি যে রকম : কথা বেশি একটা বলিনা চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি। সব সময় কল্পনা করি। কল্পনায় আমি সবসময় নিজের সাথে কথা বলি। আর সব সময় অন্যমনষ্ক থাকি। আমার আশেপাশে কে কি করছে না করছে তার দিকে আমার তেমন খেয়াল থাকে না। অনেক সময় কাউকে খুজতে যেয়ে নিজেই হারিয়ে যাই। আর একটা কথা হলো আমার পথ মনে থাকে না তাই আমি একা হাটতে গেলে প্রায়শই পথ ভুল করি। পথে হাটাহাটি করার সময় কত জনের সাথে ধাক্কা খেয়েছি এ পর্যন্ত, তার হিসাব নেই। আমার সমস্ত জীবনটাকে কল্পনা মনে হয় কারণ সব কিছুই যাই ঘটে আমার সাথে তাই আমার কাছে কল্পনা মনে হয়। যদি কোন অঘটন ঘটে তাহলে ভাবি কল্পনা ভেঙ্গে গেলাই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার এই অসম্ভব রকম কল্পনাসক্ত দিনকে দিন বেড়েই চলছে। নিজেকেই কখনও হারিয়ে ফেলি আমি। জানিনা জীবনের অনেক কিছুই হয়তো তবে যতটুকু আমি অর্জন করেছি তার সবটুকুই সত্য। মিথ্যা কিছু নিয়ে আমার বড়াই নেই। এক অদ্ভুত বিষয় সর্বদাই আমাকে ভাবিয়ে তুলে তাহল কেন যেন অন্য আট দশটা মানুষের মতো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে পারিনা। কিছু বিষয় আমাকে বারবার স্পর্শ করে যাবেই। আমি যা বলি তার সবটাই গভীর অনুভূতি থেকে বলি তাই হয়তো আমার কথার জবাব অর্থপূর্ণ না হলে এক ধরনের অপমানবোধ কাজ করে। আমি ভাবনার অতলে প্রবেশ করে জটিল বিন্যাসে অনেক ছক আঁকি যার ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ হতে আমার বিষয়গুলো ভাবলে মানানসই হবে না। আমাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে এরকম খুব কম মানুষই আছে। আমিও নিজেকে কখনও কখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা, তাই হয়তো আমার মন খারাপের কারণ, রাগ করার কারণ অনেক সময় আমার অজানাই থাকে। আমি খুব বেশি একটা কথা বলা পছন্দ করিনা যদিও আমার ফেসবুকে পোস্ট দেখলে তা অনেকের বিশ্বাস হবেনা। বাস্তবে আমি বন্ধুদের আড্ডা, পরিবারের আলোচনায় কথা তেমন বলিনা বললেই চলে। আমি সব সময় বিভিন্ন ধরনের ভাবনায় নিমগ্ন থাকতে পছন্দ করি তাই হয়তো বাস্তব জীবনের সাথে আমার সম্পর্কটাও নড়বড়ে। আমি সহজেই মানুষকে অনুভব করে ফেলি যার ফলে খুব সহজেই কাউকে মনের গভীরতায় ঠাই দিয়ে বসি। আর এটাই কখনও কখনও আমার দুঃখের কারণ হয়ে বসে। আমি জানিনা আমার বর্তমান, জানিনা আমার ভবিষ্যৎ তবে এটুকুই বলতে পারি এক সময় সুখ আর দুঃখ দুটোই একই মনে হবে আমার কারণ আমার অনুভূতির জগতটি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। আর আমার অনুভূতি নিস্তেজ হয়ে যাওয়া মানে আমার কবিতা, গল্প বিলুপ্ত হয়ে যাবে আমার সৃজনশীল কর্মের তালিকা হতে। তবে আমি থাকব একজন অবাধ্য বন্ধু হয়ে সবার মাঝেই। প্রকাশিত বইঃ (১)সমন্বয়(কাব্য গ্রন্থ-সম্মিলিত সংকলন)
সর্বমোট পোস্ট: ২৯২ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৯৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৮-২৯ ১৬:৩০:৩০ মিনিটে
banner

১২ টি মন্তব্য

  1. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    পড়লাম সুমন ভাই। বাস্তব বিষয় নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

  2. সাঈদ চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    নৈতিক শিক্ষার খুব বেশী প্রয়োজন সব জায়গায় । ধণ্যবাদ ।

  3. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রেম কি মানুষ করবে না। কেন করবে না বলেন? তবে নীতি নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে।

  4. আর এন মিলি মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনি যে ভাবে শিরোনাম দিলেন লেখাটা সেভাবে শেষ হল না ।খুব বাজে শব্দ ব্যাবহার করলেন মেয়েদের জন্য। এটা আপত্তি জনক। নৈতিক শিক্ষা ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য জরুরি আর মেয়েরা একা নয় ছেলেরাও অসৎ তবে সব ছেলে বা সব মেয়ে না । ভাল থাকবেন

  5. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    কথাগুলো ঠিকই বলেছেন ভাইয়া
    নষ্ট সমাজ আর সব নষ্ট মানুষের মাঝে ভাল থাকা কষ্টকর

    আল্লাহ এদেরকে হেদায়েত করুন। ভাল থাকুন শুদ্ধ থাকুন দোয়া করি

  6. খন্দকার মোঃ আকতার-উজ-জামান সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    যতক্ষণ আমার বিবেক আর আদর্শ নষ্ট না হচ্ছে ততক্ষণ শুদ্ধ থাকতে পারবো বলে আশা করি।

  7. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    ভেবে দেখা দরকার

  8. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ড বা বন্ধুত্ব করলেই যে অনৈতিক কাজ করে বা করতে হবে এমন ধারনাটাই ভুল। অনৈতিক কাজ করলে অনেক জায়গা আছে, কাজেই বন্ধুত্বের দোষ দিয়ে লাভ নেই।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top