Today 09 Aug 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

ভুতের গলির সেই ভূত কি ফিরে এলো???

লিখেছেন: আরজু মূন জারিন | তারিখ: ২৫/১১/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 554বার পড়া হয়েছে।

পূর্ব প্রকাশের পর

নীল আর বর্ষা এসেছে সুন্দর বনে বেড়াতে।যদিও নীলের মা কিছুতে ই রাজী ছিলেননা বিপদজনক জায়গায় বউকে যেতে দিতে।বিশেষ করে এই সময় বর্ষার বেড রেষ্ট এর পক্ষপাতী ছিলেন।

নীল এই সময় মেয়েকে যত কম সম্ভব বের হলে ভাল।আমরা এসব মানছি। বলে নীলের মা ঊৎকন্ঠায়।

নীল যে লজ্জা পাচ্ছে মাটা খেয়াল করতেছেনা।

দেখ বর্ষাকে বলে ও যদি খারাপ ফীল করে তাহলে না হয় যাবনা।যদিও সে যাওয়ার ব্যাপারে ডিটারমাইন্ড।

শেষে মা নিজের ব্যাগ গোছানো শুরু করলেন ।ছেলে বউ এর দেখাশোনা করার জন্য উনি ও যাবেন এটা বার বার বলতে লাগলেন।

বর্ষা আর নীল মুখ চাওয়া চাওয়ী করতে লাগল। মা যেতে চাইলে কি নিষেধ করতে পারে।তার মাটা কেনযে এত সরল।ছেলেমেয়ের হানিমুনে কোন মা কি যায়? এখন মাকে কে বোঝাবে।

বর্ষা বলছে ওহ আপনি যাবেন মা তাহলে তো অনেক মজা হবে।উৎফুল্ল হয়ে সে বলল।

মার ছোটাছোটি দেখে বাবা এসে দাড়ালেন সামনে।ব্যাপার কি তার রাসভারী গলায় জিজ্ঞাসা করলেন।

এই তুমি শোন বলে ডেকে বের করে নিয়ে গেলেন।

নীল আর বর্ষা শুনছে বাবা মৃদু গলায় বলছে । নীলের ছেলে আর বউকে একা ঘুরতে দাও।আমি তোমাকে এই কয়দিন ঢাকার সব জায়গায় নিয়ে যাব ঘুরতে।আহসান মন্জিল যাব মিউজিয়াম যাব।তোমার বৃদ্ধ বয়সে সেকেন্ড হানিমুন করব না হয়। বলে রাশভারী আদেল নাশফী হাসতে লাগলেন।

ভিতরে নীল আর বর্ষা ও হেসে ফেলল বাবার কথা শুনে।

নীল বুকে হাত দিয়ে হাফ ছেড়ে বাচার ভঙ্গি করল। বাচলাম সে উচ্চারন করল।

ছি তুমি কিরে বর্ষা হাসে নিজের মাকে নিতে চাওনা সোনা।

মাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব।শপিং এ যাওয়া যায় মাকে আমাদের হানিমুনে নিব নাকি বোকা মেয়ে।মাকে রেখে কোথাও ঘুরতে পারতাম নাকি। ভাবছিলাম তোমার অজানা জিনিস সেই সুযোগে জেনে নিব।তোমাকে আবিস্কার করা যাকে বলে বউ এর নাকটা টিপে দিল।

যাওয়ার দিন রনি চাচা আসলেন এগিয়ে দিতে।শেষ মূহূর্তে ওনার নিজের ব্যবহ্রত গাড়ীটি দিলেন ওনার পারসোনাল ড্রাইভার সহ। সুন্দরবনে ওনার ছোট একটা কটেজ আছে তার ঠিকানা দিলেন এবং বললেন কেয়ার টেকার কে সব বলা আছে।শেষ মূহূর্তে বর্ষাকে দিলেন সোনার গহনা আর এক এনভেলাপে সম্ভবত টাকা।

নীল অভিভূত হয়ে গেল এত কিছুতে ।লজ্জার সাথে জবাব দিল এসবের কোন দরকার নাই।টাকা সে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করল।

রনি চাচার জেদ এই টাকা বর্ষা আর আমার দাদুর জন্য।

দুইজনে সালাম করল একে একে মা বাবা চাচা  সবাইকে।

মা শুরু করলেন হাউমাউ কান্না।

দুই সপ্তাহের জন্য যাচ্ছে বাবা। দেশ ছেড়ে যাচ্ছেনা তোমার ছেলে নীলের মা বাবা সান্তনার ভঙ্গীতে বললেন।

দুজনে গাড়ীতে উঠে বসল।গাড়ী চলতে শুরু করল গন্তব্যের পথে। দুজনের এখন মনটা বিষন্ন হয়ে আছে মা বাবার জন্য।এই প্রথমবারের মত নীল মা বাবাকে ছেড়ে বেশ কিছুদিনের জন্য বাসার বাহিরে যাচ্ছে।বর্ষাও বিয়ের পর এই পথমবার মাবাবা কে ছেড়ে বের হল।তার ও বুকের ভিতরটা টনটন করছে বৃদ্ধ শ্বশুর শ্বাশুড়ীর জন্য।এনাদেরকে সে কখনও আপন মা বাবার চেয়ে কম মনে করেনা।

এই কয়েকদিন দুইজনের মধ্যে যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল সুন্দরবন ভ্রমন নিয়ে এখন সেই উত্তেজনাটা মনে আর নেই। দুজন দুজনের দিকে বিষন্নতার কারন আচ করল।

নীল আবেগে বউকে জড়িয়ে ধরল জিজ্ঞাসা করল মন খারাপ মার জন্য?

হু বর্ষা স্বামীর বুকে মাথা রেখে চুপচাপ বাহিরের দিকে তাকিয়ে রইল।

(পরবর্তীতে)

৫৯৯ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
নিজের সম্পর্কে কিছু বলতে বললে সবসময় বিব্রত বোধ করি। ঠিক কতটুকু বললে শোভন হবে তা বুঝতে পারিনা । আমার স্বভাব চরিত্র নিয়ে বলা যায়। আমি খুব আশাবাদী একজন মানুষ জীবন, সমাজ পরিবার সম্পর্কে। কখনো হাল ছেড়ে দেইনা। কোনো কাজ শুরু করলে শত বাধা বিঘ্ন আসলেও তা থেকে বিচ্যুত হইনা। ফলাফল পসিটিভ অথবা নেগেটিভ যাই হোক শেষ পর্যন্ত কোন কাজ এ টিকে থাকি। জীবন দর্শন" যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ " লিখালিখির মূল উদ্দেশ্যে অন্যকে ভাল জীবনের সন্ধান পেতে সাহায্য করা। মানুষ যেন ভাবে তার জীবন সম্পর্কে ,তার কতটুকু করনীয় , সমাজ পরিবারে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে। মানুষের মনে তৈরী করতে চাই সচেতনার বোধ ,মূল্যবোধ আধ্যাতিকতার বোধ। লিখালিখি দিয়ে সমাজে বিপ্লব ঘটাতে চাই। আমি লিখি এ যেমন এখন আমার কাছে অবাস্তব ,আপনজনের কাছে ও তাই। দুবছর হলো লিখালিখি করছি। মূলত জব ছেড়ে যখন ঘরে বসতে বাধ্য হলাম তখন সময় কাটানোর উপকরণ হিসাবে লিখালিখি শুরু। তবে আজ লিখালিখি মনের প্রানের আত্মার খোরাকের মত হয়ে গিয়েছে। নিজে ভালবাসি যেমন লিখতে তেমনি অন্যের লিখা পড়ি সমান ভালবাসায়। শিক্ষাগত যোগ্যতা :রসায়নে স্নাতকোত্তর। বাসস্থান :টরন্টো ,কানাডা।
সর্বমোট পোস্ট: ২২৯ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৬৮৩ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৫ ০১:২০:৩৫ মিনিটে
banner

৪ টি মন্তব্য

  1. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    নীল যে লজ্জা পাচ্ছে মাটা খেয়াল
    করতেছেনা।

    নীল যে লজ্জা পাচ্ছে মা তা খেয়াল করতেছেনা ।
    অসংখ্য ভাল লাগা জানালাম ।

  2. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    চমৎকার বউ শ্বাশুড়ির সম্পর্ক… এভাবেই যেন আগায়… অনেক ভাল লাগা জানিয়ে অপেক্ষায় আগামী পর্বের

  3. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    সাথে আছি লিখতে থাকুন।

  4. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল । চলতে থাকুক । ভাল থাকুন ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top