Today 14 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

“মধ্যম আয়ের দেশ” না “বেকার আর আয় বৈষম্যমুক্ত সমাজ” কোনটা প্রয়োজন ???

লিখেছেন: টি. আই. সরকার (তৌহিদ) | তারিখ: ০৯/০৭/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 748বার পড়া হয়েছে।

কিছুদিন ধরেই যে বিষয়টা নিয়ে বেশি আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে… সেটা অবশ্যই বাংলাদেশের “মধ্যম আয়ের দেশ” হওয়া প্রসঙ্গ !

মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার প্রথম শর্ত হচ্ছে- মাথাপিছু জাতীয় আয় কমপক্ষে ১ হাজার ১৯০ মার্কিন ডলার হতে হবে । এরপর আরো দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- মানবসম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচক ।

মানবসম্পদ সূচকে বিবেচনা করা হয় জনসমষ্টির কত শতাংশ পুষ্টিহীনতার শিকার, শিশুমৃত্যুর হার কত, মাধ্যমিক স্কুলে কতজন লেখাপড়ার সুযোগ পায় এবং বয়স্ক সাক্ষরতার হার কত ?

অর্থনৈতিক সূচকে যেসব দিক বিবেচনা করা হয়। তার মধ্যে আছে— মোট জনসংখ্যা, জনসমষ্টির বিচ্ছিন্নতা, রফতানি পণ্যের বহুমুখিতা, জাতীয় উৎপাদনের কৃষির অবদান, জনসংখ্যার কত অংশ দুর্যোগের শিকার এবং কৃষি উৎপাদনের স্থিতিশীলতা ।

এ সবকিছু বিবেচনা করে এর সঙ্গে মাথাপিছু আয়ের ধাপটি মিলিয়ে তারপর দেখা হয় কোন দেশ মধ্যম আয়ের দেশের ক্লাবে পড়ে কিনা । মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার জন্য জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে হবে ৭ দশমিক ৫ থেকে ৮ শতাংশ (বাংলাদেশে বর্তমানে যা ৫ দশমিক ৬ শতাংশ) ।

Mid-Level Country

এতো গেল, সার্টিফিকেট পাওয়ার হিসেব-নিকেশ ! কিন্তু সার্টিফিকেট পেলেই বা দেশের মানুষ কতটুকু উপকৃত হবে এ থেকে ???

যে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর বিরাট একাংশ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে, যাদের মৌলিক অধিকার এখনো রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারেনি, যে দেশের লাখ লাখ মানুষ দেশের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হয়েও বয়ে বেড়াতে হয় বেকারত্বের অভিশাপ, তারা মধ্যম আয়ের দেশের নাগরিক হলেই বা কী লাভ হবে ?

মাথাপিছু আয় হয়তো বাড়বে, কিন্তু বণ্টন হবে কারো ভাগে এক ডলার আর কারো ভাগে এক হাজার ডলার । কেউ ভিক্ষে করবে আর কেউ হয়তো দশটা বাড়ির মালিক থাকবে ! এমন আয় বৈষম্যের মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হলে তা সার্বিকভাবে দেশের জন্য কতটুকু সুফল সুফল বয়ে আনবে তা অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ ! তাছাড়া, মধ্যম আয়ের দেশের সার্টিফিকেট ঋণ, অনুদান, ব্যবসায়িক বিভিন্ন ছাড় সুবিধাসহ বিদ্যমান অনেক সুবিধাই হয়তো বন্ধ করে দেবে কিংবা হ্রাস করে দেবে বাংলাদেশের জন্য !

যে পরিমাণ বেকার বাংলাদেশে আছে তাদের সকলের যদি উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভবপর হয় তবে দেশকে শুধু মধ্যম আয়ের নয়, উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে দেখতে পাওয়া যে কেবলই সময়ের ব্যাপার- আমাদের বিজ্ঞ কর্তৃপক্ষের এই বোধদয় কবে হবে তা কেবল ভবিষ্যৎই হয়তো বলতে পারবে !

(তথ্য উৎসঃ “বণিক বার্তা” অনলাইন সংস্করণের রাশিদুল ইসলাম নাহিদ এর উপসম্পাদকিয় (২০১৪-০৭-১১ইং) থেকে কিছু তথ্য গৃহীত হয়েছে এবং কিছু নিজস্ব চিন্তাধারায় সংযোজন করা হয়েছে)

৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
কবিতার প্রতি ভালোলাগা থেকেই আমার লিখার হাতেখড়ি । কবিতার ছন্দ আমাকে ভীষণ টানে । আর তাই কবিতা পড়া কিংবা লিখায় ছন্দ খুঁজে ফিরি প্রতিনিয়ত । সে কারণেই কি না আহসান হাবীব, জীবনানন্দ কিংবা জসীম উদ্দিনের মতো কবিদের লিখা আমাকে একটু বেশিই টানে ! বিরহের কবিতাও ভীষণ ভালো লাগে । লিখাটা অবশ্য আমার শখের একটা অংশ । লিখায় আমি যে খুব একটা পারদর্শী নই সেটা কেউ সরাসরি না বললেও বুঝতে পারি । তাছাড়া আমার শব্দভাণ্ডার কতটা সীমিত তা আমার লিখা পড়লে যে কেউ বুঝতে পারবেন । তবুও নিজের মনের ক্ষুধা নিবারণ করতে লিখে যাই । লিখতে ভালো লাগে । খুব কঠিন করে লিখতে পারিনা । অবশ্য সেরকম চেষ্টাও যে খুব একটা করা হয় তেমনটাও নয় ! অনলাইন ব্লগে লিখায় হাতেখড়ি এই (২০১৫ সাল) ফেব্রুয়ারিতে, নক্ষত্র ব্লগে । (২০১৫ সাল) মার্চে যুক্ত হলাম চলন্তিকায় । অবশ্য ফেসবুকে বছর দুয়েক আগে থেকেই মাঝে-মধ্যে লিখা হয়েছে । বলতে পারেন নগণ্য এক লেখক আমি- যে কি না শুধু নিজের মনের আনন্দের জন্যই লিখে । আর তাই এখনো (০৮-০৩-২০১৫) পর্যন্ত কোন প্রিন্ট মিডিয়াতে আমার লিখা জমা দেইনি কিংবা দেবার চেষ্টাও করিনি । স্বাভাবিকভাবেই, আমার কোন লিখা কোন প্রিন্ট মিডিয়াতে আজ পর্যন্ত ছাপার অক্ষরে মুদ্রিত হবার সুযোগ পায়নি । ইদানিং অবশ্য এ (প্রিন্ট মিডিয়া) ব্যাপারে একটু আগ্রহ জন্মেছে । সম্ভবত নবম শ্রেনিতে প্রথম কবিতা লিখি । এক বড় ভাই দেখে বলল, "তুমি তো খুব ভালো লিখ । তোমার কবিতাটা দিও ! আমি কম্পিউটারে কম্পোজ করে দেব ।" ছাপার অক্ষরে লিখা হবে আমার কবিতা... ভাবতেই আনন্দ লাগছিল ! সেই থেকে মূলত কাগজ-কলমের সাথে যোগাযোগ । নিয়মিত লিখা হয়নি কখনোই । তবে মাঝে-মধ্যে কিছু ভাবনা মনে এমনভাবে উথালপাতাল শুরু করে যে না লিখা পর্যন্ত মনে শান্তি আসে না । না চাইলেও তাই মাঝে মাঝে লিখতেই হয় । ইদানিং অবশ্য কিছুটা সময় দিচ্ছি এক্ষেত্রে । তবুও সেটা মনের ভাবকে গুছিয়ে তোলার জন্য যথেষ্ট নয় । লিখার ব্যাপারে কবি নজরুলের একটি কথা ভীষণ প্রিয় আমার -"বনের পাখির মতো স্বভাব আমার- কারো ভালো লাগলেও গাই, না লাগলেও গাই !" কবিতা লিখার পাশাপাশি খেলাধুলা করা, খেলা দেখা, পত্রিকা পড়া, টিভি দেখা এমনকি ছোটদের সাথে সময় কাটানোও আমার অন্যতম শখ । তবে সবচেয়ে বড় শখ ভ্রমণ । প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের খুব সাধারণ এক পরিবারের ছেলে আমি । ব্যক্তি হিসেবেও খুব সাধারণ । হিসাববিজ্ঞানে মাস্টার্স (২০১২) শেষ করে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছি । জীবনে তেমন কোন উচ্চাশা নেই । সবাইকে নিয়ে একটু ভালো থাকা... এই তো চাওয়া !
সর্বমোট পোস্ট: ১১৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ১৯০০ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৫-০৩-০৮ ০৩:০৩:৫৯ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    nice

    ভালো ভাবনার প্রয়াস আপনার

  2. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল ভাবনার ঠিক কথা

  3. মাজেদ হোসেইন মন্তব্যে বলেছেন:

    বিশ্বব্যাংক বলছেন আমাদের মাথাপিছু আয় অনুসারে বাংলাদেশ এখন থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত হবে। কিন্তু বিশ্বব্যাংক এই কললেন না কেন? মাথাপিছু ব্যায় অনুসারে বাংলাদেশ কি হিসেবে পরিচিত হবে!

    • টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

      চমৎকার বলেছেন ! বিশ্বব্যাংকেরও তো লাভ আছে ! মধ্যম আয়ের দেশ হলে ঋণ সুবিধা কম দিতে হবে যে ! 😛

      ধন্যবাদ জানবেন ।

  4. মিলি মন্তব্যে বলেছেন:

    মধ্যম না নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ এখন বাংলাদেশ ।এই আয় এর হিসাব তো হয় মুসা বিন শমশের আর আমাদের বুয়ার আয় এর গড় হিসাবে ,তাই যে ধনী সে তো অনেক ধনী কিন্তু নিম্নবিত্ত দের অবস্থার কি খুব একটা পরিবরতন হয়েছে ?

  5. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    আমার জানামতে, মধ্যম আয়ের মধ্যে দুটো পার্ট আছে আপু ! :) একটা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ আর একটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ ! :) সে হিসেবে মধ্যম আয় বলতে দুটোকেই বোঝানোর কথা ! :)

    সুন্দর ও গঠনমূলক মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top