Today 20 Oct 2017
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

মনোনীত লেখা

লিখেছেন: ব্যবস্থাপনা সম্পাদক | তারিখ: ৩০/০৮/২০১৪

আপনারা জানেন যে আমাদের প্রিন্ট প্রকাশনা আগামি এপ্রিল’১৫ থেকে বের হচ্ছে। আমাদের প্রকাশনার প্রতিটা সংখ্যাতে চলন্তিকা ব্লগের ৩০/৩৫ জনের লেখা থাকবে। সেটা হতে পারে নিজের কোন অভিজ্ঞতা, স্মৃতিচারন, গল্প, কবিতা, ফিচার ইত্যাদি। এখানে মন্তব্যের ঘরে লেখা জমা দিন। তবে জমা দেবার আগে নিয়মাবলী দেখে নিন-

১। লেখাটি একেবারে নতুন হতে হবে।

২। লেখাটি চলন্তিকা ব্লগে প্রকাশ হতে হবে।

৩। চলন্তিকা ব্লগ ছাড়া অন্য কোন ব্লগে কিংবা প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রকাশ হওয়া যাবে না। ফেসবুকে হলে সমস্যা নেই।

৪। লেখা চলন্তিকাতে প্রকাশ হবার পর পরই তা নিজ নিজ ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশ করতে করতে হবে।

৫। এখানে চলন্তিকার আপনার লেখার লিঙ্ক জমা দেবার সাথে সাথে আপনি যে আপনার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছেন সেই ফেসবুক লিঙ্কও জমা দিতে হবে। আপনি যদি চান তবে mahkbd@gmail.com এ মেইল করেও জমা দিতে পারেন।

৬। একটি মন্তব্যের ঘরে শুধু একটি লেখাই জমা দেওয়া যাবে।

৭। আলাদা আলাদা ঘরে আলাদা আলাদা লেখা জমা দিতে পারবেন।

৮। যে যে লেখা আমরা গ্রহন করব, সেসব লেখা এখানে আমরা সিরিয়াল অনুযায়ী রাখব। তবে সিরিয়ালক্রম কোন ভাবেই প্রকাশনার ক্রম নির্দেশ করে না।

৯। আপনি লেখা জমা দেবার পর যদি দেখেন যে পরবর্তীতে সেই লেখাটির লিঙ্ক আর মন্তব্যের ঘরে নেই তাহলে বুঝে নিবেন যে ইতিমধ্যে লেখাটি আমরা দেখে নিয়েছি। আর গ্রহন হলে সেটি এখানে দেওয়া হয়েছে।

১০। যদি কারও জমা দেয়া লেখা অন্য কোন ব্লগে কিংবা প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রকাশ হয়ে যায় তবে সাথে সাথে তা এখানে মন্তব্যের ঘরে লিখে জানিয়ে দিবেন। কেউ যদি ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত যে ভাবেই হোক এই তথ্য গোপন করেন তবে চলন্তিকার কোন প্রিন্ট প্রকাশনাতে তার কোন লেখা ভবিষ্যতে প্রকাশ হবে না।

 

আপনারা অনেকেই জানেন যে যাদের মোবাইল নাম্বার আমাদের কাছে আছে তাদের প্রায়ই আমরা আমাদের ব্লগের কর্মকাণ্ড নিয়ে এসএমএস করে থাকি। আর তাই, আপনারা যারা এখনও আপনার মোবাইল নাম্বার আমাদের পাঠিয়ে দেন নাই তারা এখনই পাঠিয়ে দিন এই নাম্বারে ০১৯৭১৪৪৫৫৬৯। আমরা আমাদের লেখক বন্ধুদের সাথে নিয়মিত এসএমএস এর মাধ্যমে যোগাযোগ রাখি।

 

আপনাদের সকলের সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য।

১১৮ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    আচ্ছা প্রিন্ট প্রকাশনী মানে কোনটা, বই না ম্যাগাজিন?
    শুধু লিংক দিলেই তো হবে?
    কয়টা লেখা জমা দিতে পারব?

  2. দেবাশীষ মল্লিক মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনীর জন্য অনেক শুভেচ্ছা রইল। আশা করি এভাবেই আপনারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে থাকবেন ।

  3. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখাঃ

    ## নন্দিনীর নন্দিত ছন্দ ##

    নন্দিনী, তোমার নন্দিত লেখা
    দেখে নয়ন ভরে
    তাইতো সদায় তোমার লেখা
    যাচ্ছি আমি পড়ে।

    তোমার লেখার এ জগতে
    জুড়ি মেলা ভার,
    তাইতো আমি তোমার লেখা
    দেখি বার বার।

    নন্দিনী তোমার মায়াময় ছন্দ,
    বিমোহিত করা,
    তাইতো তোমার ছন্দে হই
    আমি পাগলপারা।

    নন্দিনী তোমার, ছন্দে ঝরে
    হিরা, মণি-জহরত,
    যতই পড়ি তোমার ছন্দ
    ততই হই জড়ভরত।

    সম্মোহিনী ছন্দে তোমার
    কি যে যাদু আছে।
    তাইতো আমি পরাভূত
    তোমার ছন্দের কাছে।

    মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
    লেখক_ চলন্তিকা ডট কম
    Sahidul77@gmail.com

    লেখার লিঙ্কঃ
    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/নন্দিনীর-নন্দিত-ছন্দ/
    ফেইসবুকঃ https://www.facebook.com/Sahidul4/posts/799064486816513

  4. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখাঃ

    ## আশা বেধে রাখি ##

    দিনটা ছিল ১৫ই নভেম্বর,
    মনে আমার আঘাত হানে ঐশ্বরিক ঝড়।

    দেখেছিলাম সেদিন তোমায়
    বাংলাদেশ বিমানে,
    এমনি করে আঘাত হানবে
    কে জানে?

    তুমি পল্লিবালা! না বিমানবালা?
    আমি ভাবছি ভুল? নাকি প্রণয়ী ফুল?

    অপলক নেত্রে দেখেছিলাম
    তোমার মিষ্টি কাষ্ঠহাসী,
    অবাক হয়ে শুনেছিলাম,
    সুরেলা বানী রাশি।

    তোমাকে, খুব দেখতে ইচ্ছে করছে
    ওহে কুহেলিকা,
    ইচ্ছে বুঝি অপূর্ণই থাকবে, কারণ
    তুমি যে উড়ন্ত বালিকা,

    তোমার কথা মনে করে
    জলে ভরে আঁখি,
    তবু আশা বেধে রাখি,
    পথপানে চেয়ে থাকি।

    স্যাটেলাইট ভুবনে আমি, উড়িয়ে দিলাম স্মৃতি
    যেদিন দেখবে লেখা, হয়তো থাকবে একা,
    সেদিন বুঝবে ঋতি, কতটা তোমার প্রতি,
    ছিল মোর প্রীতি।

    মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
    লেখক_ চলন্তিকা ডট কম
    Sahidul_77@yahoo.com

    লেখার লিঙ্কঃ
    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/আশা-বেধে-রাখি/
    ফেইসবুকঃ https://www.facebook.com/Sahidul4/posts/800626396660322

  5. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখাঃ

    ## বিধাতাকে চেনা ##

    বিধাতাকে চেনা, কঠিন কিছু নয়,
    শুধু একটুখানি চিন্তা করলেই হয়।
    এই যে ঘুরছে পৃথ্বী, ঘুরছে সূর্য,
    একি হতে পারে স্বয়ংক্রিয় কার্য?

    বিধাতাকে চেনা কঠিন কিছুনা,
    শুধু একটুকু চিন্তা করে দেখ না।
    ফুল ফুটে আবার সে ঝরে যায়,
    এ তো হয় বিধাতার ইশারায়।

    বলতে চাও, এতো এমনি-এমনি ঘটে?
    কেমনে মানব তোমার যুক্তিটা,
    কোন ফুল কি ফিরেছে পুনরায় বটে?
    যে ফুল কিনা হারিয়েছে তার বোটা।

    বিধাতাকে দেখেনি, তাইতো বিধি নাই!
    সবিনয়ে তারে আমি প্রশ্ন করতে চাই।
    ঐযে দেখ দিনের শোভা অংশুমালি,
    দেখেছকি কেউ তারে চর্মচোখে খালি?

    বিধির সৃষ্টি দিবাকরদেখতে তুমি পারনা,
    তবু কি তার প্রতি হয়না তোমার ধারণা?
    নিজ চোখে না দেখলেমানব উদ্গম প্রথা,
    অস্বীকার করতে তুমিতোমার জন্মের কথা।

    বিনেতার অপার দৃষ্টি, বিশ্বের সকল সৃষ্টি,
    বুঝতে কেন কষ্ট হয়?
    অধিগত ভুল কৃষ্টি, না থাকলে দূরদৃষ্টি,
    নিজের জন্মেই দ্বিধা হয়।

    মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
    লেখক_ চলন্তিকা ডট কম
    Sahidul77@gmail.com

    লেখার লিঙ্কঃ
    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/বিধাতাকে-চেনা/
    ফেইসবুকঃ https://www.facebook.com/Sahidul4/posts/800075476715414

  6. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখাঃ

    ## কার জন্য পূজা ##

    ভাত দে ভাত দে বলে কাঁদে
    অনাহারী ছেলে,
    দুঃখিনী মা কি আর করবে!
    ভাত নাই পাতিলে।

    কেউবা ব্যস্ত ঈদআনন্দে
    কেউবা ব্যস্ত পূজাতে,
    কে বা রাখে কার খবর!
    কে বা লুটায় মেঝেতে!

    কেউবা ব্যস্ত ইবাদতে,
    কেউবা পড়ে কোরান,
    কেউবা ব্যস্ত পুজা দিতে
    কেউবা পড়ে পুরাণ।

    প্রতিবেশী থাকে যদি
    অনাহারে রোজা,
    কার জন্য পড় কোরান
    কার জন্য পূজা

    যেথায় কাঁদে এতিম শিশু
    ক্ষুধায় যন্ত্রণায়,
    ব্যস্ত তুমি এবাদতে,
    দেবতা পুজায়।

    ঢিল মেরে তোর, ফেলে দিবে
    এমন আরাধন,
    বলবে বিধি, “এমন ভক্তি
    নেই প্রয়োজন।

    দাওনি আমায় খাবার যখন
    ছিলাম উপবাস,
    মানব সেবাই আমার সেবা
    মানব মাঝেই বাস।”

    মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
    লেখক_চলন্তিকা ডট কম
    Sahidul77@gmail.com

    লেখার লিঙ্কঃ
    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/কার-জন্য-পূজা/
    ফেইসবুকঃ https://www.facebook.com/Sahidul4/posts/798439770212318

  7. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখাঃ

    ##তোমার যোগ্য আমি নই ##

    বলেছিলাম তোমায় আমি
    কোন এক প্রেয়গোধূলি কালে।
    ভাললাগে তাই ভালবাসি,
    বলেছিলাম দিলের দুয়ার খুলে।

    সেদিন তুমি আমায় ফিরিয়ে
    দিলেও তো পারতে!
    আজও অজানা আমি, সেদিন
    ফিরাওনি কোন স্বার্থে।

    খুব বেশী আজ মনে পড়ছে
    জ্ঞানীজনদের কথা,
    প্রেমের আড়ালে থাকে নাকি
    সুপ্ত ব্যর্থতা।

    কেউবা বলে, প্রেম হল
    হৃদয় ভাঙ্গার কল,
    যে পড়েছে যাতাকলে
    সার শুধু আঁখিজল।

    জানতামনা আমি, আজো জানিনা,
    কেন তোমার যোগ্য আমি নই?
    ভালবাসা স্বর্গীয় হলে,
    কোন একদিন তোমাকে পাবই।

    মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
    Sahidul77@gmail.com

    লেখার লিঙ্কঃ
    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/তোমার-যোগ্য-আমি-নই/
    ফেইসবুকঃ https://www.facebook.com/Sahidul4/posts/796253133764315

  8. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    অশেষ শুভ কামনা প্রিয় চলন্তিকা ——— ।। যদিও কিছু বিষয়ে ভিন্ন মত আছে!

  9. এম আর মিজান মন্তব্যে বলেছেন:

    পৃথিবীর প্রান্তিকে
    – এম আর মিজান

    পৃথিবীর প্রান্তিকে বিগলিত সুখ
    লাভার উদগিরনে তার বিশ্বাস,
    বজ্রকীট সাথে অক্সিজেনশূন্য ফুসফুস দ্বার তাতে
    ক্রমবর্ধমান হ্রাস শ্বাস।

    কাংখিত স্বপ্নের অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তব
    কবি ও কাব্যের স্তবক থাকে শুন্য,
    দিন রাত্রির আবর্তন শুরু থেকে শেষ হয়
    চরিত্রের সদ্য সবুজ হয় জীর্ন।

    নিউমেরিক্যাল হয় আদর্শিক চিন্তা
    ক্রমেই বিলীন হয় উচ্ছাস,
    উপাদেয় টক্সিক আবিস্কার হয় বটে
    জানা অজানায় হয় ভাইরাস।

    গভীরতম সমবেদনা হয় তুঙ্গে ওঠার ধাপ
    ভালো বাসা, প্রীতি হয় বানিজ্যিক রাত,
    কালো হয় আলোর মাঝে থেকে
    পবিত্রতা থেকে অপবিত্র হয় হাত।

    তবু হাসপাস করে বেঁচে থাকার তাগিদ
    বিশুদ্ধ অক্সিজেন খোঁজে অন্তর,
    টক্সিকের পারজিং কিংবা ইনার্ট ঘোচাতে
    চেষ্টা হোক শুরু,বয়ে থাক নিরন্তর।

  10. জসিম উদ্দিন জয় মন্তব্যে বলেছেন:

    আমাদের প্রিন্ট প্রকাশনা আগামি এপ্রিল’১৫ থেকে বের হচ্ছে। আমার খুব আনন্দ লাগছে । আমি লেখা জমা দিবো । প্রকাশনার প্রতিটা সংখ্যাতে চলন্তিকা ব্লগের ৩০/৩৫ জনের লেখা থাকবে এর মধ্যে আমি একজন থাকতে চাই ।

  11. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রেমের আকর/দীপঙ্কর বেরা

    দেহের শিহরণ খেলে যায়
    কর্মের অবধারিত পথের দিশায় দিশায় ,
    মুখ তুলে পার্শ্বিক বুঝে মাঝে মাঝে সাহসিক হতে
    মনের গুঞ্জন উঠতেই থাকে ;
    তোমার পাশে থাকা রিনিঝিনি হাতে হাত
    পরশ মুখর অনতি সময়ে ছকে ছক মুহুর্তে
    নিজের চলমান অবস্থানের উপাচার খুঁজে পাই ।
    জেগে থাকা আন্দোলনে গোলাপ ফোটে
    চাঁদের আলোতে ভাসে অ-ভাবনার অন্ধকার রাত
    শান্তির কণায় দুঃখের সংসার ঘর বাঁধে
    বেঁচে থাকা যতটুকু তাতেই মহীমা
    আকাশজুড়ে স্তরে স্তরে আলোকিত মুখেই মুখোমুখি
    তুমি আমি দুজনেই আমরা
    প্রেম গরিমার অবাধ অনন্তে
    শুধু ভালোবাসি ভালোবাসি ।
    -০-০-০-০-

  12. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    ☼☼☼ মনোনয়নের জন্য লেখাঃ
    ♥♥♥পাটা-পুঁতায় ঘষাঘষি♥♥♥
    কেউ আসবে, কেউ যাবে
    এটাই বিধির লীলা,
    অধিকারের নামে কেন,
    মানুষ মারার খেলা?

    গনতন্ত্র ধ্বংস করছে
    কেউবা বলেবেড়ায়,
    করবে কায়েম গনতন্ত্র
    গেলে ক্ষমতায়।

    ক্ষমতায় বসে কেহ
    নীতিকথা কয়,
    সাগর-রুনীর বিচার
    তবু , মনে জাগায় ভয়।

    জনগনের অধিকার নাই
    স্বত্বের নাইরে রেশ।
    অধিকারে, হরতাল দিয়ে
    অচল করবো দেশ।

    ক্ষমতা নাই, ক্ষমতা চাই
    নৈপুণ্যের আবেশ
    জনগণের ক্ষমতা চাই
    গড়বো সোনার দেশ।

    পাটা-পুঁতায় ঘষাঘষি,
    আমরা মরিচ শেষ,
    ওরাই আবার গড়বে নাকি
    সোনার বাংলাদেশ!

    মোহাম্মদসহিদুলইসলাম
    লেখক_ চলন্তিকাডটকম
    Sahidul77@gmail.com

    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/পাটা-পুঁতায়-ঘষাঘষি/
    ফেইসবুকঃhttps://www.facebook.com/Abirbook/posts/735281516521823

  13. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    ☼☼☼ মনোনয়নের জন্য লেখাঃ
    ♥♥♥নারী♥♥♥

    নারী,
    আমার কি সাধ্য আছে?
    তোমায় নিয়ে বলতে কিছু পারি!
    কারণ, তুমি যে আমার মা,
    পৃথিবীতে তুমিই তোমার উপমা।

    নারী,
    আমার কি সাধ্য আছে?
    তোমায় নিয়ে বলতে কিছু পারি!
    কারণ, তুমি যে আমার বোন,
    নহে কেনা, এযে রক্তের বাধন।

    নারী,
    আমার কি সাধ্য আছে?
    তোমায় নিয়ে বলতে কিছু পারি!
    কারণ, তুমি যে আমার পত্নী,
    এযে, আমার জীবনের গাঁথনি।

    নারী,
    আমার কি সাধ্য আছে?
    তোমায় নিয়ে বলতে কিছু পারি!
    কারণ, তুমি যে আমার মেয়ে,
    ধরায় এসেছ তুমি আমার রক্ত নিয়ে।

    নারী,
    একটি কথা বলতে আমি পারি,
    তোমায় নিয়ে যারা শুধু করে বাড়াবড়ি,
    ভগ্নি-নারী, পত্নি-নারী, মাতা তোমার নারী
    ভুলেছ কি? নারীর গর্ভেই জন্ম যে তোমারি।

    মোহাম্মদসহিদুলইসলাম
    সাংগঠনিকসম্পাদক
    বাংলাদেশকবিপরিষদ (বাকপ)
    সিঙ্গাপুরশাখা।

    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/নারী-5/
    ফেইসবুকঃhttps://www.facebook.com/Abirbook/posts/735281356521839

  14. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    ☼☼☼ মনোনয়নের জন্য লেখাঃ
    ♥♥♥লজ্জা কেতন♥♥♥

    জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষায় সবে ভরপুর,
    উদ্দেশ্য একটাই যেতে হবে বহুদূর।

    সামনে অনেক পথ হতে হবে পার,
    নিশুতির পন্থে কিছু আছে ভাবার।

    সভ্যতার বিবর্তনে এ পৃথিবীটারে,
    সাজিয়েছে মানুষ তারে থরে-থরে।

    সভ্য হয়েছে মানুষ অসভ্য থেকে,
    নগ্নতাকে বিদায় দিয়ে লজ্জা ঢেকে।

    ফ্যাশনের নামে আজ হচ্ছে যেসব,
    কি করে বলি আমি শালীন ওসব।

    যতই সভ্য হচ্ছি মোরা যত চেতন,
    ততই উড়িয়ে দিচ্ছি লজ্জা কেতন।

    পোশাক-আশাক যে যত পরবে অল্প,
    এটা নাকি তত বেশী ফোটায় শিল্প।

    নামেই শিক্ষা-সভ্যতা জ্ঞান-বিজ্ঞান,
    পশ্চিমারা শিষ্টের নামে করছে ভান।

    ওদের শিক্ষাদীক্ষায় জ্ঞান করে হ্রাস,
    উলঙ্গ হচ্ছি মোরা ছেরে অঙ্গবাস।

    এই যদি হয় শিক্ষা-সংস্কৃতি-ভদ্রতা,
    কোথায় দাঁড়াবে মোদের সভ্যতা।

    মোহাম্মদসহিদুলইসলাম
    সাংগঠনিকসম্পাদক
    বাংলাদেশকবিপরিষদ (বাকপ)
    সিঙ্গাপুরশাখা

    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/লজ্জা-কেতন/
    ফেইসবুকঃhttps://www.facebook.com/notes/sahidul-islam/%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE/817693224953639

    • সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

      ☼☼☼ মনোনয়নের জন্য লেখাঃ
      ♥♥♥আমার দুয়ারে ♥♥♥
      তোমরা সখি ফুলের মালা
      জলদি আনরে,
      প্রিয়া আমার আইছে দেখ
      আমার দুয়ারে।

      প্রণয়-স্নেহ, ভালবাসা
      জানাই প্রিয়ার তরে,
      সময় পেলে খোঁজ নিয়ো
      যাই মিনতি করে।

      তোমরা সখি ফুলের মালা
      জলদি আনরে,
      প্রিয়া আমার আইছে দেখ
      আমার দুয়ারে।

      সময় হলে আইসো প্রিয়া
      আইসো আমার ঘরে,
      প্রিয়ার জন্য রাখব আসর
      ফুলে ফুলে ভরে।

      তোমরা সখি ফুলের মালা
      জলদি আনরে,
      প্রিয়া আমার আইছে দেখ
      আমার দুয়ারে।

      মোহাম্মদসহিদুলইসলাম
      লেখক_ চলন্তিকাডটকম
      Sahidul77@gmail.com

      চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/আমার-দুয়ারে/
      ফেইসবুকঃhttps://www.facebook.com/Abirbook/posts/731275803589061

  15. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    ☼☼☼ মনোনয়নের জন্য লেখাঃ
    ♥♥♥ভুতের আলো (ছোটদের ছড়া) ♥♥♥

    রাত্তিরেতে ভুতের আলো
    দেখছি কত শত,
    দাদু বলছেন মিথ্যে ওসব
    ভুতের কথা যত।

    পাল্টা আমি প্রশ্ন করি
    দাদু আমায় বলো,
    ভুত যদি নাইবা থাকবে
    ওসব কিসের আলো?

    দাদু বলেন, বুঝবেনা ভাই
    তুমি ছোট ছেলে,
    বুঝবে ওসব কল্প কথা
    তুমি বড় হলে।

    কিছু কিছু জিনিস পচে
    তৈরি গ্যাসের ফলক,
    ভিন্ন ওসব গ্যাসে মিলে
    তৈরি হয় ঝলক।

    মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
    নিয়মিত লেখক_ চলন্তিকা ডট কম
    সাংগঠনিক সম্পাদক
    বাংলাদেশ কবি পরিষদ (বাকপ), সিঙ্গাপুর শাখা।

    চলন্তিকাঃ http://cholontika.com/ভুতের-আলো-ছোটদের-ছড়া/
    ফেইসবুকঃhttps://www.facebook.com/Abirbook/posts/728549983861643

  16. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    হৈমন্তী হাওয়া

    লিখেছেন: খাদিজাতুল কোবরা লুবনা | তারিখ: ০২/১২/২০১৪ | Edit this entry.
    এই লেখাটি ইতিমধ্যে 21বার পড়া হয়েছে।

    হেমন্ত -তুমি এসেছ বলে
    শরতের উদাস ক্লান্তি যেন
    মিশে গেছে রাঙ্গা ঊষার বেশে।
    হিম কুয়াশার চাদর পরে
    প্রকৃতি যেন সেজেছে অপরুপ সাজে।
    অরুণ আলোর অঞ্জলিতে
    উদার প্রসন্নতা ঘেরা বাতাসও যেন
    অনির্বচনীয় প্রশান্তিতে জুড়ায় এই বুক।
    তুমি এসেছ বলে -হেমন্ত
    মাঠে মাঠে সোনালী ধানে,দুঃখ বেদনা ভুলে
    রঙ্গিন স্বপ্ন তোলে চাষিদের মনে।
    চারিদিকে ধুম পড়ে যায়,পল্লীর গাঁয়ে গাঁয়ে
    খেজুর রসের তৈরী পিঠা
    আহা! কি যে মজা তা পেয়ে।
    শুধু তুমি এসেছ বলে হেমন্ত
    শীতের আগমনী বার্তা
    দোলা দেয় বাংলার প্রকৃতিতে।

  17. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা——-

    তোমাকে পাওয়ার ইচ্ছা
    ——————-
    তোমাকে পাওয়ার অদম্য ইচ্ছায়
    মনের ভেতর আবেগের ঢেউ ওঠে
    বেঁচে থাকার সহস্র ইচ্ছা জাগে মনে।
    তোমাকে পাওয়ার আকুলতায়
    দিগ্বিদিক চুপিসারে স্পন্দিত হৃদয়ের কম্পন
    মনের ভেতর ঘন্টা বাজায় শব্দহীন।
    ভাবনার আলোকে অদ্ভুত শিহরণ
    মনের জলাশয়ে শান্ত দীঘির বুদবুদ
    আপদমস্তক বয়ে চলে নিরবদী।

  18. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা*****

    আমি পারি না
    ————–
    তোমার মনের মত হবো বলে
    প্রতিনিয়ত নিজেকে সাজাই বিচিত্র রঙ্গে
    নীল নকশায় নিত্য এঁকে চলি বাস্তব ছবি।
    মনকে ফুরফুরে রাখার শত চেষ্টায়
    থোকা থোকা অকারণে ভেসে আসা
    নষ্টালজিয়ার সুরে প্রতিরোধ গড়ে তুলি
    স্তরে স্তরে সাজাই কথার জুরি।
    তোমাকে সর্বোচ্চ সুখ দেওয়ার চেষ্টায়
    কষ্ট গুলো সযত্মে তুলে নিই
    বহমান ঝর্ণার মত জীবন স্রোতে।
    কত্তভাবে এদিক ওদিক করে
    তোমাকে দাঁড় করাই মধ্যখানে
    তবু ও মনে হয় পারি না,আমি পারিনা
    তোমার মত করে জল রঙ্গে আঁকা ছবি হতে।
    বার বার তুমি ব্যাথাতুর মনে
    নিঃশব্দে ছুটে চলো জীবন নামক রাস্তার
    অলি-গলি বেয়ে।

  19. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা*****
    ——————–
    মন্দ নয়,ভালোটা কি গ্রহন করা যায়না?
    —————————————
    আকাশ সংস্কৃতি আজ আমাদেরকে পুরোপুরি গ্রাস করে ফেলেছে। আমাদের জীবনে এনেছে পরিবর্তন। আকাশ সংস্কৃতির মন্দ দিকগুলো আমাদেরকে দ্রুত প্রভাবিত করছে। ভারতীয় চ্যানেল গুলোর কথা বললে বলা যায়- আমরা আজ আমাদের সমাজে এমন কোন পরিবার পাবো না যেখানে ভারতের কোননা কোন চ্যানেল নিয়ে বসে নাই পরিবারের সদস্যরা। কেও হয়তো ভারতীয় বাংলা কেওবা হিন্দী নিয়ে বসে আছে। ঢাকা পড়ছে দেশীয় চ্যানেল। আর পরিবার গুলোতে বাড়ছে দ্বন্দ্ব সংঘাত,অসুস্থ প্রতিযোগিতা।
    চ্যানেল গুলোতে প্রচারিত নাটক বা সিরিয়ালগুলোর মন্দ দিকগুলো গ্রহন করে পরিবারের সদস্যরা তাদের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করছে। এতে বিলীন হচ্ছে নিজের ব্যক্তিত্ব। পারিবারিক কলহ বাড়ছে,একান্নবর্তী পরিবার ভেঙ্গে যাচ্ছে,শ্রদ্ধাবোধ কমছে। আরো নানান দিক রয়েছে যা আমাদের জন্য কোনভাবে সুখের এবং সম্ভবনার নয়। কোন কোন পরিবারে দেখা যায় অভিভাবকরাই তাদের সন্তানদের এসব গ্রহন করতে সহযোগিতা করে,যা নিজেরাও গ্রহন করে।
    তাই আজ আবার মনে পড়ে ‘টেকনোলজি আমাদের জীবনে গতি এনেছে ঠিকে,তবে কেড়ে নিয়েছে আবেগ’, আকাশ সংস্কৃতি থেকে কি ভালোটা গ্রহন করা যায় না? যদি ভালোটা গ্রহন করা যায় তাহলে আমাদের জীবন হতো সুন্দর,সমাজ হতো গর্বিত।

  20. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা*****

    বিয়ের পর ও যৌতুকের জ্বালায় জ্বলতে হয়
    ——————————————————
    বিয়ের সময় নির্ধারিত যৌতুকের টাকা কনেপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবেই পরিশোধ করে দেয়। তারপরও বাপের বাড়ির উপঢৌকনের জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকদের কাছে বউদের প্রতিনিয়তই কটু কথা শুনতে হয়,মুখ বুজে সহ্য করতে হয় কখনো কখনো স্বামীর নির্যাতনও।এটা আমাদের সমাজে কিছু কিছু পরিবারগুলোর নিয়মিত অধ্যায়ের আরেকটি চিত্র। যৌতুক যেন পিছু ছাড়েনা। হয় যৌতুক না হয় নির্যাতনকে মেনে নিতে হয়। ঘরের ভেতরের এ নির্যাতনের কোন প্রমাণ না থাকায় আমাদের সমাজের অসহায় নারীরা কেউ আইনের আশ্রয় নিতে পারে না। অসহায় এ নারীরা দিনের পর দিন অভিশপ্ত জীবনের ভার বয়ে যায়, আবার কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। বিয়ের পর ও যৌতুকের জ্বালায় জ্বলতে হয় আমাদের সমাজের বেশীর ভাগ বাবা মাকে।

  21. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা*****

    তোমার জন্মদিনে
    —————–
    ধরণী যেন খুব খুশি ছিলো তোমাকে পেয়ে
    ফুলেরা সব সুগন্ধ বিলায় বাতাসের গায়ে গায়ে।
    আকাশের ভাবনায় মেঘ এসে ঝরিয়ে দেয় আনন্দশ্রু
    প্রকৃতির মাঝে রঙ্গের কি মাখামাখি
    শুধু যে তোমার আবির্ভাবে।
    বিশুদ্ধ কলরবে ভরে উঠে আনন্দের জোয়ার
    মায়ের অসহনীয় নির্ঘ্যাৎ মৃত্যুর কষ্ট চলে যায়
    তোমার নিষ্পাপ মুখের দিকে চেয়ে
    বাবার সে কি আনন্দ বুঝাবে কাকে
    মুখরিত ঘরময় সুখের আবেশে,
    তোমার জন্মদিনে গেয়ে উঠে পাখিরা সব
    আনন্দের আগমনী গান।
    দৃপ্ত রথে বড় হয়ে জয় করবে সকল দীনতা,বাধা-ব্যবধান
    আমার ভাবনার করিডোরে তোমার পদচারণা
    বার বার জন্ম দেয় নিঃশকচ ভালোবাসা।
    দীর্ঘায়ু কামনা করি -তোমার আজীবন।
    সুখের উল্লাসে ভরে উঠুক প্রতিটি ক্ষণ।
    নিষ্প্রভ সিক্ততা কেটে বড় হও তুমি
    সোনালী আলোয় যেন ভরে উঠে তোমার জীবন।

  22. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা****

    গ্রামীণ কুটিরশিল্পে ভাগ্য বদল
    ——————————–
    গ্রামীণ কুটিরশিল্প বদলে দিয়েছে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার হাজার নারীর জীবন। কুটিরশিল্পের মাঝে প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীরা এখন খুঁজে পেয়েছে বেঁচে থাকার নতুন প্রেরণা। এ শিল্পের ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে তাদের জীবন। এ শিল্পে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা আরও বাড়িয়ে দিলে কর্মসংস্থানের হার আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
    এক সময় কেবল নারীরাই সখের বশে বিভিন্ন কুটিরশিল্প সামগ্রী তৈরি করত। কিন্তু কালের বিবর্তনে ক্রমেই এই অঞ্চলের নারীরা এ শিল্পের দিকে ঝুঁকছে। এ শিল্পের সামগ্রীগুলো যেমন নানা সহজলভ্য তেমনি আবার অপেক্ষাকৃত কম দামে পাওয়া যায় এগুলো। লাভ বেশি হওয়ায় ক্রমেই বেকার নারীরা ঝুঁকে পড়ছে এ শিল্পের প্রতি। উপজেলার উপকূলীয় এলাকাগুলোতে কুটিরশিল্পের দেখা মিলবে বেশি। এসব এলাকা ঘুরে দেখলে সহজেই চোখে পড়বে কুটিরশিল্পের নানান কারুকাজের বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র। মিরসরাই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাজারগুলোতে মৌসুমভিত্তিক কুটির শিল্পের কারুকার্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী কেনাবেচা হয়। এসব সামগ্রী স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশেরে অন্যান্য স্থানেও বিক্রি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে যেসব নারী অজ্ঞতা-অশিক্ষার কারণে ভালো কাজের সুযোগ পায়নি তারা ক্রমেই আত্মনির্ভরশীল হচ্ছে এ শিল্পের ছোঁয়া পেয়ে। যাদের নেই কোনো কর্মসংস্থান, নেই শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মৌলিক চাহিদার সর্বোত্তম সুবিধা। অভাব যাদের নিত্যসঙ্গী, তারা বেছে নিয়েছে এ কাজটি। তারা এটিকে পেশা হিসেবেই বেছে নিয়েছে। গ্রামের নারীরা ঘরের কোণে বন্দি জীবন নয় তারা নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। গ্রামীণ শিল্পের আওতায় এসে নিরীহ অসহায় সব নারী এখন আত্মনির্ভরশীল। তারা খুঁজে নিয়েছে তাদের বাঁচার মাধ্যম। চট্টগ্রামের প্রাচীন কুটিরশিল্পের অনেকটাই এখন কেবল বয়োবৃদ্ধদের মুখে শোনা বুলি কিংবা হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য। কিছু কিছু কুটিরশিল্প এখানকার জনপদে বিলীন হয়ে গেলেও বাঁশ ও বেত শিল্প, কারুশিল্প, মাছ ধরার জাল বুনা, মৃিশল্প, কমার শিল্পসহ বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্পের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এসব গ্রামীণ শিল্পে পুরুষের চেয়ে নারীদের কর্মব্যস্ততা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়। গ্রামের নারীরা বাঁশ ও বেত দিয়ে তৈরি করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক সরঞ্জামাদি। বাঁশ ও বেত দিয়ে তারা তৈরি করে মাছ ধরার সরঞ্জাম, আনতা, ভ্যাংচা, টেঁইয়া ইত্যাদি।
    গৃহস্থ পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য হাজারী, টুকরি, আড়ি, মেরী, কুলা, চালনি, হাতপাখা, হাতা, ধোচনা তৈরি হয় বাঁশ ও বেত দিয়ে। বাঁশ ও বেত দিয়ে তৈরিকৃত এ সকল জিনিস বাজারজাতকরণ করা হয়। বাজারে এগুলোর রয়েছে প্রচুর চাহিদা। পাটি পাতা দিয়ে গ্রামের নারীরা শীতল পাটি তৈরি করে যা কারুশিল্প নামেও পরিচিত।জানা গেছে, একজন নারীরা শীতল পাটি বুনে প্রতি মাসে দুই থেকে তিন হাজার টাকা আয় করে যা পুরুষ সবৃদ্ধ পরিবারের জন্য বর্ধিত আয়। তাছাড়া যাদের স্বামী পৃথিবীতে বেঁচে নেই তাদের বাঁচার একমাত্র মাধ্যম হলো এসব গ্রামীণ শিল্প।

  23. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা****

    আমায় দিলে
    ………………
    তুমি কি কখনো বৈশাখের মেঘ দেখেছ?
    সেখানে বিদ্যুৎ চমকায়
    ঠিক তোমার চোখের মত
    মেঘ ঘুমরে ওঠে ঠিক তোমার মনের মত
    পরক্ষণে দমকা বাতাস,তারপর ঝড়
    ঠিক তোমার চঞ্চলতার মত
    এই সবই তোমার।
    আমি শুধু চেয়েছি বৈশাখি মেঘ
    তুমি দিলে এক ঝাপটা দমকা বাতাস।
    অবিশ্রান্ত বৃষ্টি
    অসীম নীল আকাশের যত নীল তার চেয়েও
    বেশী নীল আমি দেখেছি তোমার ওই চোখে।
    অথচ! সেই নীলে তুমি জড়ালে নীলাম্বরী।
    কখনো গৌধূলী দেখেছ?
    গৌধূলী আকাশের অনেক রং,অনেক রূপ
    তবুও কতটা ভীষন্ন খেয়াল করেছ?
    তোমার কাছে চেয়েছি গৌধূলীর ভীষন্নতা
    কিন্তু রাঙিয়ে দিলে গৌধূলীর ওই রঙে
    তা আমি চাইনি, তা আমার হতে পারে না
    তা একান্ত তোমার।

  24. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা****

    জীবন
    …………
    জীবন বিচিত্রমুখী
    যেন বয়ে চলা নদী
    তবুও শেওলা জমে জীবনের ধারে
    স্বচ্ছ জলধারা বহে না নিরবধি।
    মুখে জড়ায়ে কখনো জীবন
    বর্ণিল আনন্দে বয়ে চলে জীবনের চাকা।
    জীবন দুঃখ, ব্যাথাময়
    ছন্দ হারিয়ে এলোমেলো হৃদয়ের প্রান্তরে
    স্বপ্নরা ঘর বাঁধে
    কোন এক দুঃস্বপ্নের ঘুমঘোরে।
    জীবন নিষ্ঠুর, নির্মম, রূঢ় স্বার্থন্বেষী
    তবুও জীবন নিয়ে পথচলা
    সকল হিসাব ভুলে
    শুদ্ধ আনন্দে হৃদয় ভরে তোলে।

  25. মুহাম্মদ দিদারুল আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    চলে গেলেন লোকজীবনের রূপকার কাইয়ুম চৌধুরী
    ………………………………

    স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী (৮০) আর নেই। বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের মঞ্চে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর তাকে তাকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়‍া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    রোববার (৩০ নভেম্বর) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে আর্মি স্টেডিয়ামে চলমান বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের চতুর্থ দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা রাখার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
    এরপর তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। ক্যান্টমেন্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
    এর আগে উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের আয়োজকরা জানান, বক্তৃতা করার সময় শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যেয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এ সময় মাথার পেছনে আঘাত পান তিনি।

    বাংলাদেশের শিল্পকলার ইতিহাসে জয়নুল আবেদিন, কামরুল হাসান, এস এম সুলতানের পরে যে ব্যক্তিটির নাম আসে তিনি হলেন শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী। ‘রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ, শব্দ_ এই ইন্দ্রিয়জাত উদ্দীপনা শিল্পীর পথ আলোকিত করে থাকে। যেখানে এসব ইন্দ্রিয়জাত উদ্দীপনা নেই সেখানে শিল্পের অস্তিত্ব নেই।’ শিল্পী ও তাত্তি্বক বিনোদ বিহারী মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্যের সঙ্গে শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর শিল্পীমনও শিল্পকর্মের শতভাগ সাজুয্য রয়েছে। তার চিত্রকর্ম বাংলার মানচিত্রের একটি খ-িত অংশ। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ, কৃষিই এ দেশের মানুষের উপজীব্য বিষয়। শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী লোকজীবনের স্বরূপ তুলে ধরেন।
    নকশীকাঁথা, সরা, পট, পাখা, নৌকার গায়ে নকশা, পুতুল, শীতল পাটি, হাঁড়ি, বাঁশও বেতের কাজ ও নকশায় সেই শিল্পরূপ। কাইয়ুম চৌধুরী লোকজ এই নানা রূপকে কাব্যিক ও রীতিবদ্ধ ডিজাইনে নতুন রূপ দিয়েছেন। কাইয়ুম চৌধুরী পশ্চিমী ধারায় শিক্ষা নিয়ে দু’তিন বছর ছবি অাঁকেন বিলেতি স্কুলের বাস্তবানুগ ধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে। কাইয়ুম চৌধুরী তার শিল্পকর্মে লোকজ ফর্মের খ-িত অংশ নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করেন। ঘর-বাড়ি, নৌকা, মাছ, সবকিছুই তিনি লোকশিল্পের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে খুঁজতে থাকেন। বাংলার মাটির পুতুলের গায়ে অাঁকা রেখা, কাঁথায় ফুল, লতা-পাতা ও পশুপাখির আকারকে নকশার ভিতর আপ্লুত করে তার নির্যাস নিয়ে ছবিতে নতুন মাত্রা যোগ করেন। কাইয়ুম চৌধুরী নিসর্গ প্রেমিক। তার শিল্পকর্ম পর্যালোচনা করলে তা স্পষ্টই প্রতীয়মান। ফুল, লতা, পাতা, গুল্ম এ জাতীয় প্রকৃতির জীবন্ত রূপ তার ছবিতে উপস্থিত হয়। কাইয়ুম চৌধুরীর কাছে নিসর্গের অন্বেষণ স্বাভাবিক ও মানুষী ফর্মের চেয়ে ভিন্ন কিছু। নিসর্গ তার কাছে সাবজেকটিভ এবং অবজেকটিভ এক ক্ষেত্র, সেখানে গভীরতর ব্যক্তিক এবং জমকালো ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ ঘটে তৈরি হয় নতুন এবং আগে থেকে ভিন্ন এক দেখা। কাইয়ুম চৌধুরীর ছবিতে নদী, নারী, ফুল, পাখি, নৌকা, জাল ইত্যাদি দৃশ্যমান হয়। এসবের মধ্যে যে ছন্দ তিনি নির্মাণ করেন তা নৃত্যরতা বাংলাদেশকে প্রতীয়মান করে। তার নির্মিত সৌন্দর্য বস্তুত আমাদের স্বপ্ন জগতের হাতছানি দেয় যেখানে পুকুরে মাছ থাকে, মাঠে শস্য থাকে, কৃষকের গলায় গান থাকে। এই স্বপ্ন তিনি, তার শিক্ষকরা ও তার সতীর্থরা দেখে চলেছেন দেশভাগেরও আগে থেকে। এই স্বপ্ন তাদের মুক্তিযুদ্ধে নিয়েছে। সেই স্বপ্ন বারবার ছিন্ন-ভিন্ন হতে দেখে তিনি বরাবরই বিমর্ষ হয়েছেন, বিক্ষুব্ধ হয়েছেন। শিল্প সমালোচক সৈয়দ আজিজুল হক কাইয়ুম চৌধুরীকে নিয়ে লিখেছেন, জন্মভূমির প্রতি প্রবল মমত্ববোধ, নিজ চিত্রে দেশের রূপ-রসকে পরিস্ফুটিত করার নিরন্তর প্রয়াস এবং লোক ঐতিহ্যের প্রতি অঙ্গীকার তার শিল্পচেতনাকে স্বাতন্ত্র্যময় করেছে।

    শিল্পভূমি : কাইয়ুম চৌধুরীর ছবি তৈরি হয় বুনন পদ্ধতিতে। কয়েকটি রঙের কিউব বা স্কয়ার বিভিন্ন চরিত্র নিয়ে এসে মিলতে থাকে। এর মধ্য দিয়ে একটি পটভূমি তৈরি হয়। এখানে রঙের যে বিন্যাস তা গীত তৈরি করে। ফলে শিল্পীর প্রায় সব ছবিই একটি মধুর অনুভব দর্শককে সঞ্চারিত করে। এরপর তিনি বিভিন্ন স্তর তৈরি করেন, যেগুলোকে কক্ষও বলা যায়। এসব কক্ষের বিভিন্ন স্থানে চরিত্রগুলো অবস্থান করে। চরিত্রগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে দর্শককে ভাবতে হয় না। পটভূমিতে দিয়ে তিনি যে অনুভব সঞ্চারিত করেন তা-ই দর্শককে বিভিন্ন চরিত্রের রূপ ও রসে ক্রমাগত অন্তর্ভুক্ত করে। তার ছবি চলচ্চিত্রের আঙ্গিকে দেখা যায়। কোনো ছবি লং শটে গড়েন, কোনোটি ক্লোজ শটে। ক্লোজ শটের ছবিগুলোয় পটভূমি তেমন স্থান পায় না, চরিত্রের রঙই মুখ্য হয়ে আসে।

    ছবির বিষয় : কাইয়ুম চৌধুরীর ছবিতে ব্রাত্য মানুষের সংখ্যা বেশি। যারা উৎপাদন করে সেসব মানুষ যেমন কৃষক, জেলে, মজুরেরা তার ছবির পাত্রপাত্রী। সব শিল্পের বীজ আসলে ব্রাত্য মানুষরাই লাগান, নাগরিক মানুষ তার ফসল ভোগ করেন। কিন্তু নাগরিক মানুষ ঋণ স্বীকারের সামর্থ্য রাখেন না। কাইয়ুম চৌধুরী তা রাখেন এবং আজীবন রেখে চলেছেন। তাইতো মাহমুদ আল জামান লিখেছেন, প্রথম প্রজন্মের শিল্পীদের মধ্যে আবহমান বাঙালির লোক ঐতিহ্যে, লোকজীবনের রূপায়ণ তার তুলিতেই সর্বাপেক্ষা প্রাণবন্ত, সজীব ও আধুনিক হয়ে উঠেছে।

    শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর জন্ম ৯ মার্চ, ১৯৩২ ফেনী জেলায়। ১৯৪৯ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। ১৯৫৪ সালে গভর্নমেন্ট ইন্সটিটিউট অফ আর্টস (বর্তমানে চারুকলা ইন্সটিটিউট) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ। ১৯৫১-৫২ : লিটন হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা আর্ট গ্রুপের প্রদর্শনী। ১৯৫৪ : বর্ধমান হাউস ঢাকায় অনুষ্ঠিত অল পাকিস্তান আর্ট একজিবিশনে অংশগ্রহণ। ১৯৫৫-৫৬ : গ্রন্থ চিত্রণে কর্মজীবন শুরু। প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত পেইন্টার্স ইউনিট প্রদর্শনী। ১৯৫৭ : শিক্ষক হিসেবে চারুকলা ইন্সটিটিউটে যোগদান। ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের নয়জন শিল্পীর প্রদর্শনী। করাচিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী। ১৯৫৮ : ছায়াছবি নামে সিনে মাসিকের যুগ্ম সম্পাদক। ১৯৫৯ : রেলওয়ে টাইমটেবল প্রচ্ছদ অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার। গভর্নমেন্ট ইন্সটিটিউট অব আর্টসের বার্ষিক প্রদর্শনী। ১৯৬০ : শিল্পী তাহেরা খানমের সঙ্গে পরিণয়। নকশাবিদ হিসেবে ডিজাইন সেন্টারে যোগদান। ১৯৬১ : ঢাকায় অনুষ্ঠিত সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী। রেলওয়ে টাইমটেবল প্রচ্ছদ অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার। লাহোরে অনুষ্ঠিত জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে চারুশিল্পে প্রথম পুরস্কার লাভ। ডিজাইন সেন্টার ছেড়ে অবজার্ভার গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে প্রধান শিল্পী হিসেবে যোগদান। ১৯৬২ : রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের চিত্রশিল্পীদের প্রদর্শনী। ঢাকা স্কুল অব পেইন্টিংস প্রদর্শনী।

    ১৯৬৩ : সাপ্তাহিক সচিত্র সন্ধানীর শিল্প উপদেষ্টা।

    ১৯৬৪ : জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র থেকে শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ চিত্রের (জসীমউদ্দীন জীবন কথা) পুরস্কার লাভ। শিল্পনির্দেশক হিসেবে নবাঙ্কুর আর্ট পাবলিসিটিতে যোগদান। লাহোরে অনুষ্ঠিত জাতীয় চিত্র প্রদর্শনী।

    ১৯৬৫ : গ্রাফিক ডিজাইনে প্রভাষক হিসেবে গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্টস অ্যান্ড ক্রাফটসে যোগদান। জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী, ঢাকা। অ্যাবস্ট্রাক্ট পেইন্টিং প্রদর্শনী, ঢাকা। শিল্প উপদেষ্টা নিক্কন, অ্যাডভার্টাইজার্স, ঢাকা। সহকারী হিসেবে সৈয়দ শামসুল হকের উর্দু ছবি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি অব এরর্স অবলম্বনে ফির মিলেঙ্গে হাম দোনোতে দায়িত্ব পালন।

    ১৯৬৬ : পঞ্চম তেহরান বিয়েনালে আর সি ডি-ভুক্ত দেশ পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরানের প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ এবং চিত্রকলায় ইম্পেরিয়াল কোর্ট প্রাইজ অর্জন। রাওয়ালপিন্ডিতে সমকালীন আর্ট গ্যালারির পঞ্চম বার্ষিক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (আবুল ফজল রচিত রেখাচিত্র) লাভ। ১৯৬৭ : ঢাকায় অনুষ্ঠিত লায়ন্স ক্লাব প্রদর্শনী। ফিল্ম টাইটেল পাবলিসিটি ম্যাটেরিয়াল তৈরিতে অংশগ্রহণ। অন্তরঙ্গের যুগ্ম সম্পাদক।

    ১৯৬৮ : জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (আবদুল আহাদ রচিত গণচীনে চবি্বশ দিন)। পূর্ব জার্মানির লিপজিগে অনুষ্ঠিত গ্রন্থমেলায় ইলাস্ট্রেশন এবং গ্রন্থনকশার জন্য পুরস্কার (আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর কখনো রং কখনো সুর)।

    ১৯৬৯ : সন্ধানী প্রকাশনী থেকে ছড়ার বই তাই তাই তাই প্রকাশিত। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (কবি জসীমউদ্দীনের বাঙালীর হাসির গল্প)। ইংরেজি সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস পত্রিকার শিল্প সম্পাদক। ‘নবান্ন’ নামে অনুষ্ঠিত চিত্র প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। সিনেমা পত্রিকা সিকোয়েন্সের যুগ্ম সম্পাদক।

    ১৯৭০ : জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার (সৈয়দ মুর্তজা আলী রচিত আমাদের কালের কথা। ‘কালবৈশাখী’ নামে অনুষ্ঠিত চিত্র প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। ১৯৭২ : মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যার ওপর ছয়টি চিত্র অঙ্কন। ভারতের দিলি্লতে তৃতীয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অনুষ্ঠিত চিত্র প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ।

    ১৯৭৩ : সাহিত্যিক চলচ্চিত্র নির্মাতা জহির রায়হান স্মরণে সন্ধানী প্রকাশনী প্রকাশিত স্যুভেনিরের নকশা অঙ্কন। কলকাতা, দিলি্ল, মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত সমকালীন বাংলাদেশের চিত্রকলা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। গভর্নমেন্ট ইন্সটিটিউট অব আর্টসের রজতজয়ন্তী পুরস্কার লাভ। স্কেচ গ্রুপ প্রদর্শনী। ডাক বিভাগের নকশা প্রণয়ন কমিটির সদস্য।

    ১৯৭৪ : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশনাগুলোর নকশা প্রণয়ন। বিজয় দিবসে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ।

    ১৯৭৫ : জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। গ্রন্থনকশা প্রণয়নে সামগ্রিক অবদানের জন্য জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র স্বর্ণপদক লাভ। গ্রন্থকেন্দ্র কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রচ্ছদ প্রদর্শনী। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রচ্ছদ পুরস্কার। (শামসুর রাহমান রচিত আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি)। ভারতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ট্রায়েনাল, ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রিন্ট এবং ড্রইং প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ। সন্ধানী প্রকাশনার সংবর্ধনা।

    ১৯৭৬ : জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রচ্ছদ পুরস্কার (আবুল হাসান রচিত পৃথক পালঙ্ক)। ‘লাইফ ইন বাংলাদেশ’ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ।

    ১৯৭৭ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী। তৃতীয় জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী, ঢাকা। শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার লাভ। ওয়াশিংটন ডিসিতে একক চিত্র প্রদর্শনী।

    ১৯৭৮ : চতুর্থ ট্রায়েনাল প্রদর্শনী, ভারত। চতুর্থ জাতীয় চিত্রশালা প্রদর্শনী, ঢাকা।

    ১৯৭৯ : সাও পাওলো, ব্রাজিলে আন্তর্জাতিক বিয়েনাল। প্রথম এশিয়ান গ্রাফিক ডিজাইন প্রদর্শনী, তেহরান।

    ১৯৮০ : জলরঙ প্রিন্ট প্রদর্শনী, ঢাকা। সমকালীন এশিয়ান পেইন্টিং ফেস্টিভ্যাল, ফুকোকা, জাপান। পঞ্চম জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী।

    ১৯৮১ : এশিয়ান আর্ট ফেস্টিভ্যাল, হংকং। প্রথম এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল, বাংলাদেশ।

    ১৯৮২ : গ্রাফিক ডিজাইন বিয়েনাল, ব্রনো, চেকোসস্নোভাকিয়া। জাতীয় চিত্রশালা প্রদর্শনী।

    ১৯৮৩ : দ্বিতীয় এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল, বাংলাদেশ।

    ১৯৮৪ : সদস্য, বোর্ড অব গভর্নরস, চারুকলা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আলজিয়ার্সে আফ্রো এশীয় গণসংহতি পরিষদের সম্মেলনে যোগদান। সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সদস্য।

    ১৯৮৫ : দ্বিতীয় সাফ গেমসে ডিজাইন কমিটির উপদেষ্টা।

    ১৯৮৬ : ট্রায়েনাল, ভারত। একুশে পদক। থিয়েটার গ্রুপের সম্মাননা।

    ১৯৮৮ : আন্তর্জাতিক পোস্টার প্রদর্শনী, প্যারিস। জাপানে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী।

    ১৯৮৯ : বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী। চীন, হংকং ব্যাংকক সফর। জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী, ঢাকা। ইউনিসেফের উদ্যোগে শিশু জন্ম টিকাদানের ওপর পোস্টার প্রদর্শনী, ঢাকা। সম্মাননা, চারুশিল্পী সংসদ। সদস্য জুরি বোর্ড ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড কমিটি।

    ১৯৯০ : পশ্চিম জার্মানিতে বাংলাদেশের ছয় শিল্পীর প্রদর্শনী। জিম্বাবুয়ের হারারেতে বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী।

    ১৯৯১ : সম্মাননা, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি। সম্মাননা, মাহবুবউল্লাহ জেবুন্নেসা স্মৃতি ট্রাস্ট।

    ১৯৯৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত বাংলাদেশের নয়, আধুনিক চিত্রশিল্পীর প্রদর্শনী, ঢাকা। মুক্তিযুদ্ধের পর চিত্রকলা প্রদর্শনী। জুরি বোর্ডের সদস্য, এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল, বাংলাদেশ। ষষ্ঠ সাফ গেমসের ডিজাইন কমিটির উপদেষ্টা। সম্মাননা ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী।
    ১৯৯৪ : মস্কোয় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সমকালীন চিত্রকলা প্রদর্শনী। রাশিয়া সফর। বঙ্গবন্ধু পুরস্কার।

    ১৯৯৫ : শিল্প উপদেষ্টা, বাংলা একাডেমি।

    ১৯৯৬ : জাতীয় চিত্রশালা প্রদর্শনী। সদস্য, কারেন্সি ডিজাইন কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক।

    ১৯৯৭ : মাস্কাট, ওমানে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের চিত্রকলা প্রদর্শনী।

    ১৯৯৮ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত জাতীয় চিত্রকলা প্রদর্শনী। বাংলাদেশের চারুকলার পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে বিশেষ প্রদর্শনী। জুরি বোর্ডের সদস্য, এশিয়ান আর্ট, বাংলাদেশ। রাজশাহীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে মুক্তিযুদ্ধের পর (৯০০.৫১০ সেমি.) মোজাইক ম্যুরাল।

    ১৯৯৯ : তৃতীয় একক চিত্রকলা প্রদর্শনী।

    ২০০১ : সুলতান ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্বর্ণপদক প্রদান।

    ২০০২ : প্যারিস, মাদ্রিদ, আমস্টারডাম ভ্রমণ ও বিভিন্ন গ্যালারি পরিদর্শন। সুপার নিউমেরারি অধ্যাপক হিসেবে চারুকলা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ।

    https://www.facebook.com/muhammed.didarulalam/posts/886507314714981?pnref=story

  26. মুহাম্মদ দিদারুল আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    সড়ক-মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ গতিরোধক

    আমাদের মহাসড়কগুলো এমনিতেই নানা সমস্যায় জর্জরিত। এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা গুরুতর সমস্যাটি হলো নিরাপত্তা। দ্রুতগামী যানবাহনের অবাধ ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করা এইসব মহাসড়ক নির্মাণের মূল লক্ষ্য হলেও সামগ্রিক পরিকল্পনায় তাহার ছাপ নাই বললেই চলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, গ্রাম-গঞ্জের ক্ষুদ্রাতিলক্ষুদ্র সড়কও সরাসরি ৯০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে যুক্ত করা হয় মহাসড়কের সাথে। ফলে অনভিপ্রেত যানজটের পাশাপাশি তৈরি হয় মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও। সেই সাথে সমগ্র মহাসড়ক জুড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা হাটবাজার, বিভিন্ন সমিতি-সংগঠনের দপ্তর এবং রিকশা, টেম্পু ও বাসসহ নানারকম যানবাহনের স্ট্যান্ড তো আছেই। ময়লার ভাগাড়ও দেখা যায় বেশকিছু স্থানে। অধিকাংশ মহাসড়কে অবাধে চলে নসিমন-করিমনের মতো শ্লথগতির অননুমোদিত এবং ক্ষেত্রবিশেষে অযান্ত্রিক বহু যানবাহনও। সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলে যত্রতত্র অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত গতিরোধক। বৈধ গতিরোধকের সংখ্যাও একেবারে কম নয়। বৈধ-অবৈধ যা হোক, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গতিরোধকগুলো দৃশ্যমান করবার কোনো উদ্যোগ যেমন নাই, তেমনি এইসব গতিরোধক নির্মাণে অনুসৃত হয় নাই যথাযথ নিয়মকানুনও। সর্বোপরি, নাই সতর্কতামূলক কোনো চিহ্ন বা নির্দেশনা। ফলে স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে নির্মিত হলেও গতিরোধকগুলো সড়ক-মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের জন্য ভয়ঙ্কর মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। এটা দুর্ঘটনার আরেকটা কারণ।
    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে বিষয়টি জানেন না এমনও নয়। বিগত বছরগুলিতে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের যতো সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রায় সব সভাতেই বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। মহাসড়কগুলোকে ঝুঁকিমুক্ত করবার জন্য গৃহীত হয়েছে নানা সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাস্তবায়িত হয়েছে তার অতি সামান্যই। বরং এই সময়ে অবৈধ গতিরোধক যতো না অপসারিত হয়েছে, নির্মিত হয়েছে তার কয়েকগুণ বেশি। এমনকী উপেক্ষিত হয়েছে সতর্কতাসূচক চিহ্ন বা সংকেতের মাধ্যমে গতিরোধকগুলি দৃশ্যমান করবার অতি জরুরি কাজটিও। তাহার মাশুলও কম দিতে হয় নাই জনগণকে। স্বস্তিকর সংবাদটি হইল, অবশেষে অপ্রয়োজনীয় গতিরোধক অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছেন যে, এইসব অপ্রয়োজনীয় গতিরোধকের কারণে দুর্ঘটনার পাশাপাশি চুরি-ডাকাতি-ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটছে প্রায়শ। আমরা আশা করি, উদ্যোগটি কেবল কয়েকটি সড়কেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের সকল সড়ক-মহাসড়ক হতে অপ্রয়োজনীয় গতিরোধক অপসারণ করা যেমন জরুরি, তেমনি যথাযথ সতর্কচিহ্ন বা সংকেতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় গতিরোধকসমূহ দৃশ্যমান করো তোলাও কোনো অংশে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।

  27. মুহাম্মদ দিদারুল আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    জুলু মিয়ার লম্বা হাত…
    ………………….

    জুলু মিয়া। মায়ের দেয়া নাম। মা বাবার আদুরে সন্তান। খুব একরোখা। ভালো নাম তার জলিল মিয়া। দাদীর দেয়া নাম। তার পেয়ারী দাদী এই নাম ব্যবহার করতে সবাইকে নির্দেশ দিয়ে গেছেন। ছোট থেকে জুলু মিয়া খুব লম্বা ,হাত পা গুলোও খুব লম্বা ছিলো। পড়া লেখায় ভালো,পড়া-লেখার বাইরে খুব ঘরকোণে ছিলো। ক্লাসের কোন ছেলের সাথে ঝগড়া লাগলে সে সবার আগে ওই ছেলের জামার কলার ছেপে ধরতো। কলার ধরে এক হাতে মাথার ওপরে তুলে ছেড়ে দিতো। মিন্টুকে খুব ভালোবাসে জুলু। মিন্টু নামে তার একটা পোষা কুকুর আছে। কুকুরের মতো গেউ গেউ শব্দ তার রপ্ত। মাঝে মাঝে কুকুরের পাশে ঘুমায়ও সে। বন্ধুরা বলে কুকুরের মতো তার গলাটাও বাঁকা। কখনও কখনও মা যখন খুঁজে খুঁজে হয়রান এক সময় তিনি দেখেন তার সোনা মানিক খাটের নিচে কুকুরের সাথে কুকুরের গলা ধরে ঘুমাচ্ছে।
    বাড়ীতে কোন অতিথি এলে মা যদি বলে একটা মুরগী ধরে আনতে জবাই করার জন্য। তখন জুলুকে কে আর পায়। দৌঁড়ে গিয়ে গপ করে একটা মুরগীর গলা ধরে মায়ের চোখের সামনে নিয়ে আসে। মুরগী জবাই করলে মা জানে গলাটা তার খুব প্রিয়, তাই সেটার জন্য বাবা আর ছেলের মাঝে ঝগড়া বেঁধে যায়।
    জুলু এখন বড় হয়েছে ভালোবাসা বুঝতে শিখেছে। চাচাতো বোন চিনু তার ছোটকাল থেকে পছন্দের পাত্রী ছিলো। ছোটকাল থেকে চিনুর সাথে গলায় গলায় ভাব জমাতে চাইতো কিন্তু চিনুর তা পছন্দ ছিলো না। বাড়ীর পূর্বদিকে প্রায় বিকেলে জুলু মিয়া গলা ছেড়ে ভালোবাসার আর বিরহের গান গাইতো। তা শুনে চিনু মনে মনে হাসে আর বলে জুলু তুমি যতই চুলুবুল করোনা কেন মন তুমি পাচ্ছো না। মায়ের কানে আসতেই মা বলে ওঠে ওহ্ আমার সোনা মানিকের গলাটা খুব সুন্দর। মা ভাবে ছেলের গলাটাকে যদি আর একটু ধার দেয়া যেত তাহলে বড় মাপের কোন শিল্পীর মতো হতো তার ছেলের গলা।
    চিনুর সাথে জুলু মিয়ার দেখা হলে চিনুর পা থেকে গলা পর্যন্ত একবার সে তাকাবেই। তারপর গলায় গিয়ে জুলুমিয়ার চোখ আটকে যায়। কেননা চিনুর গলায় একটা সুন্দর সোনার চেইন ওই চেইনটার দিকে জুলু মিয়া নিয়মিত দেখে পাশাপাশি চিনুর বুকের প্রতি ও তার আর্কষণ কম নয়। চেইনের প্রতি লোভ সামলাতে না পেরে একরাতে জানালা খোলা রেখে চিনু যখন ঘুমাচ্ছিলো তখন জুলু চুপিসারে চিনুর জানালার সামনে গিয়ে হাজির হয়। জানালার ফাঁক দিয়ে হাত দেয় চিনুর গলার দিকে। হাতটা গলায় না গিয়ে আরেকটু নিচে নেমে গেলো। একটা হস্তকর্ম সারিয়ে আরেকটা হস্তকর্ম করতে গেলে চিনু চিৎকার করে ওঠে তখন জুলু চিনুর গলা চেপে ধরে। দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেখে ছেড়ে দিয়ে জুলু পালায়।
    আমাদের জুলুমিয়া ইতি মধ্যে চিনুকে না পেয়ে পাশের বাড়ীর রানুকে শাদীর কাজটা সেরে পেলেছে। ব্যর্থতা মুছে ফেলতে রানুকে পটায়,তারপর বিয়ে। না সবাইকে জানিয়ে নয়। শুধুমাত্র কয়জন বন্ধু আর কাজী সাহেবই জানেন। শাদীর বদৌলতে জুলুমিয়ার চাকুরীটা হয়ে গেয়ে। পুলিশের চাকুরী। সেরের ওপর সোয়া সের।
    জুলুর হাতটা ইদানীং আরো লম্বা হয়ে গেছে। হাতটা টেবিলের ওপরে থাকতে চায়না,শুধু টেবিলের নিচে চলে যায়। না না ভাই ভুল ভাবছেন কেন! ওপরিটা টেবিলের নিচে দিয়ে ওপরে নিয়ে আসেন তিনি। তার ওপরি নেয়ার দৃশ্য অফিসের ছোটকর্তরা দেখলেও ভয়ে কিছু বলে না। শুধু শুধু বলে তার গলা ধাক্কাটা কে খেতে যাবে। জুলু মিয়ার কথা না শুনলে অফিসের অধিনস্তদের অনেক গলা ধাক্কা খাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে।
    দেশের রাজনীতির অবস্থা বুঝে সবার আগে হরতালে রাস্তায় নামে জুলু মিয়া। তার নাকি রাজনৈতিক নেতাদের গলা খুব প্রিয়। সবার চোখের আড়ালে তাদের গলা ধাক্কা দিতে, গলা চেপে ধরতে খুব ভালো লাগে। কিন্তু কাজটি জুলু মিয়া চুপিসারে গোপনে গোপনে করতে চাইলেও তা পারে না। পরের দিন দেশের মিডিয়াগুলোতে তার নাম ও ছবি দেখে খটকা লাগে তার। ইস্ এবারও! পারলাম না ছবি ওঠে গেলো।
    এক ছাত্রনেতার গলা চেপে ধরার দৃশ্য পরের দিন পত্রিকার পাতায় দেখে মনে মনে ভাবে হায় হায় আর বুঝি রক্ষা হলো না। ওই দিন মনে মনে জুলু মিয়া প্রতিজ্ঞা করে এবার মিডিয়ার গলা চেপে ধরতে হবে। অনেক চেষ্টার পর এক সাংবাদিকের গলা চেপে ধরে। তাও মিডিয়াতে চলে আসে। তাতে তার আপসোস নেই। চেয়ারটাতো ঠিকেই আছে। পদোন্নতির জন্যও নাকি এবার প্লাস পয়েন্ট। এবার ভাবনা অন্যদিকে কিভাবে এই ভাবনায় সফল হওয়া যায় সে টেনশনে আছে। মিডিয়ার কলম আর ক্যামরার গলা চেপে ধরবে। তাদের গলা কি রকম তা অনুমান করতে পারছেনা। লম্বা নাকি খাটো। চিকন না মোটা। তার এক হাতের মুঠোয় আসবে নাকি দু’হাত এক সাথে করতে হবে। দু’হাত যদি একসাথে করতে যায় পিছন থেকে কেউ যদি তাকে কাতুকুতু দেয়। এই ব্যাপারটি নিয়ে ইদানীং খুব টেনশান খাচ্ছে,টেনশানে যাচ্ছে তার দিনরাত্রি।
    কিন্তু অনেক চেষ্টা করে,অনেক সুবুদ্ধি কুবুদ্ধি দিয়ে মিডিয়ার কলম আর ক্যামরার গলা চেপে ধরতে পারছেনা। তার কালো চশমা দিয়ে সে দেখতে পারছেনা মিডিয়ার কলম আর ক্যামরার গলা। অনেক ফকির বাবার ঝাঁর ফুক,তাবিজ-তুমার করিয়ে কোন লাভ হচ্ছে না। তার চোখে সে মিডিয়ার কলম আর ক্যামরার গলা দেখতে পাচ্ছে না। এখন জুলু মিয়ার কাজ থেকে ওই টেনশনটা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

  28. মুহাম্মদ দিদারুল আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    কৃষকের হাসিমাখা মুখের ছবি আঁকে হেমন্ত
    ……………………………

    চারিদিকে মৌ মৌ নবান্নের ঘ্রাণ-/কার্তিকের সোনা ধানে ভরে যায় গোলা,/হেমন্তের দিনগুলো আসে ঝকঝকে/সোনার থালায়/উৎসবমুখর নক্ষত্র রাত ঝিকিমিকি ধান-শিষ/হয়ে কাঁপে আকাশের সুনীল মাঠজুড়ে।
    প্রকৃতপক্ষে চিরসবুজের নিঃস্বর্গ শোভায় থরে থরে সজ্জিত এমন ভূমি পৃথিবীর আর কোথাও নেই। এ দেশ যেন ঋতুতে ঋতুতে নব নব রূপে নিজেকে উন্মোচিত করে বিশ্ব মাঝে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রকৃতি দৃশ্যপটও পরিবর্তিত হয় সমান তালে।
    ঋতুর এ পালা বদলে শরতের শেষে আসে হেমন্ত। বাংলা সনের হেমন্ত ঋতুর দু’টি মাস, কার্তিক ও অগ্রহায়ণ। ‘কৃত্তিকা’ ও ‘আর্দ্রা’ তারার নাম অনুসারে নাম রাখা হয়েছে কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসের।
    ‘মরা’ কার্তিকের পর বাংলাদেশের সকল মানুষ প্রবেশ করে এক সর্বজনীন লৌকিক উৎসব নবান্নে। ‘অগ্র’ ও ‘হায়ণ’ এ দু’অংশের অর্থ যথাক্রমে ‘ধান’ ও ‘কাটার মওসুম’।
    মাঠের পর মাঠ সোনালী ফসল চকমকিয়ে ওঠে হেমন্তের বাতাসে। কৃষকের হাসিমাখা মুখের ছবি আঁকা যেন হেমন্তের বুকে, কেননা হেমন্ত আসে পাকা ধানের খবর নিয়ে। কাস্তে হাতে কৃষকরা মাঠে মাঠে আমন ধান কাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আঁটি আঁটি ধানে ভরে গৃহস্থের গৃহ আর খুশির জোয়ারে ভাসে মন। পাকা ধানের মিষ্টি গন্ধে ময়ময় কৃষকের আঙিনা, এ যেন বাংলার প্রাণবন্ত রূপ। নতুন ফসল ওঠার আনন্দে আত্মহারা কৃষক। তাই ঘরে ঘরে শুরু হয় নবান্নের উৎসব। আমাদের দেশে কোন কোন অঞ্চলে ফসল তোলার পরদিনই নতুন ধানের নতুন চালে ফিরনী-ফায়েশ অথবা ক্ষীর তৈরি করে আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর ঘরে ঘরে বিতরণ করা হয়। নবান্নে জামাইকে নিমন্ত্রন করা হয়। মেয়েকেও বাপের বাড়িতে ‘নাইয়র’ আনা হয়।
    হেমন্তকে তাই উৎসবের ঋতু বললেও ভুল হবে না এতটুকুও। কিষাণীরা সারা রাত জেগে পিঠা তৈরি করে আর সে কষ্ট আনন্দময় হয়ে ওঠে সকালে তা পড়শিদের মাঝে বিতরণ করে। নারিকেল এ ঋতুর প্রধান ফল। সুতরাং গৃহিণীর পিঠার তালিকায় থাকে নারিকেলে তৈরি রকমারি মুখরোচক খাবার। নানা ধরনের পিঠার সুবাস আর শেফালী, কামিনী ফুলের সুবাসে মাখামাখি হয় কৃষকের আঙিনা। সে সুবাসে কৃষকের মনেও আসে অনাবিল তৃপ্তি যা তাকে নতুন ফসল ফলাতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
    বাংলা সাহিত্যের একটা অংশ জুড়েও আছে শিশিরের নরম স্পর্শ। এটার জন্ম ও অন্তর্ধান দুটোই রহস্যে ঘেরা। কখন কোথা থেকে ঝরে পড়ে ঘাসে ঘাসে, গাছের পাতায় মুক্তোর মালা পরায়, কেউ জানে না। আর সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিকে কাঁদিয়ে কোন সুদূরে মিলিয়ে যায়, তাও মানুষের দৃষ্টির বাইরে।
    হেমন্তের শিশির ভেজা ঘাসের ডগা যেন মনে হয় মুক্তর মেলা। প্রকৃতি এ রহস্যময় উপাদানটি পানিরই বিন্দুবৎ রূপ। সকালে বা সন্ধা তা আকাশ থেকে অদৃশ্য আকারে ঝরে।
    আবহমানকাল থেকে আমাদের এই ষড়ঋতু আর নদী অঞ্চলের মানুষ বিশ্বাস করে, শিশির কমনীয়তার প্রতীক। স্রষ্টার অপার করুণা।
    ভোরের কাঁচা কোমল রোদ, মৃদু হিমস্পর্শ প্রাণে শিহরণ জাগায়। হেমন্তেই দেখা যায় সোনা রোদের ঝিলিক। হেমন্তের সকালের শিশির ভেজা সকাল, দুপুরের রোদের স্নিগ্ধতা, সন্ধায় বাঁশ ঝাড়ে পাখির কলকাকোলি ভিন্নমাত্রিক দোতনা সৃষ্টি করে। হেমন্তের রাতে মেঘ মুক্ত আকাশে জোৎ¯œার আলো যেন অন্য সময়ের চেয়ে একটু বেশি ঠিকরে পড়ে।
    প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এদেশে হেমন্তের উৎসবে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্যে নবরূপের সংযোজন হয়। পিঠা, পুলি আর নবান্নের উৎসব লালিত বাঙালির জীবনে হেমন্ত তাই বেশ আদরণীয়।
    অনেকে হেমন্তকে বলে অনুভবের ঋতু, ম্লান, ধূসর, অস্পষ্ট, তাকে যতো অনুভব করা যায় তাতো দেখা যায় না; শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষার মতো হেমন্ত এমন তীব্র, প্রখর, উন্মোচিত নয়, বসন্তের মতো তার বর্ণ, গন্ধ, গরিমা নেই, হেমন্ত মৌন, শীতল, অন্তর্মূখী।
    হেমন্ত-প্রকৃতি আকৃষ্ট করে কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘নৈবদ্যে স্তব্ধতা’ কবিতায় লিখেছেন-
    ‘আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে
    জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে
    শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার
    রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার
    স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি।’

    কবি সুফিয়া কামাল তার কবিতায় হেমন্তে ফসল তোলার চিত্রটি এঁকেছেন এভাবে-
    ‘এই তো হেমন্ত দিন, দিল নব ফসল সম্ভার
    অঙ্গনে অঙ্গনে ভরি, এই রূপ আমার বাংলার
    রিক্তের অঞ্চল ভরি, হাসি ভরি, ক্ষুধার্তের মুখে
    ভবিষ্যৎ সুখের আশা ভরি দিল কৃষকের বকে
    শিশির সিঞ্চসে সিক্ত দ্বারা বুকে তৃণাঞ্চল জাগে,
    সোনালী ধানের ক্ষেতে ঈষৎ শীতার্ত হাওয়া লাগে
    আনন্দ অশ্রুতে যেন ভিজা ভিজা আঁখির পল্লবে
    মাটি,মাতা হেরিতেছে নবান্ন আসন্ন উৎসবে,
    বিমুগ্ধ নয়নে হেরে পরিপূর্ণ ফসলের ভার,
    অঙ্গ ভরিয়া আছে-আমার বাংলার।’

    কবি জসিমউদ্দীন লিখেছেন-
    ‘সবুজে হলুদে সোহাগ ঢুলায়ে ধান ক্ষেত,
    পথের কিনারে পাতা দোলাইয়া করে সাদা সঙ্কেত।
    ছড়ায় ছড়ায় জড়াজড়ি করি বাতাসে ঢলিয়া পড়ে,
    ঝাঁকে আর ঝাঁকে টিয়া পাখিগুলি শুয়েছে মাঠের পরে।
    কৃষাণ কনের বিয়ে হবে হবে তার হলদি কোটার শাড়ি,
    হলুদে ছোপায় হেমন্ত রোজ কচি রোদ রেখা-নাড়ি।’

    হেমন্ত ঋতু কোথা থেকে শুরু, কোথায় শেষ তা নিরূপন করা দুরূহ, শরৎ থেকে সে খুব পৃথক নয়; শীত থেকেও তেমন বিচ্ছিন্ন নয় তার প্রকৃতি, শীত-শরতের মাখামাখি এই হেমন্ত, একটি সম্পূর্ণ নিজস্ব বাংলা ঋতু। হেমন্তের রঙ ধূসরতা, বর্ষার মতো রুদ্র রুক্ষ নয় তার রূপ, শীতের দুঃসহ শৈত্যপ্রবাহও তার পরিচয় নয়, হেমন্ত উদাসীন, মগ্ন, নিভৃত, একগুচ্ছ প্রিয় ঝরাপাতা। আমাদের দেশে হেমন্ত আসে ধীর পদক্ষেপে। শীতের পরশ আলতো করে গায়ে মেখে।
    এখন বাংলাদেশে হেমন্ত আসে ঠিকই কিন্তু নবান্ন উৎসব আসে না। কারণ, আজ বাংলার সেরূপ নেই, প্রাচুর্য নেই, মন মানসিকতাও নেই।
    আজ বাংলার কৃষক রোগে-শোকে, অভাবে-তাড়নায়, দুঃখে-দারিদ্র্যে ও হতাশায় আমূল নিমজ্জিত। ঋণভারে জর্জরিত। তাই ‘নবান্ন উৎসব’ আর তাদের স্পর্শ করতে পারে না। হেমন্তে নতুন ধানের অন্ন জুটলেও তা নবান্ন উৎসবের আঙ্গিকে নয়, প্রয়োজনের তাগিদে। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের সার্থক পরিচয়বাহী এই সার্বজীন নবান্ন উৎসব। এক আবার বাঁচিয়ে তোলা দরকার। নতুবা আমরা ঐতিহ্যিক সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবো। কোন একদিন হয়তো বই পুস্তক ও পত্রপত্রিকা ঘেঁটেই হেমেন্তের এই নবান্ন উৎসব সম্পর্কে জানতে হবে।
    কবির ভাষায়:
    ‘পথের কিনারে দাঁড়ায়ে রয়েছে আমার ধানের ক্ষেত,
    আমার বুকের আশা-নিরাশার বেদনার সঙ্কেত।’

    https://www.facebook.com/muhammed.didarulalam/posts/886279504737762?pnref=story

  29. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    তুমি আমি-র জীবনকথা

    জীবনের জন্য যতটা ভেবেছিলাম
    তার চেয়েও অনেক বেশি জীবনকে
    তোমাকে পেয়েই পেয়ে গেছি ।
    তোমাকে পেতেই যে সংগ্রামে আমার জীবন
    কান্না ব্যাকুল যন্ত্রণায় থরো থরো কেঁপে উঠেছিল
    তাকে আমি কখনই প্রশয় দিই নি
    কোন বাধাতেই দাঁড়িয়ে পড়ি নি
    আকাশের প্রশস্তে উজ্জ্বলের হাতছানিতে এগিয়ে গেছি
    আর তোমাকে পেয়েই
    সবটাই জীবনের অঙ্গ জেনে গেছি ।
    এতটাই পরমের প্রতিকৃতিতে
    উদ্ভাসিত শান্তির স্বতন্ত্র জীবন পেয়ে গেছি
    চরমের সাথে যুজতেই জীবন গড়ে নিয়েছি
    তোমাকেই তারই অঙ্গানুতে
    আলোয় আলো হয়ে তোমাকেই তো পেয়েছি ।
    জীবনের এই তৃপ্তির সংজ্ঞায়
    বাঁচতে হয় না
    জীবনটাই বাঁচার গল্পগাঁথা
    কোন কাব্য নয় শুধু বাস্তব তীর্থে
    হৃদয়ের শলাপরামর্শে আরো আরো অনেকবার বেঁচে ওঠা
    তুমি আমি এই পৃথিবীর অনন্ত জীবন কথা ।
    -০-০-০-০-

  30. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো আয়োজন … ফেসবুকে প্রকাশিত হলে ক্ষতি নেই কিন্তু অন্য কোন ব্লগে প্রকাশিত হওয়া যাবে না, এই বিষয়ের সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলছি, হয় অনলাইনে কোথাও প্রকাশিত হওয়া চলবে না অথবা অনলাইনে প্রকাশিত হলে ক্ষতি নেই অন্য কোন প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রকাশিত লেখা হলে চলবে না – করার প্রস্তাব করছি, প্রথমটি করলে একেবারে করকরে একটি সংকলন করা যাবে আর দ্বিতীয় ক্ষেত্রে অনেক সমৃদ্ধ লেখা পাওয়া যাবে । ভেবে দেখার সুপারিশ করছি ।

  31. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    লেখা জমা দিতে না বলে ব্লগে প্রকাশিত ভাল লিখা গুলি আপ্নারাই সিলেকশন করে নিন। যেহেতু লিখা গুলি দিলেই সিলেকশন হচ্ছে না।

  32. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রকাশিত অপ্রকাশিত লেখা বিষয়ে আমার পূর্বোক্ত মন্তব্যের কোন জবাব পেলাম না, আর গোলাম মাওলা আকাশের মন্তব্যের সাথে সহমত পোষণ করে বলছি “লেখা জমা দিতে না বলে ব্লগে প্রকাশিত ভাল লিখা গুলি আপ্নারাই সিলেকশন করে নিন”।

  33. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    অল্প অল্প / দীপঙ্কর বেরা

    অল্প অল্প বলা অনেকটাই বলা
    অল্প অল্প চলা অনেকটাই চলা
    অল্প অল্প দেখা অনেকটাই দেখা
    অল্প অল্প লেখা অনেকটাই লেখা

    অল্প অল্প খুশি উচ্ছ্বাস আমাদের
    অল্প অল্প বাঁচা অনেক আনন্দের
    অল্প অল্প লুকিয়ে হয় গোপনীয়
    অল্প অল্প মাঙ্গলিক প্রশংসনীয়

    অল্প অল্প আশা জীবনেরই বাসা
    অল্প অল্প কাছে পাই যে ভালোবাসা
    অল্প অল্প রাগ হয়তো অনুরাগ
    অল্প অল্প প্রশয় প্রেমের বিবাগ

    অল্প অল্প দুঃখ আনতে পারে সুখ
    অল্প অল্প স্বপ্ন ভরিয়ে দেয় বুক
    অল্প অল্প দিশা মানুষের মঙ্গল
    অল্প অল্প সঞ্চয় আগামী উজ্জ্বল

    অল্প অল্প যুক্তি পুরোটাই প্রামাণ্য
    অল্প অল্প শান্তি তাই তো অসামান্য
    অল্প অল্প খন্ডে পৃথিবীর ভাবনা
    অল্প অল্প করেই মহাকাশ রচনা ।
    -০-০-০-০-

  34. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    মাননীয় ব্যবস্থাপনা সম্পাদক,

    সালাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। আমি নতুন বিধায় নিয়ম-কানুন তেমন জানি না।
    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ –এর জন্য “ভাষা বিভ্রাটের খেসারত” শির্ষক গল্পের লিঙ্কগুলো নিচে সংযুক্ত করলাম। একটা বিষয় জানতে চাই – শুধু কি লিঙ্ক জমা দিলেই চলবে না কি সম্পূর্ণ গল্পটিই জমা দিতে হবে?
    উল্লেখ্য গল্পটি মনোনীত হলে আমি ‘নিক’ নামেই আমার নাম দেখতে চাই।
    প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ও নির্দেশনা দানে বাধিতে করতে জনাবের আজ্ঞা হয়। ধন্যবাদ।

    আপনার বিশ্বস্থ,
    মজিবুর রহমান
    নিক: ‘অনিরুদ্ধ বুলবুল’
    মোবাইল: ০১৯১১-৩৮৫ ৯৫৫

    গল্পের নাম : ‘ভাষা বিভ্রাটের খেসারত’

    ফেসবুক লিঙ্ক : https://www.facebook.com/mazibur1/posts/921799644518503

    চলন্তিকার লিঙ্ক: http://cholontika.com/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4/

  35. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    মাননীয় ব্যবস্থাপনা সম্পাদক,

    সালাম ও শুভেচ্ছা জানবেন।
    উপরে আমার যে গল্প জমা দিয়েছি তাতে ভুল করে ইমেইল ঠিকানা দেয়া হয় নি।
    নিচে আমার প্রয়োজনীয় সব তথ্যগুলো আবার দিচ্ছি। ধন্যবাদ।

    মনোনীত লেখার নাম: ‘ভাষা বিভ্রাটের খেসারত’
    নিক: ‘অনিরুদ্ধ বুলবুল’
    ইমেইল: arrowtech79@yahoo.com
    মোবাইল: 01911-385 955

  36. জাফর পাঠান মন্তব্যে বলেছেন:

    = চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ এর জন্য এই কবিতাটি দেয়া হলো ।
    চলন্তিকায় প্রকাশিত লিংক :
    http://cholontika.com/%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%94%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-2/

    ফেসবুকে প্রকাশিত লিংক :কি ঔদ্ধত্য আমার https://www.facebook.com/azpathan70

  37. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    তুমি আমি-র জীবনকথা

    জীবনের জন্য যতটা ভেবেছিলাম
    তার চেয়েও অনেক বেশি জীবনকে
    তোমাকে পেয়েই পেয়ে গেছি ।
    তোমাকে পেতেই যে সংগ্রামে আমার জীবন
    কান্না ব্যাকুল যন্ত্রণায় থরো থরো কেঁপে উঠেছিল
    তাকে আমি কখনই প্রশয় দিই নি
    কোন বাধাতেই দাঁড়িয়ে পড়ি নি
    আকাশের প্রশস্তে উজ্জ্বলের হাতছানিতে এগিয়ে গেছি
    আর তোমাকে পেয়েই
    সবটাই জীবনের অঙ্গ জেনে গেছি ।
    এতটাই পরমের প্রতিকৃতিতে
    উদ্ভাসিত শান্তির স্বতন্ত্র জীবন পেয়ে গেছি
    চরমের সাথে যুজতেই জীবন গড়ে নিয়েছি
    তোমাকেই তারই অঙ্গানুতে
    আলোয় আলো হয়ে তোমাকেই তো পেয়েছি ।
    জীবনের এই তৃপ্তির সংজ্ঞায়
    বাঁচতে হয় না
    জীবনটাই বাঁচার গল্পগাঁথা
    কোন কাব্য নয় শুধু বাস্তব তীর্থে
    হৃদয়ের শলাপরামর্শে আরো আরো অনেকবার বেঁচে ওঠা
    তুমি আমি এই পৃথিবীর অনন্ত জীবন কথা ।
    -০-০-০-০-

  38. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রেমের আকর/দীপঙ্কর বেরা

    দেহের শিহরণ খেলে যায়
    কর্মের অবধারিত পথের দিশায় দিশায় ,
    মুখ তুলে পার্শ্বিক বুঝে মাঝে মাঝে সাহসিক হতে
    মনের গুঞ্জন উঠতেই থাকে ;
    তোমার পাশে থাকা রিনিঝিনি হাতে হাত
    পরশ মুখর অনতি সময়ে ছকে ছক মুহুর্তে
    নিজের চলমান অবস্থানের উপাচার খুঁজে পাই ।
    জেগে থাকা আন্দোলনে গোলাপ ফোটে
    চাঁদের আলোতে ভাসে অ-ভাবনার অন্ধকার রাত
    শান্তির কণায় দুঃখের সংসার ঘর বাঁধে
    বেঁচে থাকা যতটুকু তাতেই মহীমা
    আকাশজুড়ে স্তরে স্তরে আলোকিত মুখেই মুখোমুখি
    তুমি আমি দুজনেই আমরা
    প্রেম গরিমার অবাধ অনন্তে
    শুধু ভালোবাসি ভালোবাসি ।
    -০-০-০-০-

  39. সঞ্জয় দত্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    রেপিস্ট!!!…….

    লিখেছেন: সঞ্জয় দত্ত | তারিখ: ১৩/১০/২০১৪
    এই লেখাটি ইতিমধ্যে 509বার পড়া হয়েছে।

    আমি এখন শিক্ষক, ঠিক তাই ,তবে!!!!!! ,

    সালটা ২০০২ এর শেষ এর দিকে, আমি সবে মাত্র একটা সরকারি ট্রেনিং কলেজ থেকে প্রাইমারিটিচারট্রনিং শেষ করেছি, বাবা অনেক টাকা খরচ করেছেন , আর তার দ্বারা আর আমার পড়াশুনার জন্য ব্যয়ভার বহনকরা সম্ভব নয় জানিয়েদিলেন। সবাই বলে আমার নাকি চাকরি হবেই।সাল ২০০৩ এখন আমি ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি।সুতরাং আমার খরচা আমাকেই বহন করতে হবে, আমি প্রাইভেট টিউশনি করি ।মোটামুটি ভাবে চলে যাচ্ছিল আমার পড়শুনা।দুটো বাড়িতে আর একটা ব্যাচ পড়াতে যেতাম,মাসে মোট ৫৫০ টাকা আয় হত।ইতিমধ্যে আমার ছোড়দির বিয়ে হয়ে গেছে।জামাই এর বাসনের দোকান ।বাবার অনেক প্রচেষ্টা আর যুদ্ধের ফষল এই জামাই ।তিনি(জামাই) নাকি এলাকাই একটা মেয়ের ফাঁদে পা দি্যে জড়িয়ে পড়েছিলেন, কেউ কেউ বলেন,তার সঙ্গে নাকি মেয়েটার নাজায়েজ সম্পর্ক ছিলো,কেঊ কেউ বলে মেয়েটার ফ্যামিলি ভালো না,ওরা নাকি টাকার জন্যই বড় ঘরের ছেলেদের জালে জড়ায় ।আমার বন্ধু পাঠক রা আশা করি আমার বক্তব্য এর বিষয় টা কি বুঝতে পেরেছন।তো যাই হোক আর্থিক ভাবে জামাই বেশ সচ্ছল।সুতরাং তিনি বাহুবল এবং টাকার ব’লের দ্বারা স্ব-অবস্থানে রইয়ে গেলেন।কিন্তু মেয়েটার বাড়ির লোকজন এবং তার সমাজের পরিচিত মহল সাময়িক ভাবে চুপ থাকলেও বুড়ো সাপের মত গরল তার ফনাতে ধারন করেই রইল।ওই লেজে আর কেউ ওই পরিবারের যদি পা দেয় তাহলেই ফঁ——–সসসসসস,একেবারে মরন কামড় দেবে,এরই অপেক্ষায় শুধু দিন গোনা,এটাই ওদের একমাত্র স্বান্তনা।আর বিশেষ রঙের পতাকার তলায় দাড়ানো,রাজনৈতিক দাদারা,যারা মেয়েটির পাশে ছিলো,_ শুধু হাত কামরাতে থাকলো,” যা! শালা!এ যাত্রায় বেচে গেলি! পরে দেখেনেবো!”।

    জানিনা,ঠিক বলছি না ভুল,তবে আমার মনে হয়েছে,এই সমাজে ন্যায়-অন্যায় বিবেচনাহীন হয়ে বেশির ভাগ পুরুষ মানুষ মহিলাদের প্রতি বাড়তি সহানুভুতির হাত বাড়িয়ে দেয়,আর সেই ভুলের জন্য মাশুলও অনেক দিতে হয় পুরুষদের,এর অনেক উদাহরণ আছে!

    বাবা, মা,আরআমি এই আমাদের সংসার।দাদা বাবার সঙ্গে লোকহাসানো অশান্তি করে অন্যত্র বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকে, এতে অবশ্য দাদার একটু সুবিধায় হয়েছিলো, বাবাকে আর্থিক সাহায্য করতে হতো না।আর ভাইয়ের শিক্ষার ভার তো দুরেরকথা।দাদার চিরকালিন আবেদন বাবার কাছে” ওকে ব্যবসায় ঢুকিয়ে দাও ,পড়িয়ে কোনো লাভ নেই,”,–বাবার চিন্তন জগতে একথাটা আগে থেকেই প্রজ্বলিত ছিলো দাদা শুধু্ মাঝে মাঝে একটু ঘি ঢেলে দিত, ব্যস আবার ১৫-২০ দিনের জন্য আমার পড়াশুনা ভার্সেস বাবার আন্টিপড়াশুনার একটা লড়াই শুরু হয়ে গেলো,আর আমি শুধু নির্বিকারভাবে অপেক্ষা করতাম কবে এই কালো মেঘ কাটবে, বর্ষাকাল না থাকলেও এই মেঘ থেকেই গেলো, তবে কখনো ভারি মেঘ , কখনো বা হালকা মেঘের বর্ষন চলতই, আমি শুধু বজ্রবিদ্যুতের ভয়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখতাম,আর সংযতভাবে চলার চেষ্টা করতাম।

    আমার বড়ো দিদি থাকে তারকেশ্বরে, আর মেজদিদি কৃষ্ণনগর, ছোটো দিদি আমার গ্রাম ……………।

    দাদার পড়াশুনার(আমার) প্রতি নিরুৎসাহ ,বাবার আর্থিক অসহযোগিতা আমাকে ক্রমশঃ দুর্বল করে তুলতে থাকত, (ক্লাস সেভেন থেকে ক্লাস টেনএর প্রিটেস্ট, টেস্ট-সহ প্রায় ৮টা পরীক্ষাতে একটানা ফার্স্ট হয়েছিলাম আমি,মাধ্যমিকে স্কুলে র্ফার্স্ট,ফার্স্ট ডিভিশন উইথস্টার মার্ক্স), টেস্ট পরীক্ষার মাস খানেক আগে পড়াশুনা ছেড়েদিলাম,আর কিছছু ভাল লাগতো না, কি আর হবে,যাক গে, বাবার ব্যবসাতেই না হয় মন দেওয়া যাক, এতে অন্ততঃ মানসিক চাপটাতো কিছুটা কমবে!

    তাও রেহাই নেই,ব্যবসায়ি ঘরের ছেলে বেশ বাবার সহযোগি হয়ে উঠছি্‌ এমন সময় আমার টিচার স্যার পরিমলমিত্র বাবাকে ডেকে পাঠালেন, আর আমাকে পড়তে যেতে বলে পাঠালেন। প্রয়োজনে উনি নাকি মাসিক মাইনেটা নেবেন না, তবু আমি যেন ওনার কাছে যথারীতি পড়তেযাই, সুতরাং আবার সেই যাত্রা শুরু, আবার পড়াশুনা।মাধ্যমিকে ফার্স্ট ডিভিশন উইথ ষ্টার মার্ক্স পেয়ে স্কুলে ফার্স্ট হলাম।উচ্চমাধ্যমিকে সায়েন্স নিয়ে ভর্তি হলাম,হায়রে ! কেমিস্ট্রি,ফিজিক্স,ম্যাথ,ইংরেজী,বাংলা, তে টিচার আবার বায়োলোজিতেও নাকি একটা টিচার নিতে হবে্‌ এতো টাকা কোথায় পাবো? অগত্যা আমি টিউশনি পড়ানো শুরু করলাম। বেশ ভালোই স্টুডেন্ট পেলাম, বাবার কাছে মাসে শ-দুয়েক পেলেই মোটামুটি চলে যাচ্ছিলো।কিন্তু পেরে উঠলাম না প্রতিদিন দুই-তিন বার পড়াতে যাওয়া ,আর ৫ টা টিচার এর কাছে অল্টারনেটিভ ভাবে পড়তে যাওয়া বড়োই কস্টকর হয়ে উঠলো।পারলাম না ,বন্ধুরা পারলাম নাআমি আমার আশানুরুপ রেজাল্ট করতে পারলাম না —-I GOT JUST SECOND DIVISION MARKS IN H.S EXAM.

    কিন্তু আমার টীঊশণি পড়ানোটা চলতেই থাকলো।নইতো আমার কলেজ যাওয়ার কথা আমার ব্রেনের মেমরি কার্ড থেকে বাদ দিতে হবে,সুতরাং আবার সেই অগত্যা………।।

    মাছ ধরতে বঁড়শিতে একটা টোপ দিতে হয়্‌, ঈশ্বর বা পরমেশ্বরনামক অদৃশ্য এই দাতা বা গ্রহিতা আমার জীবনে একটা টোপ (টোপ কেন বলছি পাঠকরা অচিরেই জানতে পারবেন)দিলেন যেটার নাম প্রাইমারিটীচারট্রেনিং, আর সেটা আমি প্রথমশ্রেণি মার্ক্স নিয়ে ভালভাবে পাশ করলাম।এবারেও কিন্তু আমার টীউশনি বন্ধ হয়নি, কারনটা সূচনাতেই বলেছি।১টা পাতা আমার লিখতে লিখতে শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু একবারও যার নাম উল্লেখ করিনি এমন একটা আমার বেস্টফ্রেন্ড, একপাতে খাওয়া ১২ বছরের একটানা বন্ধু বাবিন(কল্পিত)।।,যে আমার জীবনের একটা অধ্যায় জুড়ে ছিলো।আমার দাবা ,ক্যুইজ, এর একমাত্র পাটনার, ভাবতেও অবাক লাগে এও কোথায় যেন হারিয়ে গেল ক্রমশঃ।।

    যাইহোক ,ট্রেনিং শেষ, করে বাড়ি ফিরলাম, টীউশনি আর কলেজের পড়াশুনা,বাড়ীর কাজ, বাবার ব্যবসা,্তৎসহ সংসারে আর্থিক সহযোগিতা করার নিরবিচ্ছিন্ন চাপ, এই নিয়েই চলে যাচ্ছিল দিনগুলো…।মাসগুলো,…। বছরগুলো্‌,…।।।আমি হইতো আমার মনের ভাব পুরটা ব্যাখ্যা করতে ব্যার্থ, কারন আমি লেখক নয়,আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড বিদিশা দি বা সৌ্মিত্রদার মতো লিখতে পারিনা, যেটা লিখতে চলেছি,সেটা লিখতেও আমি ভয় পাচ্ছি,জানিনা আবার নতুন করে কোন ঝড়ের সম্মুখীন হবো কিনা! ,।তবু্‌……‌,

    আমার একজন ছাত্রী মিতা মন্ডল, ক্লাস নাইনের স্টুডেন্ট, আর তার ভাই অমিত ক্লাস সিক্সের ছাত্র ,বাড়ীতে যেতাম পড়াতে, (কল্পিত নাম),পড়াশুনাতে খুব ভালো ছিলোনা,—- দুজনেই মাঝারি মানের স্টুডেন্ট ছিলো।বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ভাইকে এখানে ওখানে পাঠাত, শুধুমাত্র আমাকে একাকি পাওয়ার জন্য,সে সুযোগ মিলেও গেলো তার,আমার হাতে ধরিয়েদিলোএকটা ভাজ করা কাগজ,আর জানালো আমি যেন, ওটা বাড়ী গিয়ে দেখি,।আমার সেই মুহুরতেই বুঝতে অসুবিধা হয়নি ওতে কি লেখা থাকতে পারে,আমি্‌,……আমি…।বিভ্রান্ত,শঙ্কিত, কি বলবো?, কাকে বলবো?ওদের বাবা মা,কাজের তাগিদে রাজ্যের বাইরে অন্যত্র (দিল্লী)থাকতো, কি করি আমি? কে কিভাবে নেবে ব্যাপার টাকে? আমার টিউশনিটা বন্ধ হয়ে যাবেনা তো? কিন্তু আমার যে টাকার দরকার! বাড়িতে বাবাকে বলব? অসম্ভব ! কপালে মারধর, বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যেতে হবে, মাকে? সে তো একই ব্যাপার, দাদা? সে ওতো ……।।তাহলে কি টিউশনিটা ছেড়ে দেব? আমাদের ওখানে টিউশনির বাজারটা বেশ গরম, টিউশনি টীচাররা ডিক্লেয়ার দেই ১ম দুই মাস মাইনে ছাড়, একজন স্টুডেন্ট আনতে পারলে আরোও ১মাস …।এখন এই টিউশনিটা ছেড়ে দিলে আর কি স্টুডেন্ট পাবো? আমার অর্থের ভাঁড়ার ঘরে টান পরবে, আমি আমার পড়াশুনা চালাবো কি করে? একটা রাস্তা অনেক ভেবে বার করলাম্‌…।ওর মামি, যে ওই গ্রামেই থাকে, তাকে জানাবো, তার আগে অন্ততঃ আমি নিজে একবার বিষয়টা আভয়েড করে দেখি,।যথারীতি আমি পরের দিন টিউশনিতে গেলাম,পড়ানো শুরু করবো, বাঙলা বইটা হাতে নিয়েছি, বইয়ের পরিস্কার বাঁশপাতার মলাটের উপর ইংরেজি ইনিশিয়ালে বড়ো বড়ো অক্ষর এ লেখা দুটো নাম একটা আমার আর একটা তার নিজের। আমি রূঢ় ভাষায় কিছু বললে ,বাবা মা এর আদরের কন্যাটি দু;খ পাবে, আমাকে না জানি কি বলবে? কি করবে? আমাকে জানতে চাইলো আমি “কাগজটা” খুলে পড়েছিলাম কিনা? ,উত্তর দিলাম, “আরে আর বোলো না কাল রাত্রে বাড়ি ফেরার পথে একবার ক্লাবে গেলাম, ওই খানে থেকে বাড়ি ফেরার পরআর মনেও নেই, পরে যাওবা মনে পড়েছিল তখন আর ওটা খুজেই পেলেম না।কি ছিল কী ওরমধ্যে ?ভাইয়ের বিরুদ্ধে আবার অভিযোগ নাকি?আচ্ছা ঠিক আছে আসুক দেখছি।“ এই বলে প্রসংগটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম।সেদিনটার মতো পড়ানো শেষ করলাম ,কিন্তু আমার দুঃশ্চিন্তা শেষ হলোনা্‌,আমি খানিকটা কিংকতব্যবিমুড় হয়ে পড়লাম,এক দিন পর আবার সেই পড়াতে যাওয়া, …।গেলাম…।মেয়েটি র মধ্যে কখনো খুশি কখনো বিষণ্ণতা লক্ষ্য করলাম আমি।ওরা্ যে বাড়িতে থাকতো ওদের local guardian বলতে ছিলো একমাসি , হ্যা নিজেরই মাসি,তিনি খুব রাগী,জেদি,এবংকলহপ্রিয় বলে পরিবারে একটা নামডাক অর্জন করেছেন।তিনি আবার আমার সাঙ্গেই প্রাইমারী স্কুলে পড়েছিলেন, আমি তাকে ভালভাবেই জানতাম, তাই ওর কাছে কিছু বলবো সেচিন্তা একবারের জন্যেও মাথায় আসতে দিইনি। যাইহোক্ মেয়েটির আজকের প্রশ্ন “আপনি কাউকে ভালবাসেন? ”, উত্তর দিলাম “না কেন?তুমি বোধহয় কিছু একটা ভুল করছো,” এই কথাটা শুনেদেখলাম ওর মুখ লাল হয়ে গেলো, ভয়ে না লজ্জায় বুঝতে পারলাম না, পড়ানো শেষ , বাড়ি ফিরলাম ,আগামি কাল ছুটী আবার পরশু পড়াতে যাওয়া,।

    মংগলবার, বেলা ১১টা৩৫ নাগাদ বাড়ির টেলিফোনে একটা কল এলো ,

    ”অজয়(কল্পিত)?”

    “হ্যা,বলছি!কে পিন্টু নাকি?”,

    “হ্যা, বলছি,মিতার(কল্পিত) খুব জ্বর এসেছে,ওর ভাই স্কুলে, তোমাকে একবার যেতে বললো,”

    “কেন, ওর মাসি? “

    “কি যেন সেই মনসাবাড়ির পূজো দিতে গেছে”

    “আছছা, ঠিক আছে!”

    আমি ওদের বাড়ী গেলাম,খোলা উঠোনের টিনের ঝাপটা খুলে ভেতরে গেলাম ,নিঃস্তব্ধ বাড়ি, পিন্টুকেও দেখলাম না,একেবারে ঘরে ঢুকলাম্‌ বিছানাতে, শুয়ে আছে মিতা,জিজ্ঞাসা করলাম, “কি হয়েছে?” উত্তর দিল, “জ্বর এসেছে,”, “মাসি, কোথায়?”,

    বললো“ পুজো দিতে গেছে”

    “পিন্টু এসেছিল?”

    “হ্যা”

    বিচিত্র সব ভাঙ্গিমা তে এইসব উত্তরগুলো সে দিলো।

    “ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলে?”

    “না,মাসি আসুক যাবো”

    “আমি,তাহলে যাই ,তোমার মাসিকেই ডেকে দিই,”

    হঠাৎ রেগে গিয়ে,আমাকে, বললো,

    ” কোথায়,????, কেন,? দরকার নেই,”

    আবার রাগটা সামলে নিয়ে পরক্ষণে উত্তর দিলো,”থাক,এখূনি,চলে আসবে”

    “আচ্ছা,আমি এখন আসছি”

    পাঠকদের জানিয়ে রাখি, লাস্ট ৩ টি কথাতে আমার সন্দেহ, হল,”আদৌকি ওর জ্বর এসেছে? নাকি???????”

    সাইকেলটা নেবো বাড়ির দরজা পার করবো, এমন সময় সে আমাকে বললো,”আপনাকে মামি একবার ওদের বাড়ি যেতে বলেছেন” , আমি বললাম ঠিক আছে, রাস্তায় বেড়িয়ে পথে সাইকেল চালাচ্ছিলাম, আর ভাবছিলাম, ভালই হলো আমিও তো যাবোই ভাবছিলাম, তার আগে উনিই ডেকেপাঠিয়েছেন।

    সময়টা কম হলেও ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল টা ছিলো আমার জীবনের ভয়ানক একটা অধ্যায়,এইসময় আমার one and only friend ছিলো পিন্টু সর্দার(কল্পিত), গরীব কৃষক পরিবারে ছেলে।সে আমার সমস্ত ঘটনা জানতো।ওর সঙ্গে মাঝে মাঝে মেয়েটি দেখাও করতো,এই নিয়ে অনেকে অনেক বিতর্কিত মন্তব্য আছে, কেউ কেউ ওদের বাড়ির পিছনের আম বাগানে কথা বলতে দেখেছে, মন থেকে বলছি এবিষয়ে আমার পিন্টুর প্রতি কোনো সন্দেহ ছিলোনা আজও নেই।

    সে রাত্রে আমি তাকে আবার ব্যাপারটা বললাম, সে আমাকে মেয়েটির মামির বাড়ি যাওয়ার পরামর্শই দিলো।

    তখন আমি ভাবতাম,নিছক জানার জন্যই,বোধহয় আমাকে মেয়েটি আমাকে আমার পরিবার, আমার বাড়ি, আমার মা, আমার বাবা, আমার জামাইবাবু, দিদি ইত্যাদি সংক্রান্ত হাজারো প্রশ্ন করতো,কিন্তু না, সেইচিঠি যাতে লেখা ছিলো”আই লাভ ইউ”, বইয়ের মলাটে লেখা দুটো নাম,আমাকে করা হাজারো প্রশ্ন ,আমাকে অসুস্থতার বাহানা করে যৌণ আবেদন সৃষ্টিকারি পোষাক পরিহিতা একা বাড়িতে ডেকে পাঠানো, বাবা মা ভালবাসেন না এসব বলে সহানূভূতি পাওয়ার চেস্টা, ………।।এ সবেরই একটাই উত্তর, সে আমাকে ভালবাসে, হ্যা, সে আমাকে ভালবাসে।শুধু একটাই প্রশ্নেরউত্তর মেলাতে পারিনি,সেটা হলো মামি কেনো আমাকে ডেকে পাঠাল?………।।ঠিক আছে দেখা যাক, যাইতো।

    সেই দিন বিকেল বেলা গেলাম মামার বাড়ি মামির সঙ্গে দেখা করতে, আমাকে বসতে বলল, বসলাম, চা এল, দুটো রসগোল্লা-সহ কিছুটা চানাচুরও এল,খেতে থাক্লাম,অবশেষে একগ্লাস জল,আর তারপর মামির মূল্যবান বক্তব্য, উনি জানতে চাইলেন মিতা কেমন পড়াশুনা করছে?,মিতার ভাই কেমন পড়াশুনা করছে জানতে চাইলেন না,আমি ওদের দুজনেরই পড়াশুনা সংক্রান্ত খবর পরিবেশন করলাম।আমার মাথাতে ঘুরপাক খাচ্ছে, মিতার ইদানিং ব্যবহারের কথাটা, কিন্তু কি করে কথাটা তুলি বুঝতে না বুঝতেই,উনি আমাকে জানতে চাইলেন,

    ”মিতা কিছু বলেছে?”

    “কি বলুনতো?কি ব্যাপারে?”

    “ও আপনাকে ভালবাসে,বড্ড লাজুক, আপনাকে বলতে পারছেনা, আমার কাছে আনুরোধ করছে আপনাকে বলে দেওয়ার জন্য,আর আপনিও শুনলাম ওকে…”

    আমি স্তম্ভিত,অবাক,!!!!!যাকে আমি বিষয়টার নালিশ করব,একটা সমাধান চাইব, সেই……।ভাগ্নির প্রেমের অনুঘটক সেজে,প্রস্তাবক্!!!!আমি আমতা আমতা করে বলা শুরু করলাম,

    “হ্যা, আর আমি আপনাকে এই ব্যাপারেই কথা বলবো ভাবছিলাম’

    ’ “ওকে একটু বোঝান! আমার পক্ষেএসব সম্ভব নয়,এভাবে চললে আমি পড়াতে যাওয়া বন্ধ(অনিচ্ছাকৃতভাবে বললাম) করে দিতে হবে।”

    “ওর বাবা জানতে পারলে ওকে মেরেফেলবে,ঠিক আছে আপনি পড়াতে যাবেন, আমি ওকে দেখছি,হ্যা আর শুনুন, কথাটা ওর মামারা যেন কেও জানতে না পারে,”

    “ঠিক আছে!”

    আমি এতেই খুব খুশি, ভাবলাম আর কোন সমস্যা হবে না, আমি পড়িয়ে যাবো আর মাসে ২০০/-টাকাটাও বহাল থাকবে।এরপর সপ্তাহ তিনেক কেটে গেলো।একদিন মাত্র পড়াতে যেতে পারিনি,তাই সপ্তাহান্তে একটা রবিবারে পড়াতে যাওয়ার ডেট করে পড়াতে গেলাম,বাড়িতে ঢুকে ওর মাসির বকাবকি আর চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পেলাম, ঘরে ঢুকে দেখলাম,মিতা মুখে একটা গামছা দিয়ে চেপে রেখেছে, জানতে চাইলাম,”কি হয়েছে?”

    মিতার উত্তর,”কলের হাতলের ধাক্কায় একটা দাতের কিছুটা অংশ ভেঙ্গে গেছে”

    ডাক্তার দেখানো হয়েছে, তিনরকম ওষুধ দিয়েছে, যন্ত্রণাটা এখন একটু কম পড়েছে।

    এসব জেনে সেদিন আর না পড়িয়ে বাড়ি ফিরে এলাম,তবু কোথায় যেন একটু সন্দেহজনক বিষয় লক্ষ্য করলাম,কিন্তু কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না ,কি এমন হলো, যার জন্য এত চোখ লাল করা,চিতকার,অশান্তি?এক্সিডেন্টলি দাত ভেঙ্গে গেছে বলে এরকম অশান্তির ভয়াল পরিবেশ কেন হতে যাবে?

    আমি পিন্টুকে ঘটনাটা বললাম,ও এব্যাপারে সব কিছুই জানতো,ওর মুখেই শুনলাম ওর সাথে নাকি মিতার মাসির ভাল একটা সম্পর্ক তৈরী হয়েছে,আড্ডা মেরে দু-একটা রসিকতাও করতো,সে কথা আর পাঠককে বলছি না।

    ওই বাড়ির পরিবেশ ক্রমশ গুরু গম্ভির হয়ে উঠছে,তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম অন্যত্র কোথাও যদি পড়ানর জায়গা করব,আমার কয়েকটা স্টুডেন্টস দের নিয়ে আর ওই দুই ভাই-বোনকে নিয়ে একত্রে একতা ব্যাচ করবো, আর জায়গাটা হবে ওই গ্রামেরই ঠাকুরবাড়ির দালান,করলামও তাই।সুতরাং ওই বাড়িটাতে যাওয়া বন্ধ করে ফেললাম ।

    নতুন জায়গাতে পড়ানো শুরু করার কয়েকদিন পর হঠাত পিন্টু সকালে,আমার এখানে হাজির, এই অসময়ে এখানে ও!! কি ব্যাপার?

    পিণ্টু আমাকে একটু পাশে ডেকে নিয়ে গেল, আমি জানতে চাইলাম, “এখন!” “সিগারেট আছে?”

    “না ,বিরি আছে,’

    ”দাও ,তাই দাও”

    “ব্যাপারটা কি বলতো”?”

    পিন্টু বলল,”আমি মিতার বাড়ি গিয়েছিলাম,দেখলাম খুব কান্নাকাটি করছে’’

    আমি বললাম,”কেন?,কি হয়েছে?”

    “এমন ভান করছো যেন কিছুই জানোনা,”বেশ রাগের সঙ্গেই আমাকে এই প্রতিক্রিয়া করলো সে। “ওর মাসি, দেখলাম বাড়িতে নেই, আমার কাছে কাঁদছে আর বলছে তুমি নাকি ওর সাথে বিট্রে করেছ! অজয় ,মিতা কিন্তু তোমাকে খুব ভালবাসে,জানিনা কেন জানি ওর এই মাসের ঐ টা হয়নি,তুমি কিসব করেছ,”

    আমি অবাক ,গ্জ্ঞানশূণ্য হয়ে গেলাম,,ভীষন ভয় পেয়েগেলাম,’কি বলছে সে! ভালোবাসায় প্রত্যাখ্যাত হয়ে কি পাগলি হয়ে গেল নাকি?

    আর কেনই বা আমাকে আমার ইচ্ছার বিরূদ্ধে গিয়ে ওকে ভালোবাসতে হবে?’ আমার চারিদিক,শুধু ভয়াল ভয়ংকর কিছু আতংক আমাকে যেন তারা করে বেড়াতে থাকল,আমি কি করব?সমাজের মানুষ,আমার বন্ধু,আমার আত্মীয়-স্বজন,পাড়া-প্রতিবেশী, এরা কি বলবে? বিপরীত দিকে মিতাও নাকি এই কথা বলেছে পিন্টুকে, কিন্তু,……… আমি জানতে চাইলাম,

    ”কি করেছি আমি? ও কি বলছে?”

    পিণ্টূ বললো ,”তুমি একবার ওখানে চলো”

    আমি পড়ানো বাদ দিয়ে ছুটে গেলাম, শুধু একটাই উদ্দেশ্য ,যেন এই রকম উল্টোপাল্টা কথা না বলে,না ভাবে,কেন এত বড়ো একটা অপবাদ ও দিচ্ছে আমায়!

    ওদের বাড়িতে ঢোকার পর সোজাসূজি সওয়াল করলাম,চুপ করে থাকলো,আমি বললাম,লোকে শুনলে কি বলবে? ওর ঊত্তর”শুনুক,আমার সব শেষ”

    “কি শেষ? কি এমন হল?”

    “আমি আপনাকে ভালোবাসি,”

    আমি এখানে এসে এই রকম পরিস্থিতির সামনে পরবো ,বুঝতে পারিনি,খানিকটা পেটে, খানিকটা মুখে কথা রেখে, খানিকটা কোথায় যেন একটা চাপা ভয়ে কোনরকমে উত্তর করলাম,

    “কিন্তু আমার পক্ষে এসব সম্ভব নয়,তোমার,মামি তোমায় কিছু বলেননি?”

    “আমি কারো কোনো কথা শুনতে চাই না,”

    বুঝতে পারলাম,এর জেদ একটা পাহাড়ের বড়ো টিলার মতো একটা জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে,সুতরাং আমাকে এই বাড়ি থেকে শুধু সরে গেলেই চলবে না ,এদের কাছে থেকেও সরতে হবে।

    পিন্টু আমাকে একটু পাশে ডেকে নিয়ে গেলো,আমাকে হটাৎ ওর ইউরিন টা টেস্ট করার প্রস্তাব দিলো।

    আমি ক্রমশ উত্তেজিত হচ্ছি ,রাগের পারদ চড়চড় করে বাড়তে থাকলো আর সঙ্গে সঙ্গে আমার গলার আওয়াজের পারদ ক্রমশ একই হারে কমতে থাকল,পাছে কেউ এইসব নোংরা কথা কেউ শুনে না ফেলে!আমার পরিচিত মহলে কেউ যেন শুনে না ফেলে,-ঘটনা মিথ্যা বা সত্যি পরের কথা, প্রাথমিকভাবে আমি তাদের কাছে ভীষন ভাবে ছোট হয়ে যাবো,রাস্তা,বাজারে,চায়ের দোকানে “রঞ্জনা’-কে অতিরঞ্জন” করে রসবাক্যবিনিময় চলবে, এসব চিন্তা আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল,আমি রাগ সম্বরন করে,জানতে চাইলাম ,

    “কেন রে ,এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারন?”

    “না……ও ত বলছে তোমার সাথে কি সব যেন……।।সহবাস টহবাস করেছো, এই মাসে মান্থলি পেরিওড হয়নি”।

    “পিন্টু,বিশ্বাস করো আমার সাথে এমন কিচ্ছু হয়নি,ও পাগল হয়ে মিথ্যা কথা বলছে!!!এসব করার কোন মানে হয়না,আমার পক্ষে’এসব সম্ভব নয়,আর তাছারা ওটা তো অন্য কারনেও বন্ধ হতে পারে,কিছুদিন আগেই তো ও কতোসব মেডিসিন খেলো,তার জন্যেও তো……।।”

    “তাহলে তুমি ওকে এসব বোঝাওগে, ছাড়ো!, চলো,বাদ দাও!,”

    বেশ একটা রাগসহ গা ঝারা দেওয়ার মতো করে কথা কটা বললো আমাকে।আমরা ওখান থেকে বিদায় নিলাম,।

    রাস্তাতে দুজনে সাইকেল চালাচ্ছি,মনের মধ্যে চলছে আন্দোলন,কি হবে?কি করবে? কাকে বলে বসবে এই সব কথাগুলো! আচ্ছা ও কি ভালোবাশায় অন্ধ হয়েগেলো? তাই কি এমন পাগলের প্রলাপ বকছে? আচ্ছা তাই যদি হয়,উল্টোপাল্টা! মানে সুইসাইড? এই পরযন্ত ভেবেই আমি কেমন যেন হয়ে গেলাম,যেন ফাঁকা মাঠের মাঝখানে আমি এক দাঁড়িয়ে আছি, আরগোটা পৃথিবীটা মাতাল হয়ে উত্থাল পাথাল করছে, আমি এবার বাজারের চায়ের দোকানের রসপ্রিয় রসিক ব্যক্তিদের বক্তব্য হয়েগেলাম,আমি বাড়ি ছাড়া হয়েগেলাম, আত্মিয়রা আমাকে কি নজরে দেখবে কে জানে!আমার বাবার আদরের ছোট জামাইয়ের শত্রুরা যে ফনা তুলে বসে আছে,তারা শুনলে কি করবে?টিউশনির বাজারের যা কম্পিটিশন ,সেই টিউটর শুনলে কি করবে? এইসব হাজারো হাজারো চিন্তা আমার মাথায় ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়ল,।এমন সময় আচমকা…।। ,

    পিন্টু বললো,”আচ্ছা,অজয় ওর মাথাতে তো কিছূ নেই,আমি বিশ্বাস করি তোমার সঙ্গে কোন শারীরিক সম্পর্ক হয়নি, কিন্তু তাহলে ও মান্থলি পিরিওডের ব্যাপারে ভয় পাচ্ছে কেন? আর এই কথা গুলো যদি ও কাউকে ব’লে তাহলে কি হবে বুঝতে পারছো? শোনো ,ওর বয়স ১৫,ক্লাস নাইনে পড়ে,তুমি এখনি ওকে পড়ানো বন্ধ কোরোনা, ওর ওখানে পড়াতেও যাও,আর আস্তে আস্তে ব্যাপারটাকে এড়িয়ে যাও,ও এখন দু;শ্চিন্তায় পড়েছে,মান্থলি পিড়িওড টা নিয়ে, আমার মতে,ইউরিন টা টেস্ট করিয়ে দেখাইযাক না, তুমি তো বলছো তুমি কিছু করোনি,তাহলে ভয়ের কি আছে?রেজাল্টে কিছূ না পেলে তো মিতারও টেনশনটা কেটে যাবে!”

    “হ্যা,সেটা ঠিক, কিন্তু আমি তো কিছুই করিনি, আমি কেন এসব টেস্ট ফেস্ট করতে যাবো?বাবার কানে খবরটা গেলে কি হবে জানো আমার?,”

    পিন্টু কথাটা এড়িয়ে গিয়ে বললো,” দেখো,যেটা ভালো বুঝবা করো!”

    আমি ওর কথাটা ফেলতেও পারছি না,আবার প্রস্তাবিত কাজটা করার জন্য এগিয়ে যেতেও পারছি না ,সামনের ভয়াল ভয়ংকর ভাবি ঘটনাগুলো আমার মাথায় পাক খেতে থাকল,আমি বললাম

    , “পিন্টু, ঠিক আছে,তাই হোক, কিন্তু আমি শুধু তোমার সাথে থাকবো,যা করার তুমিই করবে,” “আচ্ছা ঠিক আছে তাই হবে, আমি তাহলে ওকে বলছি,কাল ইউরিনটা আমি ওর বাড়ি থেকে নিয়ে আসব,তুমি রেডি থেকো,”

    “আমার কাল সকালে পড়ানো আছে,”

    “ক’টা অবধি?’”

    “ন’টা’”

    “একটু আগে ছেড়ে দিও,”

    “কখন?”

    “সাড়ে আটটা”

    আমি বললাম,”ঠিক আছে”।

    পরেরদিন সকাল সাতটা দশ নাগাদ পিন্টু একটা ইউরিন ভত্তি শিশি নিয়ে এসে হাজির,আমি আবার একটু ভয় পেয়ে গেলাম,আমি কি করছি? ঠিক করছি তো কাজটা? আমি বললাম,”তুমি যাও আমি একটু পরেই যাচ্ছি” পিন্টু যেতে নারাজ, অগত্যা আজকের মতো ছুটি দিয়েদিলাম আমার কাছে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীদের,।

    কৃষ্ণনগর, হ্যা এটা আমাদের জেলা সদর,এখানেই একটা প্যাথলজিতে পিন্টু ওটা টেস্ট করতে দিল,খানিক পরে একজন ম্যডাম একটা খামে ভরে একটা কাগজ দিলেন,পিন্টু জিজ্ঞাসা করলো,”ম্যডাম,রেজাল্ট কি?” উনি উত্তর দিলেন”নেগেটিভ, কার এটা ?”

    ও বললো”আমার পাড়ার একজনের, নেগেটিভ ,মানে প্রেগন্যান্সি নেই তাইতো?’”

    ম্যডাম বললেন”এই দেখুন রিপর্টটা দিন,এই দেখুন,প্রেগ্ন্যান্সি নেগেটিভ,”

    পিন্টু বললো,’যাক অজয় তোমার ঝামেলা মিটলো,মিতা এবার একটু ঠান্ডা হবে”

    ঝামেলা,হ্যা ঝামেলাই বটে,আশা করাযায় মিটলো ।

    পিন্টু সেইদিনই বিকেলে ওদের বাড়ি গিয়ে সব বুঝিয়ে রিপর্ট দেখিয়ে এসেছিলো, আমিও সন্ধ্যায় পড়াতে গেলাম, সুযোগ বুঝে অনেক কথা বোঝালাম,মাসের মাইনে টা নিলাম্‌।

    এরপর পড়াতে যেতাম সাপ্তাহে একদিন,কখনো বা দুইদিন,তাও এক ঘন্টা মতো,নেগ্লিজেন্সি দেখাতাম,যাতে আমাকে ওরা টিউশনী থেকে ছাড়িয়েদেয়।

    তা যখন হলো না তখন আমি নিজেই একদিন ছেড়ে চলে আসলাম।ভাবলাম সব মিটে গেল, আর কোন সমস্যা থাকল না। প্রকট গরমের পর বর্ষার চলমান,আকাশে শুধু ঘন কালো মেঘের ভারাক্রান্ত মুখ,মাঝে মাঝেই,ঝামঝমিয়ে বৃষ্টি নেমে আসে।

    সালটা ২০০০, তখন আমাদের গ্রামের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতা বিমল ভট্টাচায্য,তার সঙ্গে আমার কাকা(বাবার খুড়তোত ভাই) কমল দত্ত রাজনীতি করতেন, আমার আর এক দূর সম্পর্কের কাকা সমির দত্ত,এদের বিরোধী দল বা রুলিং পার্টী করতেন,।

    বিমল ভট্টাচায্য, হ্যা,এই লোকটির অনেক টাকা, জমিদার বংশের ছেলে, ওনার কাছে কোন আর্জি নিয়ে গেলে কাউকেই ফেরাতেন না,ওনার সমাজ সেবার মানসিকতার জন্য আমি আমার কাকা কমল দত্তের হাত ধরে ওনার দলের আর একজন কর্মি হয়েগেলাম,২০০০ সালের বন্যার সময় অনেক চাল, ডাল,টাকা, পোষাক বন্টন করেছিলাম, বেশ ভালই কাজ করছিলাম, একদিন রাত্রি,১;৩০ নাগাদ কাদের কাদের বন্যা ত্রানের কর্কেট টিন দেওয়া হবে তার লিস্ট করতে ব্যস্ত এমন সময় বাবা আমাকে বকাবকি করেন,লিস্ট ছিড়েদেন,আমাকে রাজনীতি করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করেদিলেন,সুতরাং আমার রাজনীতি করা ওখানেই থামিয়ে দিতেহয়েছিল।কিন্তু কাউকে কিছু জানালাম না কেনো আমি বন্ধ করলাম,আমার ধারনা,এই ব্যাপারটা বিমল বাবু ভালো চোখে নিতে পারেননি,।রাজনৈতিক নেতারা এসব ব্যাপার গুলোকে এতটা সহজভাবে নেন না,তার কারন বিশ্লেষণ,ইত্যাদির মতো জটিল প্রক্রিয়া প্রয়োগ করবেন, তারপর সিদ্ধান্ত নেন।অন্যদিকে সমির কাকার ভয়ঙ্কররোষানলে পড়েগেলাম তার আন্টি-পার্টী করার জন্য।আমার দাদা আবার আর একটা আলাদা রাজনৈতিক দল করতো, বাবা কিন্তু ফ্লোটিং ভোটার ছিলেন,।এটাই ছিল আমার পৃথিবীর রাজনৈতিক স্ট্যাটাস,—-পাঠকদের জানিয়ে রাখলাম,পরবর্তী ঘটনাবহুল পরিস্থিতির চুলচেরা বিশ্লেষন করতে সুবিধা হবে।

    সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি,একটা বিকেল,আমি তৈরী হচ্ছিলাম,একটু মাঠের দিকে যাবো,ওখানে আমি ,পিন্টু,আরও অনেকে একসাথে বসে আড্ডা মারতাম,হঠাৎ বাড়ির টেলিফোনটা বেজে উঠলো্‌…।

    “হ্যালো!কে বলছেন?”

    ওপার থেকে উত্তর ভেসে এলো”আমি দিল্লী থেকে মিতার মা বলছি।“

    “হ্যা,বলুন!” ,

    “তুমি কাজটা ঠিক করোনি,আমি তোমাকে ছাড়বোনা!আমাকে মিতা সব বলেছে,তুমি ওর সব শেষ করেদিয়েছো!,ওর বাবা আর আমি ,আমরা দু’জনেই আসছি”

    “কি ফালতু বলছেন আপনি?মিতা কি বলেছে?’

    “কোন কথা এখন হবে না ,ঠিক আছে?,আমরা আসছি!”

    আমি কথা না বাড়িয়ে বললাম“আচ্ছা,ঠিক আছে!”

    ভারাক্রান্ত দু;শ্চিন্তামগ্ন মন নিয়ে মাঠে গেলাম,পিন্টুকে সব বললাম,পিন্টু অনেকক্ষন ধরে কি যেন একটা ভাবছিলো,তারপর হঠাত জিজ্ঞাসা করে উঠলো,”মিতা মনে হয় সব ওর মাকে বলেছে, কিন্তু অজয়,ও শুধু ওর মাকেই নয় মামি,মাসিদেরও বলেছে,ওর মামা আবার অনেককেই বলেছে,আমাকে কয়েকজন জানতে চাইছিলো ব্যাপারটা কি!,শুনলাম তোমাদের ওখান কার নেতা বিমল ভট্টাচায্যকেও নাকি জানিয়েছে,তুমি একটা জিনিস জানো কি!যে ওর মামার বাড়ির সব রুলিং পার্টীর বড়ো বড়ো নেতা,আচ্ছা, তুমি কি ওখানে পড়াতে যাওয়া একেবারে বন্ধ করেদিয়েছো?”,আমি বললাম,”হ্যা।“

    তার দু-একদিন পরে একসন্ধ্যায়,কমলকাকু,আর বাবা যেন কি একটা গুরুত্বপূণ আলোচনাতে ব্যস্ত, আমাকে দেখে বাবা কি একটা যেন ভাবলো,পরক্ষণেই দেখি,বাবা বসার চৌকিটার নিচে থেকে একটা সাইকেলের চেন বার করে এগিয়ে আসছে আমার দিকে,সঙ্গে সঙ্গে কমলকাকু, বাবাকে কি যেন একটা চাপাস্বরে বল্লো,আর তারপরই দেখি আমার বাড়ির সামনে পরপর খান ছ’য়েক মোটর বাইক এসে দাড়ালো,তার সঙ্গে খান ক’য়েক সাইকেল,দেখলাম বিমল বাবু,মিতার মামা,আর একজন মহিলা,আরোও কয়েকজন, তাদের সকলকে কাকু ওপরে দোতলার বারান্দাতে নিয়েগেলেন,আর আমাকে বললেন আজয় একটু ওপরে আয়।(পাঠকগণ,অবিশ্বাশ্য মনে হলেও এটাই সত্যি,আমি যা লিখেছি এর বেশী আমার আর কিছু জানা নেই,।)মা তো টেনশণে কেমন একটা হয়ে গেছে,কিছুই যে বুঝে উঠতে পারছেন না।

    আমি কিছুটা,কম্পিত,কিছুটা শঙ্কিত,কিছুটা লজ্জিত ও বটে, কারন আমাকে বাড়ির সকলের সামনে কিছু লজ্জাজনক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে,…আমি মনে মনে ভাবলাম যা বলবে বলুক,আমি যা যা জানি সব বলবো,কিন্তু???????, কি করে আমি ওই টেস্টের কথাটা বলবো??ছি! ছি!” তবুও কি করেছি আমি যে ভয় পাবো?,ঠিক আছে দেখাই যাক,কি বলে ওরা,কিন্তু বিমল বাবু এখানে কেন? এতটাই কি সিরিয়াস ব্যাপার?—–এইসব নানান চিন্তা আমার মাথায় ভীড় করে ফেললো,ধূড়!!!! কাতোদিন ধরে আর এই এক জিনিস ভাববো,আমার আমিকে বললাম,চলতো দেখি,কি বলছে ওরা!

    আমি বেশ সাহসের সঙ্গেই ওপরে উঠেগেলাম, স্বাভাবিকভাব আনার জন্য খুব সহজভাবে দুয়েক জনের সাথে দু-একটা বাক্যালাপ করলাম, একটা জায়গা নিয়ে বসেগেলাম।

    সালিশি শুরু করলেন, বিমলবাবু,” অজয়,এনারা মিতা,যাকে তুমি পড়াতে যাও,তার মা-বাবা, এনারা আমার কাছে তোমার বিরূদ্ধে একটা নালিশ এনেছেন,যে, তুমি নাকি,এনার মেয়ে কে ভালবাস্তে,তার সঙ্গে তোমার দীর্ঘদিন ধরে একটা শারীরিক ও মানসিক সম্পর্ক ছিলো,কিন্তু এখন তুমি সেটাকে অস্বীকার করছো, এটা কেন করছো?”

    আমি কিছু বলতে যাব,এমন সময়,পাশ থেকে একজন সুরা পান করেই এসেছিলেন, বলে উঠলো,”ও আবার কি বলবে! ওকে মেয়েটাকে বিয়ে করতে হবে,পান্তা ভেতের আমোনি খাইলো গো……..ইত্যাদি….(এই ছন্দযুক্ত,ছন্নছাড়া প্রবচনটা কি বললো ঠিক বূঝতে পারলাম না) তা কবে বিইয়েটা হব্বে তাই ফয়ছালটা সেরে ফেলান্”, এর সঙ্গে আসা বন্ধুবরেরা স্বমস্বরে সায় দিয়ে উঠল।আমি এদেরকে ভালোভাবেই চিনি,এরা হলেন স্থানীয় সমাজসেবী,হ্যাঁ,এনারা অর্থের্ (কখনো মদের) বিনিময়ে যে কোন অনর্থ ঘটাতে পারেন।বিমলবাবু ধমকের সুরে এদের থামতে বললেন,।

    পাশেই আর একজন ভদ্রলোক বেশ সুন্দরভাবে,গুছিয়ে ধীরে ধীরে আমাকে বোঝানোর সুরে বললেন,বিয়েটা করলে নাকি আমার আখেরে লাভই হবে,মেয়ের বাবা নাকি প্রচুর টাকা-পয়সা দেবে,তার সঙ্গে মোটর বাইক!বুঝলাম ভদ্রলোক ঠান্ডা মাথায় আমার মাথায় ডান্ডা বসালেন,।আমার জামাইবাবুর একজন বন্ধু,চাপাস্বরে,বিমলবাবুকে জানতে চাইলেন,”কাকা,মেয়ে বলে তার কথায় সবাই শুনছেন কিন্তু অজয়কেউ তো ওর কথা বলতে দেওয়া দরকার!” কাউকে কিছু বলতে না দিয়ে মিতার মা সবিস্তারে তার মেয়ের কান্নার কথা তুলে ধরলেন,মিতার বাবা তার মেয়েকে কিভাবে মানুষ করার জন্য পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করেন তার বর্নণা করে ফেললেন,মামারায় বা বাদ যায় কেন?,তারাও বাবা-মাএর অনুপস্থিতিতে কি কি দ্বায়িত্ব পালন করে যত্ন নিতেন তা ব্যাখ্যা করেনিলেন, আমি শুধুই শ্রোতা।

    কমল কাকু,বিমলবাবুর উদ্দেশ্যে বললেন,”আচ্ছা ঠিক আছে এবার অজয় কে…।“ অবশেষে আমাকে বলার সুযোগ দেওয়া হল,।আমি লজ্জায় মাথা নত করে বসেছিলাম,’লজ্জা!’ হ্যাঁ ‘লজ্জা’, লজ্জা আমার বাবা মায়ের সামনে এইসব কথা শুনতে হচ্ছে বলে,’লজ্জা;’ আমার পৃ্থিবী দিকে তাকিয়ে হাসছে বলে আর ‘রাগ?’ ‘রাগ’ও তখন আমার দিকে তকিয়ে বলছে,”ছিঃ”।আমি কিছু বলবো বলে মাথাটা তুলতেই, দেখলাম, কয়েকজনের উজ্জ্বল চোখে চাপা হাসি,আমার দিকে তাকিয়ে আছে,এরা আর কেউ নয়, একজন আমার টিউশনি জীবিকার কম্পীটিটর, আর বাকিরা হল আমার লেখার সূচনাতে উল্লেখিত সেই কাল কেউটে সাপ গুলো,যারা শুধু সুযোগের অপেক্ষায় দিন গুনছিলো।বুঝলাম লড়াইটা বেশ কঠিনই হবে।কেন জানিনা হঠাৎ আমার নিজেকে ভেড়ির বিছানো বিশাল জালের মধ্যে একটা ছোট্ট কই মাছের মতো মনে হল।আমি প্রথমেই মিতার মা-বাবা কে জানতে চাইলাম,তারা যা যা এখানে বললেন,সেগুলো কি মিতার কথা কিনা।তাদের প্রত্যুত্তর “ তা নইতো কি !”।আমি সবিস্তারে সমস্ত ঘটনা খুলে বললাম,আরো বললাম দরকার হলে আপনারা পিন্টুকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।সকলে আমার কথা শুনলো,কিন্তু…।।কিন্তু পিন্টু? সে কোথায়? বিমল বাবু সকলের সামনে ঘোষনা দেওয়ার মতো বললেন,’পিন্টু নাকি মেয়েটার পক্ষে কথা বলছে’।আমি স্তম্ভিত!!,কি ! পিন্টু !!!

    আমাকে হঠাৎ প্রশ্ন করা হল, আমি যদি কিছু নাই করে থাকি তাহলে,আমি মেয়েটির ইউরিন টেস্ট করাতে গিয়েছিলাম কেন? এই প্রশ্নটা আমাকে কঠিন ভাবে বজ্রাঘাত করল!,আমি কি বলবো? এর সদুত্তর আমি ওদের দিতে পারলাম না,শুধু এই টুকুই আমতা আমতা করে জানালাম, “ সেতো পিন্টু!!!…” আমার কথা আটকে গেলো, “কিন্তু রিপোর্ট তো নেগেটিভ,কোন প্রবলেম নেই…”।এইবার ক্ষুদার্ত ,হিংস্র বাঘের মতো সেই কালসাপ,মদ্যপ সমাজসেবী,মামা,বাবা, রুলিং পার্টির দাদারা,টিউশনি জীবিকার কম্পীটিটর, রসপ্রিয় রসিক ব্যক্তিগন সকলে আমাকে তাদের সাজেশন শোনালেন, আমাকে নাকি মেয়েটিকে বিয়ে করতে হবে,তারা নাকি কোন কথা শুনবে না, নইতো তারা থানায় যাবে, আইনের আশ্রয় নেবে, আমাকে হুমকি দেওয়া হল, আমার কেরিয়ার ‘ড্যামাজ’ করে দেবে, আর চাকরীও যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা করবে।আমার বাবা,মা ভয় পেয়ে গেল, আমার হিতাকাঙ্খী পাড়ার কিছু বন্ধুরা আমাকে বিয়ের প্রস্তাব মেনে নেওয়ার পরামর্শ দিল।আমি কিঞ্চিৎ ভেঙ্গে পরলাম,আর ভাবতে থাকলাম, একি হচ্ছে আমার সঙ্গে! আমি যদি কোন গরীব ঘরের ছেলে হতাম!,যদি আমার চাকরী হবে এমন আশা না থাকতো! তাহলে

  40. খালিদ হাসান মন্তব্যে বলেছেন:

    http://cholontika.com/স্টেশনে-লাশ
    https://www.facebook.com/khaledrabb/posts/1608008939432361
    স্টেশনে লাশ
    খালিদ হাসান

    ঐ রেল লাইন টি চলে গেছে বহু দূর
    গ্রাম থেকে প্রান্তর, মাঠ,ঘাট শহর
    বন্দর
    ছুটে চলে রেল দিন দুপুর।
    কোথেকে এলো কোথায় হারিয়ে গেল
    অন্ত নেই
    অনেক পুরোনো ব্রডগেজ গেজ লাইন
    গড়ে গিয়েছে বৃটিশ আমলে সেই।
    ঐ যে দেখা যায়
    সারি সারি বাতি জ্বলে
    রাতের ষ্টেশনে, আধ ঘন্টা পর পর
    ছুটাছুটি করে।
    ঢাক -চট্টগ্রাম রুট, কুমিল্লা ষ্টেশন
    বলে।
    একটু ফ্রেশ হতে! রাতের
    মাঝামাঝি হাটতে বেরিয়েছি
    আমি, বড় ভাই রিমন -মিশন -বুলেট আর
    রানা দা
    ষ্টেশনে এসে দু নাম্বার প্লাটফরম
    অতিক্রম করছি।
    হঠাৎ চোখে পড়ে, লাল বাশ!কোন কোন
    মূমুর্ষ যখম!
    নিশ্চই ভয়ানক বিপদ, কিছু কাছে যেতেই
    শিউরে
    ওমা-কি ভয়ংকর রক্তাক্ত প্লাটফরম।।
    পুলিশ লাশটি প্যাকিং করে রেখেছে
    কে জানে কার বুকের মানিক ছেড়া ধন
    আত্মীয় স্বজন? কার লাশ নিথর
    পরে আছে।
    ভয়ে শরীর কাঁটা দিয়ে উঠে
    অস্থায়ী, বন্ধু ভূব-বাসী আমরাও
    সবার একদিন চলে যেতে হবে অকপটে।
    হয়তোবা ট্রেনে উঠতে নামতে হুসট
    খেয়ে পড়া
    মনের শোক নিভাতে আত্মহত্যা,
    তবে কি জোর পূর্বক মারা।
    নাহ, ভয়ানক বিভীষিকাময়!
    যাত্রীদের নজর দূরপানে আশায়
    কাঙ্ক্ষিত ট্রেনে
    আবার হারিয়ে যাবে বহুদূর
    মনে রেখে ভয়।

  41. সেতারা ইয়াসমিন হ্যাপি মন্তব্যে বলেছেন:

    সাদা কাগজ…।

    তোমরা কখনও সাদা কাগজ দেখেছো?
    ধব্‌ধবে সাদা কাগজ?
    আমার একটা সাদা কাগজ লাগবে,
    দেবে কেউ একটা সাদা কাগজ?

    আমি একটা ফুল বানাবো
    সাদা গোলাপ,
    তারপর তা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো,
    যদি সে আসে একবার,
    তার হাতে তুলে দিয়ে বলব…
    তুমি তোমার মনের মত করে
    রাঙ্গিয়ে নিও একে।

    আমার একটা সাদা কাগজ লাগবে…।

    আমি একটা চিঠি লিখব,
    তাতে থাকবেনা কোন ভাষা,
    যদি সে আসে একটিবার,
    চুপি চুপি তার হাতে গুঁজে দিয়ে
    বলব, যা মনে আসে লিখে নিও তুমি।

    আমার একটা সাদা কাগজ লাগবে…।

    আমি একটা নৌকা বানাব,
    সে নৌকায় থাকবেনা কোন পাল,
    যদি সে ভুল করে চলে আসে,
    আমি খুব কাছে গিয়ে বলব তারে
    এই নাও আমার ভালবাসায় ভরা
    একটুকরো সাদা কাগজ,
    তা দিয়ে পাল তুলো তোমার রঙ্গিন না’য়,

    আমার একটা সাদা কাগজ লাগবে…।

    আমি একটা ক্যানভাস বানাব…
    ধবধবে সাদা ক্যানভাস,
    যদি ফিরে আসে সে একটিবার,
    একটা রঙ্গিন তুলি তুলে দিব
    তার হাতে, আর বলব তারে…
    তোমার মনের সবটুকু মাধুরী
    দিয়ে রাঙ্গিয়ে নিও আমার
    এই প্রিয় ক্যানভাস’ টারে।

    আমার একটা সাদা কাগজ লাগবে…।

    আমি এটা নিয়ে শুধু অপেক্ষা
    করব, যদি সে আসে ভুল করে,
    তার হাতে হাত রেখে শেষবারের
    মত আকুতি জানাব আমার,
    বলব তারে এই নাও সাদা
    কাগজ, যদি পারো আমার জন্য
    একটা কবিতা লিখো…।।

    আমার একটা সাদা কাগজ লাগবে…

    আমি তা দিয়ে একটা ডামি বানাব
    হৃৎপিন্ডের ডামি,
    যদি কখনও সে আসে,
    সেই ডামিটা তার হাতে তুলে দিয়ে বলব
    এই নাও আমার হৃৎপিন্ড,
    এটাকে যদি পারো সচল করো ।।

    আমার একটা সাদা কাগজ লাগবে…
    ধব্‌ধবে সাদা কাগজ …
    তোমরা দেবে কেউ একটা সাদা কাগজ?

  42. খালিদ হাসান মন্তব্যে বলেছেন:

    http://cholontika.com/%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A7%AB%E0%A7%AD/কবিতার নাম ৫৭
    https://www.facebook.com/?q=#/khaledrabb/posts/1608011896098732
    কবিতার নাম ৫৭
    খালিদ হাসান

    ওরে সোনার দেশে সোনার ছেলে
    দেখিয়েছিল চৌকুশ এক বল,
    আজ নেই কেন তোমার ছেলে
    চোখে পানি ছল ছল।
    দেখ আজ ৫৭ ছেলের কবরে উঠেছে
    শ্যাওলা জরানো ঘাস,
    কে করিলো বল
    কেন এই পরিহাস।
    তাদের ছিল দ্বিপ্ত বুদ্ধি
    সাধীন চেতা মন,
    দেশ রক্ষায় স্বশস্ত্র পরিবেশ
    রাখিত যারা সারাক্ষণ।
    ওরে কে করিল আজ
    আমার দেশের মাথা দূর্বল,
    দেশের মাটি রক্ষায় ছিল
    আগুন চেতা সবল।
    তোমাদের কাছে প্রশ্ন রাখি ৫৭ বছরেও
    -পারবে নাকি
    গড়তে ৫৭ টি মাথা,
    জাতি কেঁদে বেড়ায়
    বলে তাদের কথা।
    ঘুরে ঘুরে যখন
    ফিরে আসে সেইদিন,
    ২৫ শে ফেব্রুয়ারি মনে করিয়ে দেয়
    বাজাই দুঃখের বীন।

  43. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    মাননীয় ব্যবস্থাপনা সম্পাদক,

    সালাম ও শুভেচ্ছা জানবেন। আমি নতুন বিধায় নিয়ম-কানুন তেমন জানি না।
    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ –এর জন্য ‘এমন যদি’ শির্ষক কবিতার লিঙ্কগুলো নিচে সংযুক্ত করলাম।
    একটা বিষয় জানতে চাই – শুধু কি লিঙ্ক জমা দিলেই চলবে না কি সম্পূর্ণ কবিতাটিই জমা দিতে হবে?
    উল্লেখ্য কবিতাটি মনোনীত হলে আমি ‘নিক’ নামেই আমার নাম দেখতে চাই।
    প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ও নির্দেশনা দানে বাধিতে করতে জনাবের আজ্ঞা হয়। ধন্যবাদ।

    আপনার বিশ্বস্থ,
    মজিবুর রহমান
    নিক: ‘অনিরুদ্ধ বুলবুল’
    ইমেইল: arrowtech79@yahoo.com
    মোবাইল: 01911-385 955

    কবিতার নাম : ‘এমন যদি’
    ফেসবুক লিঙ্ক: https://www.facebook.com/mazibur1/posts/922732011091933
    চলন্তিকার লিঙ্ক: http://cholontika.com/%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%AF%E0%A6%A6%E0%A6%BF/

  44. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    মাননীয় সম্পাদকের কাছে “পারুল” কবিতাটি না প্রকাশের জন্য আবেদন করছি।

  45. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    cholontika.com/ভাললাগে-তোমার-সব/

  46. ঘাস ফড়িং মন্তব্যে বলেছেন:

    cholontika.com/নির্জন-সাক্ষর/

  47. জাফর পাঠান মন্তব্যে বলেছেন:

    = চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ এর জন্য এই কবিতাটি দেয়া হলো ।
    চলন্তিকায় প্রকাশিত লিংক :
    http://cholontika.com/%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%94%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-2/

    কি ঔদ্ধত্য আমার
    জাফর পাঠান

    জানতোনা কেউ কিছু-এই ধরণী-ভূমি
    কোথা ছিলো ওরা-কোথা ছিলাম আমি!
    থাকে কতইনা চাওয়া-হিসেব কষেও যায়না পাওয়া
    ক্ষণিকের তরে আসা-আবার ক্ষণিকেই চলে যাওয়া।
    তবু কি-ঔদ্ধত্য আমার !

    খামচে ধরি নারী-খামচে ধরি বাড়ী
    খামচে ধরি অর্থকড়ি- কাড়ি কাড়ি!
    ক্ষমতার নেশায় হই অন্ধ-মদমত্ত- জঘন্যতম-বন্য
    না ভাবলেও কেউ-নিজেকেই নিজে ভাবি অনন্য।
    কি ঔদ্ধত্য আমার !

    ভাবিনা একটিবার- করিনা স্মরণ
    দেহে ধরবে পঁচন-মুহূর্তের মরণ!
    ভাবিনা অর্জেছি সঞ্চেছি যাহা-সবি হবে মরীচিকা
    হাতে আমার নেই, আমার বেঁচে থাকা- না থাকা।
    তবু-কি ঔদ্ধত্য আমার !

    মোহে মানুষ মারি-হই খুনে কারবারি
    ভাবিনা প্রতিশোধে-অপেক্ষায় প্রহরী!
    হাতে তরবারী, হত্যার স্বীকার- যে সব নর-নারী
    ভাবিনা জ্বলবেই অনলে- আমাদেরই প্রজন্মতরী।
    তবু-কি ঔদ্ধত্য আমার।

  48. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    অতীতে অন্য কোন অনলাইন প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়নি কিন্তু আমার ফেসবুকে ওয়ালে দেয়া হয়েছে এমন লিখা “মনোনীত লেখা”-তে জন্য গৃহীত হবে কি ?
    অনুগ্রহ করে সঠিক তথ্যটি কেউ জানালে কৃতজ্ঞ হব ।

  49. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ এর জন্য এই কবিতাটি দেয়া হলো
    শিরনামঃ মিছেমায়া
    চলন্তিকায় প্রকাশিত লিংক :
    http://cholontika.com/%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE/
    ফেসবুক লিংক :
    https://www.facebook.com/photo.php?fbid=795908483816043&set=a.499729630100598.1073741827.100001906971001&type=1&theater

  50. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ এর জন্য এই কবিতাটি দেয়া হলো
    শিরনামঃ স্বাধীনতা তোকেই বলছি !
    চলন্তিকায় প্রকাশিত লিংক :
    http://cholontika.com/%E0%A6%A4%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE/
    ফেসবুক লিংক :
    https://www.facebook.com/photo.php?fbid=828086503931574&set=a.499729630100598.1073741827.100001906971001&type=1&theater

  51. হাসান ইমতি মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রথম মেঘ শাবক

    – হাসান ইমতি

    মনের কিশলয়ে নির্নিমেষ চেয়ে থাকা তোমার হরিণ চোখের
    উস্কানিতে এক নিপাট দুপুরে নীল আকাশটা আড়মোড়া
    ভেঙে হঠাৎ করে হয়ে যায় ভালোবাসার কবিতার খাতা,
    আকাশের গোটা নীল মলাট জুড়ে আমি সাদা মেঘের
    পেজা কার্তুজ কালির আঁচরে বারবার তোমার ঘাসফুল
    নাম লিখে দেই বলেই না তুমি ঝুমুর ঝুমুর নূপুর পায়ে
    পাগলপারা বৃষ্টিধারা হয়ে ঝরো আমার কথক বুক জুড়ে ।

    আকাশের নীল আর মানুষের মন ঘন ঘন বদলায়,
    আকাশের রঙ দিয়ে তাই আঁকা যায় মনের এপিটাফ,
    নীলের জন্য অবারিত হবার অপরাধে যখন আকাশ
    নীলের কক্ষপথে হানা দেয় মন খারাপের বনসাই মেঘ,
    আমাদের ভালোবাসাবাসির কিনারাহীন নৈঃশব্দ নিমেষে
    গিলে নেয় অজস্র অন্তর্মুখী বিষাদের কালকূট সামিয়ানা,
    আমি অভিমানে বজ্রবিদ্যুৎ হেনে লিখে যাই বিরহের কবিতা ।

    জোৎস্ন্যা শোভিত তারার অবাধ্য তিমির আমাদের জন্য রাতের
    প্রসারিত বুক জুড়ে সাজায় কল্পগাঁথা জোনাক লোকের রূপকথা,
    তুমিও অভিসারের কুসুমিত আঁচল বিছিয়ে আঁধারের প্রশ্রয়ে
    আমার জন্য মনের দেরাজ থেকে পাঠাও নিঃশর্ত মেঘমিলন বার্তা,
    তোমার বাড়িয়ে দেয়া আকাশ যোনি আমার উত্থিত দিগন্ত
    রেখার মিলন মোহনায় ভালোবাসায় ভিজে একাকার হয়ে পূর্ণতার
    আনন্দে ভূমিষ্ঠ হয় আমাদের ভালোবাসার প্রথম মেঘ শাবক ।

    চলন্তিকা লিংকঃ http://cholontika.com/প্রথম-মেঘ-শাবক/

    ফেসবুক লিংকঃ https://www.facebook.com/imti.in.mood/posts/10206365521242132

  52. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ এর জন্য এই কবিতাটি দেয়া হলো
    শিরোনামঃ ইচ্ছে ছিল
    চলন্তিকায় প্রকাশিত লিংক :
    http://cholontika.com/%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2-2/
    ফেসবুক লিংক :
    https://www.facebook.com/touhidul.islam.3348/posts/829080090498882

  53. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ এর জন্য এই কবিতাটি দেয়া হলো
    শিরোনামঃ প্রায়শ্চিত্তের প্রার্থনা !
    চলন্তিকায় প্রকাশিত লিংক : http://cholontika.com/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5/
    ফেসবুক লিংক : https://www.facebook.com/photo.php?fbid=795949043811987&set=a.499729630100598.1073741827.100001906971001&type=1&theater

  54. মিলন বনিক মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকার প্রিন্ট প্রকাশনা এপ্রিল’১৫ এর জন্য গল্পটি লিংক দেয়া হলো ।
    Permalink: http://cholontika.com/আদরের-নৌকা/

  55. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    http://cholontika.com//

  56. ফাগুন আইভী মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়ন এর জন্য কবিতা –

    “চিরসুখী ”

    শুনে রাখো পৃথিবী –
    আমি সুখী, চিরসুখী!
    আমি সুখের গল্প শুনি
    আর মায়াভরা চোখে দুঃখকে দেখি!
    আমি বিলাসিতা দেখি অহর্নিশি,
    দারিদ্র্য সাথে নিয়ে চলি,
    ধ্বংসস্তূপে বেঁচে থেকে
    আমি সৃষ্টির কথা বলি।
    ভোর থেকে সন্ধ্যা
    আমি ঘুরে দেখি হতাশার জীবন,
    তবু আমি সুখী
    মনভরে আশার প্লাবন।
    কখনো দেখি খবরের পাতায়
    জীবনকে দিতে অবসান!
    হৃদপিন্ড আমার টিকটিক সুরে
    জানায় বাঁচার আহ্বান!
    আমি চিরসুখী
    মনে অতল-আবেগ-ঢেউ!
    তবু আমি দার্শনিক!
    জীবনপথে আবেগ নয় কেউ!

    এই আমি, সুখী!
    চিরসুখী!
    শুনেছো,পৃথিবী!!

    চলন্তিকা লিংক ঃ http://cholontika.com/%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a7%80/

  57. ফাগুন আইভী মন্তব্যে বলেছেন:

    মনোনয়নের জন্য লেখা (গল্প)

    …………..”টূপমা কাহিনী ” …………..

    মানুষ মরলে “ভূত” হয়! আর ভূত মরলে?
    ভূত মরলে হয় “টূত”! -আমার বান্ধবী প্রমির কথা!
    স্বভাবতই প্রশ্ন থেকে যায়- টূত মরলে কী হয়?
    প্রমির “টূত থিওরি ” মতে, টূতেরা মরে গিয়ে আবার মানুষরূপে জন্ম নেয়! কাজেই অবস্থাটা বুঝুন!
    আমাদের চারপাশে টূত পরবর্তী কতো মানুষ আছে- কে জানে!!
    তবে ভাগিস, “টূত সাইকেল “এর মানুষজনদের আগের কথা মনে থাকেনা। থাকলে যে কী হতো! কতোদিন যে……..এইভাবে মাথাঘুরে কপালে আমার গম্বুজ গজাতো!
    আ! কপালের ডানদিকটা আমার ফুলে আছে! কিভাবে হলো? বলছি। তার আগে বলি,শুনে কেউ বলতে পারবেন না- আমি গুলপট্টি দিচ্ছি! লেখালেখি
    করি বলে তো আর সবসময় গুলবাজি করতে পারিনা, বিশেষ করে এই “টূপমা (টূত পরবর্তী মানুষ) “-দের ব্যাপারে একদমই না!!

    এই গত বৃহস্পতিবারের কথা।
    সকাল সাতটায় ক্লাস,অলরেডি ঘড়িতে ছ’টা পঞ্চাশ। কাঁধে ব্যাগ ফেলে ‘পড়ি কি মরি’ করে ছুটছি! বাসা থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটা মসজিদ আছে, তার সামনে একটা পুকুর। এই দু’টোর মাঝখানে রাস্তাটা একটা মোড় নিয়েছে। মোড় ঘুরতে যাবো, এমন সময় -“এই যে হবু ডক্টর! ”
    পায়ের ব্রেক কষতে কষতে পিছনে ফিরলাম, দেখি তোফায়েল দাদু!
    ইনি কোন আত্মীয় সম্পর্কের দাদু না,ডাকাডাকি করতে করতে “দাদু” হয়ে গেছেন!
    এক মহল্লাতেই আমরা থাকি। প্রতিদিন ভোরে দাদু তার মিসেসকে নিয়ে মর্নিং ওয়াকে বের হন। আমার প্রতিদিন -ই সকাল সাতটায় ক্লাস থাকে। রিক্সাওয়ালারা তো আবার মহাসুখী মানুষ, এতো ভোরে তাদের দেখা পাওয়া যায়না -বাধ্য হয়ে আমাকে প্রতিভোরে খরগোশ টাইপ দৌড় দৌড়াতে হয় মেইন রোড পর্যন্ত! সেই সুবাদেই এই দম্পতির সাথে পরিচয়, আমাকে দেখলেই দাদু ডাক দেবেন – “এই যে হবু ডক্টর! ”
    আমি হাটার গতি কমালাম, দাদু প্রায় ছুটে এসে আমার সাথে তাল মিলিয়ে ফেললেন!
    ঃ আজ একা যে দাদু!
    ঃ গিন্নী বাড়িতে,ঘর সাজাচ্ছেন।
    ঠাট্টা করে বললাম,
    ঃ এই বয়সে হঠাত ঘর সাজানো, আবার বিয়ে টিয়ে করছেন নাকি?!
    ঃ তা বলতে পারো!
    মজা পেয়ে বললাম –
    ঃ তা কনেটা কে শুনি!
    ঃ কে আবার! আছে তো একজনই-তোমার দিদিভাই!
    ঃ বাব্বা! এই বয়সেও এতো রোমাঞ্চ!
    দাদু একেবারে ইয়াংদের মতো লজ্জা পেলেন!
    ঃ কতোইবা বয়স! আজ আমাদের পঞ্চাশতম বিবাহ বার্ষিকী। আরেকবার তো করাই যায়- কি বলো!
    পঞ্চাশতম!! আচমকা থেমে দাদুর হাত ধরে ঝাঁকাতে শুরু করলাম –
    ঃ তাই! কনগ্রাচুলেশন, দাদু,কনগ্রাচুলেশন!!
    প্রত্যুত্তর করে দাদু বললেন –
    ঃ আজ সন্ধ্যায় কিন্তু তুমি আমাদের গোল্ডেন জুবিলী সেলিব্রেশনে আসছো!
    যদিও বাসা চিনিনা,তবু “না” বলতে পারলাম না। কিছু মানুষের সাথে হৃদ্যতা এতো বেশি হয়ে যায় যে,তাদের কথা ফেলা যায়না!

    সন্ধ্যাবেলা সেজেগুজে ফুলেরতোড়া হাতে বের হলাম। বাসার এ্যাড্রেস আর ফোন নাম্বার সকালে নিয়ে নিয়েছিলাম। বেশি খুঁজতে হলো না,সহজেই পেয়ে গেলাম বাসা।
    আরে বাহ! বাসার বাইরেটাও দেখছি বেশ সাজানো! বোঝাই যাচ্ছে, চুল সাদা হয়ে গেলেও এদের মনের রঙটা এখনো কমেনি!
    কলিংবেল চাপলাম, তখনো জানতাম না- এই দরজার ওপাশেই আমার জন্য অপেক্ষা করছে বিশাল এক থ্রিল!!

    অবশ্য “বিশাল ” থ্রিল কিনা সেটা ঠিক করার দায়িত্ব পাঠকের!
    যাইহোক, দরজা খোলা হলো, কে খুললো ঠিক দেখতে পেলাম না! লিভিং রুমের শেষ মাথায় তোফায়েল দম্পতি দাঁড়িয়ে, ওয়েস্টার্ন সাজে সজ্জিত! অবাকের ওপর অবাক হলাম -এই বয়সেও তাদের এতো ….!
    দরজাতেই স্ট্যাচু হয়ে গিয়েছিলাম। দাদু হাত নেড়ে ডাকলেন, আকর্ণ বিস্তৃত হাসি দু’জনের মুখে! এগিয়ে যাচ্ছি শুভেচ্ছা জানাতে, রুমের মাঝামাঝি পৌঁছাতেই খেলাম এক ধাক্কা! চোখ দম্পতির দিকে ছিলো, কার সাথে যে সংঘর্ষ হলো! ঘুরে “স্যরি” বলতে গেলাম -ওমা! কেউ নেই আশেপাশে! বুঝতে পারছিনা কি হলো!!
    দাদুদের দিকে তাকালাম, ব্যাপারটা তাদের চোখেও পড়েছে। দাদুর হাসিটা কেমন মলিন হয়ে গেলো, চোখে-মুখে একটা শঙ্কিত ভাব! পাগল ভাবছে নাকি আমাকে!
    আজগুবি চিন্তা সরিয়ে এগিয়ে গেলাম। ফুলের তোড়া বাড়িয়ে দিতেই দিদিভাই মিষ্টি একটা হাসি দিলেন, খেয়াল করলাম তার দাঁতগুলো বাঁধানো!
    আমি এদিক ওদিক তাকালাম-
    ঃ দাদু, আর গেস্টরা?
    একটু ইতস্তত করলেন তিনি-
    ঃ আসলে, হবু ডক্টর, আজকে আমাদের মানুষ গেস্ট বলতে শুধু তুমিই।
    “মানুষ ” শব্দটার ওপর বাড়তি জোর দিলেন! অদ্ভুত!
    ঃ মানুষ গেস্ট আমি একা….বুঝলাম না,দাদু!
    ঃ বুঝবে,তুমি বুঝবে! একুশ শতকের ছেলেমেয়ে তোমরা, সায়েন্সের সাথে প্রকৃতির রহস্যও তোমাদের বুঝতে হবে!
    কথার মাথামুণ্ডু কিছু না বুঝে বোকার মতো চেয়ে রইলাম!
    দাদু বললেন –
    ঃ তুমি পাশের রুমে যাও। আমরা আসছি,বাকি গেস্টদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো।
    আমি একা মানুষ গেস্ট …. বাকি গেস্ট …… বুঝতে পারছিনা … কিন্তু পাশের রুমের দরজার কাছে যেতেই ভেতর থেকে টুংটাং আওয়াজ, কথাবার্তা শুনতে পেলাম। ঢুকলাম রুমে,উজ্জ্বল আলো নেই,হালকা আলো দিয়ে পার্টি ইফেক্ট আনা হয়েছে! উজ্জ্বল আলো থেকে আসার জন্য চোখে স্পষ্ট করে দেখতে পাচ্ছিলাম না। আবারো গোল বাঁধালাম, কাকে ধাক্কা দিয়ে তার ড্রিংকের গ্লাস ফেলে দিলাম! স্যরি, স্যরি, এক্সট্রেমলি স….বলতে বলতে থেমে গেলাম, আশেপাশে কোন মানুষের অস্তিত্ব চোখে পড়ছে না! হালকা অন্ধকার হলেও মানুষের অস্তিত্ব তো আর উবে যাবেনা!
    একদিকে ফ্লোরে ভাঙা গ্লাস ছড়ানো, অন্যদিকে কেমন একটা খটকা লাগছে! পাশের দেয়ালে সুইচবোর্ড দেখতে পেলাম। লাইটের সুইচটা খুঁজতে হাত বাড়াচ্ছি, অমনি দাদু ছুটে এলেন-
    ঃ দাঁড়াও, দাঁড়াও! লাইট জ্বালিয়ো না!
    ঃ কেন?!
    ঃ আমাদের গেস্টরা তীব্র আলো সহ্য করতে পারেনা।
    ঃ কি……!
    ঃ আসলে….বলছি, শোন, মানুষ মরলে ভূত হয়,তাইনা! আর ভূত মরলে কি হয় বলো তো!
    ঃ ভূ …ভূত মরলে ….
    এইরকম আলো-আঁধারিতে ভূতের কথা শুনে হঠাত কাঁপুনি এসে গেলো ঠোঁটে!
    দাদু নিজেই বলতে শুরু করলেন –
    ঃ ভূত মরলে টূত হয়- এটা দু’একজন মাত্র জানে। কিন্তু টূত মরে যে আবার মানুষ হয়-এটা কেউ জানেনা!
    দিদিভাই পাশ থেকে বললেন –
    ঃ জানবে কী করে,সেসব কথা টূপমা মানে টূত পরবর্তী মানুষদের কারোরই মনে থাকেনা!
    দাদু বললেন –
    ঃ কিন্তু আমাদের মনে রয়ে গেলো! প্রথমবার মানুষ হিসেবে আমরা ছিলাম আমেরিকার সানফ্রানসিসকো তে, ভূত হয়ে একত্রে বসতি নিয়েছিলাম ভেনেজুয়েলায়। টূত জীবনটা একদম বিরক্তিকর, আমাজানের বনে বনে থাকতে হয় সব টূতদের। তারপর আবার মানুষ হয়ে জন্ম নিলাম এই বাংলাদেশে।
    আমি স্পীচলেস! কি শুনছি এসব!
    ঃ দাদু একটু থেমে আবার শুরু করলেন-
    ঃ তো আজ মেইনলি আমাদের গেস্টরা হলো -পরিচিত ভূত এবং টূতেরা। যেসব টূতেরা মানুষ হিসেবে জন্ম নিয়েছে তাদের খোঁজ অবশ্য আর পাইনি। এইজীবনে খুব বেশি ফ্রেন্ড আমাদের ছিলোনা, যারা ছিলো তারাও মরে ভূত হয়ে এসেছে। তাই মানুষ ফ্রেন্ড বলতে তুমি আজ একা।
    এতোক্ষণে আমার ডার্ক অ্যাডাপ্টেশান হয়ে গেছে, ধীরেধীরে সয়ে আসা চোখে আলো-আঁধারিতে রুমভর্তি ছায়া ছায়া অবয়ব গুলো চোখে পড়লো!
    ও আল্লাহ! আমি এমনিতেই যথেষ্ট ভীতু -অ্যানাটমীর ডেডবডি থেকে একশ হাত দূরে থাকা মানুষ, ফরেনসিক ক্লাসে ক্ষতবিক্ষত লাশের ছবি দেখে চোখ ঢেকে ফেলা মানুষ, সার্জারি ওয়ার্ডে মাথাঘুরে পড়ে যাওয়া মানুষ! এতোক্ষণ শুধু ঠোঁট কাঁপছিলো,এখন পুরো মাথা ঝিমঝিম করতে শুরু করেছে।
    যার সাথে একটু আগে ধাক্কা খেলাম, পাশেই ছিলেন। ভূত কিংবা টূত! দাদু তার দিকে ফিরে বললেন –
    ঃ এসো পরিচয় করিয়ে দেই- রোজারিও,মিট মাই লিটল হিউম্যান ফ্রেন্ড, ফাগুন।
    দেখতে পেলাম ছায়া ছায়া একটা হাত এগিয়ে আসছে….”হ্যালো” শব্দটা কানে আসতে আসতে আমি ধপাস!
    তারপর আর কিচ্ছু মনে নেই,কিভাবে বাসায় এলাম, কি করলাম – কিচ্ছুনা! দরকারও নেই….বাব্বা!

    পাঠক,আপনারা দোয়া করবেন, আর কোন টূপমা’র ম্যারেজ ডে পার্টিতে যেন আমাকে যেতে না হয়!!

    চলন্তিকা লিংক ঃ
    http://cholontika.com/%e0%a6%9f%e0%a7%82%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80/#comment-65450

    ফেসবুক লিংক ঃ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=697466890363525&id=100003006608608&refid=17&_ft_

  58. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    চলন্তিকা আর্কাইভ থেকে আমার লেখা সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।।

  59. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    সবুজ আহমেদ কক্স’র কবিতা মনোনয়নের জন্য লিখা

    ১. কোনো দিন বুঝতে চাওনি হোয়াট ইজ লাভ
    Permalink: http://cholontika.com/ / ‎OK

    http://cholontika.com/?p=34047

    সবুজ আহমেদ
    প্র/কর আদায়কারী
    মহেশখালী পৌরসভা
    গ্রাম+ডাক: গোরকঘাটা
    উপজেলা-মহেশখালী জেলা -কক্সবাজার ।মো: ০১৮১৬-৮০৫৬৫৬
    Email- sabujmk601@gmail.com

  60. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    সবুজ আহমেদ কক্স’র কবিতা মনোনয়নের জন্য লিখা

    চেয়ে দ্যাহো হৃদয় তদন্ত গরে হতো ভালোবাসা আছে জমা (অণুকাব্য)
    ২. Permalink: http://cholontika.com/চেয়ে-দ্যাহো-হৃদয়-তদন্ত-গর/ ‎Edit View Post Get Shortlink

    http://cholontika.com/?p=33997

    সবুজ আহমেদ
    প্র/কর আদায়কারী
    মহেশখালী পৌরসভা
    গ্রাম+ডাক: গোরকঘাটা
    উপজেলা-মহেশখালী জেলা -কক্সবাজার ।মো: ০১৮১৬-৮০৫৬৫৬
    Email- sabujmk601@gmail.com

  61. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বস গৃহীত হলে আনিন্দত ………..হবো
    বস সালাম
    শুভ কামনা
    চলন্তিকার জন্য ……….শুভ সকাল

  62. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    কি জানতে পারব লেখা মনোনীত হল কি না ?

  63. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    পত্রিকার লেখক সূচী জানার ইচ্ছা থাকল ।

  64. Inside Room 913 free downloads মন্তব্যে বলেছেন:

    Inside Room 913 free downloads

    When eighteen-year-old Cynthia Holt takes a job at a former sanitarium, now operating as an assisted living center, she discovers there is something more

  65. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    বস কিতা হবর
    আজকাল কেমন কেমন যেন সবাই
    আগের মতোন নিয়মিত হবার চাই
    সবাই কিতা কন

  66. debajyotikajal.x মন্তব্যে বলেছেন:

    বর্তমান
    দেবজ্যোতিকাজল

    টেবিলের ওপ্রান্ত কলম নদীর গতিমুখ
    আর এপ্রান্তে অতীতের সাথে বিবাদ বর্তমানের
    তাতে দুই প্রান্ত তোলপার করে কলমকালির মেঘে

    যদি সাহস করে কেউ
    সেই সময়টাকে উৎরাইতে চায়
    নখদ স্রোতগুলো ভেজে তুলে তেলে
    বর্তমান বড় বেশি বেমানান

    বাতাসে নেই আত্মহাসি
    ইংরাজি অঙ্কে বিবাদ
    ছন্দে ছুটে , বাট শি ইজ ভেরি স্লো ৷
    দ্বন্দ্ব আর দণ্ড, নট সো গুড

    কৃত্রিম জলাবন্দিতে থেমে গেছে নদী
    দৃষ্টি অহংকার আর অবিশ্বাস-ভয়
    এক সঙ্গে বাঁচে না

    মুখোশের আড়ালে যারা মুখলুকিয়েছে
    তারাই সমাজের বর্তমান ৷

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top