Today 17 Oct 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

মহাকাব্য

লিখেছেন: আলমগীর কবির | তারিখ: ০২/০৯/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 592বার পড়া হয়েছে।

সংগৃহীত
মহাকাব্য হচ্ছে দীর্ঘ ও বিস্তৃত কবিতা বিশেষ। সাধারণতঃ দেশ কিংবা সংস্কৃতির বীরত্ব গাঁথা এবং ঘটনাক্রমের বিস্তৃত বিবরণ এতে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তুলে ধরা হয়। সুপ্রাচীনকালে মুখে মুখে প্রচলিত কবিতাসমগ্রও মহাকাব্যের মর্যাদা পেয়েছে। মহাকাব্য নিয়ে আলবার্ট লর্ড এবং মিলম্যান প্যারী গবেষণা করেছেন। তাঁরা উভয়েই যুক্তিপ্রদর্শন সহকারে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছেন যে, আধুনিককালের মহাকাব্যগুলো প্রকৃত অর্থে প্রাচীনকালের মৌখিকভাবে প্রচলিত ও প্রচারিত কবিতাসমগ্রেরই শ্রেণীবিভাগ মাত্র।

মহাকাব্য তন্ময় কাব্য। এটি ব্যক্তি-নিষ্ঠ নয়, বরঞ্চ বস্তু-নিষ্ঠ। লেখকের অন্তর অনুভূতির প্রকাশ নয়, বস্তু-প্রধান ঘটনা-বিন্যাসের প্রকাশ। গীতিকাব্যোচিত বাঁশির রাগিনী নয়, যুদ্ধসজ্জার তুর্য্য-নিনাদ। এছাড়াও, এটি মহাকায়, মহিমোজ্জ্বল, ব্যাপক হিমাদ্রি-কান্তির মত ধীর, গম্ভীর, প্রশান্ত, সমুন্নত ও মহত্ত্বব্যঞ্জক। এই কাব্যে কবির আত্মবাণী অপেক্ষা বিষয়বাণী ও বিষয় বিন্যাসই আমাদের অধিকতর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

মহাকাব্য শ্রবকাব্যের একটি অংশবিশেষ। যে কাব্যে কোন দেবতা বা অসাধারণ গুণসম্পন্ন পুরুষের কিংবা একবংশোদ্ভব বহু নৃপতি বা রাজা-বাদশাহর বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়, তা মহাকাব্য নামে পরিচিত।[২] যিনি মহাকাব্য রচনা করেন, তিনি মহাকবি নামে পরিচিতি পেয়ে থাকেন। দেবতা বা দেবতুল্য নায়কের বৃত্তান্ত নিয়ে বিশেষ রীতিতে রচিত বৃহৎ কাব্য রচনাকে মহাকাব্য নামে অভিহিত করা হয়।

মহাকাব্যে প্রাকৃতিক বিবিধ দৃশ্যমালা ও পরিবর্তন বর্ণিত থাকে এবং এতে কমপক্ষে আটটি কিংবা ততোধিক সর্গ বা ভাগ থাকে। যথাঃ রামায়ণ, মহাভারত, মেঘনাদবধ ইত্যাদি।

অল্প আয়তন ও ক্ষুদ্রাকৃতি খণ্ডকাব্যের (যেমনঃ মেঘদূত, সীতার বনবাস, শকুন্তলা ইত্যাদি) চেয়ে মহাকাব্যের প্রেক্ষাপট বিস্তৃত ও ব্যাপক।

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পর মহাকাব্য-রচয়িতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (বীরবাহু কাব্য) এবং নবীনচন্দ্র সেন (পলাশীর যুদ্ধ)। এ শতকের শেষে গীতিকাব্যের বন্যাবেগ না এলে, মহাকাব্যের ধারাকে বিশ শতকের আরম্ভ পর্যন্ত টেনে আনা চলতো। বিশ শতকেরও আমরা অনেক মহাকাব্য পেয়েছি। কিন্তু সমসাময়িক গীতিকাব্যের আন্তরিকতা, সত্যবোধ এবং দীপ্তির কাছে তা অত্যন্ত নিষ্প্রভ হয়ে যাওয়ায় আজ আর তার কোনও মূল্য নেই। বিশ শতকের মহাকাব্যের কবিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন – আনন্দচন্দ্র মিত্র (হেলেনা কাব্য), কায়কোবাদ (অশ্রুমালা), হামিদ আলী (সোহ্‌রাববধ কাব্য), সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী (অনলপ্রবাহ) এবং যোগীন্দ্রনাথ বসু (পৃথ্বীরাজ)।
প্রাচীন মহাকাব্য
খ্রিস্টপূর্ব ২০শ থেকে ১০ম শতক পর্যন্তঃ ‘গিলগামেশ’ ও ‘এত্রাহ্যাসিস’ (মেসোপটেমিয়ার পৌরাণিক কাহিনী); ‘এনুমা এলিশ’ (বেবিলনের পৌরাণিক কাহিনী)। তন্মধ্যে বেবিলনের মহাকাব্য রচনার সময়কাল সুনির্দিষ্ট করা খুবই দূরূহ ব্যাপার। কেননা এটি হাতে লেখা ছিল এবং পরবর্তীকালে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হতো। এছাড়াও, পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষণ এবং বিযোজন করার ফলেও সময়কাল নির্দিষ্ট করাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে।
খ্রিস্টপূর্ব ২০শ থেকে ৫ম শতক পর্যন্তঃ হিন্দু পৌরাণিক উপাখ্যান হিসেবে ব্যাস দেব কর্তৃক প্রণীত ‘মহাভারত’ ও বাল্মিকী মুনি কর্তৃক প্রণীত ‘রামায়ণ’।
খ্রিস্টপূর্ব ৮ম থেকে ৬ষ্ঠ শতক পর্যন্তঃ গ্রীক পৌরাণিক উপাখ্যান হিসেবে হোমার রচিত ‘ইলিয়াড’ এবং ‘ওডিসি’; হেসিওড রচিত ‘ওয়ার্কস্‌ এন্ড ডেজ’, ‘থিওগোনি’, ‘ক্যাটালগ আব ওম্যান’ এবং ‘দ্য শিল্ড অব হেরাক্লেস’।
খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতকঃ এপোলো অব রোডেস প্রণীত ‘আর্গোনটিকা’।
খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতকঃ কুইনটাস এনিয়াস প্রণীত ‘অ্যানালস্‌’ (রোমের ইতিহাস সংক্রান্ত)।
খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতকঃ ভার্জিল প্রণীত ‘এনিড’ (ল্যাটিন পৌরাণিক কাহিনী) এবং লুক্রেটিয়াস প্রণীত ‘ডি রেরাম নতুরা’ (ল্যাটিন সাহিত্য, এপিকুরেন দর্শন সম্পর্কীয়)।
খ্রিস্টাব্দ ১ম শতকঃ অভিড রচিত ‘মেটামোরফোসেস’ (ল্যাটিন পৌরাণিক কাহিনী); লুকান রচিত ফারসালিয়া ও সিলিয়াস ইটালিকাস রচিত ‘পুনিকা’ (রোমান ইতিহাস সংক্রান্ত); গাইয়াস ভ্যালেরিয়াস ফ্লাকাস রচিত ‘আর্গোনটিকা’ ও স্ট্যাটিয়াস রচিত থেবাইড এন্ড এ্যাচিলিড (রোমান কবি ও গ্রীক পৌরাণিক কাহিনী)।
খ্রিস্টাব্দ ২য় শতকঃ অশ্ব ঘোষ প্রণীত ‘বুদ্ধকার্তিকা’ এবং ‘সৌন্দরানান্দকাব্য’ (ভারতীয় মহাকাব্য)।
খ্রিস্টাব্দ ২য় থেকে ৫ম শতকঃ তামিল সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য ৫টি মহাকাব্য – প্রিন্স ইলানগো এডিগাল রচিত ‘সিলাপ্পাদিক্রম’, সিথালাই সাথানর রচিত ‘মনিমেকালাই’, তিরুতাকাকাতেভার রচিত ‘সিভাকা সিন্তামণি’, জনৈক বৌদ্ধ কবি রচিত ‘কুন্দালেকেসি’ এবং জনৈক জৈন কবি রচিত ‘বলয়াপতি’।
খ্রিস্টাব্দ ৩য় থেকে ৪র্থ শতকঃ কুইন্টাস অব স্মাইরনা রচিত ‘পোস্থোমেরিকা’।
খ্রিস্টাব্দ ৪র্থ শতকঃ জুভেনকাস রচিত ‘ইভএ্যাঞ্জেলিওরামলিরি’; মহাকবি কালিদাস রচিত ভারতীয় মহাকাব্যদ্বয় ‘কুমারসম্ভব’ ও ‘রঘুবংশ’; ক্লদিয়ান রচিত ‘ডি রাপ্টু প্রোসারপিনে’।
খ্রিস্টাব্দ ৫ম শতকঃ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কর্তৃক ‘আর্গোনটিকা অরফিকা’, নোনাস কর্তৃক ‘ডাইওনিসিয়াকা’।

প্রাচীন মহাকাব্য (৫ম থেকে ১৫শ শতক)[সম্পাদনা]

৭ম শতকঃ ‘তায়েন বো কোয়াইলেঞ্জ’ (প্রাচীন আইরিশ); পাণিনি প্রণীত রামায়ণ ও ‘অষ্টদেহী’ অনুসরণে সংস্কৃত ভাষায় পরিমার্জিত ‘ভট্টিকাব্য’; মহাভারত অনুসরণে সংস্কৃত ভাষায় ভারবি রচিত ‘কীর্তাঅর্জুনীয়া’ ও মাঘ রচিত ‘শিশুপালবধম্‌’।
৮ম থেকে ১৯ম শতকঃ ‘বিউওল্ফ’ এবং ‘ওয়ালদেয়ার’ (প্রাচীন ইংরেজি); ডেভিড অব সাসুন (আর্মেনিয়ান)।
৯ম শতকঃ সংস্কৃত ভাষায় রচিত ‘ভাগবত পুরাণ’।
১০ম শতকঃ ‘শাহনামা’ (ফার্সি সাহিত্য); সেন্ট গলের একেহার্ড প্রণীত ‘ওয়াল্থারিয়াস’ (ল্যাটিন)।
১১শ শতকঃ ‘তাঘরিবাত বনি হিলাল’ (আরবী সাহিত্য); জনৈক জার্মান লেখক রচিত ‘রুডলিয়েব’ (ল্যাটিন); বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের বীরকে ঘিরে ‘ডাইজেনিস একরিটাস’ (গ্রীক); ‘এপিক অব কিং গেসার’ (তীব্বতীয় ভাষায়)।
১২শ শতকঃ ‘চ্যানসন ডি রোল্যান্ড’ (প্রাচীন ফরাসী); শোটা রুসট্যাভেলি প্রণীত ‘দ্য নাইট ইন দ্য প্যান্থার স্কীন’; ওয়াল্টার অব চাটিলন রচিত ‘আলেক্সান্দ্রিস’ (ল্যাটিন); জোসেফ অব এক্সটার প্রণীত ‘ডি বেলো ট্রোইয়ানো’ ও ‘দ্য লস্ট এন্টিওচিজ’; কারম্যান ডি প্রোডিসিওন গুইনোনিস (ল্যাটিন); জন অব হভিলে প্রণীত ‘আর্কিট্রেনিয়াস’ (ল্যাটিন বিদ্রুপাত্মক কাব্য); পিটার অব এবোলি প্রণীত ‘লিবার এ্যাড অনরেম অগাস্টি’; বাইলিনাস প্রণীত ‘দ্য টেল অব ইগোর’স ক্যাম্পেইন’ (১১শ-১৯শ শতক)।
১৩শ শতকঃ ‘নিবেলানজেনলাইড’ (জার্মান ভাষা); ওলফ্রাম ভন ইসেনব্যাচ প্রণীত ‘পার্জিভাল’ (জার্মান ভাষা); লায়ামন প্রণীত ‘ব্রুট’; অকসিটান ভাষায় রচিত ‘চ্যানসন ডি লা ক্রোইসেড আলিবিজিওইস’; ‘অন্তরা ইবনে সাদ্দাদ’ ও ‘সিরাত আল-জহীর বাইবারস’ (আরবী ভাষা); ‘সান্দিয়েতা কেইতা’; ‘এল ক্যান্টার ডি মাইও সিড’ (প্রাচীন স্পেনীশ); জোহানেস ডি গারল্যাডিয়া প্রণীত ‘ডি ট্রামফিস একক্লেসিয়ে’ (ল্যাটিন); উইলিয়াম অব রেনেস প্রণীত ‘গেস্টা রেগাম ব্রিটানিয়ে’ (ল্যাটিন); ই সিয়াং-হাইও প্রণীত ‘জিওয়াং আংগি (কোরিয়ান)
১৪শ শতকঃ জন গাউয়ার রচিত ‘কনফেসিও অ্যাম্যানটিস’; জনৈক পাদ্রী রচিত ‘কার্সর মান্ডি’; দান্তে আলিগিয়েরি রচিত ‘ডিভিনা কমেডিয়া’ বা দ্য ডিভাইন কমেডি (ইতালীয় ভাষায়); পেট্রাখ রচিত ‘আফ্রিকা’; জাপানীদের যুদ্ধের পৌরাণিক কাহিনীকে ঘিরে রচিত ‘দ্য টেল অব দ্য হিয়েকি’।
১৫শ শতকঃ অ্যালিটারেটিভ মোর্তে আর্থার; ম্যাটিও মারিয়া বোয়ার্দো রচিত অরল্যান্ডো ইনামোরাতো (১৪৯৫); স্যামুয়েল-বুখ; ম্লোখিম-বুখ; বুক অব ডিডি কোরকুট।

৬৮৮ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমি আলমগীর কবির , জন্ম 1979 সালের 25 জানুয়ারী , গ্রাম-চাঁদপুর, ডাক-কন্যাদহ, হরিণাকুন্ডু, ঝিনাইদহ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হিসাব বিজ্ঞানে এমকম করার পর একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম-এ এমবিএ করি। বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করি, প্রতিষ্ঠানের নাম ওয়েভ ফাউন্ডেশন। যখন কলেজে পড়তাম তখন থেকেই লেখালেখির খুব ইচ্ছা ছিল কিন্তু আত্ম বিশ্বাসের অভাবে হয়ে উঠেনি। রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের ছোট গল্প এবং হুমায়ুন আহম্মেদ, সুনীল গঙ্গোপধ্যায়, মানিক বন্দোপধ্যায় সহ বেশ কিছু লেখাকের উপন্যাস পড়তে খুব ভাল লাগে। আগে কবিতা পড়তে ভাল লাগত না তবে এখন ভাল লাগে।
সর্বমোট পোস্ট: ৬১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৩৪১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৭-২৭ ০৯:৩৯:৩৮ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. এ টি এম মোস্তফা কামাল মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো। আরো তথ্য যুক্ত করা যেত। পরের দিকের মহাকাব্যগুলো বাদ রয়ে গেছে।
    কায়কোবাদের মহাকাব্যের নাম মহাশ্মশান। এটা বাদ গেছে।

  2. আলামগীর কবির মন্তব্যে বলেছেন:

    ছৈাট করার জন্য কিছু তথ্য বাদ গেছে। ব্লগে বড় করে লিখলেই শুধু অভিযোগ আসে।

  3. এম, এ, কাশেম মন্তব্যে বলেছেন:

    ভালো লাগলো। ++++++++
    শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

  4. তুষার আহসান মন্তব্যে বলেছেন:

    “মহাকাব্য তন্ময় কাব্য। এটি ব্যক্তি-নিষ্ঠ নয়, বরঞ্চ বস্তু-নিষ্ঠ। লেখকের অন্তর অনুভূতির প্রকাশ নয়, বস্তু-প্রধান ঘটনা-বিন্যাসের প্রকাশ। গীতিকাব্যোচিত বাঁশির রাগিনী নয়, যুদ্ধসজ্জার তুর্য্য-নিনাদ। এছাড়াও, এটি মহাকায়, মহিমোজ্জ্বল, ব্যাপক হিমাদ্রি-কান্তির মত ধীর, গম্ভীর, প্রশান্ত, সমুন্নত ও মহত্ত্বব্যঞ্জক। এই কাব্যে কবির আত্মবাণী অপেক্ষা বিষয়বাণী ও বিষয় বিন্যাসই আমাদের অধিকতর দৃষ্টি আকর্ষণ করে।”
    আপনার মহাকাব্য বিষয়ক তথ্যমালা সংগ্রহে রাখার মত।
    অজস্র ধন্যবাদ।

  5. আলামগীর কবির মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনাকেও ধন্যবাদ।

  6. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    অসাধারণ মহাকাব্য।

  7. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    অসাধারণ লিখনী

    ::::::::::::::::::::::::::

    পড়ে ভালো লাগলো
    শুভ কামনা রইল

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top