Today 17 Oct 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সা. বিশ্ব শান্তির এক চিরন্তন পথপ্রদর্শক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতাবাদী।

লিখেছেন: মাহ্‌দী ফায়েজ | তারিখ: ১০/১০/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 642বার পড়া হয়েছে।

আমরা অনেকেই হয়তো জানি, গত কয়েক বছর আগে বর্তমানে সারাবিশ্বে ছরি ঘোরানো পশ্চিমারা অর্থাৎ তাঁদের সর্বোচ্চ পর্যায়ের গবেষকরা ‘THE HUNDRED’ বা বাংলায় ‘নির্বাচিত একশত মনীষী’ নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন, যাতে পৃথিবীর ঊষালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত যে সকল মহামানবের আবির্ভাব হয়েছে তাঁদের পরিচিতি ও অবদান তুলে ধরা হয়। এই নির্বাচিত একশ জনের মধ্যে আমাদের নবী করিম সা. কেই প্রথম স্থান দেয়া হয়। অথচ এ সকল বিশ্ববরেণ্য গবেষক ও লেখকদের কেউ-ই মুসলিম নন- কেউ খৃস্টান, কেউ বা ইহুদি। তাঁরা খুব করে চেয়েছিল যাতে প্রথম স্থানে না বসাতে হয়, কিন্তু কিছুতেই পারেন নি। এর দ্বারা কি এ কথা প্রখর সূর্যালোকের মতো স্পষ্ট না যে, আজকের এই একবিংশ শতাব্দীর জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং আধুনিকতার চরম শিখরে এসেও মুহাম্মাদ সা. এর শিক্ষা যা তিনি দিয়েছিলেন আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে, আদর্শ যা তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এক বিভীশিকাময় সমাজে তা আজও বিশ্ব শান্তি ও কল্যাণের সর্বশ্রেষ্ঠ অলংকার।
মহান মনীষী বার্নার্ড শ’ বলেন :
“If all the world was united under one leader MUHAMMAD (SAw) would have been the best fitted, to lead the peoples various creeds, dogmas & ideas to peace & happiness.”
– যদি পুরো পৃথিবীর সব ধর্ম, সম্প্রদায়, মতবাদ ও আদর্শের মানুষকে একত্রিত করে একনায়কের শাসনাধীন আনা যেত, তবে একমাত্র মুহাম্মাদ সা. ই সর্বাপেক্ষা যোগ্য নেতারূপে তাঁদের শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করতে পারতেন।

মানুষের মহৎ আকাঙ্খাগুলো আজ জীবন থেকে নির্বাসিত। ন্যায় বিচারের আশা, সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের কামনা আজ প্রতারণার শিকার। জোর যার মুল্লুক তার’ এ মাৎস্যন্যায় নীতির আয়ত্তে মনুষত্ববোধ আজ বন্দী।

মানবতা যখন আজ এভাবে একপাশে চরম অবজ্ঞায় অবহেলিত-পরিত্যক্ত তখন আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে এসেছিলেন এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব, এক মহান মানবতাবাদী, কোন উপমায় তাকে উপমীত করা যায়নি, যাবেও না। যিনি বিশ্বের যাবতীয় সমস্যার সামগ্রিক সমাধান খুঁজে পেয়েছিলেন, ব্যক্তি জীবন ও সমষ্টিগত জীবনে প্রতিষ্টা করতে সমর্থ হয়েছিলেন ‘তোমার-আমার-তাঁর’ প্রত্যেকের শান্তি। তিনি বিকিরণ করে গেছেন ইসলামের সুবিমল জ্যোতি।

“ওয়ামা আরসালনাক ইল্লা রাহ্‌মাতাল-লিল আলামীন”

৬৯৯ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
ফেসবুক- https://www.facebook.com/M.R.Fayez
সর্বমোট পোস্ট: ১০ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৮-০৬ ০৮:৫৮:০৬ মিনিটে
banner

৩ টি মন্তব্য

  1. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    হযরত মুহাম্মদ(স)এর সমতুল্য পৃথিবীর কেউ হতে পারে না। পারবেও না।

  2. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    নবী করিম (সঃ) কে নিয়ে আমার একটি নাত
    এরকম__
    তুমি নূর নবী হজরত
    তুমি মওলাজির কুদরত
    তোমায় পেয়ে হলেম আমরা জগতবাসি
    তোমায় ভালবাসি,
    হযরত তোমায় ভালবাসি।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top