Today 27 May 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

মিষ্টি প্রেমের দুষ্টু চিঠি

লিখেছেন: আমির ইশতিয়াক | তারিখ: ০৯/০৭/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 23984বার পড়া হয়েছে।

প্রাণের প্রিয়তম আশিক,
চিঠির শুরুতে তোমার প্রতি রইলো আমার প্রাণডালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। হবু শাশুড়ির প্রতি রইলো সালাম। প্রবাসী শ্বশুরের জন্যে রইলো আমার দোয়া। দেবর ও ননদের জন্যে রইলো একটি করে আদর। আর তোমার জন্যে রইলো ১০১ টি চুমো।
আশিক, তুমি বলেছো তোমার কিছুই নেই। তুমি আমার যোগ্য নও। না আশিক এ তুমি মিথ্যে বলছো। বরং বলতে পারো আমি তোমার যোগ্য নই। তোমার মতো সুন্দর মনের একটি ছেলেকে ভালোবাসতে পেরে আমি ধন্য। আমার তো রূপ, যৌবন, মন, কিছুই নেই। অথচো তোমার সবই আছে। আছে টগবগে যৌবন ও সুন্দর একটি মন। যা দিয়ে তুমি আমাকে ভালোবাসো। তুমি একদিন বলেছিলে যে, কলেজের ছেলে মেয়েরা হাত ধরাধরি করে আড্ডা দেয়। মজার মজার রোমান্টিক প্রেমালোচনা করে। সেগুলো দেখে তোমার খুব ইচ্ছে হয় তাদের মতো আমাকে নিয়ে আড্ডা দিতে। ইচ্ছে মতো প্রেম করতে। তাই না?
আশিক লক্ষিèটি আমার। প্লিজ তুমি তাদের এসব দৃশ্য দেখোনা। আমাদের এখন তাদের মতো প্রেম করার সময় নয়। এখন তোমাকে ভালো করে লেখাপড়া করতে হবে। দেখো আশিক আমি তোমার সাথে অভদ্র প্রেম করবোনা। এভাবে সবার চোখের সামনে যারা প্রেম করে বেড়ায় তাদেরকে লোকে অভদ্র বলে। আমরা এমন প্রেম করবো যা দেখে কেউ ছিঃ বলতে না পারে। লোকে আমাদের প্রেমের কথা শুনে যেনো খোদার কাছে প্রার্থনা করে, ‘হে খোদা তুমি তাদের মিলন ঘটিয়ে দাও।’ আশিক তুমি হয়তো আমার সাথে একমত হয়ে বলবে, আমরা এমন প্রেম করবোনা যা আমাদের বিপদ ডেকে আনে।
জানো আশিক, গত কাল রাতে তোমাকে নিয়ে একটা রোমান্টিক স্বপ্ন দেখিছি। এ পর্যন্ত এমন স্বপ্ন আর কখনো দেখিনি। আমার কিন্তু স্বপ্নের কথা বলতে লজ্জা করছে। নাহ্ এখন বলবোনা। একি! তুমি দেখি রাগ করে আছো। ঠিক আছে বাবা রাগ করোনা। এখনই বলছি শোন।
একদিন আমরা দু’জন পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করলাম। বাসর রাত কাটানোর জন্যে দু’জনেই চিন্তায় পড়ে গেলাম। কিছুক্ষণ পর তুমি বললে, চলো আবাসিক হোটেলে যাই। সেখানে রাত কাটানো যাবে। তোমার কথানুযায়ী ঢাকা এসে আমরা এক হোটেলে উঠলাম। তুমি খাবার নিয়ে এলে তা দু’জনে ভাগ করে খেলাম। কিছুক্ষণ টিভি দেখার পর দু’জনে এক বিছানায় শুয়ে পড়লাম। তখন তুমি লাইট নিভিয়ে দিয়ে ডিম লাইট জ্বালালে। কিছুক্ষণ দু’জনে দু’পাশে শুয়ে রইলাম। কিন্তু কেউ কাউকে স্পর্শ করিনি। অনেক্ষণ পর তোমার ডান হাত আমার বুকের উপর পড়লো। এই প্রথম তোমার হাতের পরশ পেয়ে আমার শরীর শির শির করে উঠলো। আমার কিন্তু খুব ভালো লাগছিলো। জানিনা তোমার কেমন লাগছিলো। তারপরও লজ্জায় তোমার হাত খানা সরিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পর আবার তোমার হাতখানা আমার বুকের উপর রাখলে। তখন আমার সারা শরীর রোমঞ্চিত হয়ে উঠলো। দেহের প্রতিটি ভাজে ভাজে অদ্ভুদ এক শিহরণ জেগে উঠলো।… না আশিক আজ আর লিখতে পারবোনা। লজ্জায় আমার মুখ লাল হয়ে যাচ্ছে। আজ আসি। পরে আবার কথা হবে। লক্ষিèটি ভালো থেকো।
ইতি
তোমার প্রাণের প্রিয়তমা খাদিজা

২১,৫৮৭ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমির ইশতিয়াক ১৯৮০ সালের ৩১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার ধরাভাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা শরীফ হোসেন এবং মা আনোয়ারা বেগম এর বড় সন্তান তিনি। স্ত্রী ইয়াছমিন আমির। এক সন্তান আফরিন সুলতানা আনিকা। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন মায়ের কাছ থেকে। মা-ই তার প্রথম পাঠশালা। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করেন মাদ্রাসা থেকে আর শেষ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই লেখালেখি শুরু করেন। তিনি লেখালেখির প্রেরণা পেয়েছেন বই পড়ে। তিনি গল্প লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলেও সাহিত্যের সবগুলো শাখায় তাঁর বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। তাঁর বেশ কয়েকটি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো- এ জীবন শুধু তোমার জন্য ও প্রাণের প্রিয়তমা। তাছাড়া বেশ কিছু সম্মিলিত সংকলনেও তাঁর গল্প ছাপা হয়েছে। তিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় গল্প, কবিতা, ছড়া ও কলাম লিখে যাচ্ছেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্লগে নিজের লেখা শেয়ার করছেন। তিনি লেখালেখি করে বেশ কয়েটি পুরস্কারও পেয়েছেন। তিনি প্রথমে আমির হোসেন নামে লিখতেন। বর্তমানে আমির ইশতিয়াক নামে লিখছেন। বর্তমানে তিনি নরসিংদীতে ব্যবসা করছেন। তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একজন সফল লেখক হওয়া।
সর্বমোট পোস্ট: ২৪১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৪৭০৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-০৫ ০৭:৪৪:৩৯ মিনিটে
Visit আমির ইশতিয়াক Website.
banner

২৪ টি মন্তব্য

  1. কাউছার আলম মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাই আপনি খাদিজা লিখছেন, খাদিজা কে?

  2. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    আমির ভাই আপনি শুধু প্রেমের চিঠি লিখেন কি ব্যাপার! গত চিঠিতে ও দেখলাম খাদিজা এ চিঠিতে ও খাদিজা। বুঝলাম না। চালিয়ে যান . . .

  3. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    বুঝেন নাই। আমার সাথে দেখা করেন বুঝাইয়া দিমু।

  4. এ হুসাইন মিন্টু মন্তব্যে বলেছেন:

    চিঠি কি খাদিজা মেম পড়েছে বা পড়ার মতো কোনো সম্ভাবনা আছে ?

  5. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    পড়ার কোন সম্ভবনা নেই।

  6. সাফাত মোসাফি মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগল।খাদিজা কে ভাই?

  7. আহমেদ ফয়েজ মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রেমে ভাইটামিন আছে ভাই। তবে চিঠিখানা দেখে সেই যুগের কথা মনে পড়ে গেল। হায়রে চিঠি। এখন আর কয়জনে চিঠি লিখে। আপনার সফলতা কামনা করি।

  8. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    ফয়েজ ভাই সত্যি বলতে কি এখন চিঠি যাদুঘরে স্থান পাওয়ার যোগ্য হয়েছে। কারণ এখন মোবাইল, ফেসবুকের যোগে,চিঠির কদর নাই বললেই চলে।

  9. আরিফুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    তাহলে আমির ভাই আপনার চিঠিগুলো যাদুঘরে সংরন করা লাগবে মনে হইতেছে।

  10. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    হ ভাই তাইতো মনে হয়তেছে। আমার চিঠিগুলো এখনকার সময়ের লেখা নয়। এগুলো ১৯৯৬ সনের লিখা। তখন কিন্তু মোবাইল, ফেসবুক, ব্লগ ছিলনা। তাই নয় কি?

  11. আসমা নজরুল মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাই আপনার চিঠি পড়ে আমার কিন্তু কিশোর বেলার কথা মনে পড়ে গেল।

  12. তাপসকিরণ রায় মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর প্রেমের চিঠি লেখার হাত আপনার–আপনার লেখা প্রেমিকার চিঠি ভাল লেগেছে।

  13. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ।

  14. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    আর তোমার
    জন্যে রইলো ১০১ টি চুমো।
    এতোগুলো কেন ?
    ঈদ মোবারক ।

  15. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    বাবা………………এতো চুমু!

  16. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    ওরে বাপস এত প্রেম

    অভদ্র প্রেম না করাই ভাল

    চিঠি সুন্দর হয়েছে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top