Today 14 Dec 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

মুক্তি যুদ্ধের গল্প (নবম পর্ব )

লিখেছেন: এস এম আব্দুর রহমান | তারিখ: ২৯/০১/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 604বার পড়া হয়েছে।

মুক্তি যুদ্ধ শুরু হয়েছিল মার্চ মাসে। কাজেই মুক্তিযোদ্ধাদের সংঘঠিত হতে হতেই বর্ষাকাল এসে গিয়েছিল। তাই শুরুতেই মুক্তিযোদ্ধারা জোড়ালো আক্রমন করতে পারেনি। বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন বেড়ে গিয়েছে। বর্ষা কাল চলে যাওয়ায় আমাদের চলা ফেরায় স্বাধীনতা এসেছে। যখন যে দিকে ইচ্ছে চলে যাওয়া যাচ্ছে। আমাদের কোম্পানীতে মাসে অন্তত একবার করে আলোচনা সভা হতো।বিশেষ করে কোন অপারেশনে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে সেই অপারেশন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমাদের কমান্ডার আমাদেরকে ডাকতেন। অপারেশনের বিষয় নিয়ে চুল চেরা আলোচনা হতো। কারণ ছিল এই যে, আমরা তখন কোন সংঘঠিত বাহিনী ছিলাম না। কাজেই যে এলাকায় অপারেশন চালানো হবে সে এলাকা কারুর বিশেষ কোন জ্ঞান থাকতে পারে সেটা জানার জন্যি এই আলোচনার ব্যবস্থা। আমাদের এলাকার পার্শে পাথরঘাটা একটি পা-সেনাদের ক্যাম্প ছিল। যে ক্যাম্পের কথা তোমাদের আগেই বলেছি। এই ক্যাম্পটি আমাদের জন্য একটি বারতি হেডেক হয়ে দঁড়িয়েছিল। কারণ বর্ষা নেমে যাওয়ার সাথে সাথেই মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে পাক-সেনারা থানা হেড কোয়াটারের বাইরে তাদের যত ক্যাম্প ছিল সকল ক্যাম্প গুলি ই থানা সদরে ক্লোজ করে ফেলেছিল। শুধু মাত্র আমাদের পাথরঘাটা ক্যম্পটি তখনো তাদের অস্তিত্ব বজায় রেখে দাঁড়িয়েছিল।সে জন্য আমাদের সব সময় যথেষ্ট সতর্কতার মধ্যে থাকতে হত। তাছারা ঐ ক্যাম্পের পাক-সেনারা এলাকার মানুষদের গরু ছাগল ধরে ধরে নিয়ে জবাই করে খেয়ে ফেলছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। আমাদের ধর্র্মান্ধ মূর্খ মাওলানারা যাই বলুকনা কেন , আসলে পাক-সেনারা মানুষ হিসেবে মোটেই ভাল ছিল না। তারা যে আচরণ করতো তাতে তাদেরকে মুসলমান হিসেবেই গন্য করা যেত না। বাঙ্গালী মুসলমানদের যে কোন ধরনের ক্ষতি করতে তাদের বিবেকে একটুও বাঁধতো না। এমনি অবস্থার শুরু হয়েছিল যে, রাজাকাররা এলাকার গরীব মানুষদের বৌ ঝিদের গোপনে ধরে ধরে নিয়ে হানাদার ক্যাম্পে হস্তান্তর করতে শুরু করল। কাজেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, আমরা পাথরঘাটা ক্যাম্প অপারেশন করবো।

সন্ধ্যা রাতে খোয়া দাওয়ার পর আমরা রওয়ানা হলাম। তখন বর্ষা কাল চলে গেছে। শরৎ কাল প্রবাহ মান। আকাশে খন্ড মেঘের খেলা। দলে দলে ভেসে যাচ্ছে সাদা কালো মেঘ। বাতাসের দাপটে মেঘ দৌঁড়ে যাচ্ছে যেন, চৈত্র মাসের দমকা হাওয়ায় শিমুল গাছ থেকে ছুটে যাওয়া তুলুর বহর। ফুলের মতো একটি তুলো তার মাঝে একটি বীজ। বংশ বিস্তারের প্রানান্ত চেষ্টা। বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে এক স্থান থেকে আর এক স্থানে ফেলছে। সেখানেই গজিয়ে উঠছে একটি শিমুল গাছ। আর আমার ভেসে যাওয়া মেঘ গুলো জরো হয়ে হচ্ছে এক পশলা বৃষ্টি। পাথর ঘাটার ফরেষ্ট রেঞ্জ আফিসটি একটি টিলার উপর। তার পশ্চিম দিক দিয়ে বয়ে গিয়েছে বংশাই নদী। পশ্চিম পাশ থেকে একটি শাখা নদী বেড়িয়ে উত্তর পাশ দিয়ে পূর্ব পাশ ঘিড়ে দক্ষিণ দিক চলে গিয়েছে। এই একটি দিকেই শুধু আইল্যান্ড আছে। আসলে ফরেষ্ট আফিসটি একটি অনিন্দ সুন্দর অবস্থানের উপর নির্মিত। আমরা পূর্ব পার্শে নদীর ধারে ও দক্ষিণ পাশের আইল্যান্ডের উপর পজিশন নিলাম। ভোর রাতের দিকে আক্রমন শুরু হল। যতক্ষণ অন্ধকার ছিল ততক্ষণ উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় চলতে থাকলো। ভোরের দিকে যখন অন্ধকার কেটে গিয়ে সকাল হতে শুরু করলো তখন পাক-সেনারা গুলি ছোরা বন্ধ করলো। আমরা ভাবলাম হয়তো বা তাদের গুলি শেষ হয়ে গিয়ে থাকতে পারে। অথবা তারা পশ্চিম দিক দিয়ে পলায়নের চেষ্টা করতে পারে। আমাদের নিকট একটি হেলার ছিল। আমাদের কমান্ডার উক্ত হেলারের মাধ্যমে পা-সেনাদের আত্ম সমর্পন করতে আহ্বান জানাতে থাকলেন। আমরা মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে দুই এক রাউন্ড করে গুলি ছুড়তে থাকলাম। চতুর্দিকে যখন একদম দিনের আলো ফুটে উঠছে তখন হঠাৎ করে আমাদের উত্তর পাশ থেকে, যেখানে নদী মোড় নিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে সেই পাশ থেকে নদীর ধার ঘেসে পজিশন নিয়ে আমাদের প্রতি পাক-সেনারা বৃষ্টির মত গুলি ছুড়তে লাগল। যার জন্য আমরা মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। মূলত আমাদের পিছন দিক ছিল অরক্ষিত।কারণ নদীটি উত্তর দিক থেকে যেখানে দক্ষিণ দিকে মোড় নিয়েছে সেখানে কোন ডিউটি ই নিয়োগ করিনি। কাজেই এই আক্রমন প্রতিরোধ করার মতো আমাদের নিকট কোন সুযোগি ছিল না। ফলে আমরা দিগ্বিদিক জ্ঞান হাড়িয়ে যার যার মতো যে যে দিক পারলাম জীবন বাঁচানোর জন্য দিলাম দোঁড়। পাক-সেনারা অবিরাম গুলি ছুড়তে লাগল। তখন আমাদের বাঁচার জন্য একটি দিকই খোলা ছিল। সেটি হচ্ছে দক্ষিণ দিক। আমাদের ভাগ্য ভাল যে, দক্ষিণ দিকে তারা আমাদের জন্য কোন এ্যাম্বোশ করেনি। ফলে আমরা দিগ্বিদিক জ্ঞান হাড়িয়ে দক্ষিণ দিকে দৌড়াতে থাকলাম। অনবরত গুলির শব্দে এলাকার মানুষ যে যেদিকে পারছে দৌড়ে পালাচ্ছে। কারণ দুটো। এক-পাক-সেনাদের ছুরা গুলি গায়ে লেগে যে কোন সময় মারা যেতে পারে। দুই- যুদ্ধে মুক্তি যোদ্ধারা হেড়ে গেলে পাক-সেনারা এলাকায় যাকে যেখানে পাবে, সেখানেই গুলি করে মারবে। আমি প্রাণ পনে দৌড়াচ্ছি এক লোক আমার সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালা গালি করতে লাগলো। তার অভিযোগ এই যে,”শালারা ভাগ কেন। ভাগতে দিমু না। তোমরা ভাগবা আর পাক-সেনারা আইসা আমাদের মারবো তা অইবো না।” লাঠি হাতে সে আমার দিক এমন ভাবে তেড়ে আসছিল যে, একবার মনে হচ্ছিল যে, লোকটাকে গুলি করে মেরে ফেলি। কিন্তু নিজেকে সামলে নিলাম। কারণ কয়েকদিন আগেই সে আমাদের রান্না করে খাইয়েছে। আজ সে অতি কষ্টে এ সব কথা বলছে। কারণ এই অবস্থায় সে তার ছেলে মেয়ে বাড়িঘর নিয়ে কোথায় যাবে সে চিন্তায় অস্থির। কাজেই কোন রকম নিজেকে সামলে নিয়ে ভেগে গেলাম। প্রায় তিন কি, মি, দৌড়ে আমি নিরাপদ স্থানে চলে এলাম। সকলে একত্র হলে হিসাব করেম দেখা গেল আমাদের একজন মুক্তি যোদ্ধা ফিরেনি। সাথে সাথেই গুপ্ত চর পাঠানো হল। দুপুরের পর সংবাদ নিয়ে এল, একজন মুক্তি যোদ্ধা গুলি বিদ্ধ হয়ে আহত অবস্থায় ধরা পরেছে। সন্ধ্যার আগে খবর এল, হানাদাররা  প্রচুর নির্যাতন করেছে  তাকে  সারা দিন ভর। পানির জন্য চিৎকার করলে পাক সেনারা তাকে পানি না দিয়ে তার মুখে প্রশ্রাব করে দিয়েছে। আমাদের সেই মুক্তিযোদ্ধাকে প্রস্তাব দিয়েছিল যদি সে একবার “পাকিস্তান জিন্দাবাদ ” বলে তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এই মৃত্যুর এমন মুখা মুখি হয়েও সে এই প্রস্তাব ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করে। তখন পাক-সেনারা তাকে গুলি করে মেরে ফেলে। শুনেছি গুলি খেয়েও সে  মৃত্যুর আগে “জয় বাংলা ” বলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে। এ সংবাদ পেয়ে সকল মুক্তি যোদ্ধারাই উত্তেজিত হয়ে গেল। আজ রাতেই পুন আক্রমনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো। পূন আক্রমনের পুনরায় পূর্বের আক্রমন নিয়ে আলোচনা হল। আসলে পূর্বের আক্রমনে আমাদের পজিশন নেওয়ায় ছিল ভুল।কারণ নদীটির মূল প্রবাহ উত্তর দিক দিয়ে দক্ষিণ দিকে চলে গিয়েছে। ক্যামটির ১০০ গজ উত্তর দিক দিয়ে একটি শাখা নদী পূর্ব পাশে গিয়ে পূনরায় ক্যাম্পের পূর্ব পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে চলে গিয়েছে। সেই ক্ষেত্রে ক্যাম্পটির উত্তর পূর্ব কোণায় নদীর মোড়ে অবশ্যই আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকা উচিৎ ছিল, যাতে নদীর বাঁক বেয়ে কেহ আমাদের পিছন দিকে চলে আসতে না পারে। কিন্তু আমরা সেখানেই ভুল করে বসি। ফলে পাক-সেনারা ক্যাম্পের পশ্চিম দিক দিয়ে নদীতে নেমে নদীর পার বেয়ে একে বারে আমাদের নিকটে চলে আসে, অথচ আমরা টেরই পাই না। তারা আমাদের এতই কাছে চলে আসে যে, তাদের গুলি কেন যে আমাদের গায়ে লাগল না তা একটি গভেষনার বিষয় হয়ে রইল। যতটা নিকট থেকে পাক-সেনারা আমাদের উপর গুলি ছুড়েছে তাতে আমাদের অধিকাংশ মুক্তি যোদ্ধাই মারা যাওয়ার কথা। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতের কারণে একজন বাদে সেদিনের মত আমরা সকল মুক্তি যোদ্ধাই বেঁচে এলাম।

আমাদের ধরা পরা এক জন মুক্তিযোদ্ধাকে নানা ভাবে অত্যাচার করার সংবাদ শুনে কেহই আমরা স্থির থাকতে পারছিলাম না। ফলে সিদ্ধান্ত হলো আজই শেষ রাতে পূন আক্রমন করা হবে এবং ক্যাম্পের সকল পাক-সেনাদের হত্যা করার আগ পর্যন্ত এ অভিযান প্রত্যাহার করা হবে না। সকল মুক্তিযোদ্ধারাই টান টান উত্তেজনায় ভরপুর। আমরা শেষ রাতের দিকে পাক-সেনাদের ক্যাম্পের নিকট গিয়ে পৌঁছলাম। যাবার আগেই স্বপথ করেছি যে, একজন মুক্তিযোদ্ধা জীবিত থাকতেও এ যোদ্ধ থেকে পিছ পা হব না। আমরা ক্যাম্পের নিকট গিয়ে ক্যাম্পে কোন আলো জলতে দেখতে পেলাম না। আমাদের মনের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হলো যে, আমরা যুদ্ধ শুরু করার আগেই আবার এ্যাম্বুশে পড়লাম না তো? আমরা বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করেও পাক-সেনাদের কোন নড়া চড়া দেখতে না পেয়ে সন্দেহ আরো গভীর হল।  আমরা আক্রমনের জন্য পরিকল্পনা মাফিক সকলেই দ্রুত পজিশন নিলাম। রাত শেষ হয়ে  আসছে। ভোর রাতেই আমাদের আক্রমন করার কথা। কিন্তু পাক-সেনাদের ক্যাম্পে কোন লোক জনের আনা ঘোনা দেখতে না পাওয়ায় নানা রকম চিন্তায় আমাদের সন্দেহ গভীর থেকে গভীরতর হতে থাকল। চতুর্দিকে ফর্সা হয়ে আসলেও যখন পাক ক্যাম্পে কোন লোকের নড়া চড়া দেখা গেল না, তখন আমাদের কমান্ডার খবর নিতে গুপ্তচর পাঠালেন। আমরা পুরু উত্তেজনায় অপেক্ষা করতে থাকলাম। দীর্ঘ এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর আমাদের অপেক্ষার সমাপ্তি ঘটল। গুপ্তচর সংবাদ নিয়ে এল, আজই মধ্যরাতে সকল পাক সেনারা ক্যাম্প ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমরা আক্রমনের পজিশন ছেড়ে দিয়ে পাথরঘাটা ক্যাম্পে প্রবেশ করলাম।ঐ দিনই আগের ক্যাম্প থেকে আমাদের সকল মালামল পাথরঘাটা ক্যাম্পে চলে এল। আমাদের জন্য পাথরঘাটা ক্যাম্পটি ছিল খুবই গুরুত্ব পূর্ণ। কারন পাথরঘাটা ক্যাম্পটি এমনি একটি অবস্থানে ছিল যে, ঐ ক্যাম্পটি যাদের দখলেই থাকুকনা কেন, তাদেরকে উক্ত দখল থেকে উচ্ছেদ করা ছিল খুবই কঠিন কাজ। আমরা ভাল একটি অবস্থানে চলে আশায় যেমনি খুশী হয়েছিলাম, তেমনি এই পাথরঘাটাতেই একদিন আগে আমাদের একজন সহযোদ্ধা মারা গিয়েছে মনে হয়ে সকলেরই মন খারাপ ছিল।পাথরঘাটা ক্যাম্পের দিকে তাকালেইমনে হত, এখানেই দীর্ঘ দিন যাবৎ পাক-সেনারা বাঙ্গালীদের অত্যাচার, নির্যাতন করে আসছিল।এখানেই ধষিত হয়েছে কত মা বোন। এই ফরেষ্ট অফিসের বৃক্ষরা কালের স্বাক্ষী হয়ে বয়ে বেড়াবে এই ইতিহাস অনন্তকাল ধরে।

 

৬৫০ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৪৮৪ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-০৮ ১৩:৩৯:৪৭ মিনিটে
banner

১০ টি মন্তব্য

  1. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    মুক্তি যুদ্ধের গল্প পড়ে ভাল লাগল

  2. আহসান হাবীব সুমন মন্তব্যে বলেছেন:

    এখানেই ধষিত হয়েছে কত মা বোন। এই ফরেষ্ট অফিসের বৃক্ষরা কালের স্বাক্ষী হয়ে বয়ে বেড়াবে এই ইতিহাস অনন্তকাল ধরে।

    ভাল লাগলো বলবো লিখাটি নাকি ধর্ষিতা মা বোনদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করবো – বুঝতে পারছি না ।

    তাই মৌন থেকেই প্রতিটি বীরঙ্গণার প্রতি জ্ঞাপণ করছি অসীম শ্রদ্ধা ।

  3. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    পড়লাম আপনার গল্প।ভাল লাগছে।কবিতার মত গল্প লেখায় ও আছে সমান দক্ষতা দেখতে পাচ্ছি।অনেক ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য।শুভকামনা থাকল।

  4. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    পর্বটি খুব চমৎকার হয়েছে।

  5. কে এইচ মাহবুব মন্তব্যে বলেছেন:

    গল্প লেখা খুব কঠিন কাজ । খুব সুন্দর হয়েছে ভালো লাগলো ।

  6. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ । শুভ কামনা । ভাল থাকুন ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top