Today 08 Apr 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

মেঘের উপর বাড়ি……ফটোব্লগ

লিখেছেন: কামাল উদ্দিন | তারিখ: ২৪/০৯/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 1145বার পড়া হয়েছে।


হুমায়ুন আহমেদের একটা উপন্যাসের নাম আছে মেঘের উপর বাড়ি । সেই উপন্যাস আমার পড়া হয়নি । তবে মেঘের উপরের বাড়িতে একদিন অবস্থান করে আমি বুঝেছি ওখানে বসে নিঃসন্দেহে একটা উপন্যাস লিখে ফেলা যায় । বুঝতে পারছেন না ? কোন জায়গার কথা বলছি ? জায়গাটার নাম পাসিং পাড়া । ইহা একটি আদিবাসী গ্রাম । কেওকারাডাং পর্বত থেকে পূর্ব দিকের ঢাল বেয়ে ১০ / ১৫ মিনিটেই ওখানে পৌছে যাওয়া যায় । যার উচ্চতা ৩০৬৫ ফুট । ইহাই বাংলাদেশের সব চেয়ে উঁচু গ্রাম ।

(২) কেওকারাডাং এর চুড়ায় দাড়িয়ে পাসিংপাড়া দেখা যায় না, তবে তবে পুব দিকের ঢাল বেয়ে কিছুটা পথ পার হলেই উপর থেকে দেখা যাবে পাসিংপাড়ার এমন রুপ ।


(৩/৪) মেঘের ভেলার অনেক উপরে পাসিংপাড়া দেখতে খুবই চমৎকার, তবে এখানকার আদিবাসী / উপজাতিদের বিশাল একটা কষ্ট হলো অন্যান্য গ্রামগুলোতে যেমন ঝরণা থেকে পাইপের সাহায্যে ২৪ ঘন্টা অতি সহজেই পানির সরবরাহ পেয়ে থাকে এখানে সেটা নেই । কারণ কেওকারাডাং ছাড়া আসে পাশের সব পাহাড় এই পাহাড় থেকে নিচু, আর কেওকারাডাংএ কোন ঝর্ণা নাই । তাদের অনেক নিচের ঝর্ণা থেকে পানি সংগ্রহ করে নিয়ে আসতে হয় আর বৃষ্টির পানি যতটা সম্ভব ওরা জমিয়ে রাখার চেষ্টা করে ।


(৫) পাহাড় বেয়ে ক্লান্ত বন্ধুরা পাসিংপাড়ায় পৌছে গায়ের জামা খুলে একটু ঠান্ডা হাওয়া লাগিয়ে নিচ্ছে……


(৬/৭) পাহাড়ী ঝিঁঝিঁ পোকা । পুরো পাহাড়কে যারা মিষ্টি সূরের আবেশে মাতিয়ে রাখে সর্বদা, যার সুরেলা কন্ঠ পাহাড়ে পাহাড়ে প্রতিধ্বনিত হয়ে পর্যটকদের বিমোহিত করে । পাসিংপাড়ার এক ক্ষুদে আদিবাসীর হাতে সে বর্তমানে বন্দি ।


(৮) ওদের ধর্মীয় উপাসনালয়……..


(৯/১০) এদিন ওদের ধর্মীয় বড় কোন উৎসব ছিল, তাই আগের দিন সারারাতই ধর্মীয় আরাধনার সূর মাইকে ভেসে আসছিল, আর খানা-পিনার আয়োজন ও ছিল বেশ । শিশু থেকে বুড়ো সবাই উপস্থিত ছিল এই উৎসবে ।


(১১) পাসিং পাড়ার একটা দোকানে আমরা……


(১২) মেঘের উপরের এই গ্রামটিতে বম এবং মুরংদের বসবাস ।


(১৩) বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য মাটিতে খোড়া গর্ত ।


(১৪) পাসিং পাড়া থেকে পুবের ঢাল বেয়ে খাড়া নামলেই জাদিপাই পাড়া । পাসিং পাড়ায় দাড়িয়ে জাদিপাই পাড়ার এমন সুন্দর ছবি তোলা যায় অনায়াসেই । যেন পটে আঁকা কোন ছবি ।


(১৫) সব শেষে আমি সহ ভ্রমণ বাংলার আমরা কয়েকজন

১,১৩১ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
বিশ্ব জোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র –নানা ভাবে নতুন জিনিস শিখছি দিবা রাত্র ……
সর্বমোট পোস্ট: ২৭ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৯১ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-০৯-১৪ ০৫:২৮:১৯ মিনিটে
banner

১২ টি মন্তব্য

  1. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    Darun darun chhobi
    Mon bhore jay

  2. সাঈদুল আরেফীন মন্তব্যে বলেছেন:

    যতোই দেখছি ততোই মুগ্ধ হচ্ছি কামাল উদ্দিন আপনার ছবিগুলোতে। ভ্রমণ বাংলার বন্ধু সহ আপনাকে শুভেচ্ছা অবিরল।

  3. গোলাম মাওলা আকাশ মন্তব্যে বলেছেন:

    আমি কিছুই দেখিতে পারিলাম না ভাই।

  4. আর এন মিলি মন্তব্যে বলেছেন:

    দারুন সব ছবি ।ইশ দেখলেই যেতে মন চায় । ভ্রমণ বাংলাদেশ টিম :-)

  5. মরুভূমির জলদস্যু মন্তব্যে বলেছেন:

    কেউকারাডং পর্যন্ত গিয়েছি। ইচ্ছে থাকলেও এখন আর শরীর সাথ দেয় না।

  6. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    েইশ কামাল ভাই আপনেরে দেইখ্যা হিংসায় মরি :'(

    এত সুন্দরজায়গা গুলো নিজ চক্ষে দেখতাছেন

    খুবই সুন্দর ফটো ব্লগ ।

  7. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর ছবি।

  8. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    sonder photo sonder valo laglo

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top