Today 18 Oct 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

যে গ্রামে কেউ কাপড়ই পরে না!

লিখেছেন: মোস্তাক চৌধুরী | তারিখ: ২৭/০৪/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 440বার পড়া হয়েছে।

একমাত্র নগ্ন হতে রাজি হলেই সে কিনতে পারবে জমি। অন্যথায় জমিও মিলবে না, মিলবে না বাড়ি-ঘর বা বসবাসের সুযোগ। অবাক হচ্ছেন? যুক্তরাজ্যের হার্টফোর্ডশায়ারে অবস্থিত স্পিলপ্লাজ নামক গ্রামে এমনই রীতি! কারণও আছে, ওই গ্রামে কেউ কাপড়ই পরে না। তাই সেখানে থাকতে চাইলে তাদের মতো করেই থাকতে হবে আপনাকে।

নগ্ন বিচের কথা শোনা গেছে, নগ্ন অবকাশযাপন কেন্দ্রের কথাও অনেকের জানা, কিন্তু নগ্ন গ্রাম! হ্যা, দক্ষিণ আমেরিকায় ঘনজঙ্গলে কিছু আদিবাসী আছে যারা এখনও সভ্যতার ছোঁয়া পায়নি। তাদের ব্যাপার হলে ভিন্ন কথা ছিল। কিন্তু সভ্যতার পথপ্রদশক বলে যারা নিজেদের দাবি করে সেই যুক্তরাজ্যে এমন গ্রামের কথা শুনলে অনেকেই হয়ত অবাক হবেন। তবে গ্রামবাসী অবশ্য নগ্নতার মধ্যে অসভ্যতার কিছু দেখেন না। আর যেখানে ইউরোপ-আমেরিকার সামনের সারির সভ্য দেশগুলোর শিক্ষিতরা নগ্নতার দাবিতে আন্দোলন করছেন, রাস্তার মধ্যে কাপড় খুলে ব্যানার হাতে টিভি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন সেখানে ওই গ্রামবাসীকে অসভ্য বলার সুযোগই বা কোথায়? তারা তো নিজেদের মতো করে থাকছেন, কারও বাড়া ভাতে ছাই দিচ্ছেন না। এটা ওই গ্রামেরই মানুষের কথা।

2

মজার ব্যাপার হচ্ছে- ওই গ্রামের মানুষ বেশ সচেতন ও সৌখিন। তারা গায়ে কাপড়ের কোন পোশাক না পরলেও রোদ থেকে চোখ বাঁচাতে সানগ্লাস ঠিকই ব্যবহার করেন। গলায় স্বর্নের চেইন এমনকি আঙ্গুলে আংটিও পরেন শখ করে। গ্রামের ভেতর বেশ সমৃদ্ধ বারও আছে। শুধু পোশাকই নেই গায়ে। মোর-৪ নামের একটি টিভি চ্যানেল সেই গ্রামের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা নিয়ে একটি ধারাবাহিক ডকুমেন্টরি তৈরি করছে। এর ফলেই নতুন করে আলোচনায় চলে আসে স্পিলপ্লাজ।

শোনা গেছে, ওই গ্রামের সবাই বস্ত্রহীন। প্রথম দর্শনে একে আর দশটি গ্রামের মতোই মনে হবে। ছবির মতো সুন্দর, বেশ পরিপাটি। কিন্তু আপনার ধারণা পাল্টাতে শুরু করবে যখন আপনি এই গ্রামের কোনো বাসিন্দার দেখা পাবেন। এই গ্রামের বাসিন্দারা গ্রামটিকে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে পুরনো নগ্নতাবাদী অঞ্চল বলে দাবি করেন। তারা এতটাই নগ্নতাবাদী যে আপনি যদি তাদের মতের সাথে একমত না হন তাহলে সেই গ্রামের কেউ আপনার কাছে জায়গা-জমি, বাড়ি-ঘর কিছুই বিক্রি করবে না।

এই গ্রামের বাসিন্দা ৮৫ বছর বয়সী ইছিয়ুট রিচার্ডসন বলেন, আমি বুঝি না এটা নিয়ে এত হৈচৈ করার কি আছে। আমি তো অন্য গ্রামের সাথে এই গ্রামের কোনো পার্থক্য দেখি না। ওরা যেভাবে জীবন ধারণ করে আমরাও সেইভাবে করি। সকালে ঘুম থেকে উঠি, দিনের কাজ শুরু করি, বাজারে যাই, পানশালায় যাই, দুধওয়ালা, পোষ্টম্যানরা আমাদের বাড়িতে আসে। সবই তো স্বাভাবিত, অস্বাভাবিক তো কিছু দেখি না। আমরা শুধু বস্ত্রহীন থাকি, এই যা।

৪৩৭ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখি করতে ভালবাসি। মাঝে মাঝে পত্রপত্রিকাতে কিছু লেখার চেষ্টা করি। আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখার ভরসা পাই না। আমার বন্ধুও কম। কিন্তু যারা আছে তাদের জন্য সবকিছু করার মানসিকতা আমার আছে।
সর্বমোট পোস্ট: ৩৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৫-১৯ ১২:৫৮:৫৪ মিনিটে
banner

৪ টি মন্তব্য

  1. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    একি শুনলাম রে বাবা ! 😛
    অনেক মজার তথ্য দিলেন ! ভয় পাচ্ছি আমাদের সভ্য সমাজ আবার আপনার স্ট্যাটাস পড়ে আবার না ঐ গ্রামের রূপ ধরে ! অনুকরণপ্রিয় জাতি কি না আমরা- তাই ভয়টা মনে চলে এলো ! :)
    ধন্যবাদ আপনাকে বিচিত্র কিছু জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ।

  2. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    অদ্ভুত!
    আজব দুনিয়া – আজগুবি কারবার!
    তথ্যটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা নিন।

  3. সবুজ আহমেদ কক্স মন্তব্যে বলেছেন:

    আজব তো আসলেই সত্যি নাকি
    আজব আজব তো বেশ
    সুন্দর লিখা
    মজার কিন্তু

  4. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ মজার
    সত্যি কি তাই ?

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top