Today 21 Nov 2018
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

লন্ডনের মাটিতে বাংলাদেশী সবজি চাষ: এক অনন্য অভিজ্ঞতা

লিখেছেন: শওকত আলী বেনু | তারিখ: ০৮/০৮/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 903বার পড়া হয়েছে।

আগ্রহটা প্রথম জন্মে বছর পাঁচ আগে যখন একটি লাউ গাছ লাগিয়ে প্রায় প্রতিটি পাঁচ কেজি ওজনের ছয়-সাতটি লাউ ধরে গাছে। সেই কী আনন্দ! গাছ থেকে সদ্যকাটা তরতাজা লাউ দিয়ে শোল মাছের কারী! এই অনন্য এক আস্বাদন। সেই থেকে আর থেমে নেই । প্রতি বছরই যেন আগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকে।প্রথম বছর লাউ এর সাথে লালশাক এবং টমেটোর চারা লাগিয়েছিলাম। প্রবাসে বসে এত তরতাজা দেশীয় শাক-সবজি নিজে চাষাবাদ করে খেতে পারব এমনটি এর আগে কখনো ভাবিনি। তাই প্রথমবারের আনন্দটা আজও ভুলতে পারিনি।

ব্রিটেনসহ ইউরোপ, আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বসবাস করে দেশীয় শাক-সবজির স্বাদ গ্রহণ করা নতুন কিছু নয়। গত শতাব্দীর আশির দশক থেকেই প্রথম এই সব দেশগুলোতে দেশীয় শাক-সবজি রপ্তানি শুরু হলেও ২০০০ সালের পর থেকে বিশ্ববাজারে ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকে দেশীয় শাক-সবজির চাহিদা এবং রপ্তানি। গেল বছরও মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক মুদ্রার শাক-সবজি রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। আর এইগুলো হজম করার মূলত প্রধান ক্রেতা প্রবাসীরাই। তবে যেসব দেশে বাঙালিদের বসবাস বেশি সেসব দেশে দেশীয় সবজির চাহিদাও বেশি। সেই সুবাদে লন্ডনে বসেও রপ্তানিকৃত দেশীয় শাক-সবজি পেতে এখন আর তেমন কষ্ট করতে হয়না। তবে সব সময়ই যে খুব একটা তরতাজা পাওয়া যায় তা নয়।আর যেখানে সেখানে পাওয়াও যায়না। পেতে হলে বাঙালি দোকানগুলোতেই খুঁজে খুঁজে হানা দিতে হয়।

লাউ

লাউ

বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় বাঙালি দোকানগুলোতে লালশাক, ডাঁটাশাক, পুঁইশাক, মূলাশাক, দেশী শিম, লাউ, বেগুন, ঝিঙে, করলা,ঢ্যাঁড়স, আলু, পেঁপে, চিচিঙ্গা, মিষ্টি কুমড়াসহ মোটামুটি সব ধরনের সবজির দেখা মিলে ব্রিটেনে তথা লন্ডনে। এইগুলো মূলত বাংলাদেশ থেকেই রপ্তানী হয়ে থাকে।এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের ইতালিসহ বেশকিছু দেশেও এখন বাংলাদেশী শীতকালীন সবজি স্বল্প পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হচ্ছে। এইগুলো হয়তো স্থানীয়ভাবে কিছুটা হলেও প্রবাসীদের চাহিদা মিটিয়ে থাকে।

শুরুতেই যা বলেছিলাম আনন্দ আর আগ্রহের কথা।সবজি চাষে প্রথম আগ্রহটা কাজ করে আমার স্ত্রীর মাথায়।এটাই বোধহয় স্বাভাবিক। আদিপেশা কৃষির প্রতি টান এবং মাটির প্রতি মমতা থেকেই হয়তো আগ্রহটা তৈরী হয়েছিল তাঁর। দেশে থাকতেও মাধবীলতা, কামিনী, শিউলি ও হাসনাহেনা সহ বেশ কিছু সুগন্ধী ফুলের গাছ লাগিয়ে সে নজর কেড়ে ছিল সকলের। ঢাকার একটি আবাসিক এলাকায় এইগুলো এখনো নাগরিক জীবনে অনেকেরই মনোহরণ করে যাচ্ছে।

বছর পাঁচ আগের কথা। তখন লন্ডনের নিউহ্যাম এলাকার গ্রিন স্ট্রিটের একটি বাড়িতে থাকি। শুরুতেই বাড়ির পিছনের আঙ্গিনায় একটি লাউ গাছ এবং কয়েকটা টমেটোর চারা সাথে কিছু লালশাকের বীজ ছাড়ানো হয়েছিল। ইস্ট লন্ডনের টাওয়ারহেমলেট এলাকার হোয়াইটচ্যাপল থেকে কিছু গোল আলুর অঙ্কুর এনে লাগিয়ে দেই। ওখানের বাঙালি দোকান থেকে এক পাউন্ড দিয়ে এক বাটি গোল আলুর অঙ্কুর কিনে আনি। মাটি খুঁড়ে আইল বানিয়ে অল্প জায়গাতেই বুনে ছিলাম অঙ্কুরগুলো কিছু কম্পোসড সার মিশিয়ে। সেই প্রথম বারেই বাম্পার ফলন।আলুর সাইজ দেখে তো অবাক! লাউ এর ওজন প্রতিটি পাঁচ থেকে ছয় কেজি। আর লালশাকের বাহারি লাল পাতার ফলন ছিল অসাধারণ!

শিম

শিম

এর পর থেকে আর থেমে নেই।এখন রেডব্রিজ এলাকায় ইলফোর্ডে থাকি। বাড়ির আঙ্গিনায় দেশীয় শাক-সবজির চাষাবাদ নিয়মিত করছি।মাঝে মধ্যে বন্ধুদেরও লাগসই পরামর্শ দিয়ে থাকি।বন্ধুদের ধারণা এই কাজটি আমি ভালো ভাবেই রপ্ত করেছি। আমার হাতের স্পর্শে নাকি বাগান গ্রিন হয়ে যায়। স্ত্রীর অনুপ্রেরণায় মূল কর্মটি আমি নিজেই এখন করি।মাচা তৈরি করা থেকে শুরু করে নিয়মিত পানি দেয়া,সময়মত নিড়ানি দেয়া সব কিছুই করে যাচ্ছি স্বাচ্ছন্দ্যে। এর জন্যে যেসব যন্ত্রপাতির প্রয়োজন তাও কিনে নেই স্থানীয় দোকান থেকে।কাঁচি, কোদাল, খন্তাসহ মাঁচা তৈরী করার জন্যে বাঁশের খুঁটিও পাওয়া যায় ওই একই দোকানে।

প্রবাসে বসে দেশীয় সবজি চাষের আগ্রহটা জন্মানোর পিছনে একটি বড় কারণ হলো হাতের কাছে সুযোগ তৈরী থাকা। এর মানেটা হলো লন্ডন তথা ব্রিটেনের বাড়িঘরের পরিকল্পিত আবাসন প্রক্রিয়ার ভিতর সেই সুযোগটা তৈরী করে রাখা আছে। এইখানে প্রতিটি বাড়ির সম্মুখে এবং পিছনে বাড়ির আকার ও আয়তন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ খালি জায়গা রাখা হয়।তিন-চার বেডের বাড়িগুলোর পিছনের বাগান বেশ লম্বা এবং প্রশস্ত। আশি থেকে ১২০ ফুটের মত লম্বা হয়ে থাকে ওইসব বাড়ির বাগানগুলো।ছোট বাড়ির বাগানগুলো কিছুটা ছোট হলেও লম্বায় চল্লিশ থেকে সত্তর ফুটের মত। ব্রিটিশদের আবাসন প্রক্রিয়ায় এটা একটা অসাধারণ পরিকল্পনা বলা যেতে পারে। বাড়ির সামনে কিছুটা কম জায়গা রাখলেও পিছনে রাখা হয় বড় জায়গা।সামনের খালি জায়গাতে হয় থাকে ফুলের বাগান নয়তো ড্রাইভওয়ে। আর পিছনের জায়গাটি মূলত গার্ডেনিং এর জন্যই রেখে দেয়া হয়। গ্রীষ্মকালে অনেকেই ফুলের সাথে সবজি চাষ করে থাকে। তবে বাঙ্গালীদের মধ্যে ফুলের সাথে বাড়ির পিছনে সবজি চাষের আগ্রহ ব্যাপক রয়েছে বলে মনে করা হয়।

পুঁইশাক

পুঁইশাক

আমার বাড়ির পিছনের নির্ধারিত খালি জায়গায় এবার দেশী শিম, টমেটো, লাউ, বেগুন, ঝিঙে, খিরাই, শসা, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, কাঁচামরিচ, লালশাক, পুঁইশাক,করলা, মিষ্টি কুমড়াসহ বিদেশী রানার বিন এবং কর্জেড চাষ করেছি।সাথে একটি কলা গাছও লাগিয়েছি ।বন্ধু ও পরিচিতজনদের উত্সাহে এবার আগ্রহটা আরো বেড়ে যায় । ব্রিটেনে মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে আবহাওয়াও বিরাজ করে তাতে বাংলাদেশী সবজি চাষের জন্যে অনুকূলে থাকে।মূলত জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত সবজি ভেদে ফলন পাওয়া যায়। টমেটো চাষ অক্টোবর পর্যন্ত ধরে রাখা যায়। মাঝে মধ্যে তাপমাত্রা হঠাৎ কমে গেলে সবজি চাষে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটে।এবার গ্রীষ্মের প্রথম দিকে এমনটি একবার হয়েছিল। লাউ সহ বেশকিছু সবজির চারা প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে মরে গিয়েছিল। প্রায় চার সপ্তাহ পরে আবার নতুন করে সবকিছু রোপন করতে হয়। যেইসব সবজি কম তাপমাত্রার মধ্যেও বেঁচে থাকতে পারে শুধুমাত্র সেই গুলোই টিকে ছিল ওই যাত্রায়।

এবারের লাউগুলোও চার কেজির উপরে হয়েছে। দুই ধরনের টমেটো গাছ লাগিয়েছি। চেরী টমেটো আকারে খুবই ছোট এবং বেশ সুস্বাদু। এক একটি থোকায় প্রায় বারো থেকে পনেরটি পর্যন্ত টমেটো হয়ে থাকে। টমেটোর অন্য জাতটি বেশ বড়।গতবার আমার স্ত্রী বড় জাতের টমেটোর দুইটি চারা সংগ্রহ করেছিল বার্কিং এর একটি নার্সারি থেকে।সেটা থেকে বীজ সংগ্রহ করি। এইবার আমরা নিজেরাই বীজ থেকে চারা বানিয়ে রোপণ করি। খিরাই এবং শসা বড় হচ্ছে।ধনেপাতা একবার চাষ করার পর প্রতি দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে আবার একই জায়গায় চাষ করা যায়। এই মৌসুমে আমিও ইতিমধ্যে তিনবার চাষ করেছি। বেগুন, ঝিঙে, মিষ্টি কুমড়ার ফুল ফুটেছে, গাছগুলোতে কঁচি সবজিও ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে। এই মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যাবে। কাঁচামরিচ বেশ ধরেছে। দেশী শিমের চেয়ে বিদেশী রানার বীণের ফলন হয় অনেক বেশি হয়েছে। রানার বীণগুলো লম্বায় আট থেকে বারো ইঞ্চি পর্যন্ত। এইবারই আমি প্রথম রানার বীণ চাষ করেছি। পুঁইশাক প্লাষ্টিকের টবে দিয়েছি। বীজ থেকে চারা বানিয়ে পরে আলাদা করে টবে দিয়েছি। বেশ ঝেঁকে উঠেছে পুঁইশাকও।আমার বাগানটি আয়তনে ছোট হওয়ায় সব কিছু অল্প পরিসরেই করতে হয়েছে।

খিরাই

খিরাই

তবে প্রতি বছরই যে ভালো ফলন পাওয়া যায় তা নয়। পুরোটাই নির্ভর করে নির্ভরযোগ্য আবহাওয়ার উপর। গ্রীষ্মকাল কতটা লম্বা থাকে কিনবা শীত কতটা পরে আসল বা পরে গেল এই সবের উপর নির্ভর করে ফলন কতটা বেশি কিনবা কম হলো। এছাড়া মৌমাছির আনাগোনা খুব বেশি না থাকলেও ফলন কমে যায়।এইবার বাগানে মৌমাছির আনাগোনা একটু বেড়েছে। রানারবিনে পর্যাপ্ত ফুল ফোটার কারণে বাগানে মৌমাছির গুঞ্জন গতবারের চেয়ে অনেক বেশি।যদিও আমার পোষা বিড়ালটা মৌমাছির এক নম্বর শত্রু। সে মৌমাছিকে আক্রমণ করে তাড়িয়ে দেয়। কখনো বা ধরে খেয়ে ফেলে। মৌমাছির আগমন বেশি না থাকলে বিশেষ করে লাউ ফুলে পরাগায়ন করে দিতে হয়।

লন্ডনে দেশীয় সবজির দাম অনেক চড়া। লাউ প্রতি কেজি পাঁচ পাউন্ড। দেশী টাকায় প্রায় ছয়শ টাকা। চার-পাঁচ কেজি ওজনের একটি লাউ দেশীয় মুদ্রায় প্রায় দুই হাজার পাঁচশ টাকা। টমেটো ছাড়া সব সবজিই গড়ে তিন থেকে পাঁচ পাউন্ড কেজি ।টমেটো প্রতি কেজি এক পাউন্ড ।এখানকার মাটিও বেশ উর্বর। মাটির সাথে কম্পোসড সার মিশিয়ে সবজি চাষের উপযোগী করে নেয়া হয়।কম্পোসড সার এবং মাটি দুটোই কিনে ব্যবহার করা যায়।

বাগানে সবজি চাষের একটি বড় মজা হলো নির্মল আনন্দ পাওয়া। প্রতিদিনের নিয়মিত বাগান-কর্মে কিছুটা হলেও শরীরের ক্যালরি ক্ষয় হয়। আর সময়টাও কেটে যায় বেশ আনন্দের মাঝে।আমার স্ত্রীও সকাল-সন্ধ্যায় আগ্রহ নিয়ে বাগানে সময় দিয়ে থাকে। একই সাথে দেশীয় সবজিতে ছেলে মেয়েকে কিছুটা হলেও পরিচয় করে দেয়া যায়। বাগান করা এবং বিড়াল পোষা এই দুটোই আমার পরিবারকে প্রবাসের নিঃসঙ্গতায় খানিকটা হলেও নির্মল আনন্দের খোরাক করে দেয়। বিশেষকরে পোষা বিড়ালটা আমাদের পরম বন্ধু এবং যাকে আমরা পরিবারের একজন ঘনিষ্ঠ সদস্য হিসাবেই দেখে থাকি। বিড়ালটিও আমাদের অনুভূতি পরম যত্ন সহকারে গ্রহণ করে।

টমেটো

টমেটো

সবজির পাশাপাশি বিদেশী রকমারি ফুলসহ দেশীয় জবা,গন্ধরাজ ও গাঁদা ফুলের সংগ্রহও রয়েছে বাগানে।

শুধু বাড়ির বাগানেই নয়। বাংলাদেশী সবজি স্থানীয় কাউন্সিলের সবজি বাগানেও চাষাবাদের প্রসার অনেক বেড়েছে।সিলেটের প্রবাসীদের মধ্যে এই আগ্রহটা বেশি লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয় কাউন্সিল থেকে বাৎসরিক জমি লিজ নিয়ে ওরা সবজি চাষ করে থাকে।কাউন্সিলের সবজি বাগানের ছোট প্লট ২৫ পাউন্ড এবং বড় প্লট ৫০ পাউন্ড হিসাবে বাৎসরিক লিজ পাওয়া যায়। এমন একটি বাগান গত সপ্তায় ঘুরে এসেছি আমি ও আমার স্ত্রী। আগামীতে এই নিয়ে লেখার ইচ্ছা রইলো।

লালশাক

লালশাক

কাঁচা মরিচ

কাঁচা মরিচ

ধনে পাতা

ধনে পাতা

কলা গাছ

কলা গাছ

ব্যাক গার্ডেন

ব্যাক গার্ডেন

ফ্রন্ট গার্ডেন

ফ্রন্ট গার্ডেন

 

৮৫৭ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
লেখালেখি করি।সংবাদিকতা ছেড়েছি আড়াই যুগ আগে।তারপর সরকারী চাকর! চলে যায় এক যুগ।টের পাইনি কী ভাবে কেটেছে।ভালই কাটছিল।দেশ বিদেশও অনেক ঘুরাফেরা হলো। জুটল একটি বৃত্তি। উচ্চ শিক্ষার আশায় দেশের বাইরে।শেষে আর বাড়ি ফিরা হয়নি। সেই থেকেই লন্ডন শহরে।সরকারের চাকর হওয়াতে লেখালেখির ছেদ ঘটে অনেক আগেই।বাইরে চলে আসায় ছন্দ পতন আরো বৃদ্বি পায়।ঝুমুরের নৃত্য তালে ডঙ্কা বাজলেও ময়ূর পেখম ধরেনি।বরফের দেশে সবই জমাট বেঁধে মস্ত আস্তরণ পরে।বছর খানেক হলো আস্তরণের ফাঁকে ফাঁকে কচি কাঁচা ঘাসেরা লুকোচুরি খেলছে।মাঝে মধ্যে ফিরে যেতে চাই পিছনের সময় গুলোতে।আর হয়ে উঠে না। লেখালেখির মধ্যে রাজনৈতিক লেখাই বেশি।ছড়া, কবিতা এক সময় হতো।সম্প্রতি প্রিয় ডট কম/বেঙ্গলিনিউস২৪ ডট কম/ আমাদেরসময় ডট কম সহ আরো কয়েকটি অনলাইন নিউস পোর্টালে লেখালেখি হয়।অনেক ভ্রমন করেছি।ভালো লাগে সৎ মানুষের সংস্পর্শ।কবিতা পড়তে। খারাপ লাগে কারো কুটচাল। যেমনটা থাকে ষ্টার জলসার বাংলা সিরিয়ালে। লেখাপড়া সংবাদিকতায়।সাথে আছে মুদ্রণ ও প্রকাশনায় পোস্ট গ্রাজুয়েশন।
সর্বমোট পোস্ট: ২০৩ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ৫১৯ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৬-১৭ ০৯:২৪:৩১ মিনিটে
banner

৬ টি মন্তব্য

  1. জসীম উদ্দীন মুহম্মদ মন্তব্যে বলেছেন:

    ওয়াও দুর্দান্ত বেনু ভাই —- অভিনন্দন !!

  2. আহমেদ রব্বানী মন্তব্যে বলেছেন:

    ধন্যবাদ প্রিয় খবরটি শেয়ার করার জন্য।।

  3. এস এম আব্দুর রহমান মন্তব্যে বলেছেন:

    ছবি সহ লেখাটি খুব ভাল লাগল । লিখে যান বিদেশী তথ্য বহুল কাহিনী । শুভ কামনা ।

  4. আরজু মূন জারিন মন্তব্যে বলেছেন:

    বাহ অপূর্ব। এত সুন্দর সব্জির বাগান। দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল বেনু ভাই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টির জন্য। শুভেচ্ছা রইল।

  5. সাঈদ চৌধুরী মন্তব্যে বলেছেন:

    খুবই ভালো লাগলো । চেষ্ট মানুষকে অনেক কিছু দেয় । আমাদের দেশের সবজি রপ্তানিতে এখন অনেক ভাটা পড়েছে । খাবারের মান ঠিকভাবে না থাকায় রপ্তানি কমেই যাচ্চে দিন দিন । এ থেকে বের হয়ে এসে আবার কিভাবে দেশের সব্জি রপ্তানি বাড়ানো যায় তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে । আমাদের খাবারের মান বাড়ানোর জন্যও কাজ করতে হবে । ধ্যণবাদ সুন্দর লেখাটির জন্য ।

  6. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    দারুন

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top