Today 27 May 2020
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

শিশুর যত্নে আপনার করনীয় এবং কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ জ্বর(পর্ব ১)

লিখেছেন: নাসরিন খান রেশমা | তারিখ: ০৯/০৬/২০১৫

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 955বার পড়া হয়েছে।

1

থার্মোমিটার দিয়ে মাপার পর তাপমাত্রা যদি ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার চেয়ে বেশি হয় তবে তাকে জ্বর বলা যায়। জ্বর হচ্ছে শরীরের মধ্যে কোন অসুখের একটি সাধারণ লক্ষণ। সাধারণত জ্বর নিজে রোগ না হলেও জ্বরের কারণে শরীরে ক্লান্তি, ক্ষুধামন্দা ও পানিশূন্যতা তৈরি করে। হঠাৎ করে বেশি জ্বর শিশুদের খিঁচুনির অন্যতম কারণ।

যে কারণেই জ্বর হোক না কেন জ্বর হলেই জ্বরের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করে জ্বর কমানোর চেষ্ট করতে হবে। যে কারণে জ্বর হয়েছে তার কারণ খুঁজে চিকিৎসা না করলে অনেকসময়ই জ্বর পুরোপুরি ভাল হয় না।

জ্বর মাপা:

শিশুর গায়ে হাত দিয়ে জ্বরের মাত্রা বোঝা কঠিন, কারণ ছোট শিশুদের মাথা ও ঢেকে রাখা শরীর এমনিতেই গরম থাকে। ফলে জ্বর না থাকলেও জ্বর আছে বলে ভুল হতে পারে। তাই থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপা (আসলে শরীরের তাপমাত্রা) উচিত। অনেকেই সাধারণ যে থার্মোমিটার পাওয়া যায় (দাম ২০/৩০ টাকা) তা পড়তে পারেন না। কিন্তু কিনে বারবার চেষ্টা করলেই এবং অভিজ্ঞ কারো কাছ থেকে ৫/১০ মিনিটের সাহায্য নিলেই শিখতে পারবেন। আজকাল ডিজিটাল থার্মোমিটার পাওয়া যায়। ভালগুলোর দাম বেশি (প্রায় ৩০০-৪০০ টাকা)।

কিভাবে থার্মোমিটার ব্যবহার করবেন:

প্রথমে থার্মোমিটার স্পিরিট বা সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে নিন। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে খেয়াল রাখুন ভিতরে যেন পানি না যায়।

সাধারণ থার্মোমিটার হলে পারদের অবস্থান দেখুন তা যদি ৯৭ ডিগ্রির উপরে থাকে, তবে জোরে ঝাঁকিয়ে পারদকে এর নিচে নিয়ে আসুন। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে সুইচ চাপ দিন এবং চালু করুন।

থার্মোমিটারের গোড়া বগলের নিচে রেখে হাতে শরীরের সাথে মিশিয়ে ২/৩ মিনিট চেপে ধরুন। বড়দের বেলায় মুখের ভিতর জিহ্বার নিচে রেখে ঠোঁট দিয়ে চেপে রাখতে বলুন। ১ থেকে ২ মিনিট। সাধারণভাবে ১ মিনিট রাখা হয়। ডিজিটাল থার্মোমিটার হলে মিউজিক বাজলে বের করুন।

এবার তাপমাত্রা দেখুন। ডিজিটাল থার্মোমিটারে সংখ্যা সহজেই পড়া যায়।

থার্মোমিটারটি পরিষ্কার করে ধুয়ে মুছে রাখুন।

জ্বরের প্রাথমিক পরিচর্যা:

থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর পরিমাপ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের তাপমাত্রা ১০০০ ফারেনহাইট পর্যন্ত সামান্য জ্বর, ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত খুব জ্বর এবং ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে খুব বেশি জ্বর বলা যায়। তাই প্রথমেই সম্ভব হলে জ্বর মাপার চেষ্টা করতে হবে এবং লিখে রাখতে হবে।

গায়ে হালকা কাপড় রাখা যায়। জ্বর খুব বেশি হলে শরীরের সব জামা-কাপড় খুলে দিতে হবে।

জ্বর খুব বেশি হলে ফ্যান ছেড়ে তার নিচে রাখতে হবে, সমস্ত শরীর কুসুম গরম পানি দিয়ে স্পঞ্জ করে দিতে হবে। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে শরীর মোছা উচিত নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত জ্বর না কমবে ততক্ষণ স্পঞ্জ করে যেতে হবে।

মাথায় পানি ঢালা ও কপালে পানির পট্টি দেয়া যায়। খেয়াল রাখতে হবে, কানে যেন পানি না যায়।

মাত্রা অনুযায়ী প্যারাসিটামল ঔষধ খাওয়াতে হবে বা প্যারাসিটামল সাপোজিটরি (পায়খানার রাস্তায় ডুস) ব্যবহার করতে হবে। যতক্ষণ জ্বর থাকবে ততক্ষণ ৬ ঘণ্টা পরপর এই ঔষধ চলবে।

জ্বরের সময় পানিশূণ্যতা প্রতিরোধে ঘন ঘন বুকের দুধ চুষতে দিতে হবে এবং বড় শিশুদের পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার খেতে দিতে হবে।

৯৬২ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩৮ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ০ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-১৭ ১২:৩২:৫৮ মিনিটে
banner

৫ টি মন্তব্য

  1. মাজেদ হোসেইন মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব উপকারি পোষ্ট

    শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

  2. অনিরুদ্ধ বুলবুল মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ উপকারী পোস্ট
    শুভেচ্ছা জানবেন।

  3. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    বেশ
    জানলাম

  4. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    সুন্দর উপকারী পোস্ট

    ধন্যবাদ আপনাকে

  5. টি. আই. সরকার (তৌহিদ) মন্তব্যে বলেছেন:

    খুব সুন্দর সচেতনতামূলক উপকারী পোস্ট ।
    শেয়ার করার ধন্যবাদ আপনাকে ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top