Today 17 Jun 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

শুভ জন্মদিন হুমায়ূন আহমেদ !

লিখেছেন: এ্যাডভোকেট শিশির আহমেদ | তারিখ: ১৩/১১/২০১৩

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 628বার পড়া হয়েছে।

2

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের  ৬৫তম জন্মদিন আজ!

বিংশ শতাব্দীর বাঙ্গালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ — ১৯ জুলাই, ২০১২)  ১৩ নভেম্বর ১৯৪৮ সনে নানাবাড়ি মোহনগঞ্জে (নেত্রকোনা জেলা) জন্মগ্রহণ করেন। যদিও ইশকুল সার্টিফিকেটে তার জন্ম তারিখ লেখা ১০ এপ্রিল ১৯৫০। কারণ, বাংলাদেশের ইশকুল গুলোতে ক্লাস নাইনে ওঠার পর বোর্ডে নাম রেজিঃস্ট্রেশানের সময় এই অপরাধটি আমাদের ইশকুলের মহামান্য শিক্ষকগণ নিজ দায়িত্বে করে থাকেন। তখন থেকেই আমাদের সবার দুটো জন্মদিন হয়ে যায়। একটি সত্যিকার জন্ম দিন। আরেকটি ইশকুল প্রদত্ত জন্মদিন।

 

শরৎচন্দ্র চট্ট্যোপাধ্যায়ের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদকে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। এছাড়া বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি একজন পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমান সমাদৃত। ২০১১ পর্যন্ত তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীরও তিনি একজন পথিকৃৎ। `নন্দিত নরকে, শঙ্খনীল কারগার, জোছনা ও জননীর গল্প, এইসব দিনরাত্রি, কোথাও কেউ নেই, মেঘ বলেছে যাব যাব, এফিটাফ, দেবী, বহুব্রীহি, বলপয়েন্ট, কাঠপেন্সিল, ফাউন্টেনপেন, কবি, তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে, কৃষ্ণপক্ষ, ১৯৭১, পাখি আমার একলা পাখি, অচিনপুর, আমার আছে জল, মধ্যান্থ, ময়ুরাক্ষী, দারুচিনি দ্বীপ, নক্ষত্রের রাত, জয়জয়ন্তি, মাতাল হাওয়া, দূরে কোথাও, নি, প্রিয়তমেষু, একা একা, পুতুল, তোমাদের জন্য ভালোবাসা, সে আসে ধীরে, আগুনের পরশমনি, মহাপুরুষ, তারা তিনজন, শ্রাবণ মেঘের দিন’ এমন অনেক জনপ্রিয় উপন্যাস লিখেছেন হুমায়ূন আহমেদ। `মিসির আলী আর হিমু’ লজিক আর এন্টি লজিক নিয়ে তার দুই বিখ্যাত চরিত্র। তার বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তার বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

 

১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী তাকে আটক করে। সেনাক্যাম্পে আটক অবস্থায় তাকে অনেক নির্যাতনের পর হত্যার জন্য গুলি চালায়। কিন্তু তিনি অলৌকিকভাবে তখন বেঁচে যান। ২০১১-এর সেপ্টেম্বর মাসে তার দেহে আন্ত্রীয় ক্যান্সার ধরা পড়ে। তবে টিউমার বাইরে ছড়িয়ে না-পড়ায় সহজে তার চিকিৎসা সম্ভব হয়। কিন্তু ১৯ জুলাই ২০১২ এই নন্দিত লেখক ক্যান্সার নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের বেলভিউ হাসপাতালে (১০ডব্লিউ ৪৩ নম্বর বেডের রোগী) স্থানীয় সময় বেলা ১টা ২০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ২০ মিনিট) মৃত্যুবরণ করেন।

 

অতুলনীয় জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও হুমায়ূন আহমেদ অনেকটা অন্তরাল জীবন-যাপন করতেন। লেখালেখি আর চিত্রনির্মাণের কাজে নিজেকে সবসময় ব্যস্ত রাখতেন। দীর্ঘদিন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। পরে লেখালেখিতে বেশি সময় দেবার জন্য শিক্ষকতা ছেড়ে দেন। বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালের জানুয়ারিতে হুমায়ূন আহমেদকে (আমেরিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায়) জাতিসংঘে বাংলাদেশ দূতাবাসে সিনিয়র স্পেশাল অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেন।

 

হুমায়ূন আহমেদের বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার ও লেখক। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিও হিসেবে কর্তব্যরত ছিলেন। মুক্তযুদ্ধের সময় পাক সেনাবাহিনী তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তিনিও সময় পেলে লেখালিখি করতেন আর তা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ করতেন। বগুড়া থাকার সময় তিনি একটি গ্রন্থও প্রকাশ করেছিলেন। গ্রন্থের নাম `দ্বীপ নেভা যার ঘরে’। হুমায়ূন আহমেদের মায়ের নাম আয়েশা আখতার খাতুন। আয়েসা ফয়েজ নামেই যার বেশি পরিচিতি। তার ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল জনপ্রিয় সায়েন্স ফিকশান লেখক এবং সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার প্রফেসর। এবং ছোটভাই আহসান হাবীব জনপ্রিয় গদ্য কার্টুন উন্মাদ সম্পাদক ও পেইন্টার।

 

প্রথমে হুমায়ূন আহমেদের নাম রাখা হয়েছিল শামসুর রহমান। আর ডাকনাম ছিল কাজল। তার বাবা নিজের নাম ফয়জুর রহমানের সাথে মিল রেখে ছেলের নাম রেখেছিলেন শামসুর রহমান। পরে তিনি আবার নাম পরিবর্তন করে রাখেন হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের ভাষায়, `বাবা ছেলে-মেয়েদের নাম পরিবর্তন করতে খুব পছন্দ করতেন। ১৯৬২-৬৪ সালে চট্টগ্রামে থাকাকালে আমার নাম ছিল বাচ্চু। আর ছোটভাই মুহম্মদ জাফর ইকবালের নাম আগে ছিল বাবুল। আর ছোটবোন সুফিয়ার নাম ছিল শেফালি’।

 

বাবার পুলিশের বদলির চাকরির কারণে হুমায়ূন আহমেদ পড়াশুনা করেছেন সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর এবং বগুড়ার বিভিন্ন ইশকুলে। ১৯৬৫ সালে তিনি বগুড়া জিলা ইশকুল থেকে এসএসসি পাস করেন। তখন তিনি রাজশাহী বোর্ডের সম্মিলিত মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এরপর এইচএসসিতে ভর্তি হন ঢাকা কলেজে। ১৯৬৭ সালে তিনি ঢাকা বোর্ডর অধীনে এইচএসসি পাশ করেন। অর্থনীতিতে পড়ার ইচ্ছে থাকলেও পরে তিনি ইচ্ছা পরিবর্তন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নে ভর্তি হন। এবং অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণী লাভ করেন। তিনি মুহসীন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন এবং ৫৬৪ নং কক্ষে তার ছাত্রজীবন অতিবাহিত করেন।

 

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন প্রভাষক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। তখন তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী `তোমাদের জন্য ভালোবাসা’ লেখেন। পরে ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে একজন লেকচারার হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে পলিমার কেমিস্ট্রিতে পিএইচডি করার জন্য তিনি আমেরিকার নর্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে যান। দুই বছর সেখানে পিএইচডি করার পর আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। ১৯৯০ সালে তিনি লেখালেখিতে বেশি মনোযোগ দেবার জন্য শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন।

 

১৯৭৩ সালে হুমায়ূন আহমেদ বিয়ে করেন প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খানের নাতনী গুলকেতিনকে। তাদের তিন মেয়ে বিপাশা আহমেদ, নোভা আহমেদ, শীলা আহমেদ এবং এক ছেলে নুহাশ আহমেদ। তাদের একটি পুত্রসন্তান অবশ্য অকালে মারা যায়। ২০০৩ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। ২০০৫ সালে তিনি আবার বিয়ে করেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনকে। তাদের দুই ছেলে নিশাদ ও নিনিত। তাদের প্রথম কন্যাসন্তান অবশ্য অকালে মারা যায়।

 

হুমায়ূন আহমেদের প্রথম টেলিভিশান নাটক `প্রথম প্রহর’। এটি পরিচালনা করেন নওয়াজেশ আলি খান। আর এটি প্রচারিত হয় ১৯৮৩ সালে। তারপর তার নাটকে জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। তার প্রথম টেলিভশান ধারাবাহিক `এই সব দিন রাত্রী’। এটি সর্বমহলে জনপ্রিয়তা পেলে তারপর আসে তার জনপ্রিয় কৌতুক ধারাবাহিক `বহুব্রীহি’। তারপর আসে ঐতিহাসিক ধারাবাহিক `অয়োময়’। এবং নাগরিক ধারাবাহিক `কোথাও কেউ নেই’। `কোথাও কেউ নেই’-এর `বাকের ভাই’ একটি জনপ্রিয় চরিত্র। এরপর তিনি লেখেন সবচেয়ে জনপ্রিয় দীর্ঘ ধারাবাহিক `নক্ষত্রের রাত’।

 

মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী অবলম্বনে হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র `আগুনের পরশমনি’। এটিতে তিনি চলচ্চিত্রে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। এটিতে তিনি সেরা পরিচালক ও সেরা ছায়াছবি পুরস্কার সহ আটটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পান। মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী অবলম্বনে হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত দ্বিতীয় চলচ্চিত্র `শ্যামল ছায়া’। এটি অস্কার পুরস্কারের বিদেশী ভাষার ফিল্মের জন্য বাংলাদেশ থেকে নমিনেশান পায়। হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলো হল: `শঙ্খনীল কারাগার’, `আগুনের পরশমনি’, `শ্রাবণ মেঘের দিন’, `দুই দুয়ারী’, `চন্দ্রকথা’, `নয় নম্বর বিপদ সংকেত’, `আমার আছে জল’, `নিরন্তর’, `প্রিয়তমেষু’, `দারুচিনি দ্বীপ’, `শ্যামল ছায়া’ ও `ঘটুপুত্র কমলা’। এরমধ্যে ২০১২ সালে ৮৫তম অস্কার পুরস্কারের বিদেশী ভাষার ফিল্মের জন্য বাংলাদেশ থেকে নমিনেশান পায় তার `ঘেটুপুত্র কমলা’।

 

`নন্দিত নরকে’-এর জন্য হুমায়ূন আহমেদ ১৯৭৩ সালে পান `লেখক শিবির পুরস্কার’। ১৯৮১ সালে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান। ১৯৮৩ সালে পান শিশু একাডেমী পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে পান জয়নুল আবেদীন গোল্ড মেডেল। ১৯৮৭ সালে পান মাইকেল মধুসূদন পদক। ১৯৮৮ সালে পান বাকসাস পুরস্কার। ১৯৯০ সালে পান হুমায়ুন কাদের স্মৃতি পুরস্কার। ১৯৯৩ ও ১৯৯৪ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৯৯৪ সালে পান একুশে পদক। এবং ২০০৭ সালে পান সেলটেক পদক।

 

কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ নাকি চলচ্চিত্র পরিচালক হুমায়ূন আহমেদ কোনটা তার বড় পরিচয়? দুটো শাখায় তিনি সমান জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। পারিবারিক জীবনের কিছু অঘটন থাকলেও সারা জীবন হুমায়ূন আহমেদ রাজপুত্তুরের মতো জীবন যাপন করেছেন।

 

জন্মদিনের নানা আয়োজন

প্রতি বছরের মতো এবারও হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে নুহাশপল্লী সাজবে ভিন্ন সাজে। আজ সন্ধ্যায় মোমবাতি দিয়ে পুরো নুহাশপল্লীকে সাজানো হবে।

 

এ প্রসঙ্গে মেহের আফরোজ শাওন বলেন, মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে স্মরণ করা হবে হুমায়ূন আহমেদকে। হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে থাকতে প্রতিবছরই পরিবারের সবাই মিলে তার জন্মদিনে নুহাশপল্লীতে মোমবাতি প্রজ্বলন করা হতো। সে ধারাবাহিকতায় এবারও মোমবাতি প্রজ্বলন করা হবে। তবে হরতালের কারণে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী শাওন ও তার সন্তানরা নুহাশপল্লীতে যাচ্ছেন না। মোমবাতি প্রজ্বলন ছাড়াও আজ বিকালে সেখানে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

 

হুমায়ূনের নিজ হাতে গড়া শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠেও থাকছে হুমায়ূন স্মরণে নানা আয়োজন। শাওনের ব্যক্তিগত সহকারী মো. ইব্রাহীম বলেন, স্যারের জন্মদিনে তার প্রতিষ্ঠিত স্কুলে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি শ্রেণীকক্ষেই হুমায়ূন আহমেদের জীবনদর্শন শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হবে। মিলাদ মাহফিলে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ কলামিস্ট এমএ সালেহ চৌধুরী, গভর্নিং বোর্ডের সদস্যসহ সব শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকবেন। উল্লেখ্য, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে প্রায় ৩ একর জায়গার ওপর ১৯৯৬ সালে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠা করেন হুমায়ূন আহমেদ।

 

আজ হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিনে তার স্মৃতিবিজড়িত নানার বাড়ি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় ‘হুমায়ূন চত্বর’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। স্থানীয় সংগঠন ‘মুক্তস্বর’-এর উদ্যোগ ‘হুমায়ূন চত্বর’-এ হুমায়ূন আহমেদের একটি স্মারক ভাস্কর্য, মিলনায়তন, সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র ও একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। ‘হুমায়ূন চত্বর’-এর জন্য নির্বাচিত জায়গাটি দিচ্ছেন হুমায়ূন আহমেদের ছোট মামা মোহনগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহবুবুন্নবী শেখ। এ  প্রসঙ্গে শাওনের ব্যক্তিগত সহকারী মো. ইব্রাহীম বলেন, হূমায়ূন স্যারের মামাবাড়ির সামনে চত্বরটি হবে। এখানে শিয়ালজানী খালের একটা অংশ লেক আকারে সাজানো হবে এবং একটা লাইব্রেরি ও সাংস্কৃতিক মিলনায়তন গড়ে তোলা হবে। হুমায়ূন স্যারের মামা মাহবুবুন্নবী শেখ এজন্য জমি দান করেছেন। এছাড়াও হুমায়ুনের জন্মদিনে বিভিন্ন সংগঠন নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে হুমায়ূন ভক্তদের ফেসবুকভিত্তিক সংগঠন ‘হিমু পরিবহন’ আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠান।

1

৬৯৩ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
সর্বমোট পোস্ট: ৩১ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ০ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৩-০৯-২৫ ১১:৫৫:১৮ মিনিটে
banner

৮ টি মন্তব্য

  1. শাহ্‌ আলম শেখ শান্ত মন্তব্যে বলেছেন:

    শুভ কামনা ।

  2. আমির হোসেন মন্তব্যে বলেছেন:

    হুমায়ুন আহমেদের জন্মদিনে আমার পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকুক যুগ যুগ ধরে।

  3. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    আপনার লেখা হতে অনেক কিচু জানতে পারলাম সুন্দর শেয়ারের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে

    শুভ জন্মদিন আমার প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ

    আল্লাহ আপনাকে বেহেশত নসীব করুন

  4. ওয়াহিদ উদ্দিন মন্তব্যে বলেছেন:

    শুভ জন্মদিন।

    পোস্টের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

  5. আরজু মূন মন্তব্যে বলেছেন:

    প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদ কে নিয়ে লেখা পোস্ট টির জন্য ধন্যবাদ। শুভ কামনা থাকলো অসংখ্য।

  6. দীপঙ্কর বেরা মন্তব্যে বলেছেন:

    Onek ojana janlam , shrodhanjoli

  7. খাদিজাতুল কোবরা লুবনা মন্তব্যে বলেছেন:

    শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা এই গুণীর জন্য…

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top