Today 21 Jul 2019
banner
নোটিশ
ব্লগিং করুন আর জিতে নিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটের রিটার্ন বিমান টিকেট! প্রত্যেক প্রদায়কই এটি জিতে নিতে পারেন। আরও আছে সম্মানী ও ক্রেস্ট!
banner

শুভ হোক নববর্ষ

লিখেছেন: সহিদুল ইসলাম | তারিখ: ৩১/১২/২০১৪

এই লেখাটি ইতিমধ্যে 765বার পড়া হয়েছে।

ইংরেজি নববর্ষ আসে ডিসেম্বরের থার্টি ফাস্ট নাইটে, সুতরাং আজ মধ্য রাত NEW YEARথেকেই শুরু হবে ইংরেজি নববর্ষ। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই তাদের স্ব-স্ব রীতিতে নববর্ষ পালন করে থাকে। তবে অনেক দেশেরই নিজস্ব কোন নববর্ষ নেই। বিশ্বের সকল দেশের সন গণনার সাথে কোন না কোন ঘটনা জড়িত আছে। কোন কোন ঘটনা আমরা হয়ত জানি, আবার কোন ঘটনা হয়ত জানিনা। যেমন – যীশু খৃস্টের জন্মদিন থেকে গণনা শুরু হয় খৃস্টাব্দ।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর তিরোধানের পর ইসলামের দ্বিতীয় খলীফা হযরত উমর (রা.) এর সময়কালে হযরত আলী (রা.) এর প্রস্তাবে মহানবী (সা.) এর হিজরতের দিন থেকে হিজরী সন গণনা শুরু হয়।

সম্রাট আকবরের নির্দেশে ৯৯৮ হিজরী মোতাবেক ১৫৮৫ খৃস্টাব্দে ফসলী সনের প্রবর্তন করা হয়। যেহেতু বঙ্গ অঞ্চলের জন্যই এই ফসলী সনের প্রবর্তন, সেহেতু পরবর্তীতে এর নাম দেয়া হয় বঙ্গাব্দ বা বাংলা সন। আর এই বঙ্গাব্দের গণনা শুরু হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহনের বছরকে ভিত্তি ধরে, আর সেটা ছিল ৯৬৩ হিজরী মোতাবেক (১৪ ফেব্রুয়ারী) ১৫৫৬ সালে।

জানুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকে শুরু হয় ইংরেজি নববর্ষ। ইংরেজরা এই দিনটাকে স্মৃতিতে ধরে রাখার জন্য নানা আনন্দ উৎসব করে থাকে। সারা বছর যেন ভালোভাবে যায় এজন্য তারা চার্চে গিয়ে, কেউবা বাড়িতে, পরিবারের সঙ্গে কিংবা আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মিলেমিশে প্রার্থনা করে থাকে।
পাশ্চাত্যদের এই ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করতে যেন আজ গোটা বিশ্বই উন্মাদ। বাংলাদেশেও আজকাল এমনটি হচ্ছে। আমাদের তরুণ-তরুণীরা বিজাতীয় সংস্কৃতিকে নিজের মনে করে এমন উন্মত্ততায় মেতে উঠে যে, তখন পুলিশ এসে তাদের নিবৃত্ত করে। তখন শ্লীল এবং অশ্লীলে আর বাছ বিচার থাকে না। এটা যে কেবল ইদানীং বাংলাদেশেই ঘটছে তা নয়, গোটা বিশ্বকেই যেন এ নেশায় পেয়ে বসেছে।

ইংরেজি নববর্ষের ইতিহাসঃ
পৃথিবীতে সবচেয়ে পুরনো পালনকৃত উৎসবগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে নববর্ষ উদ্যাপন। হযরত ঈসা (আ)-এর জন্মের প্রায় ২০০০ বছর আগে বসন্ত শুরুর পর যেদিন আকাশে প্রথম নতুন চাঁদ উঠত সে দিনকে নতুন বর্ষের প্রথম দিন হিসেবে গণ্য করা হতো।
আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগের কথা। প্রাচীনকালে ইরাকে যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, তাকে বলা হয় মেসোপটেমিয়ান সভ্যতা। এই সভ্যতাকে আবার কয়েকটা যুগে ভাগ করা হয়েছে, প্রথম যুগের নাম সুমেরিয় সভ্যতা, আর দ্বিতীয় যুগকে বলা হয় ব্যাবিলনিয় সভ্যতা। ব্যাবিলন শহরকে ঘিরে গড়ে উঠেছিলো এই সভ্যতা। আর সেই সভ্যতাতেই প্রথম নতুন বছর উদযাপন করা শুরু হয়। শুরুতে উৎসবটা ১জানুয়ারি পালিত হতো না। ওরা শীতকাল শেষ হলে বসন্ত কালের প্রথম দিনটিতে নিউ ইয়ার পালন করতো। বসন্তের প্রথম দিন ওরা চিহ্নিত করত চাঁদ দেখে। বসন্তের প্রথম চাঁদ উঠলেই ওরা টানা ১১ দিন আনন্দ-উৎসব করত।
ওদের এই নববর্ষ রোমানরাও পালন করতো। তবে ওরা ততোদিনে ক্যালেন্ডারও আবিষ্কার করে ফেলেছে। তবে ক্যালেন্ডার থাকলেও চাঁদ দেখতেই হিসাব হতো, কারণ প্রথমদিকে ওদের ক্যালেন্ডারে তারিখ বলে কিছু ছিলোই না, মাস হিসেব করা হতো চাঁদ দেখে দেখে।

রোমানরা আগে উৎসব করতো পহেলা মার্চ, হঠাৎ যখন নুমা পন্টিলাস কর্তৃক ঘোষণা করা হলো, এখন থেকে উৎসব হবে ০১ জানুয়ারি, সবাই তা মেনে নেয়নি। পুরোনো রীতি-নীতির প্রতি ভালোবাসা এবং অন্যান্য অনেক কারণে ওরা আগের মতো মার্চেই উৎসব পালন করতো। তাই নুমা পন্টিলাস জানুয়ারিকে প্রথম বছর বানালেও তখনো পহেলা মার্চেও অনেকে নববর্ষের উৎসব করতো। জুলিয়াস সিজার নামে এক বিখ্যাত ও জাঁদরেল শাসক ছিল, তার কথার অমান্য করার কেউ ছিল না। তার শাসন আমল থেকেই ১ জানুয়ারি নববর্ষ পালিত হয়ে আসছে।

এই সম্রাট সিজারের নামে অনুসারে তখনকার সেই ক্যালেন্ডারটার নাম জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। আমরা এখন যে ক্যালেন্ডারটা ব্যবহার করি, যে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নববর্ষ পালন করি, সেটার নাম গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। পোপ গ্রেগরির পক্ষে অ্যালোসিয়াস লিলিয়াস নামের এক ডাক্তার সিজার এইক্যালেন্ডারটি সংশোধন করে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। এখন সারা পৃথিবীতে প্রায় সব জাতিই এই ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে। এই ক্যালেন্ডার আমাদের কাছে ইংরেজি ক্যালেন্ডার আর এই নববর্ষ আমাদের কাছে ইংরেজি নববর্ষ নামে পরিচিত। বিশ্বের সকল দেশ একই দিন বা সাল থেকে এই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দিন গণনা শুরু করেননি। কোন দেশ কবে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে শুরু করে তার একটি বিবরণ দেয়া হলঃ

১৫৮২ স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি, ফ্রান্স,
১৫৮৩ অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ড, জার্মানি (কিছু অংশ), সুইজারল্যান্ড,
১৬১০ জার্মান সাম্রাজ্য (প্রুশিয়া),
১৭৫২ বৃটেন ও বৃটিশ সাম্রাজ্য,
১৭৫৩ সুইডেন,
১৮৭৩ জাপান ,
১৮৭৫ মিশর ,
১৮৯৬ কোরিয়া ,
১৯১২ চিন ,
১৯১৬ বুলগেরিয়া ,
১৯১৮ রাশিয়া ,
১৯১৯ রোমানিয়া, যুগোশ্লাভিয়া ,
১৯২৩ গ্রিস ,
১৯২৬ তুরস্ক।

বিভিন্ন ভাষায় নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তাঃ
নতুন বছরে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা বাংলায় বলি “শুভ নববর্ষ”। ইংরেজিতে বলা হয় “হ্যাপি নিউ ইয়ার”। আসুন আমরা বিশ্বের কয়েকটি ভাষায় নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তা ( বিভিন্ন ব্লগ থেকে সংগৃহীত) জেনে নিই।

আরবি : কুল আম আনতুম সালিমুন,
চাইনিজ : চু সেন তান ,
ফ্রেঞ্চ : বন্নে আন্নি ,
জার্মান : প্রোসিট নেউজার,
হিন্দি : নয়া সাল মোবারক,
রাশিয়ান : এস নোভিম গুদুম,
স্প্যানিশ : ফেলিজ আনো নিউভো,
উর্দু : খোশ আমদেদ নয়া সাল,
ডাচ : গুল্লুকিগ নাইয়ো যার,
ইতালিয়ান : বুয়োন কাপোডান্নো,
পর্তুগিজ : ফেলিজ আনো নিউভো,
ভিয়েতনামিজ : চুং চুক তান জুয়ান,
টার্কিশ : ইয়েনি ইয়েলিনিজ কুটলু ওলসান,
জাপানিজ : আকেমাশিতে ওমেডেতু গোজাইমাসু,
সুইডিশ : গট নিট আর।

ইসলামি শরীয়া অনুযায়ী নববর্ষ পালনঃ

হযরত ইমাম আবু হাফস কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নওরোজ বা নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে তা বরবাদ হয়ে যাবে।

হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে, সে তাদের দলভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” (সুনানে আহমদ, সুনানে আবূ দাউদ)

ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় সকল নববর্ষের প্রবর্তকই বিধর্মীরা। ইসলাম নববর্ষ পালনকে কখনোই স্বীকৃতি দেয় না।

কবি শামসুর রাহমানের ভাষায়, ‘আমরা যখন ঘড়ির দুটো কাঁটার মতো/ মিলি রাতের গভীর যামে/ তখন জানি ইতিহাসের ঘুরছে চাকা/ পড়ছে বোমা ভিয়েতনামে।’ আজ আমরা কি দেখছি? পেট্রলবোমায় পোড়া মানুষগুলো কাতরাচ্ছেন বার্ন ইউনিটে, ককটেলে উড়ে যাওয়া চোখ দিয়ে জল গড়ছে কোনো শিশুর, এই বাংলাদেশে। এই যে হাহাকার- আর্তনাদ, কেউ যেন শোনার নেই। একটি গোষ্ঠী আজ চক্রান্ত করে দেশকে অশান্তিতে ভরে দিচ্ছে তাই আসুন আমরা নববর্ষের নামে অপসংস্কৃতি, কুসভ্যতা, অশালীনতা এবং বেহায়াপনা মেতে না উঠে সবাই হাতে হাত রেখে শপথ করি, ২০১৫ সালকে আমরা শান্তিতে ভরে দিব, আর একটি ভাই-বোনের গায়ে আমরা পেট্রোল বোমা মারবো না। গুলিতে যেন আর একটি প্রাণও না হারাতে হয়। আগামী দিনগুলিতে পৃথিবীর সকলের জীবন অনাবিল প্রশান্তিতে ভরে উঠুক এই কামনা রইল।

মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
Sahidul_77@yahoo.com

৭৪৪ বার পড়া হয়েছে

লেখক সম্পর্কে জানুন |
আমার পরিচিতিঃ আমি, মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম, পিতাঃ ডাঃ মোঃ সফি উদ্দিন, ১৯৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী, আমার জন্ম-ঢাকা জেলার ধামরাই থানার বেলীশ্বর গ্রামে নানা আলী আজগর মুন্সির বাড়ীতে । পৈত্রিক নিবাস, ঢাকা জেলার ধামরাই থানার অর্জ্জুন-নালাই গ্রামে, কিন্তু বাবার চাকরী জনিত কারনে আমি ছোটবেলা থেকেই মানিকগঞ্জ জেলার, সাটুরিয়া থানার বরুন্ডী গ্রামে বড় হই। বর্তমানে এই গ্রামেই আমি স্থায়ী ভাবে বসবাস করছি। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে আমি বাবা-মার প্রথম সন্তান। আমার লেখাপড়া শুরু হয় উমানন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং এই বিদ্যালয় থেকে ৪র্থ শ্রেণী ও বরুন্ডী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করি, পরে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মঞ্জুরীকৃত ধানকোড়া গিরীশ ইনস্টিটিউশন (হাই স্কুল) হতে ১৯৯২ সালে সাফল্যের সহিত এস,এস,সি পরীক্ষা পাশ করি । সরকারী দেবেন্দ্র কলেজ হতে ১৯৯৪ সালে আই,কম, ১৯৯৬ সালে বি,কম এবং একই কলেজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়_বাংলাদেশের অধীনে ১৯৯৮ সালে ব্যবস্থাপনা বিষয়ের উপর এম,কম সমাপ্ত করি। এম,কম শেষ পর্বের পরীক্ষা শেষ করার আগেই আমি ১৯৯৮ সালে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করি এবং চাকুরীরত অবস্থায় এম,কম সমাপনী পর্ব সাফল্যের সাথে সমাপ্ত করি। ২০০৮ সাল পর্যন্ত আমি বিভিন্ন বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করি। ২০০৯ সাল হতে আগস্ট/২০১৪ সাল পর্যন্ত জুরং শিপইয়ার্ড_ সিঙ্গাপুরে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে এবং সেপ্টেম্বর/২০১৪ হতে অদ্যাবধি প্রজেক্ট সুপারভাইজার হিসেবে _ স্যাম্বক্রপ মেরিন_সিঙ্গাপুরে কাজ করছি। আমি ছোটবেলা থেকে লেখালেখি করি । মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের আবহমান বাংলা ম্যাগাজিনে প্রথম লেখা শুরু। আমি গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ( রাজনৈতিক এবং সমসাময়িক) এবং উপন্যাস লেখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আধুনিক বা সাম্প্রতিক পটভূমিকা নিয়ে লেখাই হল আমার অভিগমন। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা আমার মনকে সর্বাধিক ক্ষতবিক্ষত করে। আমার প্রথম প্রকাশিত বইয়ের নাম “আবীর”। যৌথভাবে আমার প্রকাশিত বই ১০০ কবির প্রেমের কবিতা ২য় এবং ৩য় খণ্ড। আমি দেশ এবং বিদেশের বেশ কিছু অনলাইন এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় নিয়মিত গল্প, কবিতা এবং উপন্যাস লিখছি_ এর মধ্যে রয়েছে _ বাংলারকন্ঠ (সিঙ্গাপুর), দৈনিক সিলেটের আলাপ, আমাদের কিশোরগঞ্জ, বাংলারকন্ঠ(অস্টেলিয়া), সাভার নিউজ ২৪ ডট কম, সংবাদ ২৪ ডট নেট, প্রিয় ডট কম, রাঙ্গুনিয়া ২৪ ডট কম, এবি নিউজ২৪, বিবেকবার্তা ডট কম, বাংলা কবিতা ডট কম, বিডি নিউজ ২৪ ডট কম, গল্প কবিতা ডট কম ইত্যাদি। মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম Sahidul_77@yahoo.com
সর্বমোট পোস্ট: ১৪৪ টি
সর্বমোট মন্তব্য: ২৫৩৫ টি
নিবন্ধন করেছেন: ২০১৪-১০-১১ ১৭:০২:১৬ মিনিটে
Visit সহিদুল ইসলাম Website.
banner

৩ টি মন্তব্য

  1. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।
    সকলের জীবন শান্তিতে ভরে উঠুক , এই প্রত্যাশায়।
    সহিদুল
    সিঙ্গাপুর

  2. এই মেঘ এই রোদ্দুর মন্তব্যে বলেছেন:

    শুভ হউক সুন্দর বছর

    সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা

  3. সহিদুল ইসলাম মন্তব্যে বলেছেন:

    বিশেষ করে আপিকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ।

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে লগিন করুন.

go_top